logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

*উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ* উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। ত্রিপুরার প্রথম “ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা”-এর আওতায় উদয়পুরে প্রস্তাবিত স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে সোমবার উদয়পুর রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে জমির মালিকদের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জমির মালিকদের সঙ্গে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তিনি জানান, উদয়পুরে আধুনিক স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই অনেকটাই এগিয়ে গেছে। এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সহযোগিতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সকলের মতামত গ্রহণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে মোট তিনটি জেলায় অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই প্রকল্পগুলির জন্য প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে গোমতী জেলার উদয়পুরে শুকসাগর জলা এলাকাকে কেন্দ্র করে ব্রহ্মাবাড়ি থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। উদয়পুরের এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, নাগরিক পরিষেবা এবং সামগ্রিক পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। পরিকল্পিত রাস্তা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা, পার্ক ও উদ্যান, উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সহ একটি সুপরিকল্পিত আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠবে উদয়পুর। মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সরকারের প্রয়োজনের জন্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা, মতামত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি গোমতী জেলা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, রাজ্যের প্রস্তাবিত তিনটি স্যাটেলাইট টাউনের মধ্যে গোমতী জেলার প্রকল্পটি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। এই অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি। উল্লেখ্য, ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা-এর মাধ্যমে জমির মালিকদের অংশীদারিত্ব বজায় রেখে পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ফলে উদয়পুর শহরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, উদয়পুরের মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার, টুডার মুখ্য সচিব ধনু মজুমদার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে উদয়পুর শুধু গোমতী জেলার নয়, সমগ্র ত্রিপুরার অন্যতম আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত শহর হিসেবে নতুন পরিচিতি লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

5 hrs ago
user_Press Reporter
Press Reporter
Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
5 hrs ago

*উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ* উদয়পুর শহরকে আধুনিক, পরিকল্পিত ও বিশ্বমানের নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের নেওয়া স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের উদ্যোগ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। ত্রিপুরার প্রথম “ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা”-এর আওতায় উদয়পুরে প্রস্তাবিত স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার বিষয় নিয়ে সোমবার উদয়পুর রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে জমির মালিকদের সঙ্গে দ্বিতীয় পর্যায়ের এক গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত জমির মালিকদের সঙ্গে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তিনি জানান, উদয়পুরে আধুনিক স্যাটেলাইট টাউন নির্মাণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই অনেকটাই এগিয়ে গেছে। এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জমির মালিকদের সহযোগিতা ও মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সকলের মতামত গ্রহণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে মোট তিনটি জেলায় অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এই প্রকল্পগুলির জন্য প্রায় ১,৫০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে গোমতী জেলার উদয়পুরে শুকসাগর জলা এলাকাকে কেন্দ্র করে ব্রহ্মাবাড়ি থেকে মাতাবাড়ি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। উদয়পুরের এই প্রকল্পের জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, স্যাটেলাইট টাউন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উদয়পুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা, রাস্তাঘাট, নাগরিক পরিষেবা এবং সামগ্রিক পরিকাঠামোর ব্যাপক উন্নতি ঘটবে। পরিকল্পিত রাস্তা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, আধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা, পার্ক ও উদ্যান, উন্নত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা সহ একটি সুপরিকল্পিত আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে উঠবে উদয়পুর। মন্ত্রী আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সরকারের প্রয়োজনের জন্য নয়, এটি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত ও সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা, মতামত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি গোমতী জেলা প্রশাসনের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, রাজ্যের প্রস্তাবিত তিনটি স্যাটেলাইট টাউনের মধ্যে গোমতী জেলার প্রকল্পটি অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে। এই অগ্রগতির জন্য জেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি। উল্লেখ্য, ভূমি একত্রিকরণ পরিকল্পনা-এর মাধ্যমে জমির মালিকদের অংশীদারিত্ব বজায় রেখে পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের ফলে উদয়পুর শহরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনারও সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, উদয়পুর পুর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার জেলাশাসক রিঙ্কু লাথের, উদয়পুরের মহকুমা শাসক ত্রিদীপ সরকার, টুডার মুখ্য সচিব ধনু মজুমদার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী দিনে উদয়পুর শুধু গোমতী জেলার নয়, সমগ্র ত্রিপুরার অন্যতম আধুনিক, পরিকল্পিত ও উন্নত শহর হিসেবে নতুন পরিচিতি লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

