চিনির দাম নিয়ে বর্ধমানে প্রশাসনের কড়া নজরঃ বাজারে জেলাশাসক-পুলিশ সুপারের অভিযান সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ২৭ আগস্ট: গত কয়েকদিনে চিনির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারে চিনি না পাওয়ার গুজব ঘিরে বর্ধমান শহরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারদর ও চিনির মজুত খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার শহরের আলমগঞ্জ-সহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাল জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়ালের নেতৃত্বে অভিযানে ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার এমএস পুষ্পা, এসডিও লোকনাথ সরকার-সহ প্রশাসন ও পুলিশের আধিকারিকেরা। এ দিন আলমগঞ্জের একাধিক পাইকারি ও খুচরো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চিনির মজুত, স্টক রেজিস্টার এবং সংশ্লিষ্ট নথি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকেরা। গুদামে থাকা মজুতের সঙ্গে নথিভুক্ত হিসাব মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি কত দামে চিনি কেনা ও বিক্রি হচ্ছে, পাইকারি ও খুচরো দামের মধ্যে কতটা ফারাক রয়েছে এবং কৃত্রিম ভাবে বাজারে অভাব তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। গত এক সপ্তাহে বর্ধমানের বিভিন্ন বাজারে কেজি প্রতি প্রায় ২০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে চিনি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি, চিনি মিলবে না বা বাজারে চিনির ঘাটতি তৈরি হয়েছে—এমন গুজবও ছড়িয়েছে বলে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ এসেছে। এর জেরে চিনি কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করেন এমন ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়েছেন। জেলাশাসক স্পষ্ট করে জানান, এই অভিযানকে ‘রেড’ বলা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, “সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আমরা বাজারে ঘুরছি। দাম কেন বেড়েছে, তার কোনও কারণ আছে কি না, সেটাই বোঝার চেষ্টা করছি। মানুষের যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ করা যায়, সেটাও দেখা হচ্ছে।” অভিযান চলাকালীন ব্যবসায়ীদের মজুতের হিসাব দেখাতে বলা হয়। অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি মজুত করে কৃত্রিম অভাব তৈরি করা বা অস্বাভাবিক দামে বিক্রি করার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, মজুত বা কেনাবেচায় কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। আগামী দিনেও বাজারে নজরদারি চলবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ দিন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও অসঙ্গতি নজরে আসেনি বলে জানান জেলাশাসক। তিনি বলেন, “স্টক রেজিস্টার দেখে জিনিসপত্র গুনে দেখেছি। মোটামুটি স্টকের সঙ্গে হিসাব মিলে যাচ্ছে। চোখে পড়ার মতো কোনও অসঙ্গতিও এখনও পাইনি।” অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরের বেশ কিছু দোকানে চিনির দাম কমে কেজি প্রতি ৬০-৬৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা যায়। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। জেলাশাসক বলেন, “চিনির আকাল বা সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে চাহিদার তুলনায় কোনও ঘাটতি নেই। বাজারে যাতে কোনও গুজব না ছড়ায়, সেটাই আমরা চাই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রশাসন সব ধরনের খোঁজখবর রাখছে।” জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবারের পর বৃহস্পতিবার ফের দ্বিতীয় দফায় বর্ধমানের বিভিন্ন বাজারে নজরদারি চালানো হল। জেলার অন্য প্রান্তেও এসডিও-দের নেতৃত্বে পাইকারি ও খুচরো বাজারে নজরদারি চলছে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই এই নজরদারির অন্যতম উদ্দেশ্য।
