Shuru
Apke Nagar Ki App…
সাহেবগঞ্জে ঘটে যাওয়া একটি চুরির ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের বড় সাফল্য এসেছে। এই ঘটনায় পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রীও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
Eccn news 24×7
সাহেবগঞ্জে ঘটে যাওয়া একটি চুরির ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের বড় সাফল্য এসেছে। এই ঘটনায় পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া সামগ্রীও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ডোমজুড় বিধানসভা এলাকায় একটি বেআইনি বহুতল নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফের ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেলুড় চাঁদমারি এলাকার ইএসআই হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বাড়িতে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বাড়িটির জন্য G+1 নির্মাণের অনুমতি থাকলেও বাস্তবে সেখানে চার থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। বাসিন্দারা বাড়ির মালিকের কাছে অনুমোদনের নথি দেখতে চাইলে তিনি প্রথমে তা দেখাতে পারেননি এবং পরে যে কাগজপত্র দেখিয়েছেন, তাতেও চার বা পাঁচ তলা নির্মাণের অনুমতির কোনো স্পষ্ট উল্লেখ ছিল না বলে অভিযোগ। বাড়ির মালিক এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি জেলা পরিষদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে অনুমোদন হয়ে যাবে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এত বড় নির্মাণকাজ কীভাবে সম্পন্ন হলো এবং কার মদতে এই কাজ এগিয়ে চলেছে? এই ঘটনার সঙ্গে সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সদস্যা এবং পঞ্চায়েত প্রধানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ থাকতে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এরমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ২৭০ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা দীপিকা পান্ডের স্বামী। তাঁকে বিষয়টি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে তাঁর অজ্ঞতার কথা জানান, তবে একইসাথে বলেন যে তিনি বর্তমানে বিষয়টি দেখছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, তিনি সরাসরি স্বীকার করে বলেন, "ডোমজুড় জুড়ে বহু বেআইনি বাড়ি রয়েছে।" একইসঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন যে তিনি একজন সাধারণ ব্যক্তি এবং এই ধরনের ঘটনায় বড় বড় নেতা-নেত্রীরা জড়িত থাকতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দা, বাড়ির মালিক এবং তৃণমূল সদস্যার স্বামীর এই বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।1
- সোমবার বিজেপির এসসি মোর্চার পক্ষ থেকে মাথাভাঙা মহকুমা শাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে তপশিলি সার্টিফিকেট সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের অভিযোগ, মহকুমা এলাকায় প্রকৃত তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতির সংখ্যার তুলনায় অতিরিক্ত সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে। তাদের দাবি, বহু ক্ষেত্রে যাঁরা প্রকৃতপক্ষে তপশিলি জাতি বা উপজাতিভুক্ত নন, তাঁরাও এই সার্টিফিকেট পেয়েছেন। এর ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোচবিহার জেলা এসসি মোর্চার জেলা সম্পাদক উত্তম কুমার বর্মণ অবিলম্বে তদন্ত করে ভুয়ো সার্টিফিকেট চিহ্নিত করে বাতিল করার দাবি জানান। এ বিষয়ে মহকুমা শাসক জানান, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে।1
- দিনহাটার হেমন্ত বসু কর্নারে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে একটি জনকল্যাণ শিবির আয়োজিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক অজয় রায় উপস্থিত ছিলেন।1
- প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ঘর নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পরও দুই কিস্তির টাকা দীর্ঘদিন ধরে না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এক উপভোক্তা জনকল্যাণ শিবিরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী উপভোক্তা জানিয়েছেন যে, আবাস প্রকল্পের আওতায় ঘর তৈরির জন্য প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও পরবর্তী দুটি কিস্তির অর্থ এখনও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি। এর ফলে তাঁর ঘরের নির্মাণকাজ মাঝপথেই সম্পূর্ণ আটকে রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার যোগাযোগ করেও কোনও সদুত্তর পাননি, যার কারণে শেষমেশ তিনি জনকল্যাণ শিবিরে দ্বারস্থ হন। জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপভোক্তার অভিযোগ গ্রহণ করেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রশাসনিক তরফে জানানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, আবাস প্রকল্পের অর্থপ্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় এখনও একাধিক সমস্যা বিদ্যমান। অনেক উপভোক্তাই সময়মতো কিস্তির টাকা না পাওয়ায় তাঁদের ঘরের নির্মাণ সম্পূর্ণ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রকৃত উপভোক্তাদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযোগগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের পর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।1
- আলিপুরদুয়ারের বক্সা জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় বন দফতর নজরদারি চালাচ্ছে।1
- তপশিলি সার্টিফিকেট সংশোধনের দাবিতে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এসসি মোর্চার পক্ষ থেকে মাথাভাঙা মহকুমা শাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। এই স্মারকলিপিতে তপশিলি জাতিভুক্ত নাগরিকদের সার্টিফিকেট সংক্রান্ত সমস্যাগুলির দ্রুত সমাধানের দাবি জানানো হয়েছে।1
- বিধায়ক অজয় রায় দিনহাটায় জনকল্যাণ শিবিরের কাজ খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান।1
- আলিপুরদুয়ারের কয়াখাতা গ্রামের এক যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে ধর্নায় বসেছেন এক যুবতী। দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টা ধরে চলা এই ধর্নার পর মেয়েটি শামুকতলা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।1
- পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে কোচবিহারের শীতলকুচিতে একটি জনকল্যাণ শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে শীতলকুচি ব্লকের অন্তর্গত ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা সরকারি পরিষেবা ও সুবিধার জন্য আবেদন করেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। শীতলকুচি গার্লস স্কুলের মাঠে আয়োজিত এই শিবিরে সকাল থেকেই সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। শিবিরে আগত মানুষজন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের স্টলে গিয়ে তাঁদের সমস্যার সমাধান, আবেদনপত্র জমা এবং সরকারি প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এই কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা পরিষেবা প্রদানের কাজকর্ম খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন। শীতলকুচির বিডিও অনিন্দিতা সিংহ ব্রহ্মা নিজেও বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করে পরিষেবা প্রদানের বিষয়গুলি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। প্রশাসনের দাবি, সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে এবং এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও সহজে সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন।1