সুন্দর বন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মনোয়ার হোসেন ইমাম ও মোমিন আলি লস্কর কাকদ্বীপ :- আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুন্দর বন বিভাগের গন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সবধরনের সহযোগিতা কামনা করেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন যে, পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে তার সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন যে, বিগত সরকারের আমলে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কোথাও কোন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখানকার মানুষের জন্য বহু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখানকার মানুষ কৃষি ও খাদ্য এবং কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্প সহ মৎস্যজীবী মানুষের জন্য কাজ করেননি। শিক্ষা এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেকে এরা বঞ্চিত হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিম বাংলা সরকার আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। সুন্দর বন বিভাগের সকল মানুষের উন্নয়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, একটু সময় দিন আমরা এই এলাকার উন্নয়নে এগিয়ে যেতে সক্ষম হব। তবে আপনাদের সহযোগিতা থাকতে হবে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, ইস্কুল কলেজের ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সরকার আর্থিক প্যাকেজ চালু করেছে। কলেজের ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য বিশেষ ভাবে দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে সুন্দর বন বিভাগের প্রায় এক লাখ চব্বিশ হাজার মানুষ কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। আজ কাকদ্বীপ বিধান সভার কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্প এবং কৃষি শিল্প ও মৎস্যজীবী মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে তার সরকার পিছুপা হবেননা। আজ কাকদ্বীপ বিধান সভার প্রান্তিক কৃষক ও শ্রমিক ও মৎস্যজীবী মানুষের হাতে মানপত্র ও অনুদান প্রদান পত্র তুলে দেন। আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যসচিব মনোজ কুমার তেওয়ারি আই এ এস, এবং পশ্চিম বাংলা পুলিশের ডি জি পি এবং ডি আই জি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও ডি এম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা শ্রী অশোক তেওয়ারি আই এ এস, সুন্দর বন পুলিশ সুপার, সুন্দর বন উন্নত মন্ত্রী শ্রী দিপঙ্কর জানা এবং পশ্চিম বাংলা সরকারের মন্ত্রী অর্জুন সিং এবং বিধায়ক শ্রী দেবাঙ্গশু পান্ডা এবং সুমন্ত মন্ডল এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী নবেন্দু সুন্দর নস্কর এবং জয়নগর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী উৎপল নস্কর এবং যাদবপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী মনোরঞ্জন জোয়ার্দার ও ডায়মন্ড হারবার জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রীমতী সোমা ঘোষ এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি সাংগঠনিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী গৌর সুন্দর ঘোষ এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক সম্পাদক সহ সভাপতি ও মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি র সাংগঠনিক অবজার্ভার শ্রী গৌর ঘোষ প্রায় কয়েক হাজার বিজেপি নেতা ও কর্মীদের নিয়ে এই সভায় উপস্থিত হন। সেই সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পশ্চিমের এক নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও দুই নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও তিন নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও চার নম্বর মন্ডল সভাপতি রা অনুষ্ঠান শেষে হাজার হাজার মানুষকে শুভেচ্ছা জানান সুন্দর বন উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী দিপঙ্কর জানা এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী নবেন্দু সুন্দর নস্কর।
