*টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করছে বিজেপি, দলের কর্মীরাই অভিযোগ তুলে তালা বন্ধ করে দিলো বিজেপির কার্যালয়!* ময়নাগুড়িতে বিজেপির দলীয় কোন্দল ক্রমশ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দলের কর্মীরাই এবার দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের গুরুতর অভিযোগ, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব টাকার বিনিময়ে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যা নিয়ে ক্ষোভ তীব্র আকার নিয়েছে । বুধবার ময়নাগুড়ির বিজেপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি কয়েক দফায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে, আর সেই ঘোষণাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় অন্দরের এই বিরোধ। প্রথমে ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য কৌশিক রায়ের নাম ঘোষণা করা হলে দলের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অভিযোগ, ওই সময় দলেরই এক গোষ্ঠী জেলা নেতৃত্বকে দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে আটকে রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে দলীয় নেতৃত্ব প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ডালিম রায়কে ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই আবারও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় কর্মী ও নেতৃত্বের একাংশ এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে অস্বীকার করে পুনরায় বিক্ষোভে নামেন এবং দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ডালিম রায়কে প্রার্থী করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে কোনও সরকারি বা দলীয়ভাবে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি, তবুও এই দাবিকে কেন্দ্র করে দলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সমগ্র ঘটনায় ময়নাগুড়িতে বিজেপির সংগঠন যে গভীর অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত, তা স্পষ্ট। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের পরিস্থিতি দলের পক্ষে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
*টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করছে বিজেপি, দলের কর্মীরাই অভিযোগ তুলে তালা বন্ধ করে দিলো বিজেপির কার্যালয়!* ময়নাগুড়িতে বিজেপির দলীয় কোন্দল ক্রমশ চরম আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, দলের কর্মীরাই এবার দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের গুরুতর অভিযোগ, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব টাকার বিনিময়ে প্রার্থী ঘোষণা করেছে, যা নিয়ে ক্ষোভ তীব্র আকার নিয়েছে । বুধবার ময়নাগুড়ির বিজেপি দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষুব্ধ কর্মী-সমর্থকরা কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে বিজেপি কয়েক দফায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে, আর সেই ঘোষণাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয় অন্দরের এই বিরোধ। প্রথমে ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য কৌশিক রায়ের নাম ঘোষণা করা হলে দলের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অভিযোগ, ওই সময় দলেরই এক গোষ্ঠী জেলা নেতৃত্বকে দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে আটকে রেখে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরে দলীয় নেতৃত্ব প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ডালিম রায়কে ময়নাগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের নতুন প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নতুন প্রার্থীর নাম ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই আবারও ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় কর্মী ও নেতৃত্বের একাংশ এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে অস্বীকার করে পুনরায় বিক্ষোভে নামেন এবং দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ডালিম রায়কে প্রার্থী করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা নিয়ে কোনও সরকারি বা দলীয়ভাবে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি, তবুও এই দাবিকে কেন্দ্র করে দলের অন্দরে বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সমগ্র ঘটনায় ময়নাগুড়িতে বিজেপির সংগঠন যে গভীর অন্তর্দ্বন্দ্বে জর্জরিত, তা স্পষ্ট। নির্বাচনের মুখে এই ধরনের পরিস্থিতি দলের পক্ষে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
- জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে বড় সড় সাফল্য পেল আরপিএফ। গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানান, স্টেশনে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। সেই সময় তাদের কাছে থাকা আধার কার্ড খতিয়ে দেখে আরপিএফের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়, কারণ প্রাথমিকভাবে সেগুলি জাল বলে মনে হয়েছে। পরবর্তীতে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে ধৃতরা স্বীকার করে যে, তারা বাংলাদেশি নাগরিক। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, নর্থ ইস্ট এক্সপ্রেসে চেপে তাদের দিল্লি যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। শুধু তাই নয়, দিল্লি থেকে পরবর্তী গন্তব্য হিসেবে জম্মু ও কাশ্মীর যাওয়ারও ছক কষেছিল তারা। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ধৃতদের আরও বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আরপিএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তাদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল—সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও জোরদার করা হয়েছে।1
- Post by Utpal Roy MNG1
- জল্পেশ মন্দিরে পুজো দিলেন বিজেপির নতুন প্রার্থী ডালিম রায় ময়নাগুড়ি: বিজেপির তরফে চতুর্থ দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন মঙ্গলবার। কিন্তু সেখানে দেখা যায় ময়নাগুড়ি বিধানসভার ঘোষিত প্রার্থী কৌশিক রায়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। ময়নাগুড়ি বিধানসভায় নতুন বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে একসময় তৃণমূল কংগ্রেস দল থেকে আসা ডালিম রায়কে। আর এই নাম ঘোষণার পর থেকেই দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে মঙ্গলবার। আর এরপরেই বুধবার দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে পুজো দেন প্রার্থী ডালিম রায়। এদিন ডালিম রায় সহ জেলা সভাপতি শ্যামল রায়, লোকসভার সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত রায় সহ দলীয় নেতৃত্বদার উপস্থিতিতে মন্দিরে পুজো দেওয়া হয়। এদিন প্রথমে উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী জল্পেশ মন্দিরে পুজো দেন বিজেপি প্রার্থী ডালিম রায়। এরপর সেখান থেকে জটিলেশ্বর মন্দির সহ বিভিন্ন মন্দিরে পুজো দেন তিনি। পুজো দেওয়ার পর নেতৃত্ব এবং প্রার্থীকে জানালেন শোনাবো আপনাদের1
- মেখলিগঞ্জে আজ মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন বিজেপির প্রার্থী দধিরাম রায়। তার আগেই এদিন গোটা পৌরসভা শহরে কয়েক হাজার কর্মী সমর্থকদের ভীড় লক্ষ করা যায়। এদিন দধিরাম রায়ের সাথে ছিলেন জলপাইগুড়ি লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জয়ন্ত কুমার রায় সহ অন্যান্যরা।3
- রাখাল কালীমাতা 🌺🙏1
- মেখলিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী আবহে আবারও দলবদলের ঘটনা সামনে এল। হলদিবাড়ি ব্লকের দক্ষিণ বড় হলদিবাড়ি অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে প্রায় ৪৫টি পরিবার বিজেপিতে যোগদান করেছে। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি মনোনীত প্রার্থী দধিরাম রায়। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান তিনি। বিজেপির দাবি, উন্নয়নের স্বার্থে ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই সাধারণ মানুষ দলে যোগ দিচ্ছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।1
- জয়গাঁ: প্রচুর পরিমান নেশার ক্যাপসুল সহ পুলিশের হাতে গ্রেফতার বাবা ও ছেলে।সীমান্ত শহর জয়গাঁর ঘটনা। সোমবার রাতে গোপনসূত্রের খবরের ভিত্তিতে জয়গাঁ সুপার মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ।সেখানে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় কয়েক হাজার নেশার ক্যাপসুল।এ ঘটনায় পূর্ণ দর্জি ও তার ছেলে রোহিত দর্জিকে গ্রেফতার করে মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ার আদালতে পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।1
- ধুপগুড়ি মহকুমার মাগুরমারী ২ নম্বর অঞ্চলে ফের রাজনৈতিক পালাবদলের ছবি দেখা গেল। বিজেপি ছেড়ে দুইটি পরিবার আনুষ্ঠানিকভাবে Trinamool Congress-এ যোগদান করলেন। এই যোগদানকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং স্থানীয় স্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেই মনে করছেন দলীয় নেতৃত্ব। জানা গেছে, এলাকার দীর্ঘদিনের বিজেপি সমর্থক ওই দুই পরিবার সম্প্রতি দলীয় নীতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে স্বাগত জানান তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ডঃ নির্মল চন্দ্র রায়। এই যোগদান কর্মসূচির পাশাপাশি সেদিনই এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী দলীয় কার্যালয়েরও উদ্বোধন করা হয়। নতুন এই কার্যালয়কে সামনে রেখে আসন্ন নির্বাচনে সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়েছে দল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব, কর্মী-সমর্থকরা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ। ডঃ নির্মল চন্দ্র রায় এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের আস্থা ও সমর্থনই তৃণমূল কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ এবং জনমুখী প্রকল্পে অনুপ্রাণিত হয়েই মানুষ ক্রমশ তৃণমূলের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি নবাগত সদস্যদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে নির্বাচনে জয়ের লক্ষ্য পূরণের আহ্বান জানান।1