ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম, যা ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের অন্যতম। এই মাস মুসলিম সমাজে আত্মসংযম, ইবাদত, ত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা নিয়ে আসে। বিশেষভাবে, ১০ মহরম অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনটি ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, যখন কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীরা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুর্শিদাবাদ শহরে ঐতিহ্যবাহী মহরমের জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাক পরে এই শোক মিছিলে অংশ নেন। জুলুসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া এবং দুলদুল ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোক, মাতম ও ধর্মীয় আবেগে গোটা পরিবেশ মুখরিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের জুলুসে প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে অংশগ্রহণকারীরা অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং জঞ্জির মাতম থেকে বিরত ছিলেন। সম্পূর্ণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। জুলুসটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী কারবালা প্রান্তরে গিয়ে শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, মহরম কেবল শোকের মাস নয়, বরং সত্য, ন্যায়, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তাঁরা মনে করেন, ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পথে অটল থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই তাঁরা প্রতিবছর এই পবিত্র দিনটি পালন করে আসছেন।
ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম, যা ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের অন্যতম। এই মাস মুসলিম সমাজে আত্মসংযম, ইবাদত, ত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা নিয়ে আসে। বিশেষভাবে, ১০ মহরম অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনটি ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, যখন কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীরা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুর্শিদাবাদ শহরে ঐতিহ্যবাহী মহরমের জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাক পরে এই শোক মিছিলে অংশ নেন। জুলুসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া এবং দুলদুল ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোক, মাতম ও ধর্মীয় আবেগে গোটা পরিবেশ মুখরিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের জুলুসে প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে অংশগ্রহণকারীরা অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং জঞ্জির মাতম থেকে বিরত ছিলেন। সম্পূর্ণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। জুলুসটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী কারবালা প্রান্তরে গিয়ে শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, মহরম কেবল শোকের মাস নয়, বরং সত্য, ন্যায়, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তাঁরা মনে করেন, ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পথে অটল থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই তাঁরা প্রতিবছর এই পবিত্র দিনটি পালন করে আসছেন।
- মুর্শিদাবাদ জেলার জনপথ (PWD) রাস্তার দু'পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারি উচ্ছেদে প্রশাসন কড়া অবস্থান নিয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, PWD রাস্তার দুই ধারে থাকা সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ও দখলদারি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজেদের উদ্যোগে সরিয়ে ফেলতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগামী ৩০ জুন ২০২৬-এর মধ্যে এই অপসারণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বেচ্ছায় অবৈধ নির্মাণ অপসারণ করা না হলে, আইন অনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের দাবি, রাস্তার দু'পাশে বেআইনি নির্মাণের কারণে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নমূলক কাজে বাধা তৈরি হতে পারে। এই কারণেই সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন সকলকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে, পরবর্তীতে কোনও অবৈধ নির্মাণ বা দখলদারি বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগকে ঘিরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইতিমধ্যেই ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের নওদা পানু পঞ্চায়েত এলাকায় স্বজন পোষণের অভিযোগে এক দাপুটে তৃণমূল নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে মুর্শিদাবাদের সদর মহকুমা বহরমপুর এর অন্তর্গত ওই এলাকায়। ধৃতের নাম জালাল উদ্দিন শেখ। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জালাল উদ্দিন শেখ এক এক করে তার পরিবারের ছয় জন সদস্যের নামে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বাংলা আবাস যোজনার প্রকল্পের সুবিধার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করিয়েছিলেন। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই পঞ্চায়েত সদস্যের পরিবারের সদস্যরা এই জালিয়াতির মাধ্যমে বিপুল আর্থিক টাকা নিজেদের নামে আত্মসাৎ করেছেন। এই গুরুতর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ অবশেষে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। নিজের পরিবারের সকল সদস্যের নামে আবাস যোজনার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর জালাল উদ্দিন শেখকে শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে।1
