Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিধায়ক অজয় রায় দিনহাটায় জনকল্যাণ শিবিরের কাজ খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান।
Uttorer Hawa উত্তরের হাওয়া
বিধায়ক অজয় রায় দিনহাটায় জনকল্যাণ শিবিরের কাজ খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- ডোমজুড় বিধানসভা এলাকায় একটি বেআইনি বহুতল নির্মাণকে কেন্দ্র করে ফের ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে ডোমজুড়ের সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বেলুড় চাঁদমারি এলাকার ইএসআই হাসপাতাল সংলগ্ন একটি বাড়িতে, যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট বাড়িটির জন্য G+1 নির্মাণের অনুমতি থাকলেও বাস্তবে সেখানে চার থেকে পাঁচ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। বাসিন্দারা বাড়ির মালিকের কাছে অনুমোদনের নথি দেখতে চাইলে তিনি প্রথমে তা দেখাতে পারেননি এবং পরে যে কাগজপত্র দেখিয়েছেন, তাতেও চার বা পাঁচ তলা নির্মাণের অনুমতির কোনো স্পষ্ট উল্লেখ ছিল না বলে অভিযোগ। বাড়ির মালিক এই বিষয়ে জানিয়েছেন যে, তিনি জেলা পরিষদে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে অনুমোদন হয়ে যাবে। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন, যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই এত বড় নির্মাণকাজ কীভাবে সম্পন্ন হলো এবং কার মদতে এই কাজ এগিয়ে চলেছে? এই ঘটনার সঙ্গে সাপুঁইপাড়া বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক সদস্যা এবং পঞ্চায়েত প্রধানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ থাকতে পারে বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এরমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছান ২৭০ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা দীপিকা পান্ডের স্বামী। তাঁকে বিষয়টি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে তাঁর অজ্ঞতার কথা জানান, তবে একইসাথে বলেন যে তিনি বর্তমানে বিষয়টি দেখছেন। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে, তিনি সরাসরি স্বীকার করে বলেন, "ডোমজুড় জুড়ে বহু বেআইনি বাড়ি রয়েছে।" একইসঙ্গে তিনি আরও দাবি করেন যে তিনি একজন সাধারণ ব্যক্তি এবং এই ধরনের ঘটনায় বড় বড় নেতা-নেত্রীরা জড়িত থাকতে পারেন। স্থানীয় বাসিন্দা, বাড়ির মালিক এবং তৃণমূল সদস্যার স্বামীর এই বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।1
- দিনহাটা ভিলেজ-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সাবেক ছিটমহলের সরকারি আবাসন থেকে কাকুলি খাতুন নামে এক মহিলাকে তাঁর শিশুসন্তান-সহ হেফাজতে নিয়েছে দিনহাটা থানার পুলিশ। ওই মহিলাকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে কাকুলি খাতুন এবং তাঁর স্বামী হাফিজুল রহমানের কাছে ভারতে বৈধভাবে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় নথি, বিশেষ করে ট্র্যাভেল পাস, ছিল না। অভিযোগ রয়েছে যে তাঁরা দীর্ঘ সময় ধরে নথিপত্র ছাড়াই সাবেক ছিটমহলের ওই সরকারি আবাসনে বসবাস করছিলেন। গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে রবিবার গভীর রাতে দিনহাটা থানার একটি বিশেষ দল ওই আবাসনে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় হাফিজুল রহমান পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও, পুলিশ তাঁর স্ত্রী কাকুলি খাতুন এবং শিশুসন্তানকে হেফাজতে নেয়। প্রশাসন জানিয়েছে যে পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য তাঁদের দিনহাটা হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হতে পারে। এই ঘটনায় সাবেক ছিটমহলের আবাসনের অন্যান্য বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ মফিজ উদ্দিন এই বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, “পরিবারের কিছু সদস্যের ট্র্যাভেল কার্ড থাকলেও অন্য সদস্যের না থাকলে তাকে কীভাবে অবৈধ বলা যায়, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। সরকার বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিবেচনা করুক।” পুলিশ পলাতক হাফিজুল রহমানের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে এবং আটক মহিলার নাগরিকত্ব ও নথিপত্র সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।1
