সিতাই ব্লকের কেশরিবাড়িতে এক বাড়িতে টোটো চুরি, চাঞ্চল্য এলাকায়! রাতের অন্ধকারে, বাড়িতে রাখা একটি টোটো চুরি যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল সিতাই ব্লকের কেশরিবাড়ি গ্রামে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রামের বাসিন্দা আমিনুর মিঞার বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার একটি টোটো কিনেছিলেন আমিনুর মিঞা। এর জন্য ৩৭ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সঙ্কট দূর করতে তাঁর ছেলে নবির হোসেন মিঞা ওই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। অভিযোগ, রাত প্রায় তিনটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা বাড়ির পিছনের টিন কেটে ভিতরে ঢোকে। এরপর সামনের গেটের তালা ভেঙে টোটোটি নিয়ে চম্পট দেয়। চোরেরা এতটাই পরিকল্পিতভাবে চুরি করে যে, বাড়ির কেউই বিষয়টি টের পাননি। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারটি। আমিনুর মিঞা জানিয়েছেন, তিনি শীঘ্রই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন।
সিতাই ব্লকের কেশরিবাড়িতে এক বাড়িতে টোটো চুরি, চাঞ্চল্য এলাকায়! রাতের অন্ধকারে, বাড়িতে রাখা একটি টোটো চুরি যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল সিতাই ব্লকের কেশরিবাড়ি গ্রামে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রামের বাসিন্দা আমিনুর মিঞার বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার একটি টোটো কিনেছিলেন আমিনুর মিঞা। এর জন্য ৩৭ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সঙ্কট দূর করতে তাঁর ছেলে নবির হোসেন মিঞা ওই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। অভিযোগ, রাত প্রায় তিনটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা বাড়ির পিছনের টিন কেটে ভিতরে ঢোকে। এরপর সামনের গেটের তালা ভেঙে টোটোটি নিয়ে চম্পট দেয়। চোরেরা এতটাই পরিকল্পিতভাবে চুরি করে যে, বাড়ির কেউই বিষয়টি টের পাননি। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারটি। আমিনুর মিঞা জানিয়েছেন, তিনি শীঘ্রই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন।
- রাতের অন্ধকারে, বাড়িতে রাখা একটি টোটো চুরি যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল সিতাই ব্লকের কেশরিবাড়ি গ্রামে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গ্রামের বাসিন্দা আমিনুর মিঞার বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, প্রায় আট মাস আগে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার একটি টোটো কিনেছিলেন আমিনুর মিঞা। এর জন্য ৩৭ হাজার টাকা ডাউন পেমেন্ট দিয়েছিলেন তিনি। পরিবারের আর্থিক সঙ্কট দূর করতে তাঁর ছেলে নবির হোসেন মিঞা ওই টোটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। অভিযোগ, রাত প্রায় তিনটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা বাড়ির পিছনের টিন কেটে ভিতরে ঢোকে। এরপর সামনের গেটের তালা ভেঙে টোটোটি নিয়ে চম্পট দেয়। চোরেরা এতটাই পরিকল্পিতভাবে চুরি করে যে, বাড়ির কেউই বিষয়টি টের পাননি। ঘটনার পর থেকেই আতঙ্ক ও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারটি। আমিনুর মিঞা জানিয়েছেন, তিনি শীঘ্রই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন।1
- *শীতলখুঁচিতে সিপিআইএম-এর উদ্যোগে মে দিবস পালন, উপস্থিত জেলা ও ব্লকের শীর্ষ নেতৃত্ব*। আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস উপলক্ষে কোচবিহারের শীতলখুঁচি দলীয় কার্যালয়ে মর্যাদার সঙ্গে মে দিবস পালন করল ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে ভিড় জমান পার্টি কর্মী-সমর্থকরা। সকাল ৯টায় রক্তপতাকা উত্তোলন ও শিকাগো শহিদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। এরপর শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আন্তর্জাতিক শ্রমিক আন্দোলনের তাৎপর্য ও বর্তমান সময়ে শ্রমিক-কৃষকের লড়াইয়ের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শীতলখুঁচি এরিয়া কমিটির সম্পাদক আকবর আলী মিঞা, জেলা কমিটির সদস্য গোবিন্দ বর্মন, ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির সদস্য আসমত আলী মিঞা, প্রাক্তন বিধায়ক হরিশ বর্মন ও প্রবীণ নেতা নুরুদ্দিন মিঞা। এছাড়াও ব্লক ও শাখা স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। সভায় এরিয়া সম্পাদক আকবর আলী মিঞা বলেন, "মে দিবস শুধু ছুটির দিন নয়, শ্রমিক শ্রেণির অধিকার আদায়ের শপথের দিন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের শ্রমিক-বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই আরও জোরদার করতে হবে।" প্রাক্তন বিধায়ক হরিশ বর্মন তাঁর বক্তব্যে ১০০ দিনের কাজে বকেয়া মজুরি প্রদান, চা-বাগান ও ক্ষেতমজুরদের ন্যূনতম মজুরি ৬০০ টাকা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ বন্ধের দাবি তোলেন। ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের রাজ্য কমিটির সদস্য আসমত আলী মিঞা বলেন, "গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষ আজ কাজের অভাবে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতি বদলাতে সংগঠিত আন্দোলনই একমাত্র পথ।" শেষে উপস্থিত সকলে শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে শ্রমজীবী মানুষের পাশে থাকার শপথ নেন। আন্তর্জাতিক সঙ্গীত ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতলখুঁচি ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চল ও শাখা কার্যালয়েও এদিন মে দিবস পালিত হয়েছে।1