সুন্দর বন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মনোয়ার হোসেন ইমাম ও মোমিন আলি লস্কর কাকদ্বীপ :- আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুন্দর বন বিভাগের গন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সবধরনের সহযোগিতা কামনা করেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন যে, পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে তার সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন যে, বিগত সরকারের আমলে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কোথাও কোন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখানকার মানুষের জন্য বহু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখানকার মানুষ কৃষি ও খাদ্য এবং কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্প সহ মৎস্যজীবী মানুষের জন্য কাজ করেননি। শিক্ষা এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেকে এরা বঞ্চিত হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিম বাংলা সরকার আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। সুন্দর বন বিভাগের সকল মানুষের উন্নয়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, একটু সময় দিন আমরা এই এলাকার উন্নয়নে এগিয়ে যেতে সক্ষম হব। তবে আপনাদের সহযোগিতা থাকতে হবে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, ইস্কুল কলেজের ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সরকার আর্থিক প্যাকেজ চালু করেছে। কলেজের ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য বিশেষ ভাবে দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে সুন্দর বন বিভাগের প্রায় এক লাখ চব্বিশ হাজার মানুষ কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। আজ কাকদ্বীপ বিধান সভার কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্প এবং কৃষি শিল্প ও মৎস্যজীবী মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে তার সরকার পিছুপা হবেননা। আজ কাকদ্বীপ বিধান সভার প্রান্তিক কৃষক ও শ্রমিক ও মৎস্যজীবী মানুষের হাতে মানপত্র ও অনুদান প্রদান পত্র তুলে দেন। আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যসচিব মনোজ কুমার তেওয়ারি আই এ এস, এবং পশ্চিম বাংলা পুলিশের ডি জি পি এবং ডি আই জি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও ডি এম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা শ্রী অশোক তেওয়ারি আই এ এস, সুন্দর বন পুলিশ সুপার, সুন্দর বন উন্নত মন্ত্রী শ্রী দিপঙ্কর জানা এবং পশ্চিম বাংলা সরকারের মন্ত্রী অর্জুন সিং এবং বিধায়ক শ্রী দেবাঙ্গশু পান্ডা এবং সুমন্ত মন্ডল এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী নবেন্দু সুন্দর নস্কর এবং জয়নগর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী উৎপল নস্কর এবং যাদবপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী মনোরঞ্জন জোয়ার্দার ও ডায়মন্ড হারবার জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রীমতী সোমা ঘোষ এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি সাংগঠনিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী গৌর সুন্দর ঘোষ এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক সম্পাদক সহ সভাপতি ও মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি র সাংগঠনিক অবজার্ভার শ্রী গৌর ঘোষ প্রায় কয়েক হাজার বিজেপি নেতা ও কর্মীদের নিয়ে এই সভায় উপস্থিত হন। সেই সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পশ্চিমের এক নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও দুই নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও তিন নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও চার নম্বর মন্ডল সভাপতি রা অনুষ্ঠান শেষে হাজার হাজার মানুষকে শুভেচ্ছা জানান সুন্দর বন উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী দিপঙ্কর জানা এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী নবেন্দু সুন্দর নস্কর।
- সুন্দর বন এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সকলকেই এগিয়ে আসার আহ্বান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মনোয়ার হোসেন ইমাম ও মোমিন আলি লস্কর কাকদ্বীপ :- আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুন্দর বন বিভাগের গন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সবধরনের সহযোগিতা কামনা করেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন যে, পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে তার সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে বদ্ধপরিকর। তিনি বলেন যে, বিগত সরকারের আমলে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার কোথাও কোন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখানকার মানুষের জন্য বহু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখানকার মানুষ কৃষি ও খাদ্য এবং কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্প সহ মৎস্যজীবী মানুষের জন্য কাজ করেননি। শিক্ষা এবং বিজ্ঞান