More news from ত্রিপুরা and nearby areas
  • সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও প্রেস স্টিকারের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন কৈলাসহর, ১৫ সেপ্টেম্বর: সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঊনকোটি জেলায় মাদক ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেটের প্রবেশ রোধে নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন গাড়িতে প্রেস স্টিকারের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার ঊনকোটি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করেন জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।ডেপুটেশনে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে প্রথমেই উঠে আসে সাংবাদিকদের হুমকির বিষয়টি। সম্প্রতি একটি নেশাজাতীয় সামগ্রী আটকের ঘটনা নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের পর ঊনকোটি জেলার সাংবাদিক বিকাশ কাপালি ও নাজমুল হোসেনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় গত ২৯ আগস্ট ফটিকরায় থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে সাংবাদিকরা জানান। তবে এফআইআর দায়েরের পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিষয়টিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ তাঁদের নজরে আসেনি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। দ্রুত তদন্ত করে হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। ডেপুটেশনের দ্বিতীয় দাবিতে ঊনকোটি জেলায় মাদক ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেটের প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিকদের বক্তব্য, বিভিন্ন পথে নিয়মিতভাবে নেশাজাতীয় সামগ্রী ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেট জেলায় প্রবেশের ফলে যুবসমাজের উপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই অবৈধ কারবার রুখতে সীমান্তবর্তী এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলিতে পুলিশের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়।তৃতীয় দাবিতে বিভিন্ন যানবাহনে প্রেস স্টিকারের অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে গাড়িতে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের পরিচয় যাতে অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমের পরিচয়ের অপব্যবহার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা উচিত নয়। একইসঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।এদিনের ডেপুটেশনে সাংবাদিক বিকাশ কাপালি, নাজমুল হোসেন, উত্তম দেব, প্রীয়তোষ দাস, শুভঙ্কর দাস-সহ ঊনকোটি জেলার অন্যান্য কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
    2
    সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও প্রেস স্টিকারের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন

কৈলাসহর, ১৫ সেপ্টেম্বর: সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ঊনকোটি জেলায় মাদক ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেটের প্রবেশ রোধে নজরদারি বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন গাড়িতে প্রেস স্টিকারের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে মঙ্গলবার ঊনকোটি জেলা পুলিশ সুপারের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করেন জেলার কর্মরত সাংবাদিকরা।ডেপুটেশনে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে প্রথমেই উঠে আসে সাংবাদিকদের হুমকির বিষয়টি। সম্প্রতি একটি নেশাজাতীয় সামগ্রী আটকের ঘটনা নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের পর ঊনকোটি জেলার সাংবাদিক বিকাশ কাপালি ও নাজমুল হোসেনকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় গত ২৯ আগস্ট ফটিকরায় থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বলে সাংবাদিকরা জানান। তবে এফআইআর দায়েরের পর থেকে এখনও পর্যন্ত বিষয়টিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ তাঁদের নজরে আসেনি বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। দ্রুত তদন্ত করে হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

