“দাদাগিরি আর নয়” —শহর শিলিগুড়ির এই ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে সিন্ডিকেট ভাঙতে মাঠে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী-সমর্থকরা। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল, নানা ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হতে হচ্ছে তাঁদের। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রাজ্যজুড়ে সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি। তারই অংশ হিসেবে সোমবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় সংলগ্ন ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত হয়ে তথাকথিত সিন্ডিকেট কার্যকলাপ বন্ধ করার পদক্ষেপ নেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, টিকিট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং সাধারণ মানুষকে নানা ভাবে হয়রানির ঘটনা ঘটছিল। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যজুড়ে স্বচ্ছ প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই ধরনের সিন্ডিকেট কার্যকলাপ আর চলতে দেওয়া হবে না। দার্জিলিং মোড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে যে সিন্ডিকেট চলছিল, তা বন্ধ করতে এদিন তাঁরা সরাসরি পদক্ষেপ নেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল পুলিশ প্রশাসনও। পুলিশের উপস্থিতিতেই শান্তিপূর্ণভাবে সিন্ডিকেট বন্ধের এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয় বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিষেবা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চলছে, যা আগামী দিনেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অব্যাহত থাকবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালেও, অনেক সাধারণ মানুষ বিজেপির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের আশা, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
“দাদাগিরি আর নয়” —শহর শিলিগুড়ির এই ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে সিন্ডিকেট ভাঙতে মাঠে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী-সমর্থকরা। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল, নানা ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হতে হচ্ছে তাঁদের। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রাজ্যজুড়ে সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি। তারই অংশ হিসেবে সোমবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় সংলগ্ন ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত হয়ে তথাকথিত সিন্ডিকেট কার্যকলাপ বন্ধ করার পদক্ষেপ নেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, টিকিট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং সাধারণ মানুষকে নানা ভাবে হয়রানির ঘটনা ঘটছিল। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যজুড়ে স্বচ্ছ প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই ধরনের সিন্ডিকেট কার্যকলাপ আর চলতে দেওয়া হবে না। দার্জিলিং মোড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে যে সিন্ডিকেট চলছিল, তা বন্ধ করতে এদিন তাঁরা সরাসরি পদক্ষেপ নেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল পুলিশ প্রশাসনও। পুলিশের উপস্থিতিতেই শান্তিপূর্ণভাবে সিন্ডিকেট বন্ধের এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয় বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিষেবা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চলছে, যা আগামী দিনেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অব্যাহত থাকবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালেও, অনেক সাধারণ মানুষ বিজেপির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের আশা, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।
- “দাদাগিরি আর নয়” —শহর শিলিগুড়ির এই ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে সিন্ডিকেট ভাঙতে মাঠে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেট রাজের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী-সমর্থকরা। দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ছিল, নানা ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হতে হচ্ছে তাঁদের। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রাজ্যজুড়ে সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে উদ্যোগী হয়েছে বিজেপি। তারই অংশ হিসেবে সোমবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির দার্জিলিং মোড় সংলগ্ন ট্যাক্সি স্ট্যান্ড এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত হয়ে তথাকথিত সিন্ডিকেট কার্যকলাপ বন্ধ করার পদক্ষেপ নেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, টিকিট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং সাধারণ মানুষকে নানা ভাবে হয়রানির ঘটনা ঘটছিল। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দাবি, নতুন সরকার গঠনের পর রাজ্যজুড়ে স্বচ্ছ প্রশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই ধরনের সিন্ডিকেট কার্যকলাপ আর চলতে দেওয়া হবে না। দার্জিলিং মোড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে যে সিন্ডিকেট চলছিল, তা বন্ধ করতে এদিন তাঁরা সরাসরি পদক্ষেপ নেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল পুলিশ প্রশাসনও। পুলিশের উপস্থিতিতেই শান্তিপূর্ণভাবে সিন্ডিকেট বন্ধের এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয় বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের স্বার্থে এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিষেবা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চলছে, যা আগামী দিনেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অব্যাহত থাকবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ালেও, অনেক সাধারণ মানুষ বিজেপির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের আশা, সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।1
- বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের পর দার্জিলিং জেলার পানিট্যাঙ্কিতে বিশাল বিজয় মিছিল বের হল। কলকাতা ব্রিগেডে শপথগ্রহণের পর রানিগঞ্জ বিন্নাবাড়ি মন্ডল বিজেপি এই ঐতিহাসিক উল্লাস পালন করে। মিছিল শেষে কর্মীদের জন্য মাছ-ভাতেরও ব্যবস্থা ছিল।1
- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাংবাদিক সম্মেলন........1
- विगत ९ महिना देखि बेपता बनेको नाबालिक इशान गुरुङको न्यायको मांगमा माटोको माया गैरसरकारी संस्थाकाे तर्फबाट प्रेसवार्ता पिछले 9 महीनों से लापता नाबालिग इशान गुरुंग के लिए न्याय की मांग करते हुए माटोको माया NGO ने की प्रेस कॉन्फ्रेंस1
- রাজস্থানের আজমিরে একটি মর্মান্তিক ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে একজন যুবক টাকার জন্য দরগার পবিত্র দেগের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া এই ঘটনা দেখে অনেকেই হতবাক, কেউ বলছেন দারিদ্র্য, কেউ বলছেন সমাজের উদাসীনতা এর কারণ। এই ভিডিও সমাজের গভীর যন্ত্রণাকে তুলে ধরেছে এবং বহু মানুষকে আবেগপ্রবণ করে তুলেছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণের পর ওদলাবাড়িতে বিজেপি এক বিশাল বিজয় মিছিল বের করে। তাঁর সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের দিনে এই উল্লাস যেন গেরুয়া শিবিরে অকাল হোলির মেজাজ নিয়ে আসে।1
- ভিডিও দেখে ভালো লাগলে লাইক শেয়ার কমেন্ট করবেন এবং টেস্টি ফলো করে যাবেন।1
- ফুল বিক্রি করতেই দিতে হচ্ছে ‘তোলা’? চাঞ্চল্য শিলিগুড়ির মহাবীরস্থানে শিলিগুড়ির মহাবীরস্থান ফুলবাজারে তোলাবাজির অভিযোগ, সরব বিজেপি শিলিগুড়ির মহাবীরস্থান ফুলবাজারে তোলাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, দূর-দূরান্ত থেকে আসা বহু ফুল ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিন্তু তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেই অভিযোগ উঠেছে। টাকা না দিলে বাজারে দোকান করতে দেওয়া হয় না বলেও দাবি ব্যবসায়ীদের একাংশের। মূলত ফুল, বেলপাতা, দুব্বা সহ পুজোর সামগ্রী বিক্রি করেই সংসার চালান এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। ফলে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার চাপ তাদের পক্ষে অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠছে বলে জানান তারা। এই অভিযোগ সামনে আসতেই আজ ঘটনাস্থলে পৌঁছান ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী-সমর্থকেরা। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে পুরো বিষয়টি জানার চেষ্টা করেন তারা। পাশাপাশি, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের নাম সংগ্রহ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, খুব শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে এবং বাজারে কোনওরকম তোলাবাজি চলতে দেওয়া হবে না। সাধারণ ব্যবসায়ীদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তারা।1