প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন থেকে এরা বঞ্চিত হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিম বাংলা সরকার আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। সুন্দর বন বিভাগের সকল মানুষের উন্নয়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, একটু সময় দিন আমরা এই এলাকার উন্নয়নে এগিয়ে যেতে সক্ষম হব। তবে আপনাদের সহযোগিতা থাকতে হবে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, ইস্কুল কলেজের ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য সরকার আর্থিক প্যাকেজ চালু করেছে। কলেজের ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য বিশেষ ভাবে দশ হাজার টাকা থেকে শুরু করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা করবেন। সেই সঙ্গে সুন্দর বন বিভাগের প্রায় এক লাখ চব্বিশ হাজার মানুষ কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। আজ কাকদ্বীপ বিধান সভার কাকদ্বীপ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র কুটির শিল্প এবং মৃৎশিল্প এবং কৃষি শিল্প ও মৎস্যজীবী মানুষের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে তার সরকার পিছুপা হবেননা। আজ কাকদ্বীপ বিধান সভার প্রান্তিক কৃষক ও শ্রমিক ও মৎস্যজীবী মানুষের হাতে মানপত্র ও অনুদান প্রদান পত্র তুলে দেন। আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যসচিব মনোজ কুমার তেওয়ারি আই এ এস, এবং পশ্চিম বাংলা পুলিশের ডি জি পি এবং ডি আই জি প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও ডি এম দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা শ্রী অশোক তেওয়ারি আই এ এস, সুন্দর বন পুলিশ সুপার, সুন্দর বন উন্নত মন্ত্রী শ্রী দিপঙ্কর জানা এবং পশ্চিম বাংলা সরকারের মন্ত্রী অর্জুন সিং এবং বিধায়ক শ্রী দেবাঙ্গশু পান্ডা এবং সুমন্ত মন্ডল এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী নবেন্দু সুন্দর নস্কর এবং জয়নগর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী উৎপল নস্কর এবং যাদবপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী মনোরঞ্জন জোয়ার্দার ও ডায়মন্ড হারবার জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রীমতী সোমা ঘোষ এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি সাংগঠনিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী গৌর সুন্দর ঘোষ এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক সম্পাদক সহ সভাপতি ও মগরাহাট পশ্চিমের বিজেপি র সাংগঠনিক অবজার্ভার শ্রী গৌর ঘোষ প্রায় কয়েক হাজার বিজেপি নেতা ও কর্মীদের নিয়ে এই সভায় উপস্থিত হন। সেই সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মগরাহাট পশ্চিমের এক নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও দুই নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও তিন নাম্বার মন্ডল সভাপতি ও চার নম্বর মন্ডল সভাপতি রা অনুষ্ঠান শেষে হাজার হাজার মানুষকে শুভেচ্ছা জানান সুন্দর বন উন্নয়ন মন্ত্রী শ্রী দিপঙ্কর জানা এবং মথুরাপুর জেলা বিজেপি র সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি শ্রী নবেন্দু সুন্দর নস্কর।1
- আরও আকর্ষণীয়ভাবে লেখা যায়— “হেলিপ্যাড থেকে কাকদ্বীপের পথে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, প্রশাসনিক বৈঠক ঘিরে তৎপরতা”1
- মুড়িগঙ্গায় ডুবল পণ্যবাহী নৌকা! অল্পের জন্য রক্ষা মাঝি-সহ পাঁচজন, তৎপর সাগর থানার পুলিশ সাগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মুড়িগঙ্গা নদীতে বড়সড় দুর্ঘটনা! নদীতে জল কম থাকায় চড়ায় ধাক্কা লেগে উল্টে ডুবে গেল মালপত্র বোঝাই পণ্যবাহী নৌকা। শনিবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় নদীপথে। নৌকায় থাকা মাঝি-সহ পাঁচজন কর্মী নদীতে পড়ে গেলেও দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হওয়ায় প্রাণে রক্ষা পান সকলেই। নদীতে থাকা অন্যান্য নৌকার কর্মীদের তৎপরতা এবং সাগর থানার পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ কাকদ্বীপ থেকে মালপত্র বোঝাই করে কচুবেড়িয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল ‘সাগর সম্রাট’ নামে পণ্যবাহী নৌকাটি। গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় মুড়িগঙ্গা নদীর মাঝামাঝি এলাকায় বিপত্তি ঘটে। নদীতে জল কম থাকায় নৌকাটি চড়ায় ধাক্কা খায়। এরপর ভারসাম্য হারিয়ে উল্টে নদীর জলে ডুবে যায় সেটি। আচমকা এই দুর্ঘটনায় বিপদের মুখে পড়েন নৌকায় থাকা কর্মীরা। ঘটনাটি নজরে আসতেই দ্রুত উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন আশপাশে থাকা