ডোমজুড় বিধানসভা এলাকায় একটি বেআইনি বহুতল নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফের ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেলুড় চাঁদমারি এলাকার ইএসআই হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বাড়িতে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বাড়িটির জন্য G+1 নির্মাণের অনুমতি থাকলেও বাস্তবে সেখানে চার থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। বাসিন্দারা বাড়ির মালিকের কাছে অনুমোদনের নথি দেখতে চাইলে তিনি প্রথমে তা দেখাতে পারেননি এবং পরে যে কাগজপত্র দেখিয়েছেন, তাতেও চার বা পাঁচ তলা নির্মাণের অনুমতির কোনো স্পষ্ট উল্লেখ ছিল না বলে অভিযোগ। বাড়ির মালিক এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি জেলা পরিষদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে অনুমোদন হয়ে যাবে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এত বড় নির্মাণকাজ কীভাবে সম্পন্ন হলো এবং কার মদতে এই কাজ এগিয়ে চলেছে? এই ঘটনার সঙ্গে সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সদস্যা এবং পঞ্চায়েত প্রধানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ থাকতে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এরমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ২৭০ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা দীপিকা পান্ডের স্বামী। তাঁকে বিষয়টি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে তাঁর অজ্ঞতার কথা জানান, তবে একইসাথে বলেন যে তিনি বর্তমানে বিষয়টি দেখছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, তিনি সরাসরি স্বীকার করে বলেন, "ডোমজুড় জুড়ে বহু বেআইনি বাড়ি রয়েছে।" একইসঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন যে তিনি একজন সাধারণ ব্যক্তি এবং এই ধরনের ঘটনায় বড় বড় নেতা-নেত্রীরা জড়িত থাকতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দা, বাড়ির মালিক এবং তৃণমূল সদস্যার স্বামীর এই বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।
ডোমজুড় বিধানসভা এলাকায় একটি বেআইনি বহুতল নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফের ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেলুড় চাঁদমারি এলাকার ইএসআই হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বাড়িতে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বাড়িটির জন্য G+1 নির্মাণের অনুমতি থাকলেও বাস্তবে সেখানে চার থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। বাসিন্দারা বাড়ির মালিকের কাছে অনুমোদনের নথি দেখতে চাইলে তিনি প্রথমে তা দেখাতে পারেননি এবং পরে যে কাগজপত্র দেখিয়েছেন, তাতেও চার বা পাঁচ তলা নির্মাণের অনুমতির কোনো স্পষ্ট উল্লেখ ছিল না বলে অভিযোগ। বাড়ির মালিক এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি জেলা পরিষদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে অনুমোদন হয়ে যাবে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এত বড় নির্মাণকাজ কীভাবে সম্পন্ন হলো এবং কার মদতে এই কাজ এগিয়ে চলেছে? এই ঘটনার সঙ্গে সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সদস্যা এবং পঞ্চায়েত প্রধানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ থাকতে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এরমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ২৭০ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা দীপিকা পান্ডের স্বামী। তাঁকে বিষয়টি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে তাঁর অজ্ঞতার কথা জানান, তবে একইসাথে বলেন যে তিনি বর্তমানে বিষয়টি দেখছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, তিনি সরাসরি স্বীকার করে বলেন, "ডোমজুড় জুড়ে বহু বেআইনি বাড়ি রয়েছে।" একইসঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন যে তিনি একজন সাধারণ ব্যক্তি এবং এই ধরনের ঘটনায় বড় বড় নেতা-নেত্রীরা জড়িত থাকতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দা, বাড়ির মালিক এবং তৃণমূল সদস্যার স্বামীর এই বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।
- কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা–২ ব্লকের ঘোকসাডাঙাতে রাজ্যের অন্যান্য স্থানের মতো জনকল্যাণ শিবির শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা সহজে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই শিবিরে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের আবেদনপত্র পূরণ ও জমা নেওয়ার কাজ চলছে। ঘোকসাডাঙা কমিউনিটি হল এবং সারদা শিশু নিকেতন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই শিবিরে সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এখানে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই এবং আবেদনপত্র পূরণের কাজ করা হচ্ছে। শিবির কর্মীরা আবেদনকারীদের সহায়তা করছেন এবং প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জনসাধারণ যাতে সহজে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে পারেন এবং সরকারি দপ্তরে বারবার যাতায়াত করতে না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। শিবিরে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা ও জনমুখী প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে অত্যন্ত উপকারী বলে উল্লেখ করেছেন, কারণ এর ফলে এক ছাতার তলায় বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রশাসন আশাবাদী যে আগামী দিনেও এই ধরনের শিবিরের মাধ্যমে আরও বেশি সংখ্যক মানুষ সরকারি প্রকল্পের আওতায় আসবেন। ঘোকসাডাঙা কমিউনিটি হল ও সারদা শিশু নিকেতনে আয়োজিত এই জনকল্যাণ শিবিরকে কেন্দ্র করে এলাকায় একটি উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং বহু মানুষ সরকারি সুবিধা পাওয়ার আশায় এই শিবিরে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছেন।1
- দিনহাটার বহুচর্চিত বুলডোজার কাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ বিজেপি নেত্রী শাবানা খাতুনকে গ্রেফতার করেছে। তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে তোলার সময় শাবানা খাতুন নিজের অবস্থান সম্পর্কে মুখ খোলেন।1
- দিনহাটার বিজেপি নেত্রী সাবানা খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গ্রেপ্তারের খবর নেত্রী নিজেই একটি পুলিশ ভ্যানে বসে সামাজিক মাধ্যমে লাইভ করে জানিয়েছেন।1
- কোচবিহার ২নং ব্লকের পুন্ডিবাড়িতে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরে প্রথম দিনেই মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এই জনকল্যাণ শিবিরের প্রথম দিনের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।1
- সাহেবগঞ্জে ঘটে যাওয়া একটি চুরির ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের বড় সাফল্য এসেছে। এই ঘটনায় পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রীও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।1
- মাথাভাঙা মেলার মাঠে সরকারি পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি জন কল্যাণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ চুরির ১২ ঘণ্টার মধ্যেই একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছে। শিমুলবাড়ির একটি কাপড়ের দোকানে চুরির ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।1
- দিনহাটা-১ এর পুটিমারি অঞ্চলের বিজেপি নেত্রী শাবানা খাতুনের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিনি বুলডোজার ব্যবহার করে তাঁরই এক আত্মীয়ের বাড়ি ভেঙে দিয়েছেন। এই ঘটনায় বিস্তারিত খবরের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।1