Shuru
Apke Nagar Ki App…
পাশেই অঙ্গনওয়াড়ি স্কুল, বেহাল নিকাশী ব্যবস্থা, মহিলাদের বিক্ষোভ মেমারি পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডে মেমারি পৌরভবন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ১৩ নং ওয়ার্ডের রায়পাড়া। আর স্বচ্ছতার প্রতীক মেমারি পৌরসভার অন্তর্গত এই রায়পাড়ার নিকাশী ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা। ড্রেন প্লাস্টিক সহ নানাবিধ আবর্জনায় ভর্তি, ফলে জমে থাকছে জল। আর এই ড্রেনের জমা জল মশার আঁতুড় ঘর। পাশেই রয়েছে একটি অঙ্গনওয়াড়ি স্কুল। বার বার ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সহ পৌরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানিয়েও হয়নি সমাধান। এমতাবস্থায় বিরক্ত হয়ে ১৩ নং ওয়ার্ডের রায়পাড়া এলাকার বেশ কিছু মহিলা সহ এক অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেন শুক্রবার দুপুরে। শুনবো কী বললেন বিক্ষোভকারীরা
Anowar Ali Ansari
পাশেই অঙ্গনওয়াড়ি স্কুল, বেহাল নিকাশী ব্যবস্থা, মহিলাদের বিক্ষোভ মেমারি পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ডে মেমারি পৌরভবন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ১৩ নং ওয়ার্ডের রায়পাড়া। আর স্বচ্ছতার প্রতীক মেমারি পৌরসভার অন্তর্গত এই রায়পাড়ার নিকাশী ব্যবস্থার বেহাল অবস্থা। ড্রেন প্লাস্টিক সহ নানাবিধ আবর্জনায় ভর্তি, ফলে জমে থাকছে জল। আর এই ড্রেনের জমা জল মশার আঁতুড় ঘর। পাশেই রয়েছে একটি অঙ্গনওয়াড়ি স্কুল। বার বার ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সহ পৌরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পৌর কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানিয়েও হয়নি সমাধান। এমতাবস্থায় বিরক্ত হয়ে ১৩ নং ওয়ার্ডের রায়পাড়া এলাকার বেশ কিছু মহিলা সহ এক অঙ্গনওয়াড়ী কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেন শুক্রবার দুপুরে। শুনবো কী বললেন বিক্ষোভকারীরা
More news from Purba Bardhaman and nearby areas
- Post by Memari Update News1
- রাজ কুমার ঘোষ। কালনা। শিলাবৃষ্টিতে ধান নষ্ট, ঋণের চাপে ভাগচাষীর আত্মহত্যা মন্তেশ্বরে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর এলাকায় শিলাবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার জেরে চরম আর্থিক সঙ্কটে পড়ে আত্মঘাতী হলেন এক ভাগচাষী। মৃতের নাম মানিক মাঝি, বাড়ি মন্তেশ্বর থানার অন্তর্গত বামুনপাড়া এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, চাষের জন্য প্রায় কয়েক বিঘা জমিতে ধান ফলাতে মহাজনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়েছিলেন মানিক মাঝি। কিন্তু কয়েকদিন আগে হওয়া শিলাবৃষ্টি ও মাঠে জল জমে যাওয়ার ফলে পুরো ফসলই নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন তিনি। পরিবারের অভিযোগ, কেরালা থেকে কাজ সেরে বাড়ি ফিরে নিজের ক্ষতিগ্রস্ত জমি দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন মানিক। ঋণ শোধ কীভাবে করবেন, সেই চিন্তাই তাকে গ্রাস করেছিল। শেষপর্যন্ত সেই দুশ্চিন্তা থেকেই চরম সিদ্ধান্ত নেন তিনি। শুক্রবার মৃতের স্ত্রী কালনা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য এসে জানান, “ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর থেকেই খুব চিন্তায় ছিল। ঋণের বোঝা কীভাবে শোধ করবে, তা নিয়েই সবসময় ভাবত।” ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের পাশে দাঁড়িয়ে দ্রুত সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হোক, যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে।1
- নির্বাচন এর আগে বলাগড় বিধানসভার সমস্ত পঞ্চায়েত এর সদস্য দের নিয়ে একটি প্রাক নির্বাচন সভা অনুষ্ঠিত হয় বলাগড়ের জিরাট এর একটি লজে দেখুন সেই ছবি চিরঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় WhatsApp 7059664100 Media Centre 97325901041
