“রক্ত দিন, জীবন বাঁচান — সুস্থ থাকুন, মানবতার পাশে দাঁড়ান” এই স্লোগানটির মাধ্যমে স্বেচ্ছায় রক্তদানের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে জানানো হয়েছে যে, এক ব্যাগ রক্ত দান করতে একজন ব্যক্তির মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগলেও, তা অন্যের জীবনে নতুন আশার আলো হয়ে আসে। স্বেচ্ছায় রক্তদানের একাধিক সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শরীরে নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা এবং অতিরিক্ত আয়রন কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো। রক্তদাতারা বিনামূল্যে রক্তচাপ, হিমোগ্লোবিন ও ওজনসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ পান। এছাড়া, এটি রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থাকে সচল রাখে, মানবসেবার মাধ্যমে আনন্দ ও মানসিক শান্তি দেয় এবং সমাজের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব পালনের এক মহৎ সুযোগ তৈরি করে। বিশেষ করে, একজন রক্তদাতার রক্ত থেকে পৃথক করা রেড সেলস, প্লাজমা এবং প্লেটলেট — এই তিনটি উপাদান ৩ জন বা তারও বেশি মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগী, প্রসূতি মা, থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগী এবং বড় অপারেশনের রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। তাই এই বার্তার মাধ্যমে সবাইকে আজ রক্তদানের আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ ভবিষ্যতে নিজের বা প্রিয়জনেরও রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। স্বেচ্ছায় রক্তদানকে মানবতার অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, এক ব্যাগ রক্ত কারও মুখে হাসি ফিরিয়ে আনতে পারে এবং এটিই হলো, “আপনার রক্ত, কারও জীবনের আলো”।
“রক্ত দিন, জীবন বাঁচান — সুস্থ থাকুন, মানবতার পাশে দাঁড়ান” এই স্লোগানটির মাধ্যমে স্বেচ্ছায় রক্তদানের অপরিসীম গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে জানানো হয়েছে যে, এক ব্যাগ রক্ত দান করতে একজন ব্যক্তির মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগলেও, তা অন্যের জীবনে নতুন আশার আলো হয়ে আসে। স্বেচ্ছায় রক্তদানের একাধিক সুবিধার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শরীরে নতুন রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা এবং অতিরিক্ত আয়রন কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো। রক্তদাতারা বিনামূল্যে রক্তচাপ, হিমোগ্লোবিন ও ওজনসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ পান। এছাড়া, এটি রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থাকে সচল রাখে, মানবসেবার মাধ্যমে আনন্দ ও মানসিক শান্তি দেয় এবং সমাজের প্রতি নিজেদের
দায়িত্ব পালনের এক মহৎ সুযোগ তৈরি করে। বিশেষ করে, একজন রক্তদাতার রক্ত থেকে পৃথক করা রেড সেলস, প্লাজমা এবং প্লেটলেট — এই তিনটি উপাদান ৩ জন বা তারও বেশি মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত রোগী, প্রসূতি মা, থ্যালাসেমিয়া ও ক্যান্সার রোগী এবং বড় অপারেশনের রোগীদের জন্য রক্তের প্রয়োজন হয়। তাই এই বার্তার মাধ্যমে সবাইকে আজ রক্তদানের আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ ভবিষ্যতে নিজের বা প্রিয়জনেরও রক্তের প্রয়োজন হতে পারে। স্বেচ্ছায় রক্তদানকে মানবতার অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, এক ব্যাগ রক্ত কারও মুখে হাসি ফিরিয়ে আনতে পারে এবং এটিই হলো, “আপনার রক্ত, কারও জীবনের আলো”।
- খরগ্রাম এবং লালগোলা-ভগবানগোলা এলাকায় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ)-কে ফেন্সিংয়ের কাজ শুরু করার জন্য জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিএসএফ এখন ওই নির্দিষ্ট অঞ্চলগুলিতে ফেন্সিংয়ের কাজ শুরু করতে পারবে।1
- ঝাড়গ্রাম বিধানসভার চুঁচুড়বেড়িয়াতে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জেলা সাধারণ সম্পাদিকা রিমঝিম সিং উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।1
- সারা রাজ্যের অন্যান্য অংশের মতো বিজেপি শনিবার গোপীবল্লভপুরের আলমপুর ৬ নম্বর অঞ্চলের বাঁকড়া গ্রামে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে।1
- মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় তারকেশ্বরে পৌঁছান। তাঁর এই আগমনকে একটি সুন্দর মুহূর্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও উল্লেখ করা হয়।1
- পূর্ব পাঁশকুড়া ২০৪ বিধানসভার কোলাঘাট মণ্ডল ৪ কার্যালয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবসকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবব্রত পওনায়েক, কোলাঘাট মণ্ডল ৪ এর সভাপতি বোধন দে, শক্তি প্রমুখ উৎপল ভট্টাচার্য সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।1
- চলতি মরশুমের শুরু থেকেই মৎস্যজীবীদের জালে ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে। মরশুমের শুরুতেই জালে ইলিশ আসায় মৎস্যজীবীরা বেশ খুশি।1
- পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপন উপলক্ষে, এসটি মোর্চার রাজ্য সম্পাদক রাজেন হেম্ব্রম একটি বার্তা প্রদান করেছেন।1
- গোপীবল্লভপুর ১ ব্লকের অন্তর্গত গোপীবল্লভপুর পশ্চিম চক্রের বৈতালপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস শ্রদ্ধার সাথে পালিত হয়েছে।1
- পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মোহনপুর থানার অন্তর্গত বোড়াই গ্রামে সাদ্দাম নামে এক ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘদিন ধরে কাঁথি থেকে এসে বোড়াই বাজারে ব্যবসা করতেন, তাকে গ্রামবাসীরা গত ১৯/০৬/২০২৬ তারিখে ধরে ফেলে। পোস্ট অনুসারে, এই ব্যক্তি তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে গরিব মানুষদের জন্য আসা সরকারি সামগ্রী চুরি করতো। এছাড়াও, সে বহু মানুষকে মারধর করতো এবং হিন্দু মেয়েদের প্রতি অশ্লীল গালিগালাজও করতো। গ্রামবাসীরা তাকে ধরে ফেলার পর সবুজ আবির মাখিয়ে, মাথায় ত্রিপল দিয়ে এবং ডিম ছুঁড়ে সারা বাজারের মধ্যে ঘোরান। এর পর মোহনপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ব্যক্তিকে তাদের হেফাজতে নেয়।1