অন্যান্য নৌকার কর্মীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সাগর থানার পুলিশও। সকলের সম্মিলিত তৎপরতায় নৌকায় থাকা মাঝি-সহ পাঁচজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হওয়ায় বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পুলিশ দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ করে সাগর থানার পুলিশ প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, খবর পাওয়ার মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে নামে পুলিশ। সাগর থানার এসআই বিল্লমঙ্গল নস্কর-সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকেরা উদ্ধারকাজে অংশ নেন। নদীতে থাকা অন্যান্য নৌকার কর্মীদের সহযোগিতায় বিপন্ন পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের এই তৎপরতায় স্বস্তি ফেরে দুর্ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, ‘সাগর সম্রাট’ নামে ওই পণ্যবাহী নৌকাটির মালিক সাগরের শিবপুর এলাকার বাসিন্দা শ্যামল মণ্ডল। নৌকার মাঝি ছিলেন ঝন্টু চরণ দাস। নৌকাটিতে বিভিন্ন ধরনের মালপত্র বোঝাই ছিল। দুর্ঘটনার পর নৌকাটি নদীতে ডুবে যাওয়ায় তার মধ্যে থাকা মালপত্র জলে ভেসে যেতে দেখা যায়। কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাপ্রাথমিক অনুমান, নৌকাডুবির জেরে কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কত টাকার মালপত্র নষ্ট হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। ডুবে যাওয়া নৌকাটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে কি না, পাশাপাশি নদীতে ভেসে যাওয়া মালপত্রের কতটা উদ্ধার করা যাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।মুড়িগঙ্গা নদী সুন্দরবন ও গঙ্গাসাগরের যোগাযোগের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন এই নদীপথে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ চলে। ফলে জলস্তর কম থাকলে চড়ায় ধাক্কা লাগার মতো দুর্ঘটনা এড়াতে নৌযান চলাচলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ। এদিনের দুর্ঘটনার পর পণ্যবাহী নৌকার নিরাপত্তা এবং নদীপথে চলাচলের সতর্কতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে মাঝি-সহ পাঁচজন কর্মীকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া অন্যান্য নৌকার কর্মী এবং সাগর থানার পুলিশের তৎপরতায় বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে।4
- বারুইপুরে পূজোর ডাবের দাম আকাশ ছোঁয়া,বারুইপুরে পূজোর ডাবের দাম আকাশ ছোঁয়া1
- বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি চোরবাগানের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণ। বিজয়া দশমীর পর পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক, জেলা পুলিশের আধিকারিকবৃন্দ, হলদিয়া মহকুমা প্রশাসন, হলদিয়া থানার আধিকারিক ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে উপস্থিত থেকে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন তিনি। শোকের আবহে সৌজন্য ও সম্প্রীতির বার্তা উঠে এল এই সাক্ষাৎপর্বে। #চোরবাগান #চোরবাগানদুর্ঘটনা #নিহতদেরস্মরণ #বিজয়াদশমী #বিজয়ারশুভেচ্ছা #পূর্বমেদিনীপুর #জেলাপ্রশাসন #জেলাপুলিশ #হলদিয়া #হলদিয়াথানা #মহকুমাপ্রশাসন #পুলিশপ্রশাসন #প্রতিভাবাংলাটিভি #PrativaBanglaTV1
- গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ‘কাছি টানা’য় সম্প্রীতির বার্তা উদ্যোগী কুলতলী থানা পুলিশ হাসান লস্কর কুলতলী দক্ষিণ ২৪ পরগনা গ্রামবাংলার চিরাচরিত লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরতে এবং পুলিশ-জনতার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে উদ্যোগী কুলতলী থানা। সেই লক্ষ্যেই আগামী ২৫ অক্টোবর, রবিবার, কুলতলী থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত হতে চলেছে **‘কুলতলী থানা পুলিশ-জনতা সম্প্রীতি দড়ি টানাটানি প্রতিযোগিতা ২০২৬,বিকেল ৪টেয় শুরু হবে এই প্রতিযোগিতা। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলির মধ্যে অন্যতম দড়ি টানাটানি, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘কাছি টানা’ নামেও পরিচিত। দুই দলের সম্মিলিত শক্তি, কৌশল, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার এই খেলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং মিলনমেলার পরিবেশ।বর্তমান সময়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার বহু লোকজ খেলা ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই পরিস্থিতিতে ঐতিহ্যবাহী এই খেলাকে সামনে রেখে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার এমন উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। খেলার মাঠে একসঙ্গে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দূরত্ব কমানো, পারস্পরিক বিশ্বাস বাড়ানো এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।