পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থানার ইটামগরা-২ অঞ্চলে সাড়ে তিন বছরের এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। মহিষাদল থানার পুলিশ সেখ মফিজুল নামে এক ব্যক্তিকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করেছে। তবে, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগও উঠেছে, যার ফলে দুই পুলিশকর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হয়েছেন। গুরুতর জখম এক পুলিশ আধিকারিককে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তের দোকান তাদের দোকানের পাশেই। দীর্ঘ দিন ধরে পরিবারের অজান্তেই অভিযুক্ত বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও অভিযুক্ত তা গুরুত্ব দেয়নি। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ দোকান বন্ধ করার সময় হঠাৎই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। স্থানীয়দের কাছ থেকে পরিবার জানতে পারে যে, সেখ মফিজুল সাইকেলে করে শিশুটিকে নিয়ে গেছে। প্রায় আধ ঘণ্টা পর অভিযুক্ত শিশুটিকে ফিরিয়ে আনে। বাড়ি ফেরার পর শিশুটি গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানালে তাকে মহিষাদলের বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরিবারের পক্ষ থেকে মহিষাদল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং পুলিশ পকসো আইনের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পুলিশ তার বাড়িতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেখ মফিজুল-সহ আরও কয়েকজন পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা দেয় এবং তাদের উপর চড়াও হয়। ধস্তাধস্তি ও হামলায় দুই পুলিশকর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হন এবং গুরুতর আহত এক পুলিশ আধিকারিককে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেখ মফিজুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা—দুই দিক নিয়েই মহিষাদল থানার পুলিশ তদন্ত করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দোষীর কঠোর শাস্তির দাবিতে রাতে হলদিয়া মেচাদা রাজ্য সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হিন্দুসংগঠন। আজ সকাল থেকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখায় এবং তার দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থানার ইটামগরা-২ অঞ্চলে সাড়ে তিন বছরের এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। মহিষাদল থানার পুলিশ সেখ মফিজুল নামে এক ব্যক্তিকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করেছে। তবে, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগও উঠেছে, যার ফলে দুই পুলিশকর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হয়েছেন। গুরুতর জখম এক পুলিশ আধিকারিককে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তের দোকান তাদের দোকানের পাশেই। দীর্ঘ দিন ধরে পরিবারের অজান্তেই অভিযুক্ত বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও অভিযুক্ত তা গুরুত্ব দেয়নি। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ দোকান বন্ধ করার সময় হঠাৎই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। স্থানীয়দের কাছ থেকে পরিবার জানতে পারে যে, সেখ মফিজুল সাইকেলে করে শিশুটিকে নিয়ে গেছে। প্রায় আধ ঘণ্টা পর অভিযুক্ত শিশুটিকে ফিরিয়ে আনে। বাড়ি ফেরার পর শিশুটি গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানালে তাকে মহিষাদলের বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরিবারের পক্ষ থেকে মহিষাদল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং পুলিশ পকসো আইনের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পুলিশ তার বাড়িতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেখ মফিজুল-সহ আরও কয়েকজন পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা দেয় এবং তাদের উপর চড়াও হয়। ধস্তাধস্তি ও হামলায় দুই পুলিশকর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হন এবং গুরুতর আহত এক পুলিশ আধিকারিককে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেখ মফিজুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা—দুই দিক নিয়েই মহিষাদল থানার পুলিশ তদন্ত করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দোষীর কঠোর শাস্তির দাবিতে রাতে হলদিয়া মেচাদা রাজ্য সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হিন্দুসংগঠন। আজ সকাল থেকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখায় এবং তার দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য এক দারুণ সুখবর নিয়ে এসেছে GDCS Smart Education App, যা স্কুল, কোচিং সেন্টার, কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং অন্যান্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটালভাবে পরিচালনা করার সুযোগ করে দিচ্ছে। বর্তমান ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্মার্ট এবং আধুনিক করার লক্ষ্যেই এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। GDCS App-এর বিশেষ সুবিধার মধ্যে রয়েছে স্মার্ট কিউআর অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম, যার মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপস্থিতি নেওয়া যায় এবং অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকের কাছে স্বয়ংক্রিয় বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। এটি রুটিন, ব্যাচ ও সিলেবাস ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি স্মার্ট অ্যাডমিশন ও ক্লাস ম্যানেজমেন্ট অফার করে, যেখানে সহজ ভর্তি পদ্ধতি, ব্যাচ নির্বাচন, স্বয়ংক্রিয় ক্লাস নোটিফিকেশন এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্যানেলে ক্লাস সময় ও রুটিন প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া, মাসিক ফি ও শিক্ষক বেতন ব্যবস্থাপনা, পেমেন্ট ট্র্যাকিং, বকেয়া ফি রিমাইন্ডার এবং বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করার সুবিধা রয়েছে। অ্যাপটি অনলাইন পরীক্ষা ও কম্পিউটার ভিত্তিক টেস্ট (CBT) পরিচালনা, স্বয়ংক্রিয় ফলাফল তৈরি এবং মেধা তালিকা ও পারফরমেন্স বিশ্লেষণ সক্ষমতা প্রদান করে। নোট ও স্টাডি মেটেরিয়াল শেয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট টিম, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক যুক্ত করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য সহজে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা যায়। GDCS Smart Education App ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম আরও দ্রুত, নির্ভুল ও আধুনিক পদ্ধতিতে পরিচালনা করা সম্ভব। এটি সময় সাশ্রয় করে, কাজের স্বচ্ছতা বাড়ায় এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির মধ্যে সমন্বয় উন্নত করে। অ্যাপটি প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ে সহায়তা করে, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং একটি আধুনিক ও ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে। এই অ্যাপটি ব্যবহার শুরু করতে গুগল প্লে স্টোরে 'GDCS Smart Education App' সার্চ করে ইনস্টল করতে হবে। ইনস্টলেশনের পর 'প্রোপাইটার' হিসেবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলেই GDCS টিম থেকে সম্পূর্ণ সেটআপ সাপোর্ট, ট্রেনিং ও গাইডেন্স প্রদান করা হবে। যেকোনো সমস্যায় প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বদা GDCS টিমের সহায়তা পাবে, যা প্রতিষ্ঠানকে স্মার্ট, আধুনিক ও ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।3
- কলকাতার তারাতলায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একাধিক প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন।1
- তারাতলায় একটি নির্মাণস্থলে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে, যেখানে একটি গুদামের ছাদ আকস্মিকভাবে ধসে পড়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বহু শ্রমিক ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বলে গভীর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনার খবর পেয়ে প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৎপরতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।1
- বেতন বৃদ্ধির দাবিতে বুধবার সকাল থেকে হলদিয়া পুরসভার সাফাই কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। পুরসভার ২৯টি ওয়ার্ডের সাফাই কর্মীরা কাজ বন্ধ রেখে এই প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন।1
- রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক উস্কে দিয়ে, মহুয়া মৈত্র বিজেপি এবং 'নতুন তৃণমূল' উভয়কেই কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন যে, "বাংলাতে বিজেপির ওয়াশিং মেশিন ফুল দমে চলছে, যেখানে ঢুকেই সবাই পরিষ্কার সাদা হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে সব"। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে দুর্নীতিগ্রস্তদের দলে নিয়ে এসে তাদের 'পরিষ্কার' করার অভিযোগ তুলেছেন, যা বর্তমানে রাজ্য রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।1
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার, কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং অন্যান্য শিক্ষালয়গুলির সম্পূর্ণ ম্যানেজমেন্ট এখন ডিজিটালভাবে পরিচালনা করার জন্য GDCS Smart Education App চালু করা হয়েছে। বর্তমান ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সহজ, স্মার্ট ও আধুনিক করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি এই GDCS অ্যাপটি শিক্ষকদের জন্য একটি দারুণ সুখবর। GDCS অ্যাপের বিশেষ সুবিধাগুলির মধ্যে রয়েছে স্মার্ট কিউআর অ্যাটেনডেন্স সিস্টেম, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের উপস্থিতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নেওয়া যায় এবং শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকের কাছে