চিনির দাম নিয়ে বর্ধমানে প্রশাসনের কড়া নজরঃ বাজারে জেলাশাসক-পুলিশ সুপারের অভিযান সুজিত দত্ত, বর্ধমান, ২৭ আগস্ট: গত কয়েকদিনে চিনির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারে চিনি না পাওয়ার গুজব ঘিরে বর্ধমান শহরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারদর ও চিনির মজুত খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার শহরের আলমগঞ্জ-সহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাল জেলা প্রশাসন ও পুলিশ। জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়ালের নেতৃত্বে অভিযানে ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার এমএস পুষ্পা, এসডিও লোকনাথ সরকার-সহ প্রশাসন ও পুলিশের আধিকারিকেরা। এ দিন আলমগঞ্জের একাধিক পাইকারি ও খুচরো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চিনির মজুত, স্টক রেজিস্টার এবং সংশ্লিষ্ট নথি খতিয়ে দেখেন আধিকারিকেরা। গুদামে থাকা মজুতের সঙ্গে নথিভুক্ত হিসাব মিলিয়ে দেখার পাশাপাশি কত দামে চিনি কেনা ও
বিক্রি হচ্ছে, পাইকারি ও খুচরো দামের মধ্যে কতটা ফারাক রয়েছে এবং কৃত্রিম ভাবে বাজারে অভাব তৈরি করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হয়। গত এক সপ্তাহে বর্ধমানের বিভিন্ন বাজারে কেজি প্রতি প্রায় ২০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে চিনি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি, চিনি মিলবে না বা বাজারে চিনির ঘাটতি তৈরি হয়েছে—এমন গুজবও ছড়িয়েছে বলে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ এসেছে। এর জেরে চিনি কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করেন এমন ব্যবসায়ীরাও সমস্যায় পড়েছেন। জেলাশাসক স্পষ্ট করে জানান, এই অভিযানকে ‘রেড’ বলা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, “সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী আমরা বাজারে ঘুরছি। দাম কেন বেড়েছে, তার কোনও কারণ আছে কি না, সেটাই বোঝার চেষ্টা করছি। মানুষের যাতে অসুবিধা
না হয়, তার জন্য প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ করা যায়, সেটাও দেখা হচ্ছে।” অভিযান চলাকালীন ব্যবসায়ীদের মজুতের হিসাব দেখাতে বলা হয়। অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি মজুত করে কৃত্রিম অভাব তৈরি করা বা অস্বাভাবিক দামে বিক্রি করার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, মজুত বা কেনাবেচায় কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। আগামী দিনেও বাজারে নজরদারি চলবে বলে জানানো হয়েছে। তবে এ দিন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনও অসঙ্গতি নজরে আসেনি বলে জানান জেলাশাসক। তিনি বলেন, “স্টক রেজিস্টার দেখে জিনিসপত্র গুনে দেখেছি। মোটামুটি স্টকের সঙ্গে হিসাব মিলে যাচ্ছে। চোখে পড়ার মতো কোনও অসঙ্গতিও এখনও পাইনি।” অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শহরের বেশ কিছু দোকানে চিনির দাম
কমে কেজি প্রতি ৬০-৬৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা যায়। অন্যদিকে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। জেলাশাসক বলেন, “চিনির আকাল বা সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে চাহিদার তুলনায় কোনও ঘাটতি নেই। বাজারে যাতে কোনও গুজব না ছড়ায়, সেটাই আমরা চাই। ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রশাসন সব ধরনের খোঁজখবর রাখছে।” জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবারের পর বৃহস্পতিবার ফের দ্বিতীয় দফায় বর্ধমানের বিভিন্ন বাজারে নজরদারি চালানো হল। জেলার অন্য প্রান্তেও এসডিও-দের নেতৃত্বে পাইকারি ও খুচরো বাজারে নজরদারি চলছে। বাজারদর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাই এই নজরদারির অন্যতম উদ্দেশ্য।