পুলিশ মানেই শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, মানুষের পাশে থাকা এবং সমাজের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলাও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কুলতলী থানার এই উদ্যোগ সেই ভাবনাকেই আরও একবার সামনে নিয়ে আসছে।স্থান কুলতলী থানা প্রাঙ্গণ তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার সময় বিকেল ৪টা ঐতিহ্যের টানে, সম্প্রীতির বন্ধনে—কুলতলীতে ‘কাছি টানা’ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে এখন নজর স্থানীয় মানুষের উৎসাহ ও অংশগ্রহণের দিকে। গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ‘কাছি টানা’য় সম্প্রীতির বার্তা উদ্যোগী কুলতলী থানা পুলিশ হাসান লস্কর কুলতলী দক্ষিণ ২৪ পরগনা গ্রামবাংলার চিরাচরিত লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরতে এবং পুলিশ-জনতার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে উদ্যোগী কুলতলী থানা। সেই লক্ষ্যেই আগামী ২৫ অক্টোবর, রবিবার, কুলতলী থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত হতে চলেছে **‘কুলতলী থানা পুলিশ-জনতা সম্প্রীতি দড়ি টানাটানি প্রতিযোগিতা ২০২৬,বিকেল ৪টেয় শুরু হবে এই প্রতিযোগিতা। গ্রামবাংলার অতি পরিচিত ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলির মধ্যে অন্যতম দড়ি টানাটানি, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘কাছি টানা’ নামেও পরিচিত। দুই দলের সম্মিলিত শক্তি, কৌশল, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতার এই খেলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং মিলনমেলার পরিবেশ।বর্তমান সময়ে আধুনিকতার ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার বহু লোকজ খেলা ক্রমশ হারিয়ে যেতে বসেছে। সেই পরিস্থিতিতে ঐতিহ্যবাহী এই খেলাকে সামনে রেখে পুলিশ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার এমন উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। খেলার মাঠে একসঙ্গে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে দূরত্ব কমানো, পারস্পরিক বিশ্বাস বাড়ানো এবং সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।পুলিশ মানেই শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষা নয়, মানুষের পাশে থাকা এবং সমাজের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলাও পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কুলতলী থানার এই উদ্যোগ সেই ভাবনাকেই আরও একবার সামনে নিয়ে আসছে।স্থান কুলতলী থানা প্রাঙ্গণ তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার সময় বিকেল ৪টা ঐতিহ্যের টানে, সম্প্রীতির বন্ধনে—কুলতলীতে ‘কাছি টানা’ প্রতিযোগিতাকে ঘিরে এখন নজর স্থানীয় মানুষের উৎসাহ ও অংশগ্রহণের দিকে।1
- বিহার থেকে বাংলায় এল ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া, ঘিরে উৎসাহ মানুষের1
- রাতের অন্ধকারে নিরীহ যুবক এর উপর চড়াও হয়ে গলা টিপে হত্যা করার চেষ্টা,অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে রাতের অন্ধকারে নিরীহ যুবক এর উপর চড়াও হয়ে গলা টিপে হত্যা করার চেষ্টা,অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে । ঘটনাটি ঘটেছে ক্যানিং পূর্বের জীবনতলা থানার অন্তর্গত উত্তর পাতিখালী গ্রামে।অভিযোগ মুসিবর সরদার নামের বছর 25 এর ওই যুবককে গত বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে বেধড়ক মারধর ও প্রাণে মেরে ফেলার উপক্রম করে।ঘটনায় আহত ওই যুবককে প্রতিবেশীরা তড়িঘড়ি খুচিতলা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায় এবং সেখানে চিকিৎসা চলে। চারজন অভিযুক্তদের নাম বারিক মিস্ত্রি, মাহবুব লস্কর, রউপ লস্কর ও জালাল সরদার ।গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা 4 তারিখের পর জামা বদল করে ক্যানিং পূর্বের বিজেপির ১নং মন্ডল সভাপতি দীপংকর প্রামাণিকের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে জয়েন করে,এবং গ্রামের মানুষের উপর প্রায়শই অন্যায় ভাবে চড়াও হয় এবং অত্যাচার করে এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।অভিযুক্ত বারিক মিস্ত্রি তৃণমূল আমলে সংখ্যালঘু সেলের সভাপতির দায়িত্বে ছিল বলে জানা যায়,এবং ধর্ষণ কাণ্ডে 7 বছর হাজত বাস ও করে বলে এলাকাবাসী সূত্রে খবর । পাশাপাশি অভিযুক্তরা একাধিক অসৎ কর্ম চুরি, জুয়ার সঙ্গেও যুক্ত।1