Shuru
Apke Nagar Ki App…
স্পশকাতর বুথগুলো পরিদর্শনে জেলা পুলিশ সুপার কালচিনি থানার অধীনস্থ একাধিক স্পর্শকাতর বুথ শনিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাথে নিয়ে পরিদর্শন করলেন আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার সাউ।এদিন তিনি চুয়াপাড়া, আচ্ছাপাড়া এলাকায় পরিদর্শনে যান, কথা বলেন সাধারণ মানুষের সাথেও। প্রয়োজনে যাতে পুলিশ আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন সেজন্য আধিকারিকদের নম্বরের পোস্টারও বিভিন্ন স্থানে এদিন লাগান পুলিশ কর্মীরা।
Dainik Barta
স্পশকাতর বুথগুলো পরিদর্শনে জেলা পুলিশ সুপার কালচিনি থানার অধীনস্থ একাধিক স্পর্শকাতর বুথ শনিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাথে নিয়ে পরিদর্শন করলেন আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার সাউ।এদিন তিনি চুয়াপাড়া, আচ্ছাপাড়া এলাকায় পরিদর্শনে যান, কথা বলেন সাধারণ মানুষের সাথেও। প্রয়োজনে যাতে পুলিশ আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন সেজন্য আধিকারিকদের নম্বরের পোস্টারও বিভিন্ন স্থানে এদিন লাগান পুলিশ কর্মীরা।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- কালচিনি থানার অধীনস্থ একাধিক স্পর্শকাতর বুথ শনিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সাথে নিয়ে পরিদর্শন করলেন আলিপুরদুয়ার জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার সাউ।এদিন তিনি চুয়াপাড়া, আচ্ছাপাড়া এলাকায় পরিদর্শনে যান, কথা বলেন সাধারণ মানুষের সাথেও। প্রয়োজনে যাতে পুলিশ আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন সেজন্য আধিকারিকদের নম্বরের পোস্টারও বিভিন্ন স্থানে এদিন লাগান পুলিশ কর্মীরা।1
- রবিবারের ভোট প্রচারে গান ও প্রধানমন্ত্রী মোদির গলা অনুকরণে জমিয়ে দিলেন যুব তৃণমন্ত্রী তথা সাংসদ সায়নী ঘোষ। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মাঘপালায় তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিকের সমর্থনে জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।সাংসদ ও অভিনেত্রী সায়নী ঘোষকে দেখতে মাঘপালা এপি বিদ্যালয় মাঠে উপচে পড়ে ভিড়। বক্তৃতায় সায়নী বলেন, দিল্লিতে লড়াই শুরু হয়েছে এবং বাংলাতেও এবার চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে। পাশাপাশি ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে দেশের প্রধানমন্ত্রী করার লক্ষ্যের কথাও জানান। এদিন প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিক বলেন, “এই নির্বাচনে জিততে হলে কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।”1
- আগামী ২৩ এপ্রিল ৭ নং বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারে নতুন মাত্রা যোগ করল শুকারুর কুঠি অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী উদয়ন গুহর সমর্থনে কুর্শাহাট থেকে ধাপড়াহাট পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার মহিলার বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কুর্শাহাট থেকে শুরু হয়ে শুকারুর কুঠি অঞ্চলের বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে। হাতে দলীয় পতাকা, প্লাকার্ড, মুখে উন্নয়নের স্লোগান এবং উদয়ন গুহর সমর্থনে জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। মহিলাদের এই ব্যাপক অংশগ্রহণে নির্বাচনী আবহে নতুন উদ্দীপনা দেখা যায়। আজকের এই মহিলা মহা মিছিলে উপস্থিত ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ভারতী সেন, উপপ্রধান মাহাবুব রহমান, সেকেন্দার আলী, দীপক সেন, ফারুক মিয়া, মানিক বাগচী সহ স্থানীয় নেতৃত্বরা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব দীপক সেন বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন, মহিলা কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনমুখী কাজের উপর ভরসা রেখেই সাধারণ মানুষ আবারও তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই বিশাল মিছিল প্রমাণ করে, ৭ নং বিধানসভা কেন্দ্রে উদয়ন গুহর সমর্থনে জনসমর্থন ক্রমশ বাড়ছে এবং আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস আত্মবিশ্বাসী। আজকের মিছিল দেখে বিরোধী প্রার্থী ভয়ে পালিয়ে যাবেন বলেও দাবি অঞ্চল নেতৃত্ব দীপক সেনের।1
- Post by Goutam laskar1
- 📍মাঘপালায় নির্বাচনী প্রচারে এসে গান গাইলেন সায়নী ঘোষ1
- নির্বাচনী সভা থেকে পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ শানালেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী । তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, চাকরির নিয়োগের পরীক্ষায় যারা টাকা নিয়ে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এমনকি কড়া মন্তব্য করে তিনি বলেন, “যারা যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলছে, তাদের এই রাজ্যে থাকার অধিকার নেই—প্রয়োজনে তাদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।” এদিন জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরাসরি শাসক দলকে নিশানা করেন। তাঁর অভিযোগ, দুর্নীতির কারণে মেধাবী ও যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, আর অন্যদিকে অর্থের বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হচ্ছে। তিনি বলেন, “এই দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, এটি একটি প্রজন্মের স্বপ্ন ধ্বংস করার সমান।” আরও দাবি করেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করে প্রকৃত যোগ্যদের সুযোগ দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর কথায়, “যুব সমাজের আস্থা ফিরিয়ে আনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।” সভায় উপস্থিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে এবং আসন্ন নির্বাচনে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল যে, পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতিকে তিনি নির্বাচনের একটি বড় ইস্যু হিসেবে তুলে ধরতে চাইছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ‘বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া’ মন্তব্যটি নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা মহলে সমালোচনা শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।1
- Post by News Reporter সাংবাদিক1
- 📍নিশিগঞ্জে রবিবাসরীয় প্রচারে মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃনমুল প্রার্থী সাবলু বর্মন1