ঝাড়গ্রাম জেলার পুকুরিয়া গ্রামে পাকা আম ও কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে বুনো হাতির একটি দল লোকালয়ে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালিয়েছে। হাতির আক্রমণে একাধিক বাড়িঘর তছনছ হয়ে গেছে এবং গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। বনদপ্তরের চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে হাতিগুলি পুকুরিয়া গ্রামে ঢুকে পড়ে। এই মরসুমে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই মজুত ছিল পাকা আম এবং কাঁঠাল। সেই গন্ধ পেয়ে হাতিগুলি একে একে বেশ কয়েকটি মাটির বাড়ির ওপর হামলা চালায়, দেওয়াল ভেঙে ঘরে ঢুকে মজুত ধান, চাল এবং আম-কাঁঠাল খেয়ে ফেলে। হাতির হঠাৎ হামলায় ঘুমন্ত গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে কোনো রকমে প্রাণ বাঁচাতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাতি ঢোকার খবর সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বনদপ্তরকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু বারবার ফোন করা সত্ত্বেও বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি। দীর্ঘক্ষণ ধরে গ্রামে তাণ্ডব চালানোর পর ভোরের আলো ফুটতেই হাতিগুলি পুনরায় জঙ্গলের দিকে চলে যায়। ততক্ষণে বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি এবং একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ঝাড়গ্রাম জেলার পুকুরিয়া গ্রামে পাকা আম ও কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে বুনো হাতির একটি দল লোকালয়ে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালিয়েছে। হাতির আক্রমণে একাধিক বাড়িঘর তছনছ হয়ে গেছে এবং গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। বনদপ্তরের চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে হাতিগুলি পুকুরিয়া গ্রামে ঢুকে পড়ে। এই মরসুমে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই মজুত ছিল পাকা আম এবং কাঁঠাল। সেই গন্ধ পেয়ে হাতিগুলি একে একে বেশ কয়েকটি মাটির বাড়ির ওপর হামলা চালায়, দেওয়াল ভেঙে ঘরে ঢুকে মজুত ধান, চাল এবং আম-কাঁঠাল খেয়ে ফেলে। হাতির হঠাৎ হামলায় ঘুমন্ত গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে কোনো রকমে প্রাণ বাঁচাতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাতি ঢোকার খবর সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বনদপ্তরকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু বারবার ফোন করা সত্ত্বেও বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি। দীর্ঘক্ষণ ধরে গ্রামে তাণ্ডব চালানোর পর ভোরের আলো ফুটতেই হাতিগুলি পুনরায় জঙ্গলের দিকে চলে যায়। ততক্ষণে বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি এবং একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- ঝাড়গ্রাম জেলার পুকুরিয়া গ্রামে পাকা আম ও কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে বুনো হাতির একটি দল লোকালয়ে প্রবেশ করে তাণ্ডব চালিয়েছে। হাতির আক্রমণে একাধিক বাড়িঘর তছনছ হয়ে গেছে এবং গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। বনদপ্তরের চরম নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল গভীর রাতে পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে হাতিগুলি পুকুরিয়া গ্রামে ঢুকে পড়ে। এই মরসুমে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই মজুত ছিল পাকা আম এবং কাঁঠাল। সেই গন্ধ পেয়ে হাতিগুলি একে একে বেশ কয়েকটি মাটির বাড়ির ওপর হামলা চালায়, দেওয়াল ভেঙে ঘরে ঢুকে মজুত ধান, চাল এবং আম-কাঁঠাল খেয়ে ফেলে। হাতির হঠাৎ হামলায় ঘুমন্ত গ্রামবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে কোনো রকমে প্রাণ বাঁচাতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে পালিয়ে যান। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, হাতি ঢোকার খবর সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয় বনদপ্তরকে জানানো হয়েছিল, কিন্তু বারবার ফোন করা সত্ত্বেও বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাননি। দীর্ঘক্ষণ ধরে গ্রামে তাণ্ডব চালানোর পর ভোরের আলো ফুটতেই হাতিগুলি পুনরায় জঙ্গলের দিকে চলে যায়। ততক্ষণে বিঘার পর বিঘা ফসলের জমি এবং একাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।1
- সারা রাজ্যের অন্যান্য অংশের মতো বিজেপি শনিবার গোপীবল্লভপুরের আলমপুর ৬ নম্বর অঞ্চলের বাঁকড়া গ্রামে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করেছে।1
- রবিবার ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন উপলক্ষে কলকাতার গঙ্গাবক্ষে একটি বর্ণাঢ্য ড্রোন ও লেজার শো অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোক প্রদর্শনীতে প্রায় তিন হাজার ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে যোগ, সংস্কৃতি এবং সুস্থ জীবনের বার্তাগুলি তুলে ধরা হয়। এই নজরকাড়া আয়োজন কলকাতা শহরের দর্শকদের মুগ্ধ করে। আকাশজুড়ে যোগের মহিমা এবং প্রযুক্তি ও সংস্কৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন এই অনুষ্ঠানে পরিস্ফুট হয়।1
- ভারতীয় মজদুর সংঘের আয়োজনে একটি শ্রমিক জাগরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।1
- নরেন্দ্র মোদী সরাসরি জনসাধারণের উদ্দেশ্যে একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন: 'পরিবর্তন ভাল লাগছে তো?' এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি কোনো পরিবর্তনের প্রতি জনমত যাচাই করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রকাশিত তথ্য এবং ব্যবহৃত হ্যাশট্যাগ অনুযায়ী, এই বক্তব্যটি পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত, বিশেষত #WestBengal এবং #PaschimBangaDivas হ্যাশট্যাগগুলি এই ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া, #Kharagpurjagoran হ্যাশট্যাগ থেকে ধারণা করা যায় যে ঘটনাটি সম্ভবত খড়গপুরে সংঘটিত হয়েছে।1
- যোগ দিবসের আবহে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। খড়গপুরে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, “অ্যাকাউন্ট গেল, অফিস গেল, দলও গেল।” তাঁর এই মন্তব্য পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছে, যেখানে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে।1
- মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় তারকেশ্বরে পৌঁছান। তাঁর এই আগমনকে একটি সুন্দর মুহূর্ত হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও উল্লেখ করা হয়।1
- ঝাড়গ্রাম বিধানসভার চুঁচুড়বেড়িয়াতে সাড়ম্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জেলা সাধারণ সম্পাদিকা রিমঝিম সিং উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।1