Shuru
Apke Nagar Ki App…
অন্যায় করে গঙ্গা জলে ডুব দিলেই যেমন পাপ মোচন হয় না, ঠিক তেমনই ভোটের আগে এক দল থেকে অন্য দলে গিয়ে পতাকার রঙ পাল্টালেই কেউ রাতারাতি 'ভালো নেতা' হয়ে যায় না। আজকের একটি ভিডিওতে সমাজ এবং রাজনীতির এই চরম বাস্তব ও ভণ্ডামির দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওটিতে সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করা এবং গিরগিটির মতো রঙ বদলানো নেতাদের আসল সত্যিটা তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখতে এবং নিচে কমেন্ট বক্সে নিজেদের মূল্যবান মতামত জানাতে।
Sumit kumar basu
অন্যায় করে গঙ্গা জলে ডুব দিলেই যেমন পাপ মোচন হয় না, ঠিক তেমনই ভোটের আগে এক দল থেকে অন্য দলে গিয়ে পতাকার রঙ পাল্টালেই কেউ রাতারাতি 'ভালো নেতা' হয়ে যায় না। আজকের একটি ভিডিওতে সমাজ এবং রাজনীতির এই চরম বাস্তব ও ভণ্ডামির দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওটিতে সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করা এবং গিরগিটির মতো রঙ বদলানো নেতাদের আসল সত্যিটা তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখতে এবং নিচে কমেন্ট বক্সে নিজেদের মূল্যবান মতামত জানাতে।
More news from Hooghly and nearby areas
- আগামী ২৮ তারিখে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে ২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক আলোড়ন সৃষ্টি হতে চলেছে। যারা তাদের 'পোকা' বলে অপবাদ দিয়েছে, তাদের দেখিয়ে দিতে বাংলার যুবসমাজ কলকাতার পথে নেমে তাদের শক্তি প্রদর্শনের অঙ্গীকার করেছে। এই আন্দোলনকে 'আড্ডা থেকে অ্যাকশন' হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে, যা বাংলার প্রতিরোধের ঐতিহাসিক চেতনার সাথে স্থানীয় শব্দবন্ধের সংমিশ্রণ ঘটাচ্ছে। আহ্বানকারীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, 'ককরোচ জনতা পার্টি' আগামী ২৮ তারিখ পশ্চিমবঙ্গে আসছে। ছাত্রসমাজ এবং যুবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যে, তারা যেন এই 'ব্যবস্থা নষ্ট' করার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, কারণ 'চলবে না!'। যারা ভেবেছিল একটি 'হিট' এর ক্যান তাদের আটকাতে পারবে, তারা ভুল বুঝেছে। বেকার এবং অনলাইনে সক্রিয় যুবকদের এই বিশাল 'ঝাঁক' এবার জবাব চাইতে প্রস্তুত। আর মিষ্টি কথায় কাজ হবে না, এবার আসল জবাবদিহিতার সময়। তাই, সকল বেকার এবং অনলাইনে সক্রিয় যুবকদের তাদের সময়সূচি খালি করে, স্ক্রিন বন্ধ রেখে ২৮ তারিখে রাস্তায় নামতে বলা হয়েছে, কারণ তারা উত্তর দাবি করার জন্য প্রস্তুত।1
- রথযাত্রা উপলক্ষে ইশা উষা ইন্টেরিয়রের দোকানে গ্রাহকদের জন্য ১০% ছাড় চলছে।1
- মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন যে গাছের পাতাগুলো পরিষ্কার করা হোক।1
- পশ্চিম মেদিনীপুরের রামজীবনপুরে বিদ্যুৎ পরিষেবার নানা সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছে সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি। সোমবার সংগঠনটির রামজীবনপুর ইউনিটের পক্ষ থেকে WBSEDCL-এর রামজীবনপুর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। সংগঠন অভিযোগ করেছে যে, কৃষি, গৃহস্থালি, শিল্প ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহে একাধিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, কিন্তু তার কোনো স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না। এই স্মারকলিপিতে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা, স্মার্ট প্রিপেইড মিটার প্রত্যাহার, কৃষকদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ, অতিরিক্ত বিল সংশোধন এবং দ্রুত নতুন সংযোগ প্রদানের মতো মোট ২০ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। সারা বাংলা বিদ্যুৎ গ্রাহক সমিতি জানিয়েছে যে, সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় এই দাবিগুলি পূরণে যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে আগামী দিনে তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবে। এখন দেখার বিষয় হলো, বিদ্যুৎ দপ্তর এই দাবিগুলিকে কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে।2
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বড় একটি অংশ, বিশেষত ঘাটাল মহাকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতি বছর বর্ষা এলেই বন্যার আতঙ্কে থাকে। এই জল-যন্ত্রণার চিত্র দশকের পর দশক ধরে চলে আসছে, কারণ শিলাবতী, দ্বারকেশ্বর, ঝুমি এবং রূপনারায়ণের মতো নদীগুলির জলস্তর অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে, বর্ষা শুরু হতেই প্রশাসন বন্যার আগাম প্রস্তুতি নিতে তৎপর হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, এডিশনাল পুলিশ সুপার সন্দীপ সেন, ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট, এবং ঘাটাল ও দাসপুরের বিডিওসহ প্রশাসনের একাধিক কর্তা ব্যক্তি বানভাসি এলাকাগুলি পরিদর্শনে আসেন। যদিও বিগত সরকার ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান এর জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল, কিন্তু সেই কাজ অত্যন্ত শম্বুক গতিতে চলছিল। তবে, নতুন সরকার গঠন হওয়ার পর এই মাস্টারপ্ল্যানের জন্য ১২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে যে বর্ষার মরসুম কাটলেই এই কাজে গতি বাড়ানো হবে।1
- গত প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে কোনো আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়নি, যার ফলে আবর্জনার স্তূপ জমেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত এই আবর্জনা পরিষ্কার করার জোর দাবি জানানো হয়েছে।2
- বিধানসভায় বিধায়ক কুনাল ঘোষ বলেছেন যে নতুন সরকারের এখনই বিরোধিতা করা উচিত নয়। তার মতে, নতুন সরকারকে তাদের কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া প্রয়োজন।1
- অন্যায় করে গঙ্গা জলে ডুব দিলেই যেমন পাপ মোচন হয় না, ঠিক তেমনই ভোটের আগে এক দল থেকে অন্য দলে গিয়ে পতাকার রঙ পাল্টালেই কেউ রাতারাতি 'ভালো নেতা' হয়ে যায় না। আজকের একটি ভিডিওতে সমাজ এবং রাজনীতির এই চরম বাস্তব ও ভণ্ডামির দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ভিডিওটিতে সাধারণ মানুষের আবেগ নিয়ে খেলা করা এবং গিরগিটির মতো রঙ বদলানো নেতাদের আসল সত্যিটা তুলে ধরা হয়েছে। দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে ভিডিওটি সম্পূর্ণ দেখতে এবং নিচে কমেন্ট বক্সে নিজেদের মূল্যবান মতামত জানাতে।1