- ABC1
- শীতলকুচির গোঁসাইরহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের খেঙচি এলাকায় বট আর পাকুড়ের বিয়েতে মাতল গোটা গ্রাম। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের এক যুগল পুত্র সন্তান কামনায় বট ও পাকুর গাছের বিয়ের আয়োজন করেছে। এদিন পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণ, শঙ্খধ্বনি আর মহিলাদের উলুধ্বনিতে চারদিকের পরিবেশ এক মায়াবী রূপ ধারণ করে। বিয়ে শেষে আমন্ত্রিতদের খাওয়াদাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। @sitalKuchi1
- আগামী ১৬ই মে কোচবিহার শহরের রাজপথে আয়োজিত হতে চলা মহা-মিছিল এবং রাসমেলা ময়দানের বৈদিক জনসভাকে ঐতিহাসিক রূপ দিতে কোমর বেঁধে নামল 'সন্তান দল'। শুক্রবার দিনহাটা মহকুমার অন্তর্গত গোসানিমারি ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের চাউলের কুটি গ্রামে সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মীসভা সম্পন্ন হলো। সভার মূল লক্ষ্য: আগামী ১৬ই মে-র কর্মসূচিকে সফল করতে চাউলের কুটি গ্রাম থেকে রেকর্ড সংখ্যক কর্মী-সমর্থকদের কোচবিহারে নিয়ে যাওয়াই এই সভার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। সভায় উপস্থিত নেতৃত্বরা বৈদিক জনসভার গুরুত্ব এবং আদর্শগত লড়া1
- ডাকাতির চেষ্টাকে বানচাল করে দিল বানারহাট থানার পুলিশ, গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরোও এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতরা মাদক কারবার ও অন্যান্য অসামাজিক কাজের সাথেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত হয়েছে বলে বানারহাট থানা সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে ২৮শে এপ্রিল বানারহাট থানায় হওয়া একটি কেসের ভিত্তিতে ডাকাতির জন্য জমা হওয়া, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এই অভিযোগে বানারহাটের শান্তিপাড়ার নিবাসী সঞ্জয় শীল ওরফে গদো এবং সাদ্দাম আনসারি'কে সেই দিনই গ্রেফতার করা হয়। এই দুজনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে চামুর্চী থেকে শেখর তামাং ওরফে লালা'কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে দুটা বড় ধারালো দা ও একটা ছোট চাকু উদ্ধার হয়। তিনজনকেই বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি আদালতে পাঠানো হয়েছে। থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্মের পাশাপাশি অভিযুক্তেরা ব্রাউন সুগার ও মাদক কারবারের সাথেও যুক্ত ছিলেন। এই অভিযুক্তদের সাথে স্থানীয় ও ভিন জেলার আরোও অনেকে মাদক কারবারে জড়িত রয়েছে। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তরা ফালাকাটা, বীরপাড়া, চামুর্চী, বান্দাপানি এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্ম চালাত। জেরায় অভিযুক্তদের থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে মাদক পাচার চক্রের অন্যান্য অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷1
- *সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের স্ট্রংরুম পরিদর্শন | ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী কি বললেন1
- *দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে মৃত্যু দুই ভাইয়ের, শোকের ছায়া শীতলখুঁচিতে* দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের জলে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যু হলো দুই ভাইয়ের। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলখুঁচি ব্লকের পূর্ব শীতলখুঁচির রথের ডাঙ্গা বোনচুকি পাড়া এলাকায়। মৃত দুই ভাই হলেন আসাদুল মিঞা (১৩) ও হাসানুর মিঞা (১)। তাঁদের বাড়ি দিল্লির গাজিয়াবাদে। বাবা ঐদুল মিঞা দিল্লিতে গাড়ি চালায় ও মা হাসিনা বিবির সঙ্গে তারা কয়েকদিন আগেই দাদু মজিবর মিঞার বাড়ি পূর্ব শীতলখুঁচি বোনচুকি পাড়া রথের ডাঙ্গায় বেড়াতে এসেছিল। শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরের ধারে খেলছিল দুই ভাই। পরিবারের দাবি, খেলতে খেলতে স্নান করতে নামে দুই ভাই অসাবধানতাবশত পুকুরের জলে তলিয়ে যায় তারা। অনেকক্ষণ দু’জনকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে পুকুর থেকে দু’জনকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করে শীতলখুঁচি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন এই ঘটনায় গোটা বোনচুকি পাড়া এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। দাদুর বাড়িতে কালকেই ছুটিতে আসা দুই নাতির এমন মর্মান্তিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা হাসিনা বিবি ও দাদু মজিবর মিঞা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুকুরটির চারপাশে কোনও বাঁধ বা রেলিং নেই। বর্ষার আগে থেকেই এলাকার শিশুদের জন্য এটি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শীতলখুঁচি থানার পুলিশ। মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাথাভাঙ্গা মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে পুকুরের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরির দাবি তোলা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা না ঘটে।1