রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে বুধবার বীরভূম জেলার নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে নলহাটি BL&LRO-র কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে। সমিতির প্রতিনিধিরা পাথর শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী, পরিবহণ কর্মী ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। বর্তমানে নলহাটিতে মাত্র দুটি চেক গেটের মাধ্যমে DCR ও অন্যান্য সরকারি রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু পাথরবোঝাই গাড়ির সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুটি চেক গেটে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা দীর্ঘ যানজট এবং সময় নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর ফলে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সমিতি আরও দুটি নতুন চেক গেট স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, গেটের সংখ্যা বাড়লে গাড়ির চলাচল স্বাভাবিক হবে, যানজট কমবে এবং অধিক সংখ্যক গাড়ি দ্রুত যাতায়াত করতে পারবে, ফলে সরকারি রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং ব্যবসায়ীদের কাজও সহজ হবে। ডেপুটেশনে পাহাড় এলাকায় যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাথরবোঝাই গাড়ি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। দ্রুত ওই রাস্তার সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছে, যা পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও নিরাপদ করবে এবং পাথর শিল্পের কার্যক্রম বজায় রাখবে। এছাড়াও ডেপুটেশনে বিভিন্ন রাস্তায় অবৈধভাবে চাঁদা তোলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যা গাড়িচালক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যায় ফেলছে এবং যানজট ও পাথর পরিবহণে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সমিতি এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে। এদিকে, গতকাল বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বীরভূম জেলার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করায় নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান যে, বীরভূম তথা নলহাটির পাথর শিল্প রাজ্যের রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই বিষয়টি বিধানসভায় গুরুত্ব সহকারে উত্থাপিত হওয়ায় তারা খুশি। সমিতির দাবি, অতীতে রাজস্ব আদায় হলেও তার সম্পূর্ণ অংশ সরকারি কোষাগারে পৌঁছাত না বলে নানা অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমানে পাথর শিল্প থেকে আদায় হওয়া সরকারি রাজস্ব যথাযথভাবে সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে, যা শিল্পের স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। ডেপুটেশন কর্মসূচিতে নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বিপ্লব ওঝা, চন্দ্রজিত গুপ্ত, রনজিৎ মণ্ডল, বৃন্দাবন ঘোষ, ছোটন মুখার্জি, ললিত ভট্ট, আমিরুল ইসলাম, সত্যেন্দ্র তিওয়ারি সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সমিতির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, তাদের উত্থাপিত দাবি ও সমস্যাগুলি প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবে, যা রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি পাথর শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষের কাজের পরিবেশ উন্নত করবে।
রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে বুধবার বীরভূম জেলার নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে নলহাটি BL&LRO-র কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে। সমিতির প্রতিনিধিরা পাথর শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী, পরিবহণ কর্মী ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। বর্তমানে নলহাটিতে মাত্র দুটি চেক গেটের মাধ্যমে DCR ও অন্যান্য সরকারি রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু পাথরবোঝাই গাড়ির সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুটি চেক গেটে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা দীর্ঘ যানজট এবং সময় নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর ফলে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সমিতি আরও দুটি নতুন চেক গেট স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, গেটের সংখ্যা বাড়লে গাড়ির চলাচল স্বাভাবিক হবে, যানজট কমবে এবং অধিক সংখ্যক গাড়ি দ্রুত যাতায়াত করতে পারবে, ফলে সরকারি রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং ব্যবসায়ীদের কাজও সহজ হবে। ডেপুটেশনে পাহাড় এলাকায় যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাথরবোঝাই গাড়ি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। দ্রুত ওই রাস্তার সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছে, যা পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও নিরাপদ করবে এবং পাথর শিল্পের কার্যক্রম বজায় রাখবে। এছাড়াও ডেপুটেশনে বিভিন্ন রাস্তায় অবৈধভাবে চাঁদা তোলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যা