পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে অত্যন্ত মহাসাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইসকনের ১৮তম জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব। আগামী ১৫ জুলাই গুণ্ডিচা মার্জন ও নেত্র উৎসব এবং ১৬ জুলাই মূল রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য সরকারের বন্দর দপ্তরের মন্ত্রী দিবাকর ঘরামি। এবারের রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে রাজস্থানের বিখ্যাত ঋষভদেব জৈন মন্দিরের আদলে নির্মিত গুণ্ডিচা মন্দির। পুরীর ঐতিহ্য অনুসারে খাঁটি ঘি ব্যবহার করে ১৬টি উনুনে কাঠের জ্বালে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটানা মহাপ্রসাদ রান্না করা হবে। গত বছর প্রায় ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছিল এবং এবার প্রায় ২ লক্ষ ভক্তের জন্য মহাপ্রসাদ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে রথযাত্রা শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আকবর গার্লস স্কুল মাঠে পৌঁছাবে। উৎসব উপলক্ষে ৬০০ বর্গফুটের বিশেষ রামলীলা প্রদর্শনী, রামায়ণ কুইজ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চক্ষু পরীক্ষা ও মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া, উল্টোরথের দিন পুরীর ঐতিহ্য অনুযায়ী সোনাবেশ, অধরপনা এবং লক্ষ্মীদেবীর মানভঞ্জন পর্বের মাধ্যমে ‘নীলাদ্রি বিজয়’-এর বিশেষ আচার সম্পন্ন হবে। প্রশাসন ও ভক্তদের সহযোগিতায় এবারের রথযাত্রা উৎসব সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী ইসকন কর্তৃপক্ষ। শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য জানিয়েছেন মহাপ্রভু ঔদার্য্য চন্দ্র দাস।
পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে অত্যন্ত মহাসাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইসকনের ১৮তম জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব। আগামী ১৫ জুলাই গুণ্ডিচা মার্জন ও নেত্র উৎসব এবং ১৬ জুলাই মূল রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য সরকারের বন্দর দপ্তরের মন্ত্রী দিবাকর ঘরামি। এবারের রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে রাজস্থানের বিখ্যাত ঋষভদেব জৈন মন্দিরের আদলে নির্মিত গুণ্ডিচা মন্দির। পুরীর ঐতিহ্য অনুসারে খাঁটি ঘি ব্যবহার করে ১৬টি উনুনে কাঠের জ্বালে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটানা মহাপ্রসাদ রান্না করা হবে। গত বছর প্রায় ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছিল এবং এবার প্রায় ২ লক্ষ ভক্তের জন্য মহাপ্রসাদ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে রথযাত্রা শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আকবর গার্লস স্কুল মাঠে পৌঁছাবে। উৎসব উপলক্ষে ৬০০ বর্গফুটের বিশেষ রামলীলা প্রদর্শনী, রামায়ণ কুইজ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চক্ষু পরীক্ষা ও মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া, উল্টোরথের দিন পুরীর ঐতিহ্য অনুযায়ী সোনাবেশ, অধরপনা এবং লক্ষ্মীদেবীর মানভঞ্জন পর্বের মাধ্যমে ‘নীলাদ্রি বিজয়’-এর বিশেষ আচার সম্পন্ন হবে। প্রশাসন ও ভক্তদের সহযোগিতায় এবারের রথযাত্রা উৎসব সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী ইসকন কর্তৃপক্ষ। শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য জানিয়েছেন মহাপ্রভু ঔদার্য্য চন্দ্র দাস।
- বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির দেসুরিয়া গ্রামে ইলেকট্রিক শক খেয়ে একটি গবাদি পশুর আকস্মিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত গবাদি পশুর মালিক এই ঘটনার জন্য সরাসরি ইলেকট্রিক ডাক্তারের গাফিলতিকেই দায়ী করেছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অবশেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।1
- বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা একটি বৈঠকে যোগ দিতে এসেও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে সেখান থেকে বেরিয়ে গেছেন। বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, যাঁরা তাঁকে জেল খাটিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে বসে চা খেতে তিনি একেবারেই রাজি নন। এই ভাষাতেই নিজের তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে শেষ পর্যন্ত বৈঠক ছেড়ে চলে যান তিনি।1
