Shuru
Apke Nagar Ki App…
রাজ্যের সাসপেন্ড হওয়া ৭ জন ERO -দের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়নি ভারতের নির্বাচন কমিশন অতি সম্প্রতি একাধিক অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের সাতজন ERO- দের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয় নি নির্বাচন কমিশন এমনটাই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরো বলেন কি কারণে তাদের সাসপেন্ড করা হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে তাদের জানানো হয়নি। কোন একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল অভিযোগ করার পরেই তৎপর হয়ে ওঠে নির্বাচন কমিশন এমনটাই অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
Pradip kundu
রাজ্যের সাসপেন্ড হওয়া ৭ জন ERO -দের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়নি ভারতের নির্বাচন কমিশন অতি সম্প্রতি একাধিক অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের সাতজন ERO- দের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয় নি নির্বাচন কমিশন এমনটাই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরো বলেন কি কারণে তাদের সাসপেন্ড করা হয়েছে তা পরিষ্কারভাবে তাদের জানানো হয়নি। কোন একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল অভিযোগ করার পরেই তৎপর হয়ে ওঠে নির্বাচন কমিশন এমনটাই অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ধূপগুড়ি তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল এবার চরম পর্যায়ে। ধূপগুড়ি গ্রামীণ ব্লক INTTUC সভাপতি তথা ঝাড় আলতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী বীরেন রায়ের একটি বিতর্কিত ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ে গেছে রাজনৈতিক মহলে। ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং-এর কার্যালয়ে বসে একদল নেতার মাঝে ধূপগুড়ির বিধায়ক অধ্যাপক নির্মল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বীরেন রায়। শুধু তাই নয়, চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে তাকে বলতে শোনা যায় যে, প্রয়োজনে তৃণমূল ছেড়ে তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন KLO-তে যোগ দেবেন।ধূপগুড়ি বিধায়কের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সরব হয়েছেন। বীরেন রায়ের এই মন্তব্য সেই বিরোধকেই নতুন করে উসকে দিল। ভিডিওটি ঘিরে বিতর্ক শুরু হতেই বীরেন রায়ের দাবি, এটি একটি একান্ত ব্যক্তিগত আলোচনা ছিল। তার অভিযোগ, দলেরই কেউ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে অপদস্ত করতে ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধূপগুড়ির রাজনৈতিক মহলে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল। যদিও এই ঘটনার সত্যতা যাচাই করেনি শুরু অ্যাপস কর্তৃপক্ষ3
- ডিউটিরত অবস্থায় পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল কালনা থানার এক পুলিশ কর্মীর। জানা গিয়েছে ধাত্রীগ্রাম নবদ্বীপ মোড় সংলগ্ন এলাকায় গতকাল রাতে ডিউটি করছিলেন কালনা থানার পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়।তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানার অন্তর্গত বিটরা এলাকায়। নাইট ডিউটিতে তিনি এবং তার আরও সহযোগী পুলিশ কর্মীরা ছিলেন, বাথরুম করার জন্য গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা পেরিয়ে অপর সাইডে যাওয়ার পথেই একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা মেরে দেয়। কিছুক্ষণ পর সহকর্মী পুলিশরা তাকে পড়ে থাকতে দেখে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে নিয়ে আসে কালনা মহকুমা হসপিটাল। সেখানে কিছুক্ষণ চিকিৎসা চলার পরই মৃত্যু হয় পুলিশ কর্মী বিশ্বজিৎ রায়ের। ঘটনার পর এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। এ প্রসঙ্গে মৃত ওই পুলিশকর্মীর ছেলে প্রবীর রায় তিনি জানান, আর পাঁচটা দিনের মতনই রাতে ডিউটিতে ছিলেন বাবা, আর সেই সময় একটি গাড়ি ধাক্কাতে এই ঘটনা।1
