শিলিগুড়িতে আসন্ন দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল জাতীয় শক্তি সংঘ ও পাঠাগারের খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে। শহর শিলিগুড়িতে এই কমিটিই প্রথম খুঁটি পুজো সম্পন্ন করল, যা কার্যত এবারের দুর্গোৎসবের ঢাকে প্রথম কাঠি ফেলার শামিল। বুধবার আষাঢ় মাসের ২ তারিখে চম্পাসারি এলাকার শ্রীগুরু স্কুল মাঠে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এবার ক্লাবটি তাদের ৪৪তম বর্ষে পদার্পণ করছে। শিলিগুড়ির অন্যতম বিগ বাজেটের পুজো হিসেবে পরিচিত এই ক্লাব প্রতি বছরই অভিনব থিম, আকর্ষণীয় মণ্ডপ, আলোকসজ্জা ও প্রতিমা নির্মাণের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের মন জয় করে আসছে। উদ্যোক্তারা জানান, এবারও তাঁরা বিশেষ চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছেন, তবে এখনই থিম প্রকাশ করতে চাইছেন না। গত বছরের তুলনায় এবার পুজোর বাজেট প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা বেশি রাখা হয়েছে এবং মণ্ডপ নির্মাণের কাজের জন্য বাইরের শিল্পীদের নিয়ে আসা হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এবারের মণ্ডপ নির্মাণে বেশি সময় লাগবে বলেই আগেভাগে খুঁটি পুজো সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মণ্ডপের অভ্যন্তরীণ কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পুজো প্রাঙ্গণে থাকবে মেলা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থীদের জন্য একাধিক আকর্ষণ। শুধু জাঁকজমকপূর্ণ পুজোই নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অগ্রণী এই ক্লাবের ৪৪তম বর্ষের দুর্গোৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে।
শিলিগুড়িতে আসন্ন দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল জাতীয় শক্তি সংঘ ও পাঠাগারের খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে। শহর শিলিগুড়িতে এই কমিটিই প্রথম খুঁটি পুজো সম্পন্ন করল, যা কার্যত এবারের দুর্গোৎসবের ঢাকে প্রথম কাঠি ফেলার শামিল। বুধবার আষাঢ় মাসের ২ তারিখে চম্পাসারি এলাকার শ্রীগুরু স্কুল মাঠে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এবার ক্লাবটি তাদের ৪৪তম বর্ষে পদার্পণ করছে। শিলিগুড়ির অন্যতম বিগ বাজেটের পুজো হিসেবে পরিচিত এই ক্লাব প্রতি বছরই অভিনব থিম, আকর্ষণীয় মণ্ডপ, আলোকসজ্জা ও প্রতিমা নির্মাণের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের মন জয় করে আসছে। উদ্যোক্তারা জানান, এবারও তাঁরা বিশেষ চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছেন, তবে এখনই থিম প্রকাশ করতে চাইছেন না। গত বছরের তুলনায় এবার পুজোর বাজেট প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা বেশি রাখা হয়েছে এবং মণ্ডপ নির্মাণের কাজের জন্য বাইরের শিল্পীদের নিয়ে আসা হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এবারের মণ্ডপ নির্মাণে বেশি সময় লাগবে বলেই আগেভাগে খুঁটি পুজো সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মণ্ডপের অভ্যন্তরীণ কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পুজো প্রাঙ্গণে থাকবে মেলা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থীদের জন্য একাধিক আকর্ষণ। শুধু জাঁকজমকপূর্ণ পুজোই নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অগ্রণী এই ক্লাবের ৪৪তম বর্ষের দুর্গোৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে।
- শিলিগুড়িতে আসন্ন দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল জাতীয় শক্তি সংঘ ও পাঠাগারের খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে। শহর শিলিগুড়িতে এই কমিটিই প্রথম খুঁটি পুজো সম্পন্ন করল, যা কার্যত এবারের দুর্গোৎসবের ঢাকে প্রথম কাঠি ফেলার শামিল। বুধবার আষাঢ় মাসের ২ তারিখে চম্পাসারি এলাকার শ্রীগুরু স্কুল মাঠে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এবার ক্লাবটি তাদের ৪৪তম বর্ষে পদার্পণ করছে। শিলিগুড়ির অন্যতম বিগ বাজেটের পুজো হিসেবে পরিচিত এই ক্লাব প্রতি বছরই অভিনব থিম, আকর্ষণীয় মণ্ডপ, আলোকসজ্জা ও প্রতিমা নির্মাণের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের মানুষের মন