- পশ্চিমবঙ্গের হলদিবাড়ির এক সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আচমকা ৭৫৯ কোটি টাকার এক 'ভুতুড়ে' ব্যালেন্স দেখা দেওয়ায় নেটদুনিয়া জুড়ে তীব্র তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আসলে ওই ছাত্রীটি জুতো কেনার জন্য তার অ্যাকাউন্ট থেকে মাত্র ৯০০ টাকা তুলতে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার অ্যাকাউন্টে এই বিপুল পরিমাণ টাকা দেখতে পাওয়ায় শোরগোল পড়ে গেছে এবং বিষয়টি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল।1
- অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের গোঘাট এক নম্বর বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন গোঘাট এক নম্বর এলাকার আশা কর্মীরা। গত ৮ জুলাই রাজ্য সরকারের জারি করা নতুন নির্দেশনামায় আশা কর্মীদের নাম অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে বাদ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আশা কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এবং তারই ধারাবাহিকতায় গোঘাট থানা এলাকার গোঘাট এক নম্বর ব্লক অফিসেও এই বিক্ষোভের চিত্র ধরা পড়ে।1
- পুরুলিয়ার বান্দোয়ানে শুক্রবার আইসিডিএস কর্মীরা মিছিল করে সিডিপিও-র কাছে তাদের বিভিন্ন দাবিদাবা সম্বলিত একটি ডেপুটেশন জমা দিয়েছেন। আইসিডিএস কর্মীদের এই দাবিনামার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আইসিডিএস প্রকল্পের স্থায়ীকরণ এবং শূন্য পদগুলিতে দ্রুত কর্মী ও সহায়িকা নিয়োগ। পাশাপাশি, আগের সরকারের অর্ডার অনুযায়ী সান্মানিক ভাতা এক হাজার টাকা প্রদান, বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী সবজি ও ডিমের দাম নির্ধারণ এবং মোবাইল রিচার্জের টাকা বৃদ্ধির মতো একাধিক দাবি তুলে ধরা হয়েছে।1
- আগামী ১৩ জুলাই বহরমপুরে কংগ্রেসের একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই মহাসমাবেশকে সফল করে তুলতে এবং সেখানে সাধারণ মানুষকে দলে দলে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন কমলেশ চ্যাটার্জী।1
- পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে অত্যন্ত মহাসাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইসকনের ১৮তম জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা উৎসব। আগামী ১৫ জুলাই গুণ্ডিচা মার্জন ও নেত্র উৎসব এবং ১৬ জুলাই মূল রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য সরকারের বন্দর দপ্তরের মন্ত্রী দিবাকর ঘরামি। এবারের রথযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে রাজস্থানের বিখ্যাত ঋষভদেব জৈন মন্দিরের আদলে নির্মিত গুণ্ডিচা মন্দির। পুরীর ঐতিহ্য অনুসারে খাঁটি ঘি ব্যবহার করে ১৬টি উনুনে কাঠের জ্বালে ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটানা মহাপ্রসাদ রান্না করা হবে। গত বছর প্রায় ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ভক্তের সমাগম হয়েছিল এবং এবার প্রায় ২ লক্ষ ভক্তের জন্য মহাপ্রসাদ বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে রথযাত্রা শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে আকবর গার্লস স্কুল মাঠে পৌঁছাবে। উৎসব উপলক্ষে ৬০০ বর্গফুটের বিশেষ রামলীলা প্রদর্শনী, রামায়ণ কুইজ, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চক্ষু পরীক্ষা ও মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া, উল্টোরথের দিন পুরীর ঐতিহ্য অনুযায়ী সোনাবেশ, অধরপনা এবং লক্ষ্মীদেবীর মানভঞ্জন পর্বের মাধ্যমে ‘নীলাদ্রি বিজয়’-এর বিশেষ আচার সম্পন্ন হবে। প্রশাসন ও ভক্তদের সহযোগিতায় এবারের রথযাত্রা উৎসব সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী ইসকন কর্তৃপক্ষ। শনিবার সন্ধ্যা সাতটায় সাংবাদিক সম্মেলন করে এই তথ্য জানিয়েছেন মহাপ্রভু ঔদার্য্য চন্দ্র দাস।1
- পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানায় কর্মরত এক ঠিকা শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কারখানার ব্লাস্ট ফার্নেস এলাকায় কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত শ্রমিকের নাম শেখ শহিদুল এবং তিনি আরতি গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিক সূত্রে জানা যায়, কাজ করার সময় শেখ শহিদুল দুর্ঘটনাবশত ব্লাস্ট ফার্নেসে পড়ে গিয়ে গুরুতরভাবে ঝলসে যান। তাঁর সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনার জেরে কারখানার শ্রমিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনাটি ঠিক কী কারণে ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।1