সামশেরগঞ্জে পুলিশের বড় সাফল্য, ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২ পাচারকারী। সামশেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষের তৎপরতায় ভেস্তে গেল বড়সড় এক মাদক পাচারের ছক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের এক ঝটিকা অভিযানে উদ্ধার হলো প্রায় ৩০০ গ্রাম হেরোইন। এই ঘটনায় মাদক পাচারের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে সামশেরগঞ্জ থানা এলাকার নতুন ডাকবাংলা সংলগ্ন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে মালদহ জেলার কালিয়াচক থেকে একটি R15 মোটরবাইকে করে দুই যুবক বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে বহরমপুরের দিকে যাচ্ছিল। আগাম খবর পেয়েই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ওত পেতে ছিল সামশেরগঞ্জ থানার বিশেষ টিম। সন্দেহভাজন বাইকটি এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ সেটিকে আটকে তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চলাকালীন উদ্ধার হয় প্রায় ৩০০ গ্রাম মাদক (হেরোইন), যার বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা। ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ দু’জনকে আটক করে এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা হলো সাহাদাত মমিন,আতাউল্লা শেখ উভয়েরই বাড়ি মালদহ জেলার কালিয়াচক এলাকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, তারা একটি বড় মাদক পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং এই বিপুল পরিমাণ হেরোইন বহরমপুরে সরবরাহের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল।
সামশেরগঞ্জে পুলিশের বড় সাফল্য, ৩০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার ২ পাচারকারী। সামশেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষের তৎপরতায় ভেস্তে গেল বড়সড় এক মাদক পাচারের ছক। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশের এক ঝটিকা অভিযানে উদ্ধার হলো প্রায় ৩০০ গ্রাম হেরোইন। এই ঘটনায় মাদক পাচারের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাতে সামশেরগঞ্জ থানা এলাকার নতুন ডাকবাংলা সংলগ্ন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে এই অভিযান চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে মালদহ জেলার কালিয়াচক থেকে একটি R15 মোটরবাইকে করে দুই যুবক বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে বহরমপুরের দিকে যাচ্ছিল। আগাম খবর পেয়েই ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে ওত পেতে ছিল সামশেরগঞ্জ থানার বিশেষ টিম। সন্দেহভাজন বাইকটি এলাকায় পৌঁছলে পুলিশ সেটিকে আটকে তল্লাশি চালায়। তল্লাশি চলাকালীন উদ্ধার হয় প্রায় ৩০০ গ্রাম মাদক (হেরোইন), যার বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা। ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ দু’জনকে আটক করে এবং পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতরা হলো সাহাদাত মমিন,আতাউল্লা শেখ উভয়েরই বাড়ি মালদহ জেলার কালিয়াচক এলাকায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, তারা একটি বড় মাদক পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং এই বিপুল পরিমাণ হেরোইন বহরমপুরে সরবরাহের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল।
- ‘সেবাই পরম ধর্ম’—এই আদর্শকে সামনে রেখে এবং পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে ফরাক্কা অঞ্চলে এক অনন্য মানবিক নজির গড়ল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘ফরাক্কা আশা’ (Farakka Asha)। গত ১লা মে থেকে ৩রা মে পর্যন্ত এক টানা তিন দিনের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াল এই সংস্থা। বুদ্ধ পূর্ণিমার পবিত্র তিথিতে ফরাক্কা অঞ্চলের মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী এবং পথের ধারে আশ্রয় নেওয়া অসহায় মানুষদের মধ্যে মধ্যাহ্নভোজন বিতরণ করা হয়। সংস্থার সদস্যদের কথায়, “আমরা শুধু খাবার নয়, আমাদের ভালোবাসার স্পর্শ পৌঁছে দিতে চেয়েছি তাদের কাছে।” ওই দিনই সন্ধ্যায় মিলন মন্দির (Milan Mandir) বোর্ডিং স্কুলের আবাসিক ছাত্রদের হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। শিশুদের সেই নিষ্পাপ হাসিই ছিল এই দিনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহে সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা মাথায় রেখে ২রা মে গান্ধী ঘাটে (Gandhi Ghat) এক বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। পথচলতি ক্লান্ত মানুষের তৃষ্ণা মেটাতে গ্লুকোজ (Glucon-D) মিশ্রিত ঠান্ডা জল বিতরণ করেন সংস্থার সদস্যরা। তীব্র গরমে সামান্য এই স্বস্তিটুকু পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ। সেবামূলক এই সফরের শেষ দিনে অর্থাৎ ৩রা মে, সোনাঝুরি ও কোলাইডাঙ্গা গ্রামের প্রান্তিক মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ করা হয়। নতুন বস্ত্র মানুষের মনে আত্মসম্মান ও উষ্ণতার এক নতুন পরশ বুলিয়ে দিয়েছে। “ফরাক্কা আশা কোনো নিছক নাম নয়, এটি মানুষের মাঝে আশা, ভালোবাসা ও মানবতার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার একটি অঙ্গীকার।”1
