Shuru
Apke Nagar Ki App…
পূর্ব বর্ধমান জেলায় একটি বহুত পুরনো রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থাতেই পড়ে আছে, যা এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিবার নতুন সরকার এলেও রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু আজও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই এই মাটির রাস্তা হাঁটুসমান কাদায় ভরে যায়, যার ফলে ঈদগাহ, কবরস্থান বা মাঠে-ঘাটে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নতুন প্রশাসনের কাছে বিনীত আবেদন জানানো হয়েছে যেন তারা এই দীর্ঘদিনের অবহেলিত মাটির রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, যাতে দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে।
মোহাম্মদ সানাউল্লাহ সেখ
পূর্ব বর্ধমান জেলায় একটি বহুত পুরনো রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থাতেই পড়ে আছে, যা এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিবার নতুন সরকার এলেও রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু আজও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই এই মাটির রাস্তা হাঁটুসমান কাদায় ভরে যায়, যার ফলে ঈদগাহ, কবরস্থান বা মাঠে-ঘাটে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নতুন প্রশাসনের কাছে বিনীত আবেদন জানানো হয়েছে যেন তারা এই দীর্ঘদিনের অবহেলিত মাটির রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, যাতে দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে।
More news from Purba Bardhaman and nearby areas
- পূর্ব বর্ধমান জেলায় একটি বহুত পুরনো রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে কাঁচা অবস্থাতেই পড়ে আছে, যা এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগে ফেলছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রতিবার নতুন সরকার এলেও রাস্তাটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু আজও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই এই মাটির রাস্তা হাঁটুসমান কাদায় ভরে যায়, যার ফলে ঈদগাহ, কবরস্থান বা মাঠে-ঘাটে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে, স্থানীয়দের পক্ষ থেকে নতুন প্রশাসনের কাছে বিনীত আবেদন জানানো হয়েছে যেন তারা এই দীর্ঘদিনের অবহেলিত মাটির রাস্তাটি দ্রুত পাকা করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, যাতে দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমে।1
- রাজ্যের বিভিন্ন স্টেশনে হকার উচ্ছেদের কাজ শুরু হয়েছে। একই সাথে সংলগ্ন রেলের জমিতে থাকা অবৈধ দখলদারদের সরিয়ে ফেলার অভিযানও চলছে। এই উচ্ছেদ অভিযান কৃষ্ণনগর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় দেখা গেছে, যেখানে দোকানিরা নিজেদের ঘর নিজেরাই ভেঙে জায়গা খালি করে দিচ্ছেন। কৃষ্ণনগর স্টেশন সংলগ্ন রেলের জমিতে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের এই কাজ শুরু হয়েছে।1
- আজ নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের শিবনিবাস পঞ্চায়েত এলাকায় ১২৫ দিনের কাজের সূচনা হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত বিশ্বাস কোদাল দিয়ে মাটি কেটে এই কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পের আওতায় সরকারি জমিতে পুকুর খনন করা হবে। এটি কেন্দ্রের MGNREGA প্রকল্পের অংশ, যার কাজের সময়সীমা পূর্বনির্ধারিত ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে এখন বছরে ১২৫ দিন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পটি মাঝখানে বন্ধ ছিল, যা রাজ্যের নতুন সরকার পুনরায় শুরু করেছে। সঙ্গের ভিডিওতে প্রকল্পের কাজের ছবিগুলি সংগৃহীত রয়েছে। এই লেখনী ও ভিডিও সম্পাদনার কাজ করেছেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- ভরতপুরের এক বিধায়ককে বিস্ফোরক আক্রমণ করেছেন অনামিকা ঘোষ। এই আক্রমণের মূল বিষয়বস্তু ছিল 'পচা ডিম থেরাপি' যা নিয়ে তিনি বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন।1
- জনকল্যাণ শিবিরের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার হরিহরপাড়ার কৃষক বাজারে ক্যাম্প পরিদর্শনে যান জেলা শাসক আর অর্জুন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিডিও, হরিহরপাড়া থানার আইসি সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। শিবিরে আসা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে জেলা শাসক তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার খোঁজখবর নেন। প্রথম দিনের মতোই দ্বিতীয় দিনেও এই শিবিরে মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রশাসনের এই উদ্যোগে উপভোক্তারা তাঁদের সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতাড়ের বামুনারা অঞ্চলের বামুনারা গ্রামে দীর্ঘদিনের পানীয় জলের সমস্যার জেরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা অবশেষে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েতকে বারবার জানানো সত্ত্বেও এই সমস্যার সমাধানে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যার ফলে বাধ্য হয়ে গ্রামবাসীরা এই আন্দোলনে নামেন। পরে পুলিশের আশ্বাসে এই রাস্তার অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের ভরতপুরে 'ডিম থেরাপি' চালানো হবে বলে বিজেপি নেত্রী অনামিকা হুঙ্কার দিয়েছেন। মানুষের ব্যাপক জনরোষের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এই ঘোষণা করেছেন। এই ঘটনার সঙ্গে Suvendu Adhikar-এর নামও উল্লিখিত হয়েছে।1
- আজ মঙ্গলবার সাত সকালে ভাকুরি টু হরিহরপাড়া রাজ্য সড়কের কুমড়োদহ ঘাট এলাকায় এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক চালক ও এক চায়ের দোকানদার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চালকের ঘুমন্ত অবস্থায় নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে একটি সিমেন্ট বোঝাই গাড়ি সোজা ঢুকে পড়ে রাস্তার ধারের একটি চায়ের দোকানে। মুহূর্তের মধ্যেই দোকানটির একাংশ গুড়মুড়িয়ে ভেঙে যায়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনার জেরে দোকানটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও, সৌভাগ্যক্রমে গাড়ির চালক এবং চায়ের দোকানদার দুজনেই অক্ষত অবস্থায় রক্ষা পেয়েছেন।1