নেপালের হড়পা-বানে নিখোঁজ বর্ধমানের অশোকঃ দু’দিনেও মেলেনি খোঁজ—উৎকণ্ঠায় পরিবার সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ২৭ আগস্ট: নেপালের আকস্মিক হড়পা-বানের ভয়াবহ স্রোতে নিখোঁজ বর্ধমানের যুবক অশোক পাল। ঘটনার প্রায় দু’দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও তার কোনও সন্ধান মেলেনি। ফলে গভীর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের। বুধবার সকালে দাদার সঙ্গে শেষ বার ফোনে কথা হয়েছিল বোন কবিতা দাসের। তার পর থেকেই অশোকের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। কবিতা দাস জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে নেপালের রুসাই পাওয়ার প্ল্যান্টে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করছেন অশোক। হড়পা-বানের ঘটনাস্থলের কাছেই ওই পাওয়ার প্ল্যান্টটি নির্মাণের কাজ চলছিল। বুধবার সকালে কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিনের মতো বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন অশোক। এরপরই নেপালে ভয়াবহ হড়পা-বানের খবর পান পরিবারের সদস্যরা। কবিতার কথায়, ‘‘দাদা ১০ বছর ধরে নেপালের রুসাই পাওয়ার প্ল্যান্টে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেন। হড়পা-বান যেখানে হয়েছে, তার পাশেই পাওয়ার প্ল্যান্টটি তৈরি হচ্ছিল। বুধবার সকালে কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিনের মতো ফোনে কথা হয়েছিল। পরে টিভিতে হড়পা-বানের খবর দেখি। সব কিছু জলের স্রোতে ভেসে গিয়েছে। প্ল্যান্টটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার পর থেকে আর দাদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি।’’ অশোকের কোনও খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে পরিবারের। তার সন্ধান পেতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন কবিতা। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ, আমার দাদাকে খুঁজে দিন।’’ কবিতার দেওর রাজু দাস বলেন, ‘‘বুধবারের পর থেকে প্রত্যেকটা ঘণ্টা উৎকণ্ঠায় কাটছে। কোনও ভাবেই যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। গত বছর কার্তিক মাসে শেষ বার বাড়ি এসেছিলেন। এ বছর সেপ্টেম্বরে ফেরার কথা ছিল। ভারত সরকার যেন তাকে খুঁজে সুস্থ ভাবে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করে।’’ পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকের আদি বাড়ি বাঁকুড়ার ইন্দপুর থানার মধুনিয়ায়। তবে গত প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি বর্ধমানের টিকরহাটে বোন কবিতা দাসের বাড়িতে থাকতেন। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরে নেপালে থাকলেও নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। নেপালের হড়পা-বানে পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন বাসিন্দা আটকে পড়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়ার পর তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করেছে রাজ্য সরকারও। অশোকের পরিবারের সদস্যরাও প্রশাসনের মাধ্যমে তার সন্ধানের অপেক্ষায় রয়েছেন। এখন পরিবারের একটাই প্রার্থনা—দ্রুত অশোকের সন্ধান মিলুক এবং তাকে নিরাপদে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হোক।
নেপালের হড়পা-বানে নিখোঁজ বর্ধমানের অশোকঃ দু’দিনেও মেলেনি খোঁজ—উৎকণ্ঠায় পরিবার সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ২৭ আগস্ট: নেপালের আকস্মিক হড়পা-বানের ভয়াবহ স্রোতে নিখোঁজ বর্ধমানের যুবক অশোক পাল। ঘটনার প্রায় দু’দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও তার কোনও সন্ধান মেলেনি। ফলে গভীর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের। বুধবার সকালে দাদার সঙ্গে শেষ বার ফোনে কথা হয়েছিল বোন কবিতা দাসের। তার পর থেকেই অশোকের সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। কবিতা দাস জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে নেপালের রুসাই পাওয়ার প্ল্যান্টে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করছেন অশোক। হড়পা-বানের ঘটনাস্থলের কাছেই ওই পাওয়ার প্ল্যান্টটি নির্মাণের কাজ চলছিল। বুধবার সকালে কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিনের মতো বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন অশোক। এরপরই নেপালে ভয়াবহ হড়পা-বানের খবর