- আলিপুরদুয়ারে অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে এক ব্যক্তি অবশেষে তার খোয়া যাওয়া টাকা ফিরে পেয়েছেন। পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং সাইবার অপরাধ দমন শাখার তৎপরতার ফলস্বরূপ প্রতারিত অর্থ উদ্ধার হওয়ায় ভুক্তভোগীর পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। জানা গেছে, সম্প্রতি একটি অনলাইন লেনদেনের সময় প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে ওই ব্যক্তি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা হারিয়েছিলেন। ঘটনার পরপরই তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন এবং লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত একটি নির্দিষ্ট পোর্টালে বিষয়টি নথিভুক্ত করে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রতারকদের অ্যাকাউন্টে যাওয়া অর্থ আটকে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতারিত অর্থ ভুক্তভোগীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত পাঠানো হয়। টাকা ফিরে পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পুলিশ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এদিকে, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। অপরিচিত ফোনকল, লিঙ্ক বা ওটিপি কারও সঙ্গে ভাগ না করার পাশাপাশি, কোনো সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুত সাইবার হেল্পলাইন ১৯৩০ নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের এই সফল উদ্যোগে অনলাইন প্রতারণার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।1
- সোমবার বিজেপির এসসি মোর্চার পক্ষ থেকে মাথাভাঙা মহকুমা শাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে তপশিলি সার্টিফিকেট সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে। সংগঠনের অভিযোগ, মহকুমা এলাকায় প্রকৃত তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতির সংখ্যার তুলনায় অতিরিক্ত সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে। তাদের দাবি, বহু ক্ষেত্রে যাঁরা প্রকৃতপক্ষে তপশিলি জাতি বা উপজাতিভুক্ত নন, তাঁরাও এই সার্টিফিকেট পেয়েছেন। এর ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোচবিহার জেলা এসসি মোর্চার জেলা সম্পাদক উত্তম কুমার বর্মণ অবিলম্বে তদন্ত করে ভুয়ো সার্টিফিকেট চিহ্নিত করে বাতিল করার দাবি জানান। এ বিষয়ে মহকুমা শাসক জানান, অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় তদন্ত করা হবে।1
- দিনহাটার হেমন্ত বসু কর্নারে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে একটি জনকল্যাণ শিবির আয়োজিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক অজয় রায় উপস্থিত ছিলেন।1
- আলিপুরদুয়ারের বক্সা জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় বন দফতর নজরদারি চালাচ্ছে।1
- বিধায়ক অজয় রায় দিনহাটায় জনকল্যাণ শিবিরের কাজ খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে যান।1
- প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ঘর নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ার পরও দুই কিস্তির টাকা দীর্ঘদিন ধরে না পাওয়ার অভিযোগ তুলে এক উপভোক্তা জনকল্যাণ শিবিরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগকারী উপভোক্তা জানিয়েছেন যে, আবাস প্রকল্পের আওতায় ঘর তৈরির জন্য প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও পরবর্তী দুটি কিস্তির অর্থ এখনও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা পড়েনি। এর ফলে তাঁর ঘরের নির্মাণকাজ মাঝপথেই সম্পূর্ণ আটকে রয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার যোগাযোগ করেও কোনও সদুত্তর পাননি, যার কারণে শেষমেশ তিনি জনকল্যাণ শিবিরে দ্বারস্থ হন। জনকল্যাণ শিবিরে উপস্থিত প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপভোক্তার অভিযোগ গ্রহণ করেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রশাসনিক তরফে জানানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেছেন যে, আবাস প্রকল্পের অর্থপ্রাপ্তি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় এখনও একাধিক সমস্যা বিদ্যমান। অনেক উপভোক্তাই সময়মতো কিস্তির টাকা না পাওয়ায় তাঁদের ঘরের নির্মাণ সম্পূর্ণ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রকৃত উপভোক্তাদের সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে এই ধরনের অভিযোগগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তদন্তের পর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।1
- আলিপুরদুয়ারের কয়াখাতা গ্রামের এক যুবকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে ধর্নায় বসেছেন এক যুবতী। দীর্ঘ পাঁচ ঘন্টা ধরে চলা এই ধর্নার পর মেয়েটি শামুকতলা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।1