ডেপুটেশনের দ্বিতীয় দাবিতে ঊনকোটি জেলায় মাদক ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেটের প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সাংবাদিকদের বক্তব্য, বিভিন্ন পথে নিয়মিতভাবে নেশাজাতীয় সামগ্রী ও অবৈধ বার্মিজ সিগারেট জেলায় প্রবেশের ফলে যুবসমাজের উপর তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এই অবৈধ কারবার রুখতে সীমান্তবর্তী এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথগুলিতে পুলিশের নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানানো হয়।তৃতীয় দাবিতে বিভিন্ন যানবাহনে প্রেস স্টিকারের অপব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে গাড়িতে প্রেস স্টিকার লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক বা বেআইনি কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি প্রকৃত সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের পরিচয় যাতে অপব্যবহৃত না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংবাদ সংগ্রহ ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে কর্মরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া কিংবা সংবাদমাধ্যমের পরিচয়ের অপব্যবহার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা উচিত নয়। একইসঙ্গে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করে যুবসমাজকে নেশার কবল থেকে রক্ষা করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।এদিনের ডেপুটেশনে সাংবাদিক বিকাশ কাপালি, নাজমুল হোসেন, উত্তম দেব, প্রীয়তোষ দাস, শুভঙ্কর দাস-সহ ঊনকোটি জেলার অন্যান্য কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
    user_Rtv Tripura
    Rtv Tripura
    Ayurvedic Practitioner কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    23 min ago
  • মামলা করতে থানায় এসে অসুস্থ! শরীরে আঘাতের চিহ্ন, অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি! মামলা করতে থানায় এসে অসুস্থ! শরীরে আঘাতের চিহ্ন, অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি! কৈলাশহর: শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে থানায় মামলা করতে এসে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক ব্যক্তি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৈলাশহর অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় অসুস্থ ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও অসুস্থতার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
    1
    মামলা করতে থানায় এসে অসুস্থ! শরীরে আঘাতের চিহ্ন, অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি!
মামলা করতে থানায় এসে অসুস্থ! শরীরে আঘাতের চিহ্ন, অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় হাসপাতালে ভর্তি!
কৈলাশহর: শরীরে আঘাতের চিহ্ন নিয়ে থানায় মামলা করতে এসে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক ব্যক্তি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে কৈলাশহর অগ্নিনির্বাপক দপ্তরের সহযোগিতায় অসুস্থ ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও অসুস্থতার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
    user_Tripura Television
    Tripura Television
    Local News Reporter কৈলাশহর, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    10 hrs ago
  • বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ফটিকরায়ের মূর্তী পাড়ায় দেব শিল্পীর মূর্তী নির্মানে ব্যাস্ততা। ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায় এলাকায় বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে রাজনগরের মূর্তি পাড়ায় চলছে মূর্তি নির্মাণে মৃৎ শিল্পীদের চরম ব্যস্ততা।
    1
    বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে ফটিকরায়ের মূর্তী পাড়ায় দেব শিল্পীর মূর্তী নির্মানে ব্যাস্ততা।
ত্রিপুরার ঊনকোটি জেলার ফটিকরায় এলাকায় বিশ্বকর্মা পূজা উপলক্ষে রাজনগরের মূর্তি পাড়ায় চলছে মূর্তি নির্মাণে মৃৎ শিল্পীদের চরম ব্যস্ততা।
    user_JOHNNY BHATTACHARJEE
    JOHNNY BHATTACHARJEE
    কুমারঘাট, উনাকোটি, ত্রিপুরা•
    4 hrs ago
  • সাত দিনের জন্মাষ্টমী উৎসব শেষে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরে প্রণামী গণনা, বাক্স থেকে মিলল লক্ষাধিক টাকা! সাত দিনের জন্মাষ্টমী উৎসব শেষে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরে প্রণামী গণনা, বাক্স থেকে মিলল লক্ষাধিক টাকা!
    1
    সাত দিনের জন্মাষ্টমী উৎসব শেষে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরে প্রণামী গণনা, বাক্স থেকে মিলল লক্ষাধিক টাকা!
সাত দিনের জন্মাষ্টমী উৎসব শেষে খোয়াই কৃষ্ণ মন্দিরে প্রণামী গণনা, বাক্স থেকে মিলল লক্ষাধিক টাকা!
    user_Subhankar Dey
    Subhankar Dey
    Local News Reporter Khowai, Tripura•
    20 hrs ago
  • কল্যাণপুরবাসীর জন্য উপহার: রূপ নিচ্ছে 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী শিশু পার্ক', পরিদর্শনে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী কল্যাণপুরবাসীর জন্য উপহার: রূপ নিচ্ছে 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী শিশু পার্ক', পরিদর্শনে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী
    1
    কল্যাণপুরবাসীর জন্য উপহার: রূপ নিচ্ছে 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী শিশু পার্ক', পরিদর্শনে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী
কল্যাণপুরবাসীর জন্য উপহার: রূপ নিচ্ছে 'শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী শিশু পার্ক', পরিদর্শনে বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী
    user_Alltime Khabar 24
    Alltime Khabar 24
    Credit reporting agency তেলিয়ামুড়া, খোয়াই, ত্রিপুরা•
    19 hrs ago
  • == পরিকাঠামো গত উন্নয়নে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবেনা রাজ্য সরকার- মুখ্যমন্ত্রী == পরিকাঠামো গত উন্নয়নের কাজে দুর্নীতি দমনে রাজ্য সরকারের নজরদারি রয়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকার কোনরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করে না। স্বচ্ছতার সাথে রাজ্য সরকার এই ক্ষেত্রে কাজ করে চলছে ।মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী জানান ,বর্ডার গোল চক্কর এলাকার লাইট হাউস নির্মাণ কার্যটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ড্রিম প্রজেক্ট। এই ধরনের কাজ এই প্রথম রাজ্যে হচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে। আগামী দিন এই ধরনের কাজ আরও হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্মার্ট সিটি প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারা বৃষ্টির জন্য সময় পাচ্ছেন না। শহরে রাস্তার সংখ্যা কম থাকায় যান চলাচল বন্ধ করে কাজ করতে পারছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য স্মার্ট সিটি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। জাতীয় সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,জাতীয় সড়কের বিষয়টি এনএইচআইডিসিএল এর হাতে। রাজ্য সরকার জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সাহায্য করছে। বাদবাকি সব কিছু কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে হচ্ছে। তিনি জানান, পরিকাঠামো গত কাজে যেন দুর্নীতি না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রেখে স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে কাজ করে চলছে রাজ্য সরকার। কিছু ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নে জোড় দিয়েছে। সরকার চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকার উপর পরিকাঠামো গত খাতে ধার্য করেছে। তাই পরিকাঠামোগত উন্নয়নে রাজ্য সরকার স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে চলছে।
    1
    == পরিকাঠামো গত উন্নয়নে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবেনা রাজ্য সরকার- মুখ্যমন্ত্রী ==