- এনআইএ নোটিসে তোলপাড় মালদার কালিয়াচক। তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের ডাক। নোটিস দেওয়া হয়েছে সুজাপুরএনআইএ নোটিসে তোলপাড় মালদার কালিয়াচক। তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের ডাক। নোটিস দেওয়া হয়েছে সুজাপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট তথা জেলা পরিষদের বন ও ভুমি দপ্তরের কর্মাধক্ষ্য আব্দুল রহমান, কালিয়াচক ১নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি মহঃ সরিউল সহ একাধিক তৃণমূল নেতাকে। পয়লা এপ্রিলের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নোটিস। দুপুর ১২টার মধ্যে কালিয়াচক থানাতে হাজিরার নির্দেশ।1
- এনআইএ নোটিসে তোলপাড় মালদার কালিয়াচক। তৃণমূল নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদের ডাক। নোটিস দেওয়া হয়েছে সুজাপুর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সাবিনা ইয়াসমিনের নির্বাচনী এজেন্ট তথা জেলা পরিষদের বন ও ভুমি দপ্তরের কর্মাধক্ষ্য আব্দুল রহমান,কালিয়াচক ১নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি মহঃ সরিউল সহ একাধিক তৃণমূল নেতাকে। পয়লা এপ্রিলের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নোটিস। দুপুর ১২টার মধ্যে কালিয়াচক থানাতে হাজিরার নির্দেশ।1
- Post by Biswajit mandal1
- Post by Asraful sk1
- হওয়া দফায় দফায় ঝড় আর শিলা বৃষ্টির দাপটে মুর্শিদাবাদ জেলার উত্তর থেকে দক্ষিণ একাধিক স্থানে লন্ডভন্ড অবস্থা। কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পাট চাষ সহ একাধিক সবজি চাষে ব্যাপক ক্ষতির মুখে কৃষকেরা। একইসঙ্গে দীর্ঘক্ষণ ধরে লোডশেডিংয়ের জেরে নাজেহাল জেলাবাসী। কালবৈশাখীর জেরে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিভিন্ন গ্রাম রাতভর থাকল বিদ্যুৎহীন। এই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।এমনকি সকাল পর্যন্ত জেলার বেলডাঙা,, জলঙ্গি, রানিনগর, কান্দি, খড়গ্রাম, জঙ্গিপুর, লালগোলা সর্বত্রই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে কালবৈশাখির তাণ্ডবে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা বিপন্ন হয়ে হাহাকার করতে থাকেন।1
- হরিশ্চন্দ্রপুর: হরিয়ানা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ পরিযায়ী শ্রমিক। পাঁচদিন থেকে নিখোঁজ রয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবার পরিজন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ শ্রমিকের নাম পরেশ দাস (৪৬)। তার বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ রামপুর গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোট দেওয়ার জন্য বাড়ি এসেছিলেন পরেশ। হরিয়ানায় রয়েছে স্ত্রী,দুই মেয়ে ও এক ছেলে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হরিয়ানা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। মালদহ টাউন স্টেশনে ব্রহ্মপুত্র মেল ধরে হরিয়ানা যাওয়ার কথা ছিল। এরপর থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর রেল স্টেশন থেকে শুরু করে মালদহ টাউন স্টেশন পর্যন্ত খোঁজ নিয়েও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। কোথায় গেছে,কি অবস্থায় আছে কেউই বলতে পারছে না। দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবার। হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন নিখোঁজ শ্রমিকের পরিবার।1
- নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাক্কালে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। তাঁর আশঙ্কা, গণনার দিন বিভিন্ন গণনা কেন্দ্রে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে অধীর চৌধুরী বলেন, "আমার মনে হচ্ছে আগামীকাল গণনা কেন্দ্রে কোনো একটা অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা হবে যখন ওরা দেখবে যে ওরা হারছে। যাতে গোটা বিষয়টাকে ডিলে করা যায়, বিলম্ব করা যায় এবং সেই সুযোগে ব্যাপারটা যাতে বিচার প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া যায়—এটা একটা চালাকি আগামীকাল ওরা করতে পারে।"1