গাড়িচালক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যায় ফেলছে এবং যানজট ও পাথর পরিবহণে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সমিতি এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে। এদিকে, গতকাল বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বীরভূম জেলার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করায় নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান যে, বীরভূম তথা নলহাটির পাথর শিল্প রাজ্যের রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই বিষয়টি বিধানসভায় গুরুত্ব সহকারে উত্থাপিত হওয়ায় তারা খুশি। সমিতির দাবি, অতীতে রাজস্ব আদায় হলেও তার সম্পূর্ণ অংশ সরকারি কোষাগারে পৌঁছাত না বলে নানা অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমানে পাথর শিল্প থেকে আদায় হওয়া সরকারি রাজস্ব যথাযথভাবে সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে, যা শিল্পের স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। ডেপুটেশন কর্মসূচিতে নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বিপ্লব ওঝা, চন্দ্রজিত গুপ্ত, রনজিৎ মণ্ডল, বৃন্দাবন ঘোষ, ছোটন মুখার্জি, ললিত ভট্ট, আমিরুল ইসলাম, সত্যেন্দ্র তিওয়ারি সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সমিতির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, তাদের উত্থাপিত দাবি ও সমস্যাগুলি প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবে, যা রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি পাথর শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষের কাজের পরিবেশ উন্নত করবে।
- রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবিতে বুধবার বীরভূম জেলার নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে নলহাটি BL&LRO-র কাছে একটি ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়েছে। সমিতির প্রতিনিধিরা পাথর শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী, পরিবহণ কর্মী ও শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। বর্তমানে নলহাটিতে মাত্র দুটি চেক গেটের মাধ্যমে DCR ও অন্যান্য সরকারি রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। কিন্তু পাথরবোঝাই গাড়ির সংখ্যা প্রতিদিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এই দুটি চেক গেটে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যা দীর্ঘ যানজট এবং সময় নষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর ফলে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সমিতি আরও দুটি নতুন চেক গেট স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, গেটের সংখ্যা বাড়লে গাড়ির চলাচল স্বাভাবিক হবে, যানজট কমবে এবং অধিক সংখ্যক গাড়ি দ্রুত যাতায়াত করতে পারবে, ফলে সরকারি রাজস্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে পরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং ব্যবসায়ীদের কাজও সহজ হবে। ডেপুটেশনে পাহাড় এলাকায় যাওয়ার প্রধান সড়কের বেহাল অবস্থার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পাথরবোঝাই গাড়ি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। দ্রুত ওই রাস্তার সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি জানানো হয়েছে, যা পরিবহণ ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও নিরাপদ করবে এবং পাথর শিল্পের কার্যক্রম বজায় রাখবে। এছাড়াও ডেপুটেশনে বিভিন্ন রাস্তায় অবৈধভাবে চাঁদা তোলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে, যা গাড়িচালক ও ব্যবসায়ীদের সমস্যায় ফেলছে এবং যানজট ও পাথর পরিবহণে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। সমিতি এই বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছে। এদিকে, গতকাল বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বীরভূম জেলার রাজস্ব আদায়ের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করায় নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান যে, বীরভূম তথা নলহাটির পাথর শিল্প রাজ্যের রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং এই বিষয়টি বিধানসভায় গুরুত্ব সহকারে উত্থাপিত হওয়ায় তারা খুশি। সমিতির দাবি, অতীতে রাজস্ব আদায় হলেও তার সম্পূর্ণ অংশ সরকারি কোষাগারে পৌঁছাত না বলে নানা অভিযোগ ছিল, কিন্তু বর্তমানে পাথর শিল্প থেকে আদায় হওয়া সরকারি রাজস্ব যথাযথভাবে সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে, যা শিল্পের স্বচ্ছতা ও উন্নয়নের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। ডেপুটেশন কর্মসূচিতে নলহাটি পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বিপ্লব ওঝা, চন্দ্রজিত গুপ্ত, রনজিৎ মণ্ডল, বৃন্দাবন ঘোষ, ছোটন মুখার্জি, ললিত ভট্ট, আমিরুল ইসলাম, সত্যেন্দ্র তিওয়ারি সহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সমিতির পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয় যে, তাদের উত্থাপিত দাবি ও সমস্যাগুলি প্রশাসন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেবে, যা রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির পাশাপাশি পাথর শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার মানুষের কাজের পরিবেশ উন্নত করবে।1