- বর্ধমান গুডশেড ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের সভা চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলা বুধবার রাত্রি আটটা নাগাদ বর্ধমান শহরের জিটি রোডের একটি অনুষ্ঠান বাড়িতে চলছিল বর্ধমান গুডসেড ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের সভা। আর সেই সবার চলাকালীন অপর এক সংগঠনের সদস্যরা ঢুকে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বর্ধমান থানার পুলিশ। অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা গেছে বর্ধমান গুডসেড ট্রাক অ্যাসোসিয়েশনের হিসাব নিকাশ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে আর তাই নিয়ে বিবাদ।1
- সাইকেলে চেপেই দিঘার পথে নবদ্বীপের দুই নাবালক, পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হওয়ার আগেই ফিরল বাড়ি। সাইকেলে চেপেই দিঘার পথে নবদ্বীপের দুই নাবালক, ফুলিয়া ফারির পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ হওয়ার আগেই ফিরল বাড়ি। বাড়িতে না জানিয়েই সাইকেলেই দিঘা যাওয়ার পরিকল্পনা। সেই পরিকল্পনা থেকেই দুই বন্ধু সাইকেল নিয়ে রওনা দেয় দূরপথের উদ্দেশে। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই ফুলিয়ায় পুলিশের নজরে পড়ে যায় তারা। সময়মতো পুলিশের হস্তক্ষেপে নিখোঁজ হওয়ার আগেই পরিবারের কাছে ফিরে গেল নবদ্বীপের দুই কিশোর। জানা গিয়েছে, নবদ্বীপ ভালুকা বটতলা এলাকার তিন পরিবারের তিন বন্ধু স্কুল ছুটির মধ্যে বাড়িতে কিছু না জানিয়েই বেরিয়ে পড়েছিল। দু’টি সাইকেলে তিনজন দিঘার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। কিছুটা যাওয়ার পর একজন ফিরে গেলেও বাকি দুই কিশোর সাইকেল চালিয়ে এগিয়ে যায়। প্রায় ১৫ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার পর ফুলিয়ার প্রফুল্লনগর এলাকায় তাদের দেখা যায়। খিদে পাওয়ায় স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে টাকা চাইছিল দুই কিশোর। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ওই ব্যক্তি সিভিক ভলান্টিয়ারকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের কর্মীরা সেখানে পৌঁছে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে দুই কিশোর বাড়ির ফোন নম্বরও বলতে পারেনি। এরপর তাদের ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি পরিচয় জানার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয় পুলিশ। এদিকে দুই কিশোর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ফুলিয়া ক্যাম্পে পৌঁছে দুই কিশোরকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া দুই কিশোরের বয়স ১২ ও ১৪ বছর। ফুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায় এবং তন্ময় মণ্ডলের উদ্যোগে তাদের উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করার আগেই সন্তানদের ফিরে পেয়ে পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা করেছেন পরিবারের সদস্যরা।1
- নদীয়ার কৃষ্ণনগর শহরের রাস্তার বেহাল অবস্থা দোগাছি খেয়াঘাট পাড়া মোড় থেকে বৈকুন্ঠসড়ক হয়ে শক্তিনগর গার্লস স্কুলের মোড় হয়ে শক্তিনগর মোড় যাওয়ার পথের বেহাল অবস্থা প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে বহু সংখ্যক মানুষ যাতায়াত করে এবং বলা ভালো বিশেষ করে বৈকুন্ঠ সড়ক এলাকায় রাস্তার পরিস্থিতি এতটাই করুন যে রীতিমতো পুরানো সেই দিনের কথা মনে পড়ে যায় এই বিষয়ে আমার মনে হয় বৈকুন্ঠ সড়ক এলাকার মেম্বার এর এবং দোগাছি পঞ্চায়েতের গম্ভীর ভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করা উচিত এবং দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা উচিত4
