তুফানগঞ্জে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে ব্যাপক সাড়া দেখা গেল। তুফানগঞ্জে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে ব্যাপক সাড়া দেখা গেল। এদিন সকাল থেকেই তুফানগঞ্জ ২ নং ব্লক অফিস চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন বহু যুবক-যুবতী। সরকারি এই কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় আবেদনকারীদের। জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু হওয়া ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেই কারণেই এলাকায় প্রকল্পটি নিয়ে উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। অনেকেই প্রয়োজনীয় নথি—আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি—নিয়ে সকাল সকাল ব্লক অফিসে হাজির হন। আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ সদ্য স্নাতক, কেউ বা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সন্ধানে। তাঁদের কথায়, “সরকার যদি কিছু আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়, তাহলে ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হওয়া সহজ হবে।” বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার বহু যুবক-যুবতী এই প্রকল্পকে আশার আলো হিসেবে দেখছেন। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। ভিড় সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশও নজরদারি চালায়। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতেই আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক আবেদনকারীই দাবি করেছেন, অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি আরও সহজ করলে ভিড় কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। সব মিলিয়ে, ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে তুফানগঞ্জে যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশায় যুব সমাজ কতটা আগ্রহী। এখন দেখার, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কতটা সুফল পান এলাকার যুবক-যুবতীরা।
তুফানগঞ্জে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে ব্যাপক সাড়া দেখা গেল। তুফানগঞ্জে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে ব্যাপক সাড়া দেখা গেল। এদিন সকাল থেকেই তুফানগঞ্জ ২ নং ব্লক অফিস চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন বহু যুবক-যুবতী। সরকারি এই কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় আবেদনকারীদের। জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু হওয়া ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেই কারণেই এলাকায় প্রকল্পটি নিয়ে উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। অনেকেই প্রয়োজনীয় নথি—আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি—নিয়ে সকাল সকাল ব্লক অফিসে হাজির হন। আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ সদ্য স্নাতক, কেউ বা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সন্ধানে। তাঁদের কথায়, “সরকার যদি কিছু আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়, তাহলে ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হওয়া সহজ হবে।” বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার বহু যুবক-যুবতী এই প্রকল্পকে আশার আলো হিসেবে দেখছেন। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। ভিড় সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশও নজরদারি চালায়। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতেই আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক আবেদনকারীই দাবি করেছেন, অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি আরও সহজ করলে ভিড় কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। সব মিলিয়ে, ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে তুফানগঞ্জে যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশায় যুব সমাজ কতটা আগ্রহী। এখন দেখার, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কতটা সুফল পান এলাকার যুবক-যুবতীরা।
- দিনহাটায় ওমর ফারুক ব্যাপারীর গ্রেপ্তার নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহ। তিনি জানান ওমরের সাথে তৃণমূল কংগ্রেস দলের কোন সম্পর্ক নেই। এছাড়াও তিনি আরো অভিযোগ করেন ২০২৩ সালে ওমর ফারুক বেপারী তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন1
- দিনহাটায় বাংলাদেশী ওমর ফারুক ব্যাপারী গ্রেফতার নিয়ে মন্তব্য মন্ত্রী উদয়ন গুহের। তিনি বলেন ওমরের সঙ্গে তৃণমূলের কোন যোগাযোগ নেই, করেন ২০২৩ সালে ধৃত ওমর তৃণমূলের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিল।1
- বিধানসভার বাইরে পলিটিক্যাল রিএকশন বাইট দিলেন বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পাল।1
- মাথাভাঙ্গা পথশ্রী প্রকল্পে সাড়ে চার কিলোমিটার রাস্তার কাজ সঠিকভাবে করা হচ্ছে না এই অভিযোগ তুলে কাজ বন্ধ করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা।ঘটনাটি মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের কেদারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের লক্ষীরহাট এলাকার। জানা গেছে পথশ্রী প্রকল্পে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সাড়ে চার কিলোমিটার পাকা রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে।আর সেই রাস্তার কাজে বালি পাথর সঠিকভাবে না দিয়েই কাজ করা হচ্ছে এমনটাই অভিযোগ।এমনকি সঠিকভাবে রাস্তার কাজ না হলে কয়েকমাসেই রাস্তা বেহাল হয়ে পড়বে বলে দাবি,তাই কাজ বন্ধ করে দেন এলাকাবাসীরা।স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সঠিকভাবে কাজ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।1
- বাংলাদেশি সন্দেহে গ্রেপ্তার ওমর ফারুক বেপারী আদালতে তোলার সময় দাবি করেন, “পার্টির চক্রান্ত করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আগে তৃণমূল করতাম, এখন আর করি না।” নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি আরও একাধিক বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। কী বললেন তিনি? বিস্তারিত শুনুন1
- Post by Uttarbanga Darpan1
- বুধবার তুফানগঞ্জ-২ব্লকের রামপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের জালধোয়া সুভাষ ক্লাব এন্ড লাইব্রেরীর ব্যবস্থাপনায় ও শিলিগুড়ি গেটার লাইন্স ও আই হসপিটাল এর উদ্যোগে বিনামূল্যে এক চক্ষু পরীক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হল। এদিন এই বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে এলাকার প্রায় ২১ জন বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা করেন। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচজনকে বিনামূল্যে ছানির অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা করানো হবে বলে জানা গিয়েছে। এ ব্যাপারে ক্লাব সদস্য সুরঞ্জন সাহা বলেন, এলাকার দুঃস্থ লোকেরাও যাতে চক্ষু পরীক্ষার সুযোগ পায় সেই কারণে ওই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান তিনি..1
- তুফানগঞ্জে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে ব্যাপক সাড়া দেখা গেল। এদিন সকাল থেকেই তুফানগঞ্জ ২ নং ব্লক অফিস চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন বহু যুবক-যুবতী। সরকারি এই কর্মসংস্থানমুখী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে দেখা যায় আবেদনকারীদের। জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু হওয়া ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীদের আর্থিক সহায়তা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সেই কারণেই এলাকায় প্রকল্পটি নিয়ে উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। অনেকেই প্রয়োজনীয় নথি—আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি—নিয়ে সকাল সকাল ব্লক অফিসে হাজির হন। আবেদনকারীদের মধ্যে কেউ সদ্য স্নাতক, কেউ বা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরির সন্ধানে। তাঁদের কথায়, “সরকার যদি কিছু আর্থিক সহায়তা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ দেয়, তাহলে ভবিষ্যতে স্বনির্ভর হওয়া সহজ হবে।” বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার বহু যুবক-যুবতী এই প্রকল্পকে আশার আলো হিসেবে দেখছেন। ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। ভিড় সামাল দিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে এবং আবেদনকারীদের লাইনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য পুলিশও নজরদারি চালায়। কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতেই আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে এবং যাচাই-বাছাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেন, যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে এ ধরনের প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক আবেদনকারীই দাবি করেছেন, অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি আরও সহজ করলে ভিড় কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। সব মিলিয়ে, ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে আবেদন ঘিরে তুফানগঞ্জে যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে কর্মসংস্থানের প্রত্যাশায় যুব সমাজ কতটা আগ্রহী। এখন দেখার, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কতটা সুফল পান এলাকার যুবক-যুবতীরা।1