কোচবিহারের দিনহাটার মাতালহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবাড়ি-পাখিহাগা এলাকায় মেয়েকে জামাইয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত জামাইয়ের লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন নৈলান বর্মন নামের ওই বৃদ্ধ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাখিহাগা এলাকার বাসিন্দা নৈলান বর্মনের মেয়ে চুমকি বর্মনের সঙ্গে প্রায় দেড় বছর আগে গোসানিমারি চকিয়াপাড়ার বাসিন্দা সুখধন বর্মনের বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই চুমকির উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত সুখধন। শনিবার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে আসে সুখধন। সেই সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বচসা বাধে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মেয়ের পক্ষ নিয়ে এগিয়ে আসেন বাবা নৈলান বর্মন। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় সুখধন একটি লাঠি দিয়ে নৈলান বর্মনের মাথায় সজোরে আঘাত করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দ্রুত দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে দিনহাটা থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুখধন বর্মন পলাতক এবং তার খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
কোচবিহারের দিনহাটার মাতালহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবাড়ি-পাখিহাগা এলাকায় মেয়েকে জামাইয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত জামাইয়ের লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন নৈলান বর্মন নামের ওই বৃদ্ধ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাখিহাগা এলাকার বাসিন্দা নৈলান বর্মনের মেয়ে চুমকি বর্মনের সঙ্গে প্রায় দেড় বছর আগে গোসানিমারি চকিয়াপাড়ার বাসিন্দা সুখধন বর্মনের বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই চুমকির উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত সুখধন। শনিবার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে আসে সুখধন। সেই সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বচসা বাধে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মেয়ের পক্ষ নিয়ে এগিয়ে আসেন বাবা নৈলান বর্মন। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় সুখধন একটি লাঠি দিয়ে নৈলান বর্মনের মাথায় সজোরে আঘাত করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দ্রুত দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে দিনহাটা থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুখধন বর্মন পলাতক এবং তার খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
- টাওয়ার চুরির পর এবার লোহার ব্রিজ এবং তার ওপর রেললাইনের তারও গায়েব করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বেহারাহা এলাকার এই খবরটি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে এটিকে একটি "ভেরি গুড জুটি" বা দারুণ মেলবন্ধন বলে অভিহিত করা হয়েছে। একের পর এক এই অদ্ভুত চুরির ঘটনায় সবাইকে লাইক ও কমেন্ট করার অনুরোধও জানানো হয়েছে।1
- কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকে রাতে টিনের চালে পাথর পড়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রহস্য দানা বেঁধেছে। এই অদ্ভুত এবং আতঙ্কের পরিস্থিতি মোকাবিলায় রহস্যের কিনারা করতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মূলত রাতের বেলাতেই এই পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- আলিপুরদুয়ারের ভাটিবাড়িতে এক যুবক এবং তার অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী বাবার বিরুদ্ধে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক যুবক-যুবতীর কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রতারণার ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী প্রতারিতরা অভিযুক্তদের বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে ধর্নায় বসেছেন।1
- কোচবিহারের শীতলকুচি ব্লকের ২৯৮ নম্বর বুথের গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা নুরনাহার বিবি এবং কাঁসারপাড়া এলাকার পঞ্চায়েত অভিভাবক শাহাজান মিয়ার বাড়িতে শনিবার সকাল থেকেই জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে বেআইনিভাবে নেওয়া কাট মানির টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই বুথের মোট ১২০ জন উপভোক্তার কাছ থেকে জোরজবরদস্তি ও হুমকি দিয়ে মাথা পিছু ১০,০০০ টাকা করে নিয়েছিলেন শাহাজান মিয়া। এই বিক্ষোভের জেরে কাঁসারপাড়া এলাকার বিজেপির বুথ সভাপতি সৌমেন বর্মন জানান, এলাকার সাধারণ মানুষ নিজেদের দাবি আদায়ে পঞ্চায়েতের কাছে গেছেন বলে তিনি খবর পেয়েছেন। তবে টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। একইসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে, যাঁরা অন্যায় করে মানুষের টাকা নিয়েছেন, তাঁদের সেই টাকা অবশ্যই ফেরত দিতে হবে।1
- কুমারগ্রাম ব্লকের উত্তর হলদিবাড়ি দাস খড়িয়া পাড়ায় বৃহস্পতিবার রাতে বুনো হাতির অতর্কিত আক্রমণে বিশ্রাম ওঁরাও নামের এক ব্যক্তি প্রাণ হারান। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজ্যের বন ও পরিবেশ মন্ত্রী শ্রী মনোজ ওড়াঁও আজ তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তিনি নিহতের স্ত্রীর হাতে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন। এছাড়া, পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার জন্য বন দফতরে একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন যে এই প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই কঠিন সময়ে রাজ্য সরকার সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে বলে মন্ত্রী শ্রী মনোজ ওড়াঁও আশ্বাস দিয়েছেন এবং প্রশাসন ও বন দফতরের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার বার্তা দেওয়া হয়েছে।1
- কোচবিহারের দিনহাটার মাতালহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবাড়ি-পাখিহাগা এলাকায় মেয়েকে জামাইয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত জামাইয়ের লাঠির আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন নৈলান বর্মন নামের ওই বৃদ্ধ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাখিহাগা এলাকার বাসিন্দা নৈলান বর্মনের মেয়ে চুমকি বর্মনের সঙ্গে প্রায় দেড় বছর আগে গোসানিমারি চকিয়াপাড়ার বাসিন্দা সুখধন বর্মনের বিয়ে হয়। অভিযোগ, বিয়ের কয়েক মাস পর থেকেই চুমকির উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত সুখধন। শনিবার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সেখানে আসে সুখধন। সেই সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বচসা বাধে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে মেয়ের পক্ষ নিয়ে এগিয়ে আসেন বাবা নৈলান বর্মন। পরিবারের অভিযোগ, সেই সময় সুখধন একটি লাঠি দিয়ে নৈলান বর্মনের মাথায় সজোরে আঘাত করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে দ্রুত দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে দিনহাটা থানার পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুখধন বর্মন পলাতক এবং তার খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।1