- পাত্রসায়েরে গরুর হাট মাঠে সোনামুখী ও ইন্দাস বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোনামুখীর প্রার্থী ডঃ কল্লোল সাহা ও ইন্দাসের প্রার্থী শ্যামলী রায় বাগদী-এর সমর্থনে আয়োজিত এই সভায় শুরুতেই মাতৃশক্তিকে প্রণাম জানিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি। সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, যারা বাংলাকে বঞ্চিত করেছে, মানুষই তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। সোনামুখী ও ইন্দাস—এই দুই কেন্দ্রেই তৃণমূল প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত বলেও দাবি করেন তিনি। বিজেপি বিধায়কদের ‘নিখোঁজ’ বলে কটাক্ষ করে উন্নয়ন না হওয়ার অভিযোগ তোলেন। রাজ্যের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথা তুলে ধরে তিনি জানান, সেতু নির্মাণ, রাস্তা সংস্কার, আবাসন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা—সব ক্ষেত্রেই তৃণমূল সরকার কাজ করেছে। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগও তোলেন। এদিন সভামঞ্চ থেকে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেন অভিষেক। তিনি বলেন, জোড়া জয় নিশ্চিত হলে এলাকায় বাইপাস, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পরিকাঠামোর উন্নয়ন আরও জোরদার করা হবে। রাসূলপুরে কোল্ড স্টোরেজ তৈরির আশ্বাসও দেন তিনি। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানান, তৃণমূল প্রার্থীদের বিপুল ভোটে জয়ী করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাকে যারা অপমান করেছে, তাদের গণতান্ত্রিকভাবেই জবাব দেবে মানুষ।4
- "এরিয়ন" মহাকাশযানের, রকেটের উপরিভাগ হতে পৃথক হওয়ার দৃশ্য! পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পার করে, এরিয়ান মহাকাশযান নিরাপদে পৃথক হয়ে গেছে উৎক্ষেপণকারী রকেট থেকে। এবার মহাকাশযানটি নিজেই চন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। রইল সেই বিশেষ দৃশ্যের ভিডিও, ভিডিওটি সংগ্রহ করে এডিট করা। লেখনী ও ভিডিও এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।1
- তৃণমূল প্রার্থী রুকবানুর রহমানের নির্বাচনী প্রচারে সাংসদ মহুয়া মৈত্র নাকাশীপাড়া হরনগরে1
- ঠিকই শুনছেন ২ই ঘন্টার জন্যে সুলভ শৌচালয় বন্ধ করে দিয়ে গুটকা খেতে ব্যাস্ত শৌচালয় কর্মী মহিলা। তার হুশ নেই ভেতরে একজন কলেজ পড়ুয়া আটকে রয়েছে। কলেজ পড়ুয়া যখন বাথরুমে করে বেরোতে যাবে আচমকাই দেখে মেন গেট সুলভের তালা বন্ধ করা। মারাত্মক চিন্তায় পরে যায়। দুই ঘন্টা আটকে থাকে ওই শৌচালয়ের ভেতরে। পরে স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় উদ্ধার যুবক। স্থানীয়র অভিযোগ করে কি করে একজন মানুষ কে আটকে রেখে শৌচালয় কর্মী গুটকা খেতে চলে যায়। যদি কোনো বড় বিপদ ঘটত তার দায়িত্ব কার। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। স্থানীয়রা এও অভিযোগ তুলছে যেখান সুলভ শৌচালয়ে সরকারী দপ্তর থেকে নির্দিষ্ট অঙ্কের মূল্য শৌচালয় ব্যবহার করার জন্যে কর্মীদের নিতে বলা হয়েছে তার সেটাই উপেক্ষা করে যেমন ইচ্ছে টাকা দাবি করেন। না দিলে হুমকি দেন মারতেও আসেন ছুটে। এমন কি রেট চার্ট তাও কখন গামছা দিয়ে আবার কখনো স্টিকার মেরে ঢেকে রাখা হয়। আর ঠিক তারপরে চলে জড়জুলুম । তাই এদের জন্যে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। #Vairalnews #LatestNews #Breakingnews #Highlights #Flowers #kolkata #Westbengale #Crimenews1
- রাজ কুমার ঘোষ।মন্তেশ্বর।কালনা।পূর্ব বর্ধমান। বিধানসভার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের প্রার্থীর নিয়ে ভোট প্রচারে তুঙ্গে। সেইসঙ্গে আজ মন্তেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সমস্ত ভাগড়াগ্রাম ঘুরে ভোট প্রচার করলেন। এই প্রচাররে, অগণিত তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক ভোট প্রচার মিছিলে পা মেলালেন। মিছিল শেষে সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্নে AJUP পার্টির প্রার্থী বলেছিলেন মন্তেশ্বর বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস 100টি বুথে এজেন্ট দিতে পারবে না, তারই জবাবে চৌধুরী সাহেব বলেন AJUP পার্টির প্রার্থীকে মাতালের কাছে এসে মাতলামো করছে, ভোটের সময় দেখতে পাবে কে কোথায় থাকে, কোথা থেকে এসে ফতোয়া দেবে মন্তেশ্বরে, আমি পাঁচ বছর ধরে ঘাস কাটছি। এমনই কটাক্ষ করলেন প্রার্থী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।1