- ঐতিহাসিক মুর্শিদাবাদের রাজপথে প্রতি বছর কারবালার শোক, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদের ইতিহাস বুকে ধারণ করে মহরমের জৌলুস বের হয়। তবে এবারের আয়োজন ছিল এক বিশেষ কারণে ব্যতিক্রমী। বহু বছরের ঐতিহ্য বজায় রেখেও, নবাবের শহরের ইতিহাসে এই প্রথমবার প্রশাসনিক নির্দেশ মেনে অস্ত্রশস্ত্র ছাড়াই, সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে সম্পন্ন হলো মহরমের শোকযাত্রা। প্রথাগত অস্ত্র প্রদর্শন কিংবা জঞ্জির মাতাম ছাড়াই শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পালিত হলো এই শোক। আয়োজনের ধরন বদলে গেলেও, ধর্মীয় আবেগ কিংবা কারবালার স্মৃতি এতটুকু ফিকে হয়নি। হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাকে বুক চাপড়ে মাতমের মধ্য দিয়ে কোরান তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া ও দুলদুল ঘোড়াকে সঙ্গে নিয়ে শোকযাত্রায় সামিল হন। তাঁরা হজরত ইমাম হুসাইন-এর আত্মত্যাগ এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর অবিচল অবস্থানকে স্মরণ করেন। ঐতিহাসিক নবাব নগরীর রাজপথ পেরিয়ে এই জৌলুস নতুনগ্রাম সংলগ্ন কারবালা প্রান্তরে পৌঁছায়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এবারের মহরম যেন এক নতুন বার্তাও দিয়েছে—যে সময়ের প্রয়োজনে আয়োজনের রূপ বদলাতে পারে, কিন্তু বিশ্বাস, শোক আর আত্মত্যাগের চেতনায় কোনও পরিবর্তন আসে না।1
- ধুলিয়ান শিবমন্দির বাজার চত্ত্বরে পৌর প্রশাসনের কর্মকর্তারা একটি উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অভিযানে রাস্তার উপরে থাকা সমস্ত ফলের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যক্তিগত সিঁড়ি, ভ্যান এবং দোকানের সামনে বাড়িয়ে রাখা অংশগুলি সরিয়ে ফেলা হয়। অবৈধ নির্মাণ ও দখলদারিত্ব সরাতে বুলডোজারও ব্যবহার করা হয়েছে। এই সময় ধুলিয়ান পৌরসভার কর্মকর্তা এবং সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন আগেই ধুলিয়ান পৌরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত অবৈধ নির্মাণ সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। সেই নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর পৌর কর্তৃপক্ষ এবার সমস্ত অবৈধ নির্মাণ এবং দোকানপাটসহ আনুষঙ্গিক বিভিন্ন সামগ্রী সরানোর প্রক্রিয়া শুরু করলো।1
- পবিত্র ১০ই মহররমের পুণ্য লগ্নে বেলডাঙার বাবরি মসজিদে প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজ শুরু হয়েছে, যা এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির এই শুভ সূচনার উদ্বোধন করেন। আয়োজকদের দাবি, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সকলের সহযোগিতা, ভালোবাসা এবং দোয়ায় এই গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নির্মাণকাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।1
- বিশ্ব মাদকবিরোধী দিবসের দিন সাগরপাড়া থানা মাদক পাচারের বিরুদ্ধে এক বড়সড় সাফল্য অর্জন করেছে। গতকাল গভীর রাতে একটি বিশেষ অভিযানে ২২০ বোতল নিষিদ্ধ কফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে এবং একজন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাগরপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক রাকেশ কুমার বিশ্বাস এবং পিএসআই আব্বাস মণ্ডল-এর নেতৃত্বে জয়পুর ফাঁকা মাঠ সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযান চলাকালীন টিঙ্কু শেখ নামের এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়, যার বাড়ি সাগরপাড়া থানার সাহেবনগর রায়পাড়া এলাকায়। পুলিশ উদ্ধার হওয়া সামগ্রী আইনানুগভাবে জব্দ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। আজ তাকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না। এই অভিযানের সাফল্যকে এলাকাবাসী ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং অনেকেই মাদকবিরোধী অভিযানে সাগরপাড়া থানার ভূমিকার প্রশংসা করেছেন, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াই অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সমাজকে বাঁচাতে প্রশাসনের এমন উদ্যোগ আরও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।1
- পবিত্র ১০ই মহররমের পুণ্য লগ্নে বাবরি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথ নির্মাণের ঢালাই কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই শুভ সূচনা করেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবির। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সকলের সহযোগিতা, ভালোবাসা ও দোয়ার ফলেই এই গুরুত্বপূর্ণ নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নির্মাণকাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা কামনা করা হয়েছে।1
- ইসলামি বা হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহরম, যা ইসলামের চারটি পবিত্রতম মাসের অন্যতম। এই মাস মুসলিম সমাজে আত্মসংযম, ইবাদত, ত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে অবিচল থাকার শিক্ষা নিয়ে আসে। বিশেষভাবে, ১০ মহরম অর্থাৎ পবিত্র আশুরার দিনটি ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয়, যখন কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) ও তাঁর সঙ্গীরা অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছিলেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজও মানবতা, ন্যায়বিচার ও সত্য প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। এই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে প্রতি বছরের মতো এ বছরও মুর্শিদাবাদ শহরে ঐতিহ্যবাহী মহরমের জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ কালো পোশাক পরে এই শোক মিছিলে অংশ নেন। জুলুসে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, কারবালার ইতিহাস পাঠ, তাজিয়া এবং দুলদুল ঘোড়ার প্রতীকী শোভাযাত্রা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। শোক, মাতম ও ধর্মীয় আবেগে গোটা পরিবেশ মুখরিত হয়। উল্লেখযোগ্যভাবে, এবারের জুলুসে প্রশাসনিক নির্দেশিকা মেনে অংশগ্রহণকারীরা অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং জঞ্জির মাতম থেকে বিরত ছিলেন। সম্পূর্ণ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। জুলুসটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অতিক্রম করে ঐতিহ্যবাহী কারবালা প্রান্তরে গিয়ে শেষ হয়। শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, মহরম কেবল শোকের মাস নয়, বরং সত্য, ন্যায়, মানবতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক চিরন্তন শিক্ষা বহন করে। তাঁরা মনে করেন, ইমাম হুসাইন (রা.)-এর আত্মত্যাগ যুগে যুগে মানুষকে সত্যের পথে অটল থাকার অনুপ্রেরণা জোগায়। তাই ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শোক ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই তাঁরা প্রতিবছর এই পবিত্র দিনটি পালন করে আসছেন।1