জয় করে আসছে। উদ্যোক্তারা জানান, এবারও তাঁরা বিশেষ চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছেন, তবে এখনই থিম প্রকাশ করতে চাইছেন না। গত বছরের তুলনায় এবার পুজোর বাজেট প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা বেশি রাখা হয়েছে এবং মণ্ডপ নির্মাণের কাজের জন্য বাইরের শিল্পীদের নিয়ে আসা হচ্ছে। উদ্যোক্তাদের দাবি, এবারের মণ্ডপ নির্মাণে বেশি সময় লাগবে বলেই আগেভাগে খুঁটি পুজো সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মণ্ডপের অভ্যন্তরীণ কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পুজো প্রাঙ্গণে থাকবে মেলা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং দর্শনার্থীদের জন্য একাধিক আকর্ষণ। শুধু জাঁকজমকপূর্ণ পুজোই নয়, সামাজিক কর্মকাণ্ডেও অগ্রণী এই ক্লাবের ৪৪তম বর্ষের দুর্গোৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হতে শুরু করেছে।1
- রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর সক্রিয় হয়েছে। এর অংশ হিসেবে খড়িবাড়ি ব্লক ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর ভাটাগছ এলাকায় দীর্ঘদিনের জবরদখল থেকে ১১.৭৮ একর সরকারি খাস জমি সফলভাবে উদ্ধার করেছে। বুধবার স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা এবং পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে এই অভিযান সম্পন্ন হয়। ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক প্রতিমা শুব্বা জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর জমির নথিপত্র ও ডিজিটাল মানচিত্র যাচাই করে জমিটিকে সরকারি খাস জমি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এরপর পুলিশ ও মহিলা পুলিশকর্মীদের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করা হয়। উদ্ধার হওয়া জমিতে সরকারি মালিকানা নির্দেশ করে তিনটি সাইনবোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সরকারি জমি পুনরায় বেদখল রোধ করতে ডিজিটাল ডেটা ব্যাংক তৈরির কাজ চলছে। জমি উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারাও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। ভাটাগছ এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার সিংহ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেদখল হয়ে থাকা জমি সরকারি উদ্যোগে উদ্ধার হওয়ায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি জানান, তাদের পূর্বপুরুষদের সময় থেকে এই লড়াই চলে আসছে এবং অবশেষে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। স্থানীয়রা আশা করেন, প্রশাসন এলাকার অন্যান্য বেদখল হওয়া জমিও খতিয়ে দেখবে এবং উদ্ধার করবে। এলাকাবাসী প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতেও সরকারি জমি রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।1
- দেশের বৃহত্তম মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা NEET-এর প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে তদন্তকারী সংস্থাগুলি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। কোটি কোটি যুবকের স্বপ্ন এবং লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে কথিত ছিনিমিনি খেলার মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত অনুযায়ী, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁস চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং পরীক্ষার স্বচ্ছতাকে প্রভাবিত করার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনা সারা দেশে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, দিন-রাত পড়াশোনা এবং পরিবারের আশা-আকাঙ্ক্ষার উপর দুর্নীতির ছায়া পড়লে শুধু একটি পরীক্ষা নয়, লক্ষ লক্ষ স্বপ্ন আহত হয়। শিক্ষার্থীদের মতে, প্রশ্নফাঁসের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে সময় মতো কঠোর ব্যবস্থা না নিলে মেধা ও যোগ্যতার উপর মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি এখন এই পুরো চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদেরও খুঁজছে, যাতে এই ষড়যন্ত্রের প্রতিটি লিঙ্ক উন্মোচন করা যায়। 'আপনার যুদ্ধ' (আপ কি জং) এর দাবি হলো, NEET প্রশ্নফাঁস মামলায় জড়িত প্রতিটি দোষীকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হোক এবং এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা হোক যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন নিয়ে আর ছিনিমিনি খেলা না হয়।1
