নববর্ষের প্রথম দিনে উপচে পড়া ভিড় রসিকবিল মিনি-জু পর্যটন কেন্দ্রে। বছরের প্রথম দিনে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে রসিক বিল মিনিজু পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় পর্যটকদের। সারা বছরের ক্লান্তি শেষে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে একেবারে হাতের লাগালে এই পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে আসে পর্যটকরা। কিন্তু অন্যান্য দিনের তুলনায় বছরের প্রথম দিনটিকেই পর্যটকরা বেছে নেন। কোচবিহার জেলার পর্যটন কেন্দ্র গুলির মধ্য অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হলো অসম বাংলা সীমান্তের তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের এই রসিকবিল মিনি জু পর্যটন কেন্দ্র। শুধু কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয় পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার এমনকি পার্শ্ববর্তী রাজ্য অসমের বহু মানুষ এই পর্যটন কেন্দ্রে আসেন । গত দু বছরের তুলনায় এবছর নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই রসিকবিদ মিনি- জু পর্যটন কেন্দ্রটি। এখানে রয়েছে বাঘ, ময়ূর , ঘড়িয়াল , মেছো বিড়াল, হরিণ, অজগর সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এছাড়াও রয়েছে , সেলফি জোন , ঝুলন্ত ব্রিজ এবং সর্বোপরি সবুজ বনাঞ্চল। তাই বছরের শুরুতেই সবুজের আবহাওয়া গায়ে মাখতে হাজির হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য টিকিট কেটে ভেতরে যাওয়ার ছাড়পত্র মিলছে পর্যটকদের তবে বনভোজনের কোন অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি বন দপ্তরের পক্ষ থেকে। গত বছরের বছরের নববর্ষের প্রথমদিন ১৭ হাজারের বেশি পর্যটক ভ্রমণের জন্য বেছে নিয়েছিলেন তুফানগঞ্জের রসিকবিল মিনি জু-কে। রাজ্যের মধ্যে এটাই ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বেশি শুধুমাত্র কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলেন পর্যটকরা। তাই পর্যটকদের টানতে কোনও খামতি রাখেনি জু-কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে গোটা রসিকবিলকে এছাড়াও শিশুদের মন কাড়তে স্টোন পেন্টিংয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও মূর্তি। তৈরি করা হয়েছে সেলফি জোন। ঝুলন্ত সেতুতে যাতে একসঙ্গে বেশি ভিড় না হয়, তার জন্য বিকল্প উপায় সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। বেশি ভিড় হলে সেটা যে 'ওয়ান ওয়ে' করে দেওয়া হবে, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যদিও পর্যটকদের দাবি আরও বেশি পরিমাণ যদি পশুপাখি আনা যায় যেমন গন্ডার হাতি এগুলো আনলে পরে আরো বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে।
নববর্ষের প্রথম দিনে উপচে পড়া ভিড় রসিকবিল মিনি-জু পর্যটন কেন্দ্রে। বছরের প্রথম দিনে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে রসিক বিল মিনিজু পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় পর্যটকদের। সারা বছরের ক্লান্তি শেষে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে একেবারে হাতের লাগালে এই পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে আসে পর্যটকরা। কিন্তু অন্যান্য দিনের তুলনায় বছরের প্রথম দিনটিকেই পর্যটকরা বেছে নেন। কোচবিহার জেলার পর্যটন কেন্দ্র গুলির মধ্য অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হলো অসম বাংলা সীমান্তের তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের এই রসিকবিল মিনি জু পর্যটন কেন্দ্র। শুধু কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয় পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার এমনকি পার্শ্ববর্তী রাজ্য অসমের বহু মানুষ এই পর্যটন কেন্দ্রে আসেন । গত দু বছরের তুলনায় এবছর নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই রসিকবিদ মিনি- জু পর্যটন কেন্দ্রটি। এখানে রয়েছে বাঘ, ময়ূর , ঘড়িয়াল , মেছো বিড়াল, হরিণ, অজগর সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এছাড়াও রয়েছে , সেলফি জোন , ঝুলন্ত ব্রিজ এবং সর্বোপরি সবুজ বনাঞ্চল। তাই বছরের শুরুতেই সবুজের আবহাওয়া গায়ে মাখতে হাজির হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য টিকিট কেটে ভেতরে যাওয়ার ছাড়পত্র মিলছে পর্যটকদের তবে বনভোজনের কোন অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি বন দপ্তরের পক্ষ থেকে। গত বছরের বছরের নববর্ষের