Shuru
Apke Nagar Ki App…
আবাস যোজনা প্রকল্প প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি বড় ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা সরকারি প্রকল্প এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলির সঙ্গে জড়িত।
Abul Kalam
আবাস যোজনা প্রকল্প প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে একটি বড় ঘোষণা করা হয়েছে। এই ঘোষণা সরকারি প্রকল্প এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলির সঙ্গে জড়িত।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে সরকারি হাসপাতালগুলি এখন থেকে 'আয়ুষ্মান মন্দির' হিসাবে পরিচিত হবে। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা অনুযায়ী, রোগীরা সরকারি হাসপাতালগুলিতে ১০০০ টাকার ওষুধ মাত্র ১০০ টাকায় কিনতে পারবেন।1
- ভরতপুরের নতুনপাড়া সহ বেশ কয়েকটি এলাকার কংক্রিটের ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না হওয়ায় কার্যত আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছিল। এর ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়তো এবং নোংরা জল উপচে রাস্তায় জমে যেত, যার চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল আট থেকে আশি সব বয়সের বাসিন্দাদেরই। বিশেষ করে বর্ষার এই সময়ে জমে থাকা নোংরা জল থেকে মশা, মাছি ও নানাবিধ বিষাক্ত পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া সহ মারাত্মক জলবাহিত রোগের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন এলাকাবাসী। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনো সুরাহা না হওয়ায়, নিরুপায় হয়ে বাসিন্দারা তাঁদের এই দুর্দশার কথা এলাকার পরিচিত সমাজসেবী তথা ভরতপুর ইউনাইটেড ফাউন্ডেশন-এর কর্ণধার রওশন সেখ ওরফে বাবুকে জানান। খবর পাওয়া মাত্রই এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে, রওশন সেখ অনন্য নজির সৃষ্টি করেন। এলাকার সাধারণ মানুষকে রোগব্যাধি ও জলযন্ত্রণা থেকে বাঁচাতে তিনি প্রশাসনের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেই কয়েকজন শ্রমিককে সাথে নিয়ে সশরীরে ড্রেনে নেমে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিনের জমে থাকা পাঁক ও আবর্জনা পরিষ্কার করে নিকাশি ব্যবস্থা সচল করেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভরতপুর ইউনাইটেড ফাউন্ডেশন ও তার কর্ণধার রওশন সেখ বাবু প্রমাণ করে দিলেন যে, স্থানীয় প্রশাসনের পালন করার কথা যে দায়িত্ব, তা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে আন্তরিক ইচ্ছা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকলে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। এই মহতী উদ্যোগের পর এলাকার জলযন্ত্রণা ও রোগব্যাধির আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেয়ে ভুক্তভোগী বাসিন্দারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। তাঁরা ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং রওশন বাবুর ভূয়সী প্রশংসা করছেন।1
- রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জনকল্যাণ শিবির’ আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে। পূর্বতন ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির নাম পরিবর্তন করে নতুন সরকারের উদ্যোগে এটি ‘জনকল্যাণ শিবির’ নামকরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশক্রমে সোমবার থেকে চালু হওয়া এই শিবিরে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী ১৭ই জুন পর্যন্ত চলবে। রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডিতেও একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রথম দিনের এই শিবির পরিদর্শন করেন হরিহরপাড়া বিধানসভার বিধায়ক নিয়ামত শেখ। তিনি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন পরিষেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই শিবিরে রাজ্য সরকারের প্রায় ৫৫টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ও আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও, বার্ধক্য ভাতা, কৃষি পরিষেবা এবং জব কার্ডসহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিন শিবিরে হরিহরপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ছেরিং জাম ভুটিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর, হরিহরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম কুমার দাসসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর শহরের গোরাবাজার জজকোর্ট সংলগ্ন পার্ক এলাকায় স্থাপিত বিশ্ববাংলার লোগো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর উপস্থিতিতেই এই লোগোটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। বহরমপুর গোরাবাজারে বিশ্ববাংলার লোগো গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলার সমুদ্রগড় এলাকার পাঠানপাড়ায় একটি অঙ্গনওয়াড়ি স্কুল বর্তমানে জলের তলায় সম্পূর্ণ নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছোট ছোট শিশুদের বাধ্য হয়ে জলের উপর দিয়ে হেঁটে স্কুলে আসতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন। একইসাথে, ওই এলাকার নবীন সংঘ ক্লাবটিও পুরোপুরি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এই গুরুতর সমস্যা সত্ত্বেও, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে জানানো হয়েছে। তাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে দ্রুত নজর দেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।1
- নদীয়ার নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে সরকারি পরিষেবা নিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে রাজ্যজুড়ে এই শিবিরগুলি আয়োজিত হচ্ছে, যেখানে মানুষ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নিতে, আবেদনপত্র জমা দিতে এবং পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে আসছেন। নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী এই শিবিরগুলি পরিদর্শন করেছেন। গত ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ জনকল্যাণ শিবির আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত চলবে। নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় মোট পাঁচটি স্থানে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে বিডিও অফিসও রয়েছে। পৌর এলাকার তিনটি এবং ব্লক এলাকার দুটি কেন্দ্র থেকে সরকারি বিভিন্ন বিভাগের পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। বিধায়ক শ্রুতি শেখর গোস্বামী সোমবার শিবিরগুলি পরিদর্শন করে জানান যে, তিনি ইতিমধ্যেই চারটি শিবির ঘুরে দেখেছেন এবং সব জায়গাতেই মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র সরকার সাধারণ মানুষের কল্যাণে একাধিক প্রকল্প চালু করেছে এবং বর্তমানে ৫৫টি বিভিন্ন বিভাগের বা প্রকল্পের পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। এই শিবিরগুলির মাধ্যমে মানুষ এক জায়গায় বসেই বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারছেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাচ্ছেন। অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বহু মানুষ বার্ধক্য ভাতা বা অন্যান্য সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, তবে বর্তমান জনকল্যাণ শিবিরে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটেছে। বিধায়কের দাবি, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দলীয় বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত প্রাপকদের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। বিধায়ক স্পষ্টভাবে বলেন যে, এখানে কোনও রাজনৈতিক দলের ভিত্তিতে আবেদনকারীদের বিচার করা হচ্ছে না। তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস বা অন্য কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শের মানুষ নির্বিশেষে সকলের জন্যই সমানভাবে পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। যাঁদের প্রকৃত প্রয়োজন রয়েছে, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করিয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠানো হচ্ছে এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে সরকারি নিয়ম মেনেই সমস্ত আবেদন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সুবিধাজনক বলেছেন, কারণ একসঙ্গে এতগুলি সরকারি বিভাগের পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ তাঁদের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় করছে। আয়োজকরা মনে করছেন, শিবিরগুলিতে উপস্থিত মানুষের বিপুল ভিড় এবং উৎসাহই এই ইতিবাচক সাড়ার প্রমাণ। প্রশাসনিক মহল আশা করছে যে, সরকারি পরিষেবা আরও সহজ ও স্বচ্ছভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।1
- সোমবার সকালে বহরমপুরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জর্জকোট মোড়ের পার্কের পাশে স্থাপিত বিশ্ব বাংলার লোগোটি পৌরসভার উদ্যোগে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার সময় বহরমপুরের বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। বিধায়কের ঘোষণা অনুযায়ী, বিশ্ব বাংলার লোগোর এই জায়গায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর মূর্তি স্থাপন করা হবে। পৌরসভার কর্মীরা এদিন লোগোটি ভেঙে স্থানটি খালি করার কাজ সম্পন্ন করেছেন।1
- শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে পরের মাস থেকেই সোলার প্যানেল লাগানো শুরু হবে। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, এরপর থেকে নাগরিকদের আর ইলেকট্রিক বিল দিতে হবে না।1