স্বয়ংক্রিয় নোটিফিকেশন যায়। এতে রুটিন, ব্যাচ ও সিলেবাস ম্যানেজমেন্ট, স্মার্ট অ্যাডমিশন ও ক্লাস ম্যানেজমেন্টের সুবিধা আছে, যেখানে সহজে রুটিন তৈরি ও শেয়ার করা যায়, ব্যাচ তৈরি ও ব্যাচ অনুযায়ী পরিচালনা করা যায়, এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি ট্র্যাক করা যায়। এছাড়াও, এতে সহজ স্টুডেন্ট অ্যাডমিশন সিস্টেম, অটো ক্লাস নোটিফিকেশন এবং স্টুডেন্ট ও টিচার প্যানেলে ক্লাসের সময়সূচী প্রদর্শনের ব্যবস্থা রয়েছে। অ্যাপটিতে ফি ও বেতন ম্যানেজমেন্টের সম্পূর্ণ সুবিধা বিদ্যমান, যেমন মাসিক ফি সংগ্রহ, শিক্ষকদের বেতন ব্যবস্থাপনা, পেমেন্ট ট্র্যাকিং এবং বকেয়া ফির জন্য রিমাইন্ডার নোটিফিকেশন সিস্টেম। অনলাইন ও কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা গ্রহণ, স্বয়ংক্রিয় ফলাফল তৈরি, মেধা তালিকা ও পারফরম্যান্স বিশ্লেষণের ব্যবস্থাও রয়েছে। নোটস ও স্টাডি মেটেরিয়াল শেয়ারিং, পিডিএফ ও ছবির মতো শিক্ষামূলক ফাইল আপলোড এবং সহজে ডাউনলোড করার সুবিধাও পাওয়া যায়। এছাড়া, ম্যানেজমেন্ট টিম, স্টুডেন্টস, ও টিচার্স অ্যাড করার সহজ সিস্টেম এবং প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য সহজে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার সুযোগ রয়েছে। অতিরিক্ত ফিচারগুলির মধ্যে আছে নোটিশ ও অ্যানাউন্সমেন্ট সিস্টেম, স্মার্ট কমিউনিকেশন সিস্টেম, স্টুডেন্ট পারফরম্যান্স ট্র্যাকিং এবং মোবাইল ও কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন সাপোর্ট। এটি গুগল প্লে স্টোর থেকে মোবাইল অ্যাপ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে এবং কম্পিউটার সফটওয়্যারের মাধ্যমেও সম্পূর্ণ ব্যবস্থাপনা সম্ভব। GDCS Smart Education App ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ে সহায়তা, নতুন শিক্ষার্থী ভর্তিতে সহায়তা, এবং একটি আধুনিক ও ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যাবে। এই অ্যাপের সাহায্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল কার্যক্রম আরও দ্রুত, নির্ভুল ও আধুনিক উপায়ে পরিচালনা করা সম্ভব হবে, যা সময় সাশ্রয় করবে, কাজের স্বচ্ছতা বাড়াবে এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির মধ্যে সমন্বয় উন্নত করবে। অ্যাপটি ইনস্টল করার পর প্রোপ্রাইটর হিসেবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হবে, যার পর GDCS টিম থেকে সম্পূর্ণ সেটআপ সাপোর্ট, ট্রেনিং ও গাইডেন্স প্রদান করা হবে।4
- পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদল থানার ইটামগরা-২ অঞ্চলে সাড়ে তিন বছরের এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। মহিষাদল থানার পুলিশ সেখ মফিজুল নামে এক ব্যক্তিকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করেছে। তবে, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে পুলিশের উপর হামলার অভিযোগও উঠেছে, যার ফলে দুই পুলিশকর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হয়েছেন। গুরুতর জখম এক পুলিশ আধিকারিককে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তের দোকান তাদের দোকানের পাশেই। দীর্ঘ দিন ধরে পরিবারের অজান্তেই অভিযুক্ত বিভিন্ন সময়ে শিশুটিকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যেত। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও অভিযুক্ত তা গুরুত্ব দেয়নি। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ দোকান বন্ধ করার সময় হঠাৎই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। স্থানীয়দের কাছ থেকে পরিবার জানতে পারে যে, সেখ মফিজুল সাইকেলে করে শিশুটিকে নিয়ে গেছে। প্রায় আধ ঘণ্টা পর অভিযুক্ত শিশুটিকে ফিরিয়ে আনে। বাড়ি ফেরার পর শিশুটি গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানালে তাকে মহিষাদলের বাসুলিয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরিবারের পক্ষ থেকে মহিষাদল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং পুলিশ পকসো আইনের ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পুলিশ তার বাড়িতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেখ মফিজুল-সহ আরও কয়েকজন পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা দেয় এবং তাদের উপর চড়াও হয়। ধস্তাধস্তি ও হামলায় দুই পুলিশকর্মী ও একজন সিভিক ভলান্টিয়ার আহত হন এবং গুরুতর আহত এক পুলিশ আধিকারিককে তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সেখ মফিজুলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন এবং পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা—দুই দিক নিয়েই মহিষাদল থানার পুলিশ তদন্ত করছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দোষীর কঠোর শাস্তির দাবিতে রাতে হলদিয়া মেচাদা রাজ্য সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় হিন্দুসংগঠন। আজ সকাল থেকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখায় এবং তার দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়।1