সন্ধ্যা নামতেই বৃষ্টিতে স্তব্ধ মছলন্দপুর স্টেশন, ফাঁকা প্ল্যাটফর্মে নেমে এলো নীরবতা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। দিনের ব্যস্ততার পর আচমকাই যেন বদলে গেছে জেলার বহু এলাকার চেনা ছবি। বাদ যায়নি হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকাও। বৃষ্টির ফোঁটা পড়তেই ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যায় মছলন্দপুর রেল স্টেশন চত্বর। সাধারণত এই সময়ে স্টেশনজুড়ে যাত্রীদের ভিড়, ট্রেন ধরার তাড়া আর চায়ের দোকানের কোলাহলে মুখর থাকে এলাকা। কিন্তু আজ সন্ধ্যার বৃষ্টিতে সেই ব্যস্ততা যেন হঠাৎই থমকে গেছে। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দেখা মিলেছে খুব কম সংখ্যক যাত্রীর। কেউ ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছেন ট্রেনের অপেক্ষায়, কেউ আবার বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়েছেন স্টেশনের ছাউনি তলায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেলের পর থেকেই আকাশে ঘন মেঘ জমতে শুরু করে। সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় ঝিরঝিরে বৃষ্টি, যা কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়তে থাকে। এর প্রভাব পড়ে রেল স্টেশন এলাকাতেও। বৃষ্টিভেজা প্ল্যাটফর্ম, ফাঁকা বেঞ্চ আর দূরে ট্রেনের হুইসেলের শব্দ—সব মিলিয়ে মছলন্দপুর স্টেশনে নেমে এসেছে এক অন্যরকম নীরবতা। তবে অনেকেই মনে করছেন, এই বৃষ্টি গরমের হাত থেকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। যদিও যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটেছে, তবুও প্রকৃতির এই পরিবর্তনে সন্ধ্যার মছলন্দপুর যেন এক ভিন্ন রূপে ধরা দিয়েছে।
সন্ধ্যা নামতেই বৃষ্টিতে স্তব্ধ মছলন্দপুর স্টেশন, ফাঁকা প্ল্যাটফর্মে নেমে এলো নীরবতা উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। দিনের ব্যস্ততার পর আচমকাই যেন বদলে গেছে জেলার বহু এলাকার চেনা ছবি। বাদ যায়নি হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকাও। বৃষ্টির ফোঁটা পড়তেই ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যায় মছলন্দপুর রেল স্টেশন চত্বর। সাধারণত এই সময়ে স্টেশনজুড়ে যাত্রীদের ভিড়, ট্রেন ধরার তাড়া আর চায়ের দোকানের কোলাহলে মুখর থাকে এলাকা। কিন্তু আজ সন্ধ্যার বৃষ্টিতে সেই ব্যস্ততা যেন হঠাৎই থমকে গেছে। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দেখা মিলেছে খুব কম সংখ্যক যাত্রীর। কেউ ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছেন ট্রেনের অপেক্ষায়, কেউ আবার বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়েছেন স্টেশনের ছাউনি তলায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেলের পর থেকেই আকাশে ঘন মেঘ জমতে শুরু করে। সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় ঝিরঝিরে বৃষ্টি, যা কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়তে থাকে। এর প্রভাব পড়ে রেল স্টেশন এলাকাতেও। বৃষ্টিভেজা প্ল্যাটফর্ম, ফাঁকা বেঞ্চ আর দূরে ট্রেনের হুইসেলের শব্দ—সব মিলিয়ে মছলন্দপুর স্টেশনে নেমে এসেছে এক অন্যরকম নীরবতা। তবে অনেকেই মনে করছেন, এই বৃষ্টি গরমের হাত থেকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। যদিও যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটেছে, তবুও প্রকৃতির এই পরিবর্তনে সন্ধ্যার মছলন্দপুর যেন এক ভিন্ন রূপে ধরা দিয়েছে।
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। দিনের ব্যস্ততার পর আচমকাই যেন বদলে গেছে জেলার বহু এলাকার চেনা ছবি। বাদ যায়নি হাবড়া ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত মছলন্দপুর এলাকাও। বৃষ্টির ফোঁটা পড়তেই ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে যায় মছলন্দপুর রেল স্টেশন চত্বর। সাধারণত এই সময়ে স্টেশনজুড়ে যাত্রীদের ভিড়, ট্রেন ধরার তাড়া আর চায়ের দোকানের কোলাহলে মুখর থাকে এলাকা। কিন্তু আজ সন্ধ্যার বৃষ্টিতে সেই ব্যস্ততা যেন হঠাৎই থমকে গেছে। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে দেখা মিলেছে খুব কম সংখ্যক যাত্রীর। কেউ ছাতা হাতে দাঁড়িয়ে আছেন ট্রেনের অপেক্ষায়, কেউ আবার বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়েছেন স্টেশনের ছাউনি তলায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিকেলের পর থেকেই আকাশে ঘন মেঘ জমতে শুরু করে। সন্ধ্যা নামতেই শুরু হয় ঝিরঝিরে বৃষ্টি, যা কিছুক্ষণের মধ্যেই বাড়তে থাকে। এর প্রভাব পড়ে রেল স্টেশন এলাকাতেও। বৃষ্টিভেজা প্ল্যাটফর্ম, ফাঁকা বেঞ্চ আর দূরে ট্রেনের হুইসেলের শব্দ—সব মিলিয়ে মছলন্দপুর স্টেশনে নেমে এসেছে এক অন্যরকম নীরবতা। তবে অনেকেই মনে করছেন, এই বৃষ্টি গরমের হাত থেকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। যদিও যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে সাময়িকভাবে বিঘ্ন ঘটেছে, তবুও প্রকৃতির এই পরিবর্তনে সন্ধ্যার মছলন্দপুর যেন এক ভিন্ন রূপে ধরা দিয়েছে।1
- এই গেমের লিংক কমেন্ট বক্সে দিয়ে দিচ্ছে1
- নলের সিটির ডিজাইন প্রকাশ করলেন পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী ভাইজান সম্পূর্ণ তৈরি হলে নলেজ সিটি কেমন হবে দেখে নিন কোম্পানির ডিজাইন টা বানিয়ে ভাইজান এর কাছে দিয়েছি #News#Jiotvnews1
- ফুরফুরা শরীফ ঈসালে সওয়াব নলের সিট এর কিছু ক্যামেরাবন্দি করলাম1
- Post by Saifyad Saiul1
- আপনারা কেউ যদি পিক নিতে চাও তাহলে আমার সাথে কমেন্টে যোগাযোগ করো1
- বিরাটি ড্রেনের অবস্থা কি কেউ কি দেখতে পারছে না1
- উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের কুমড়া বাজারে তৃণমূল কংগ্রেসের একটি কর্মসূচি ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন হাবড়া ১ নম্বর ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা এবং হাবড়া ১ নং পঞ্চায়েত সমিতির কর্মদক্ষ কৃষি সেচ স্থায়ী সমিতির সদস্য বাপি মজুমদার। সভামঞ্চ থেকে তিনি দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষের উন্নয়ন এবং এলাকার সার্বিক অগ্রগতির লক্ষ্যে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। রাজ্যের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়াই দলের মূল লক্ষ্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এদিন তিনি সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান এবং আগামী দিনে মানুষের পাশে থেকে কাজ করার বার্তাও দেন। পাশাপাশি এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ এবং কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার উন্নতির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। কুমড়া বাজারের এই কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।1