Shuru
Apke Nagar Ki App…
এক ব্রেকিং নিউজ সূত্রে জানা গেছে যে, নবদ্বীপ শ্মশানঘাটে মৃতদেহ নিয়ে গেলে সেখানে উপস্থিত সকলে 'উপভোগ' করে থাকেন। এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার পর সেটিকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে।
Chaitanya sardar
এক ব্রেকিং নিউজ সূত্রে জানা গেছে যে, নবদ্বীপ শ্মশানঘাটে মৃতদেহ নিয়ে গেলে সেখানে উপস্থিত সকলে 'উপভোগ' করে থাকেন। এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার পর সেটিকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- জামাইষষ্ঠীর উৎসবের দিনেই নবদ্বীপের ইদ্রাকপুর গ্রামের মাঠের রাস্তায় এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় দুই যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার বিকেল প্রায় সাড়ে ৫টা নাগাদ দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ঘটনা ঘটে, যেখানে আরও দুই বাইক আরোহী গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা চৈতন্য ঘোষ জানিয়েছেন, দুটি বাইকই অত্যন্ত দ্রুত গতিতে আসছিল এবং সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে বাইক দুটি প্রায় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়, যার যন্ত্রাংশ ও চাকা রাস্তায় ছিটকে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই রাহুল ঘোষ ও পীযূষ ঘোষ নামে দুই যুবকের মৃত্যু হয়। মৃত রাহুল ঘোষ পূর্ব বর্ধমান জেলার নাদনঘাট থানা এলাকা থেকে জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে ইদ্রাকপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে এসেছিলেন। অপর মৃত পীযূষ ঘোষ ইদ্রাকপুর গ্রামেরই বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। দুর্ঘটনায় গোপাল ঘোষ ও সুজিত ঘোষ নামে আরও দুই যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁদের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র স্থানান্তর করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আহত দুই যুবকই নবদ্বীপ থানার ইদ্রাকপুর এলাকার বাসিন্দা। নবদ্বীপ থানার পুলিশ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত মোটরসাইকেল দুটি উদ্ধার করে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে এই ভয়াবহ সংঘর্ষ ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গোটা ইদ্রাকপুর এলাকায় জামাইষষ্ঠীর আনন্দ মুহূর্তে শোকে পরিণত হয়েছে।1
- এক ব্রেকিং নিউজ সূত্রে জানা গেছে যে, নবদ্বীপ শ্মশানঘাটে মৃতদেহ নিয়ে গেলে সেখানে উপস্থিত সকলে 'উপভোগ' করে থাকেন। এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করার পর সেটিকে তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই একটি ভিডিও তৈরি করা হয়েছে।1
- কৃষ্ণনগর জেলা আদালতে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৮/০৬/২৬ তারিখে চায়না নন্দী এই মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগ উঠেছে যে মহুয়া মৈত্র ডিম-টমেটো হাতে থাকা বিক্ষোভকারীদের অপমান করেছেন। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, মহুয়া মৈত্র হিন্দুদের বোরখা পরতে বলে তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত হেনেছেন। এছাড়াও, হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের নাম উল্লেখ করে তিনি ভীতি প্রদর্শন করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে মহুয়া মৈত্রের বলা একটি ভিডিও এই সংবাদ প্রকাশের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে, যা সংগৃহীত। এই লেখনী ও ভিডিও সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- সম্প্রতি আবারও একটি পূর্ণবয়স্ক গোখরা সাপ এবং তার ডিম উদ্ধার করা হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগর স্টেশনের পাশেই রেল লাইনের ধারে অবস্থিত বাংলা তথা বাঙালির গর্ব, বিশিষ্ট কবি, নাট্যকার, সুরকার, গীতিকার এবং কণ্ঠশিল্পী দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের পৈতৃক ভিটা অক্ষত রয়েছে। ভারতীয় রেল তার দখলকৃত জমি হকারমুক্ত করার অভিযান চালালেও, এই মহান ব্যক্তিত্বের পৈতৃক ভিটাটি অক্ষত রেখেছে। রেলের এই পদক্ষেপের জন্য ভারতীয় রেলকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভক্ষণে তারকেশ্বরের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গৌরবময় উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে বিশেষ সমৃদ্ধি প্রদান করেছে। এই আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বাবা তারকনাথের একটি ছবি, দুর্গা ঠাকুরের একটি প্রতিকৃতি এবং মিষ্টান্ন উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলায় প্রশ্ন করেন, "কেমন লাগছে? এই পরিবর্তন"। তাঁর এই সোজাসাপ্টা কথোপকথন এবং উপস্থিতি সমগ্র তারকেশ্বরকে একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা দিয়েছে।1
- কাকুদের ট্রেন যাত্রার কিছু মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে, যা ভালোবাসার চিহ্ন বহন করে।1
- দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় গ্রামীণ কর্মসংস্থানের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ১০০ দিনের কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। শুক্রবার, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে নবদ্বীপ বিধানসভার অন্তর্গত কার্গিল পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের শুভ সূচনা করা হয়। দীর্ঘদিন পর কাজ শুরু হওয়ায় এলাকাজুড়ে খুশির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিধায়ক, ব্লক প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, পঞ্চায়েত প্রতিনিধি এবং বহু সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্থানীয় বিধায়ক গভীর আনন্দ প্রকাশ করে জানান যে, চার বছর ধরে এই প্রকল্প বন্ধ থাকায় বহু শ্রমজীবী পরিবার কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, যার আজ অবসান ঘটল। বিধায়ক আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করে জানান যে, আগামী জুলাই মাস থেকেই এই প্রকল্পকে ১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্পে রূপান্তরিত করা হবে। এর ফলে গ্রামীণ শ্রমিকরা বছরে আরও বেশি কর্মদিবস ও অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, নবদ্বীপ বিধানসভা এলাকায় ইতিমধ্যেই ৯টি প্রকল্প সিস্টেমে আপলোড করা হয়েছে এবং খুব দ্রুত নবদ্বীপের বাকি ৮টি পঞ্চায়েতেও এই কর্মসূচি চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে প্রতিটি পঞ্চায়েতে অন্তত একটি করে প্রকল্প এবং পরবর্তী পর্যায়ে দুটি করে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বর্তমানে যে প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ শুরু হয়েছে, সেটি হলো একটি বৃহৎ খামার পুকুর বা 'ফার্ম পন্ড' খননের কাজ, যেখানে মূলত অদক্ষ শ্রমিকদের নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, এই ধরনের পুকুরগুলি ভবিষ্যতে জল সংরক্ষণ, কৃষিজমিতে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং মাছ চাষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে। দীর্ঘদিন পর পুনরায় ১০০ দিনের কাজ চালু হওয়ায় এলাকার শ্রমজীবী মানুষদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। প্রশাসনের আশা, ধাপে ধাপে সমস্ত পঞ্চায়েতে প্রকল্প সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন এবং এর ফলে গ্রামীণ উন্নয়নের গতি আরও দ্রুত হবে।1