- AIDWA এর তরফ থেকে প্রশাসক দের কাছে ডেপুটেশন ; শহরের নিকাশি ব্যবস্থা, বিভিন্ন ভাতা, অন্নপূর্ণা ভান্ডার ইত্যাদি বিষয়ে। AIDWA এর তরফ থেকে প্রশাসক দের কাছে ডেপুটেশন ; শহরের নিকাশি ব্যবস্থা, বিভিন্ন ভাতা, অন্নপূর্ণা ভান্ডার ইত্যাদি বিষয়ে। সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির সদস্যরা জমায়েত হয়েছিল পৌরসভার সামনে, আজ 27/08/26 তিনটে নাগাদ। এছাড়া তাদের দাবি ছিল পৌরসভার জল সরবরাহ, কর্মচারীদের পেনশন ইত্যাদি বিষয়ে। রইল সেই সময়ের ভিডিও, সঙ্গে সংগঠনের প্রশাসক শম্পা সান্যাল এর বক্তব্য। লেখনী, ভিডিওগ্রাফি ও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)1
- বিজেপিতে কেউ কারোর কথা শোনে না - মন্তব্য বিধায়ক কুনাল ঘোষের1
- রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে অভিনব কর্মসূচি পালন করল গরীবের সূর্য ট্রাস্ট। . . . . #Santipur #rakhibandhan #rakshabandhan #nadia #গরীবের_সূর্য #trust #ngo #রাখীবন্ধন #NewsUpdate #BengaliNews #everyone #BreakingNews #nebangladigital রাখি বন্ধনে সম্প্রীতির বার্তা, ২০২৬টি রাখি ও লাড্ডু নিয়ে পথে গরীবের সূর্য ট্রাস্ট রাখি বন্ধন উৎসব উপলক্ষে অভিনব কর্মসূচি পালন করল গরীবের সূর্য ট্রাস্ট। বৃহস্পতিবার শান্তিপুরের একাধিক এলাকায় সাধারণ মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা ছড়িয়ে দেন ট্রাস্টের সদস্যরা। ২০২৬ সালকে সামনে রেখে এবারের কর্মসূচিতে ছিল ২০২৬টি রাখি এবং ২০২৬টি লাড্ডু। পাশাপাশি লজেন্সও বিতরণ করা হয়। শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য মানুষের হাতে রাখি পরিয়ে মিষ্টিমুখ করান ট্রাস্টের সদস্যরা। এর পাশাপাশি শান্তিপুর থানার পুলিশকর্মী, শান্তিপুর ফায়ার ব্রিগেডের কর্মী, শান্তিপুর হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং শান্তিপুর ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের হাতেও রাখি পরিয়ে তাঁদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। ট্রাস্টের এক সদস্যা ক্যামেরার সামনে জানান, চিকিৎসক, পুলিশ, দমকলকর্মী এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে শান্তিপুরে এসে সাধারণ মানুষের পরিষেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁদের হাতে বোনের সম্মানের সঙ্গে রাখি পরিয়ে দিতে পেরে তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। ২০২৬ সালকে স্মরণীয় করে তুলতেই ২০২৬টি রাখি ও ২০২৬টি লাড্ডু দিয়ে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিনের কর্মসূচি থেকে গরীবের সূর্য ট্রাস্টের পক্ষ থেকে তাদের আগামী দিনের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের কথাও জানানো হয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ট্রাস্টের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা চালু হতে চলেছে। এছাড়াও প্রতিদিন মাত্র এক টাকার বিনিময়ে ভালোবাসার মানুষদের দুপুরের আহার দেওয়ার উদ্যোগও চলছে বলে জানান ট্রাস্টের সদস্যরা। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানুষের পাশে থাকার লক্ষ্য নিয়ে আগামী দিনেও আরও একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে গরীবের সূর্য ট্রাস্ট।1
- মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে প্রতিবাদ চাই এবং বিচার চাই মানুষটা কি কারো কোন ক্ষতি করেছে1
- অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় খুশির হাওয়া নদিয়ার শান্তিপুর বিধানসভার ফুলিয়া বেলঘরিয়া এলাকায়। মিষ্টি বিলি অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ায় খুশির হাওয়া নদিয়ার শান্তিপুর বিধানসভার ফুলিয়া বেলঘরিয়া এলাকায়। মিষ্টি বিলি. . . . . #AnnapurnaBhandar #phulia #fulia #bjp #nadia #BengaliNews #NewsUpdate #newsfeed1