- বিজেপি ভোট চাইতে এলে গাছে বেঁধে রাখুন। এমনই নিদান দিলেন দিনহাটা 2 নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক আজিজার রহমান। এদিন গোবরা ছাড়া এক বুথ সম্মেলনে এ কথা বলেন।1
- কোচবিহার জেলা ক্রীড়া সংস্থা জেলাভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৫ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চলেছে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনটাই জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুব্রত দত্ত। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নদীয়া শিলিগুড়ির সহ একাধিক জেলার দল অংশগ্রহণ করবে। বুধবার সকাল সাড়ে নটা থেকে খেলা শুরু হবে এবং প্রত্যেকদিন একটি করে খেলা অনুষ্ঠিত হবে কোচবিহার রাজবাড়ি স্টেডিয়াম, আর কি কি জানালেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক সুব্রত দত্ত শুনুন বিস্তারিত1
- জয়ন্তী মহাকাল হার হার মহাদেব আমরা তুলে ধরলাম2
- মাথাভাঙ্গা ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির পোস্টার ছেড়ে ফেলার অভিযোগ উঠলো ।ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বিজেপির দাবি নরেন্দ্র মোদীর পোস্টার লাগিয়েছিলেন অভিযোগ রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেই পোষ্টারগুলো ছিড়ে দিয়েছে।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।1
- চুরি করতে এসে আগে মদের পার্টি! তারপর ঠান্ডা মাথায় গোয়াল ঘর খালি—এ যেন সিনেমার দৃশ্য, কিন্তু ঘটনাটি একেবারে বাস্তব। সোমবার গভীর রাতে রানীরহাট এলাকায় এমনই স্পর্ধার পরিচয় দিল চোরের দল। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের আলোকঝাড়িতে প্রথমে বসে জমিয়ে মদের আসর। স্থানীয়দের দাবি, গোয়াল ঘরের পাশেই পড়ে ছিল মদের বোতল ও প্লাস্টিকের গ্লাস—যেন ‘অপারেশন’-এর আগে উদযাপন! তারপর সুযোগ বুঝে তালা কেটে হিতেন রায়ের বাড়ি থেকে ২টি গরু ও ৩টি ছাগল উধাও। পাশের বাড়ির সরল অধিকারীর গোয়াল ঘরেও হানা। এলাকাবাসীর প্রশ্ন— চুরি করতে এসে যদি এমন প্রকাশ্যে মদের পার্টি বসে, তাহলে চোরেদের সাহস কতটা বেড়েছে? এর আগেও একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে এলাকায়। এমনকি দিনের আলোতেও চুরি হয়েছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত ধরা পড়েনি কেউ। মদের আসর বসিয়ে চুরি—এই বেপরোয়া মানসিকতা কি বড় কোনও চক্রের ইঙ্গিত? পুলিশ কি এবার ধরতে পারবে এই স্পর্ধিত চোরেদের? রানীরহাটে এখন একটাই প্রশ্ন— চোরের এমন ‘পার্টি কালচার’ থেকে কবে মুক্তি পাবে সাধারণ মানুষ?1
- বর্ধমান জেলায় বিজেপির ‘গৃহ সম্পর্ক অভিযান’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ, অভিযানে বাধা দেন স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শ্যামল নামে এক ব্যক্তি। এমনকি বিজেপি জেলা সভাপতিকে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, এদিন পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ‘গৃহ সম্পর্ক অভিযান’ চালাচ্ছিলেন। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ আপত্তি জানায়। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা শ্যামল অভিযানে বাধা দেন এবং বিজেপি জেলা সভাপতির সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি বিজেপির। ঘটনার পরেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে শাসকদল রাজনৈতিক সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে। জেলা বিজেপি সভাপতি বলেন, তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তা ভণ্ডুল করার চেষ্টা করা হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে উসকানিমূলক আচরণ করছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এলাকায় অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছিল বিজেপি কর্মীরাই। শ্যামল নামে অভিযুক্ত নেতার দাবি, তিনি কোনও ধাক্কাধাক্কির সঙ্গে যুক্ত নন; বরং পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কিনা, তা স্পষ্ট নয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। বর্ধমানের এই ঘটনাও সেই রাজনৈতিক টানাপোড়েনেরই প্রতিফলন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।1