- মুর্শিদাবাদের ফারাক্কায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একটি দ্রুতগতির ডাম্পারের ধাক্কায় ১৮ বছর বয়সী রাজ শেখ নামে এক তরুণের প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনায় তার ১৮ বছর বয়সী বন্ধু মোরসালিন শেখ গুরুতর আহত অবস্থায় রয়েছেন। মৃত রাজ শেখ ফারাক্কা ব্লকের মরেজপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রাজ এবং তার বন্ধু মোরসালিন ফারাক্কা ব্যারেজে একটি ব্যাংকে কাজের জন্য এসেছিলেন। ব্যাংকের কাজ শেষ করে মোটরবাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে ফারাক্কা এনটিপিসি মোড় এলাকায় ডাম্পারটি তাদের মোটরবাইককে সজোরে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের তীব্রতায় দুই বন্ধু ছিটকে পড়েন। দুর্ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসতেই তারা দ্রুত ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করেন। এরপর তড়িঘড়ি তাদের নিকটবর্তী ‘হায়াত মেডিকেল’-এ নিয়ে যাওয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা রাজ শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্য যুবক মোরসালিন শেখের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায়, প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।1
- মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া এলাকায় পুলিশ এক বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে, যেখানে কাঁটাতার টোপকে বাংলাদেশে সংলগ্ন এলাকায় অস্ত্র পাচারের একটি ডিল ভেস্তে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় দু'জন কুখ্যাত অস্ত্র মাফিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে সাগরপাড়া থানার পুলিশ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়, যেখানে দুই সন্দেহভাজন যুবককে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে একটি সেভেন এমএম পিস্তল, ম্যাগাজিন সহ কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার হয়েছে। ধৃত ওই দুই কুখ্যাত অস্ত্র মাফিয়ার বাড়ি ডোমকলের কাটাকোপড়া এলাকায়।1
- দিল্লির উন্নয়নের গতি এখন নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যেখানে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। সরকারের মন্ত্রী ও কর্মকর্তারা সম্প্রতি বৃহৎ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছেন, যেখানে বড় বড় মেশিনের সাহায্যে পাথর কাটা হচ্ছে। সরকারের দাবি, এই উন্নয়নমূলক কাজগুলি সম্পূর্ণ হলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও নাগরিক সুবিধা আরও উন্নত হবে। এই ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ দিল্লিকে আরও আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করবে কিনা, সে বিষয়ে মন্তব্য করে মতামত জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।1
- গত তিন মাস ধরে একজন মহিলা বিছানাগত অবস্থায় রয়েছেন এবং এই সময়ের মধ্যে তাঁকে তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, এই রোগটি প্রধানত মহিলাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, তাই সকল মহিলাকে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা-১ ব্লকের টিকলিচর গ্রামে সরকারি আবাসন প্রকল্পের ঘর সার্ভে ঘিরে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, যেসব পরিবার অতীতে একাধিকবার সরকারি আবাসনের সুবিধা পেয়েছে কিংবা যাদের ইতিমধ্যেই পাকা বাড়ি রয়েছে, তাদের বাড়িতেই পুনরায় সার্ভে করা হচ্ছে। অথচ প্রকৃত কাঁচা বাড়িতে বসবাসকারী বহু দরিদ্র ও প্রাপ্য পরিবারের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, হনুমন্তনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মীরা সার্ভের কাজে এলেও পুরো প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো হচ্ছে। এই অভিযোগের তির স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি তাকিবুল্লা শেখের দিকে, কারণ গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি তাঁর উপস্থিতিতেই ব্যক্তিগত পছন্দ অনুযায়ী বাড়ি নির্বাচন করে সার্ভে করানো হচ্ছে। যদিও তাকিবুল্লা শেখ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অস্বীকার করেছেন। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে যাদের পাকা বাড়ি বা ইট-গাঁথা স্থায়ী বাসস্থান আছে, তারা নতুন আবাসন প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। এই প্রেক্ষাপটে টিকলিচরের বর্তমান সার্ভে প্রক্রিয়া নিয়ে বহু বাসিন্দা প্রশ্ন তুলছেন। এই পরিস্থিতিতে গ্রামবাসীরা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্তভাবে পুনরায় সার্ভে করে প্রকৃত প্রাপকদের তালিকাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি মানা না হলে, তারা বৃহত্তর আন্দোলনে নামার পাশাপাশি বিডিও অফিস ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।1
- ফরাক্কার এনটিপিসি মোড়ে একটি ভয়াবহ পথ দুর্ঘ*টনা ঘটেছে। এই দুর্ঘ*টনায় একজন বাইক আরোহীর মৃ*ত্যু হয়েছে এবং অন্য একজন বাইক আরোহী গু*রু*তর আহ*ত হয়েছেন।1