স্ট্রং রুমে কড়া নজরদারি! সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিদর্শনে সুজয়-সুশান্ত। গত ২৩শে এপ্রিল পুরুলিয়া জেলায় সম্পন্ন হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ভোট মিটতেই এখন সমস্ত ইভিএম (EVM) মেশিন রাখা হয়েছে পুরুলিয়া সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রংরুমে। আর সেই স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ও সিসিটিভি নজরদারি খতিয়ে দেখতে আজ সেখানে উপস্থিত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় ব্যানার্জি এবং বাঘমুন্ডি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত মাহাতো আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রং রুম চত্বর পরিদর্শন করেন। তারা সিসিটিভি ফুটেজ এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুঁটিয়ে দেখেন। দুই প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি নিজেদের দলীয় নজরদারির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। পরিদর্শন শেষে প্রার্থীরা জানান যে, শুধু সিসিটিভি নয়, স্ট্রং রুমের বাইরে দিন-রাত এক করে পাহারা দিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। সুজয় ব্যানার্জি ও সুশান্ত মাহাতোর কথায়, "আমাদের কর্মীরা ২৪ ঘণ্টা স্ট্রং রুমের বাইরে কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। কোনো রকম সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা অস্বাভাবিক কিছু নজরে এলেই তৎক্ষণাৎ নেতৃত্বকে খবর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণনার দিন পর্যন্ত এই সতর্কতা বজায় থাকবে।" দ্বিতীয় দফার ভোট মিটে যাওয়ার পর আগামী ৪ঠা মে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তৃণমূল নেতৃত্ব কোনো রকমের ফাঁক রাখতে চাইছেন না। ফলাফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত ইভিএম-এর নিরাপত্তায় কোনো আপস করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। আপাতত কড়া নিরাপত্তায় মোড়া সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রং রুম ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে জেলার রাজনৈতিক পারদ।
স্ট্রং রুমে কড়া নজরদারি! সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিদর্শনে সুজয়-সুশান্ত। গত ২৩শে এপ্রিল পুরুলিয়া জেলায় সম্পন্ন হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ভোট মিটতেই এখন সমস্ত ইভিএম (EVM) মেশিন রাখা হয়েছে পুরুলিয়া সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রংরুমে। আর সেই স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ও সিসিটিভি নজরদারি খতিয়ে দেখতে আজ সেখানে উপস্থিত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। পুরুলিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় ব্যানার্জি এবং বাঘমুন্ডি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত মাহাতো আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রং রুম চত্বর পরিদর্শন করেন। তারা সিসিটিভি ফুটেজ এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুঁটিয়ে দেখেন। দুই প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি নিজেদের দলীয় নজরদারির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। পরিদর্শন শেষে প্রার্থীরা জানান যে, শুধু সিসিটিভি নয়, স্ট্রং রুমের বাইরে দিন-রাত এক করে পাহারা দিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। সুজয় ব্যানার্জি ও সুশান্ত মাহাতোর কথায়, "আমাদের কর্মীরা ২৪ ঘণ্টা স্ট্রং রুমের বাইরে কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। কোনো রকম সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা অস্বাভাবিক কিছু নজরে এলেই তৎক্ষণাৎ নেতৃত্বকে খবর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণনার দিন পর্যন্ত এই সতর্কতা বজায় থাকবে।" দ্বিতীয় দফার ভোট মিটে যাওয়ার পর আগামী ৪ঠা মে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তৃণমূল নেতৃত্ব কোনো রকমের ফাঁক রাখতে চাইছেন না। ফলাফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত ইভিএম-এর নিরাপত্তায় কোনো আপস করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। আপাতত কড়া নিরাপত্তায় মোড়া সিধু কানু বিরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্রং রুম ঘিরেই এখন আবর্তিত হচ্ছে জেলার রাজনৈতিক পারদ।
- Post by MOUSUMI KOLEY1
- নির্বাচনী এজেন্টকে মারধরের অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে, উত্তেজনা তালডাংরায় #electionbankura #bankuraexpress #bankuranews #assemblyeelection #Bankuradistrict #AssemblyElection #IndasAITC #Taldangra #TMC1
- প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে গত ২৩ শে এপ্রিল। ইভিএমগুলি কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই স্ট্রংরুমে সংরক্ষণ করা হয়। দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয়কে স্ট্রংরুম হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম এবং পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার প্রতিটি বুথে ব্যবহৃত ইভিএম নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। স্ট্রংরুম চত্বরে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। শনিবার দুপুর বারোটায় সেই চিত্রই ধরা পড়ে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘন্টার পর ঘন্টা নজরদারি চালাচ্ছেন। পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও গোটা ব্যবস্থার উপর কড়া নজর রাখছেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিরাপত্তা বিঘ্ন না ঘটে। ভোটগণনার দিন পর্যন্ত একইভাবে কড়া নিরাপত্তা বজায় থাকবে।1
- Post by User56541
- Post by খবর বেলপাহাড়ী বিনপুর1
- নার্সিং হোম নাকি কসাই খানা1
- Post by MOUSUMI KOLEY1
- অন্ডালের মুকুন্দপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার সময় মাটির ধসে মৃত্যু হল মঙ্গল ভূঁইয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তির। শনিবার দুপুর আড়াইটার সময় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকাজুড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় অন্ডাল থানার পুলিশ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুকুন্দপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধভাবে মাটি কাটার কাজ চলছিল। শনিবারও একটি ট্রাক্টরে মাটি তোলার কাজ চলাকালীন আচমকাই উপর থেকে বড়সড় মাটির চাঁই ধসে পড়ে। সেই ধ্বসের নিচে চাপা পড়েন মঙ্গল ভূঁইয়া। মৃতের সঙ্গে কাজ করা রাজু ভূঁইয়া জানান, ট্রাক্টরে মাটি বোঝাই হওয়ার পর গাড়ির উপরে মাটির লেভেলিংয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই উপর থেকে বড় অংশের মাটি ভেঙে নেমে আসে। তিনি কোনোরকমে সেখান থেকে সরে গিয়ে প্রাণে বাঁচলেও মঙ্গল ভূঁইয়া ধ্বসের নিচে চাপা পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মৃতের পরিবারের সদস্যদের খবর না দিয়েই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, মৃতের পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত যে ট্রাক্টরে মাটি তোলা হচ্ছিল সেটি ছাড়া যাবে না। পাশাপাশি, দীর্ঘদিন ধরে কীভাবে এলাকায় অবৈধ মাটি কাটার কাজ চলছিল এবং কার মদতে এই কারবার চলছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। ভূমি ও রাজস্ব দপ্তরের ভূমিকা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন।1
- Post by খবর বেলপাহাড়ী বিনপুর1