- হলদিবাড়ি রেলগেট আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই সময়ে রেলগেট বন্ধ থাকার কারণে যান চলাচল বিঘ্নিত হতে পারে। 'খবর হলদিবাড়ি' এই ব্রেকিং নিউজটি জানিয়েছে।1
- আজ ভোর প্রায় ৩টা নাগাদ সিভোক-গুলমা রেলপথের ১৭/৪-৩ কিলোমিটার এলাকায় ডাউন বিসিএন (খালি) মালগাড়ি চালানোর সময় কর্তব্যরত লোকো পাইলট এস. বি. সিং এবং সহকারী লোকো পাইলট এস. কে. কেশারি রেললাইনের উপর একটি হাতিকে পারাপার করতে দেখেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তাঁরা তৎক্ষণাৎ ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ করে হাতিটিকে নিরাপদে রেললাইন অতিক্রম করার সুযোগ করে দেন। তাঁদের তৎপরতা ও সতর্কতার ফলে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয় এবং বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের বনাঞ্চল সংলগ্ন এই রেলপথে হাতি চলাচল প্রায়শই দেখা যায়। সেই কারণে ট্রেন চালকদের বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন পরিচালনার নির্দেশ রয়েছে। কর্তব্যরত লোকো পাইলট ও সহকারী লোকো পাইলটের এই মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেছেন রেল কর্তৃপক্ষ।1
- একটি মন্তব্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে যে ভোটের জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, কিন্তু ছাত্র ও যুবকদের জন্য নয়। এই মন্তব্যটি NEET পরীক্ষার্থী এবং সাধারণভাবে ছাত্র-যুব সমাজের প্রতি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, যা #neet, #yuva, এবং #studentlife হ্যাশট্যাগগুলির মাধ্যমে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে।1
- মহারাষ্ট্রের নাগপুরের সংবিধান চকে এক অভিনব ও ব্যঙ্গাত্মক প্রদর্শনে মানুষের ভিড় জমে ওঠে, যখন কিছু তরুণ নিজেদের “ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)” বলে পরিচয় দিয়ে আন্দোলনে নামে। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে এই আন্দোলনে তরুণরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ব্যবস্থা ও রাজনীতির তীব্র সমালোচনা করে। প্রতিবাদের সময় মঞ্চ থেকে স্লোগান দেওয়া হয় এবং তরুণরা দাবি করে যে সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলি ক্রমাগত উপেক্ষা করা হচ্ছে। আন্দোলনের পদ্ধতি ভিন্ন হলেও এর মাধ্যমে ব্যবস্থার প্রতি ক্ষোভ এবং তরুণদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। সংবিধান চকে জড়ো হওয়া জনতা এই অভিনব বিক্ষোভকে তাদের মোবাইল ক্যামেরায় ধরে রাখে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই আন্দোলনের ভিডিও দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে, যার ফলে মানুষের মধ্যে এর আলোচনা তীব্র হয়েছে।1
- মেখলিগঞ্জের জামালদহ সীমান্তে বাংলাদেশে পাচারের আগে নদীতে একটি গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত পশুর দুর্গন্ধে এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।1
- কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ ব্লকের চ্যাংড়াবান্ধা সমষ্টি উন্নয়ন (বিডিও) অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে বুধবার বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। অভিযোগ উঠেছে যে, এক মদ্যপ ব্যক্তি শিবিরে এসে অশ্লীল আচরণ ও উচ্চস্বরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের কাজে বাধা দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই ব্যক্তির এই কাণ্ডের ফলে শিবিরে কিছু সময়ের জন্য অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে চ্যাংড়াবান্ধা থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ওই ব্যক্তি শান্ত হয়ে যান এবং পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য শিবিরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটলেও, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।1