Shuru
Apke Nagar Ki App…
পূর্ব পাঁশকুড়া ২০৪ বিধানসভার কোলাঘাট মণ্ডল ৪ কার্যালয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবসকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবব্রত পওনায়েক, কোলাঘাট মণ্ডল ৪ এর সভাপতি বোধন দে, শক্তি প্রমুখ উৎপল ভট্টাচার্য সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
Z News.
পূর্ব পাঁশকুড়া ২০৪ বিধানসভার কোলাঘাট মণ্ডল ৪ কার্যালয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবসকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবব্রত পওনায়েক, কোলাঘাট মণ্ডল ৪ এর সভাপতি বোধন দে, শক্তি প্রমুখ উৎপল ভট্টাচার্য সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
- Z News.কোলাঘাট, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিমবঙ্গlike , comment, share 🙏2 hrs ago
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- পূর্ব পাঁশকুড়া ২০৪ বিধানসভার কোলাঘাট মণ্ডল ৪ কার্যালয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিবসকে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে তমলুক সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবব্রত পওনায়েক, কোলাঘাট মণ্ডল ৪ এর সভাপতি বোধন দে, শক্তি প্রমুখ উৎপল ভট্টাচার্য সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।1
- পূর্ব মেদিনীপুরে গভীর রাতে তমলুক সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি এবং পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সুজিত রায়কে কলকাতা থেকে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে তাঁর গ্রেফতারের সুস্পষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। গ্রেফতারের পর আজই তৃণমূল নেতা সুজিত রায়কে তমলুক জেলা আদালতে পেশ করা হবে। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে বিভিন্ন অভিযোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। সেই ধারাবাহিকতায় পূর্ব মেদিনীপুরের এই প্রথমসারির তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করায় জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।1
- পূর্ব মেদিনীপুরের কন্টাই সেন্ট্রালে অবস্থিত সিয়াচেন অ্যাকোয়া একটি বিশ্বস্ত আরও (RO) জল প্ল্যান্ট, যা বিশুদ্ধ, নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর বোতলজাত পানীয় জল উৎপাদনে বিশেষত্ব অর্জন করেছে। এই প্ল্যান্টটি অত্যাধুনিক রিভার্স অসমোসিস (RO) জল পরিশোধন প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাড়ি, অফিস, দোকান, প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে উচ্চ-মানের পানীয় জল সরবরাহ করে। সিয়াচেন অ্যাকোয়া পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর পানীয় জল সরবরাহের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ এবং তারা কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ও আধুনিক জল শোধন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জলের প্রতিটি ফোঁটা যেন বিশুদ্ধতা ও নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখে।1
- বাংলার অন্যতম পারিবারিক উৎসব জামাই ষষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও, দলীয় দায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় যোগ দিতে রওনা দিয়েছেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। শনিবার সকাল থেকেই চন্দ্রকোনা ও রামজীবনপুর এলাকা থেকে একের পর এক বাসে করে তাঁদের যেতে দেখা যায়। রাস্তাজুড়ে বাসের দীর্ঘ সারি এলাকায় এক প্রকার রাজনৈতিক চাঞ্চল্য তৈরি করে। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাকে ঘিরে কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ রয়েছে, যা পারিবারিক উৎসবের কারণে এতটুকুও কমেনি। এই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির সংগঠনিক তৎপরতার জোরদার উপস্থিতিকেই স্পষ্ট করে।1
- গতকাল ঘাটাল শহরে সাতপাড়া মায়ের পুজো উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী পায়ে হাঁটা সঙ্ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঐতিহ্যপূর্ণ অনুষ্ঠান দেখতে আজও বহু মানুষের সমাগম ঘটে।1
- হাওড়া জেলার জগৎবল্লভপুর এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযানে প্রায় ২০০০ লিটার চোলাই মদ নষ্ট করা হয়েছে।1
- যন্তর মন্তরে লাগাতার আন্দোলন চলছে, যেখানে রাত বাড়ার সাথে সাথে ভিড় মোটেই কমছে না। আন্দোলনকারীদের উদ্দীপনা ও উপস্থিতি এতটাই প্রবল যে, লাইট বন্ধ করেও তাদের দমানো যায়নি।1
- পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল সভাপতি এবং তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত রায়কে শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ। আজ তাঁকে তমলুক আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। এই গ্রেফতারি একটি মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে হয়েছে, যিনি জানিয়েছেন যে ২০২১ সালে তিনি মানোয়ারা বিবি, আফজাল শা ও ইমরান আলীর নামে গণধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন। তবে, সরকার পরিবর্তনের পর, ওই মহিলা অভিযোগকারী গত ১৭ই জুন, ২০২৬ তারিখে পাঁশকুড়া থানায় ফের লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন যে, সেই সময় শাসক দলের রাজত্ব ছিল এবং সুজিত রায় তাঁকে বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখিয়েছিলেন, যার ফলে তিনি তখন ওই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করতে বাধ্য হন। ১৭ তারিখের এই কমপ্লেনের ভিত্তিতেই শুক্রবার মধ্যরাতে কলকাতার গড়ফা থানা এলাকা থেকে সুজিত রায়কে গ্ৰেপ্তার করা হয়। আদালতের উদ্দেশ্যে সুজিত রায়কে বের করার সময় ক্ষুব্ধ জনতা তাঁর বিরুদ্ধে 'চোর' স্লোগান দিতে থাকে এবং ডিম ছুঁড়তে থাকে। ঠিক সেই সময়েই সুজিত রায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এক ছাত্রী থানায় উপস্থিত হলে জনতা তাঁকেও 'ডিম থেরাপি' দেয়।1