প্রথমদিন ১৭ হাজারের বেশি পর্যটক ভ্রমণের জন্য বেছে নিয়েছিলেন তুফানগঞ্জের রসিকবিল মিনি জু-কে। রাজ্যের মধ্যে এটাই ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বেশি শুধুমাত্র কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলেন পর্যটকরা। তাই পর্যটকদের টানতে কোনও খামতি রাখেনি জু-কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে গোটা রসিকবিলকে এছাড়াও শিশুদের মন কাড়তে স্টোন পেন্টিংয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও মূর্তি। তৈরি করা হয়েছে সেলফি জোন। ঝুলন্ত সেতুতে যাতে একসঙ্গে বেশি ভিড় না হয়, তার জন্য বিকল্প উপায় সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। বেশি ভিড় হলে সেটা যে 'ওয়ান ওয়ে' করে দেওয়া হবে, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যদিও পর্যটকদের দাবি আরও বেশি পরিমাণ যদি পশুপাখি আনা যায় যেমন গন্ডার হাতি এগুলো আনলে পরে আরো বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে।
- বছরের শুরুতেই মারুতি এবং বাইক এর মুখোমুখি সংঘর্ষ । দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলো পুলিশ । গৌতম দাস, পিতা নিতাই দাস , অরুন দাস, পিতা কার্তিক দাস বাড়ি মাইনান । দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত, এমন পুলিশ দেখিনি বাবা ! পুলিশের প্রশংসায় প্রত্যক্ষদর্শীরা ।।1
- বছরের প্রথম দিনে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে রসিক বিল মিনিজু পর্যটন কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় পর্যটকদের। সারা বছরের ক্লান্তি শেষে পরিবার-পরিজনদের নিয়ে একেবারে হাতের লাগালে এই পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে আসে পর্যটকরা। কিন্তু অন্যান্য দিনের তুলনায় বছরের প্রথম দিনটিকেই পর্যটকরা বেছে নেন। কোচবিহার জেলার পর্যটন কেন্দ্র গুলির মধ্য অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র হলো অসম বাংলা সীমান্তের তুফানগঞ্জ ২ নম্বর ব্লকের এই রসিকবিল মিনি জু পর্যটন কেন্দ্র। শুধু কোচবিহার জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই নয় পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার এমনকি পার্শ্ববর্তী রাজ্য অসমের বহু মানুষ এই পর্যটন কেন্দ্রে আসেন । গত দু বছরের তুলনায় এবছর নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে এই রসিকবিদ মিনি- জু পর্যটন কেন্দ্রটি। এখানে রয়েছে বাঘ, ময়ূর , ঘড়িয়াল , মেছো বিড়াল, হরিণ, অজগর সহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এছাড়াও রয়েছে , সেলফি জোন , ঝুলন্ত ব্রিজ এবং সর্বোপরি সবুজ বনাঞ্চল। তাই বছরের শুরুতেই সবুজের আবহাওয়া গায়ে মাখতে হাজির হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। তবে পর্যটন কেন্দ্রে প্রবেশের জন্য টিকিট কেটে ভেতরে যাওয়ার ছাড়পত্র মিলছে পর্যটকদের তবে বনভোজনের কোন অনুমতি এখনো দেওয়া হয়নি বন দপ্তরের পক্ষ থেকে। গত বছরের বছরের নববর্ষের প্রথমদিন ১৭ হাজারের বেশি পর্যটক ভ্রমণের জন্য বেছে নিয়েছিলেন তুফানগঞ্জের রসিকবিল মিনি জু-কে। রাজ্যের মধ্যে এটাই ছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর চেয়ে বেশি শুধুমাত্র কলকাতার আলিপুর চিড়িয়াখানায় গিয়েছিলেন পর্যটকরা। তাই পর্যটকদের টানতে কোনও খামতি রাখেনি জু-কর্তৃপক্ষ। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় মুড়িয়ে ফেলা হয়েছে গোটা রসিকবিলকে এছাড়াও শিশুদের মন কাড়তে স্টোন পেন্টিংয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের ছবি ও মূর্তি। তৈরি করা হয়েছে সেলফি জোন। ঝুলন্ত সেতুতে যাতে একসঙ্গে বেশি ভিড় না হয়, তার জন্য বিকল্প উপায় সেখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়েছে। বেশি ভিড় হলে সেটা যে 'ওয়ান ওয়ে' করে দেওয়া হবে, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। যদিও পর্যটকদের দাবি আরও বেশি পরিমাণ যদি পশুপাখি আনা যায় যেমন গন্ডার হাতি এগুলো আনলে পরে আরো বেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে।1
- ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনে উপচে পড়া ভিড় রসিকবিল মিনি-জু পর্যটন কেন্দ্রে।4
- নতুন বছরের শুরুতেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা1
- দ্রুতগতির বাইকের ধাক্কায় উল্টে গেল দুটি টোটো, আ*হ*ত যাত্রীরা।1
- Post by Srija Roy1
- বাগডোগরা বিমানবন্দরে মিঠুন চক্রবর্তী1
- Post by Srija Roy1