পরিকাঠামো গত উন্নয়নের কাজে দুর্নীতি দমনে রাজ্য সরকারের নজরদারি রয়েছে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।



পরিকাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকার কোনরকম দুর্নীতি বরদাস্ত করে না। স্বচ্ছতার সাথে রাজ্য সরকার এই ক্ষেত্রে কাজ করে চলছে ।মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রী জানান ,বর্ডার গোল চক্কর এলাকার লাইট হাউস নির্মাণ কার্যটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ড্রিম প্রজেক্ট। এই ধরনের কাজ এই প্রথম রাজ্যে হচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে। আগামী দিন এই ধরনের কাজ আরও হবে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, স্মার্ট সিটি প্রকল্পে যারা কাজ করছেন তারা বৃষ্টির জন্য সময় পাচ্ছেন না। শহরে রাস্তার সংখ্যা কম থাকায় যান চলাচল বন্ধ করে কাজ করতে পারছে না। দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার জন্য স্মার্ট সিটি কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। জাতীয় সড়ক নির্মাণের ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,জাতীয় সড়কের বিষয়টি এনএইচআইডিসিএল এর হাতে। রাজ্য সরকার জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের সাহায্য করছে। বাদবাকি সব কিছু কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে হচ্ছে। তিনি জানান, পরিকাঠামো গত কাজে যেন দুর্নীতি না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রেখে স্বচ্ছতার মধ্য দিয়ে কাজ করে চলছে রাজ্য সরকার। কিছু ক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ঘটলেও তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। 


মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নে জোড় দিয়েছে। সরকার চলতি অর্থবর্ষের বাজেটে ১০ হাজার কোটি টাকার উপর পরিকাঠামো গত খাতে ধার্য করেছে। তাই পরিকাঠামোগত উন্নয়নে রাজ্য সরকার স্বচ্ছতার সাথে কাজ করে চলছে।
    user_PRABIR CRIME
    PRABIR CRIME
    মান্দাই, পশ্চিম ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    43 min ago
  • *১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি।* ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি। সুস্থ, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এই গণর‍্যালির শুভ সূচনা হয়। গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং মাতাবাড়ি ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের যৌথ উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা ন্যাশনাল আয়ুষ মিশনের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালির সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ কমল রিয়াং, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ শুভেন্দু দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবক সমীর চক্রবর্তী, সমাজসেবী সবিতা নাগ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এছাড়াও র‍্যালিতে স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। হাতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যোগব্যায়াম, প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে চন্দ্রপুর ফুটবল সিনথেটিক প্লে গ্রাউন্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে চন্দ্রপুর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে একটি আকর্ষণীয় মানব আকৃতির ব্যানার প্রদর্শন করা হয়। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে “সুস্থ আগামী দিনের জন্য আয়ুর্বেদ” এবং “এক স্বাস্থ্য, এক ভবিষ্যৎ”—এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় বলেন, আয়ুর্বেদ শুধুমাত্র একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িত একটি সুস্থতার দর্শন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে বহু রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদ এবং আয়ুষভিত্তিক জীবনধারার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। সুস্থ সমাজ গঠনে প্রত্যেক নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ, প্রাকৃতিক জীবনযাপন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আয়ুর্বেদ দিবস পালন করা হচ্ছে। গোমতী জেলার এই গণর‍্যালিও সেই সচেতনতা অভিযানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    1
    *১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি।*
১১তম আয়ুর্বেদ দিবস উপলক্ষে গোমতী জেলায় অনুষ্ঠিত হল “আয়ুর্বেদ আরোগ্য রথ” গণর‍্যালি। সুস্থ, সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং রোগ প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থার বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিতে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে এই গণর‍্যালির শুভ সূচনা হয়। গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং মাতাবাড়ি ব্লকের ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের যৌথ উদ্যোগে এবং ত্রিপুরা ন্যাশনাল আয়ুষ মিশনের সহযোগিতায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালির সূচনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, গোমতী জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ কমল রিয়াং, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, স্বাস্থ্য আধিকারিক ডঃ শুভেন্দু দেববর্মা, বিশিষ্ট সমাজসেবক সমীর চক্রবর্তী, সমাজসেবী সবিতা নাগ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়াও র‍্যালিতে স্বাস্থ্যকর্মী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন। হাতে বিভিন্ন সচেতনতামূলক ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা আয়ুর্বেদের গুরুত্ব, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, যোগব্যায়াম, প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। মাতাবাড়ি মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে চন্দ্রপুর ফুটবল সিনথেটিক প্লে গ্রাউন্ডে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে চন্দ্রপুর উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগে একটি আকর্ষণীয় মানব আকৃতির ব্যানার প্রদর্শন করা হয়। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে “সুস্থ আগামী দিনের জন্য আয়ুর্বেদ” এবং “এক স্বাস্থ্য, এক ভবিষ্যৎ”—এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় বলেন, আয়ুর্বেদ শুধুমাত্র একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের সঙ্গে জড়িত একটি সুস্থতার দর্শন। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং প্রাকৃতিক পদ্ধতি অনুসরণের মাধ্যমে বহু রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আয়ুর্বেদ এবং আয়ুষভিত্তিক জীবনধারার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। সুস্থ সমাজ গঠনে প্রত্যেক নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে আধুনিক চিকিৎসার পাশাপাশি প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদ চিকিৎসা পদ্ধতির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ, প্রাকৃতিক জীবনযাপন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে আয়ুর্বেদ দিবস পালন করা হচ্ছে। গোমতী জেলার এই গণর‍্যালিও সেই সচেতনতা অভিযানেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    5 hrs ago
  • *চিকিৎসক না পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ফিরলেন অসহায় মা ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল থেকে* সংবাদ প্রতিনিধি,ধর্মনগর: চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে যদি চিকিৎসকই না মেলে, তাহলে অসহায় রোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কোথায় যাবেন? ধর্মনগর জেলা হাসপাতালকে ঘিরে এমনই এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় ক্ষোভে ফুঁসছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।অভিযোগ, হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসার পরও সময়মতো চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ। এমনকি চিকিৎসক না পেয়ে এক অসহায় মাকে কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
    1
    *চিকিৎসক না পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ফিরলেন অসহায় মা ধর্মনগর জেলা হাসপাতাল থেকে*
সংবাদ প্রতিনিধি,ধর্মনগর: চিকিৎসার আশায় হাসপাতালে এসে যদি চিকিৎসকই না মেলে, তাহলে অসহায় রোগী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা কোথায় যাবেন? ধর্মনগর জেলা হাসপাতালকে ঘিরে এমনই এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় ক্ষোভে ফুঁসছেন রোগী ও তাঁদের পরিজনরা।অভিযোগ, হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসার পরও সময়মতো চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বহু মানুষ। এমনকি চিকিৎসক না পেয়ে এক অসহায় মাকে কাঁদতে কাঁদতে হাসপাতাল থেকে ফিরে যেতে হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
    user_Press Reporter
    Press Reporter
    Newsagent ধর্মনগর, উত্তর ত্রিপুরা, ত্রিপুরা•
    5 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.