পান পরিবারের সদস্যরা। কবিতার কথায়, ‘‘দাদা ১০ বছর ধরে নেপালের রুসাই পাওয়ার প্ল্যান্টে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেন। হড়পা-বান যেখানে হয়েছে, তার পাশেই পাওয়ার প্ল্যান্টটি তৈরি হচ্ছিল। বুধবার সকালে কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিনের মতো ফোনে কথা হয়েছিল। পরে টিভিতে হড়পা-বানের খবর দেখি। সব কিছু জলের স্রোতে ভেসে গিয়েছে। প্ল্যান্টটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার পর থেকে আর দাদার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি।’’ অশোকের কোনও খোঁজ না পাওয়ায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে পরিবারের। তার সন্ধান পেতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন কবিতা। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের কাছে হাতজোড় করে অনুরোধ, আমার দাদাকে খুঁজে দিন।’’ কবিতার দেওর রাজু দাস বলেন, ‘‘বুধবারের পর থেকে প্রত্যেকটা ঘণ্টা উৎকণ্ঠায় কাটছে। কোনও ভাবেই
যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। গত বছর কার্তিক মাসে শেষ বার বাড়ি এসেছিলেন। এ বছর সেপ্টেম্বরে ফেরার কথা ছিল। ভারত সরকার যেন তাকে খুঁজে সুস্থ ভাবে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করে।’’ পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকের আদি বাড়ি বাঁকুড়ার ইন্দপুর থানার মধুনিয়ায়। তবে গত প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি বর্ধমানের টিকরহাটে বোন কবিতা দাসের বাড়িতে থাকতেন। কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরে নেপালে থাকলেও নিয়মিত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। নেপালের হড়পা-বানে পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন বাসিন্দা আটকে পড়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়ার পর তাদের সম্পর্কে খোঁজখবর শুরু করেছে রাজ্য সরকারও। অশোকের পরিবারের সদস্যরাও প্রশাসনের মাধ্যমে তার সন্ধানের অপেক্ষায় রয়েছেন। এখন পরিবারের একটাই প্রার্থনা—দ্রুত অশোকের সন্ধান মিলুক এবং তাকে নিরাপদে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হোক।
- বর্ধমান গুডশেড ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের সভা চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলা বুধবার রাত্রি আটটা নাগাদ বর্ধমান শহরের জিটি রোডের একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে চলছিল বর্ধমান গুডসেড ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের সভা। আর সেই সবার চলাকালীন অপর এক সংগঠনের সদস্যরা ঢুকে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বর্ধমান থানার পুলিশ। অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গেছে বর্ধমান গুডসেড ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব নিকাশ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে আর তাই নিয়ে বিবাদ।1
- সাইকেলে চেপেই দিঘার পথে নবদ্বীপের দুই নাবালক, পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হওয়ার আগেই ফিরল বাড়ি। সাইকেলে চেপেই দিঘার পথে নবদ্বীপের দুই নাবালক, ফুলিয়া ফারির পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হওয়ার আগেই ফিরল বাড়ি। বাড়িতে না জানিয়েই সাইকেলেই দিঘা যাওয়ার পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা থেকেই দুই বন্ধু সাইকেল নিয়ে রওনা দেয় দূরপথের উদ্দেশে। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ফুলিয়ায় পুলিশের নজরে পড়ে যায় তারা। সময়মতো পুলিশের হস্তক্ষেপে নিখোঁজ হওয়ার আগেই পরিবারের কাছে ফিরে গেল নবদ্বীপের দুই কিশোর। জানা গিয়েছে, নবদ্বীপ ভালুকা বটতলা এলাকার তিন পরিবারের তিন বন্ধু স্কুল ছুটির মধ্যে বাড়িতে কিছু না জানিয়েই বেরিয়ে পড়েছিল। দু’টি সাইকেলে তিনজন দিঘার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। কিছুটা যাওয়ার পর একজন ফিরে গেলেও বাকি দুই কিশোর সাইকেল চালিয়ে এগিয়ে যায়। প্রায় ১৫ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার পর ফুলিয়ার প্রফুল্লনগর এলাকায় তাদের দেখা যায়। খিদে পাওয়ায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে টাকা চাইছিল দুই কিশোর। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ওই ব্যক্তি সিভিক ভলান্টিয়ারকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোর বাড়ির ফোন নম্বরও বলতে পারেনি। এরপর তাদের ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি পরিচয় জানার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এদিকে দুই কিশোর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ফুলিয়া ক্যাম্পে পৌঁছে দুই কিশোরকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরের বয়স ১২ ও ১৪ বছর। ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় এবং তন্ময় মণ্ডলের উদ্যোগে তাদের উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার আগেই সন্তানদের ফিরে পেয়ে পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগর শহরের রাস্তার বেহাল অবস্থা দোগাছি খেয়াঘাট পাড়া মোড় থেকে বৈকুন্ঠসড়ক হয়ে শক্তিনগর গার্লস স্কুলের মোড় হয়ে শক্তিনগর মোড় যাওয়ার পথের বেহাল অবস্থা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বহু সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করে এবং বলা ভালো বিশেষ করে বৈকুন্ঠ সড়ক এলাকায় রাস্তার পরিস্থিতি এতটাই করুন যে রীতিমতো পুরানো সেই দিনের কথা মনে পড়ে যায় এই বিষয়ে আমার মনে হয় বৈকুন্ঠ সড়ক এলাকার মেম্বার এর এবং দোগাছি পঞ্চায়েতের গম্ভীর ভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করা উচিত এবং দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা উচিত4
- AIDWA এর তরফ থেকে প্রশাসক দের কাছে ডেপুটেশন ; শহরের নিকাশি ব্যবস্থা, বিভিন্ন ভাতা, অন্নপূর্ণা ভান্ডার ইত্যাদি বিষয়ে। AIDWA এর তরফ থেকে প্রশাসক দের কাছে ডেপুটেশন ; শহরের নিকাশি ব্যবস্থা, বিভিন্ন ভাতা, অন্নপূর্ণা ভান্ডার ইত্যাদি বিষয়ে। সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যরা জমায়েত হয়েছিল পৌরসভার সামনে, আজ 27/08/26 তিনটে নাগাদ। এছাড়া তাদের দাবি ছিল পৌরসভার জল সরবরাহ, কর্মচারীদের পেনশন ইত্যাদি বিষয়ে। রইল সেই সময়ের ভিডিও, সঙ্গে সংগঠনের প্রশাসক শম্পা সান্যাল এর বক্তব্য। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- বিজেপিতে কেউ কারোর কথা শোনে না - মন্তব্য বিধায়ক কুনাল ঘোষের1
- রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে অভিনব কর্মসূচি পালন করল গরীবের সূর্য ট্রাস্ট। . . . . #Santipur #rakhibandhan #rakshabandhan #nadia #গরীবের_সূর্য #trust #ngo #রাখীবন্ধন #NewsUpdate #BengaliNews #everyone #BreakingNews #nebangladigital রাখি বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, ২০২৬টি রাখি ও লাড্ডু নিয়ে পথে গরীবের সূর্য ট্রাস্ট রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে অভিনব কর্মসূচি পালন করল গরীবের সূর্য ট্রাস্ট। বৃহস্পতিবার শান্তিপুরের একাধিক এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দেন ট্রাস্টের সদস্যরা। ২০২৬ সালকে সামনে রেখে এবারের কর্মসূচিতে ছিল ২০২৬টি রাখি এবং ২০২৬টি লাড্ডু। পাশাপাশি লজেন্সও বিতরণ করা হয়। শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে মিষ্টিমুখ করান ট্রাস্টের সদস্যরা। এর পাশাপাশি শান্তিপুর থানার পুলিশকর্মী, শান্তিপুর ফায়ার ব্রিগেডের কর্মী, শান্তিপুর হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং শান্তিপুর ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের হাতেও রাখি পরিয়ে তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। ট্রাস্টের এক সদস্যা ক্যামেরার সামনে জানান, চিকিৎসক, পুলিশ, দমকলকর্মী এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে শান্তিপুরে এসে সাধারণ মানুষের পরিষেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁদের হাতে বোনের সম্মানের সঙ্গে রাখি পরিয়ে দিতে পেরে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। ২০২৬ সালকে স্মরণীয় করে তুলতেই ২০২৬টি রাখি ও ২০২৬টি লাড্ডু দিয়ে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিনের কর্মসূচি থেকে গরীবের সূর্য ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাদের আগামী দিনের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের কথাও জানানো হয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রাস্টের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা চালু হতে চলেছে। এছাড়াও প্রতিদিন মাত্র এক টাকার বিনিময়ে ভালোবাসার মানুষদের দুপুরের আহার দেওয়ার উদ্যোগও চলছে বলে জানান ট্রাস্টের সদস্যরা। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের পাশে থাকার লক্ষ্য নিয়ে আগামী দিনেও আরও একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে গরীবের সূর্য ট্রাস্ট।1
- মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে প্রতিবাদ চাই এবং বিচার চাই মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে1
- অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় খুশির হাওয়া নদিয়ার শান্তিপুর বিধানসভার ফুলিয়া বেলঘরিয়া এলাকায়। মিষ্টি বিলি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় খুশির হাওয়া নদিয়ার শান্তিপুর বিধানসভার ফুলিয়া বেলঘরিয়া এলাকায়। মিষ্টি বিলি. . . . . #AnnapurnaBhandar #phulia #fulia #bjp #nadia #BengaliNews #NewsUpdate #newsfeed1