হিমঘরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলু সংরক্ষণ বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোতুলপুর হিমঘরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলু সংরক্ষণ বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোতুলপুর। অভিযোগ, প্রায় ৫ হাজার বস্তা আলু রাখার মতো জায়গা খালি থাকলেও হিমঘর কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করেই সংরক্ষণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পথে নামেন এলাকার আলু চাষিরা। সোমবার সকাল থেকেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চাষিরা। তাঁরা বিষ্ণুপুর–আরামবাগ রাজ্য সড়ক অবরোধ করে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ করে দেন। ফলে রাস্তার দুই ধারে লম্বা যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদী চাষিদের অভিযোগ, হিমঘরে জায়গা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে আলু নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁদের উৎপাদিত আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতুলপুর থানার পুলিশ। প্রশাসনের তরফে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পুলিশের মধ্যস্থতায় অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হিমঘর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চাষিদের সমস্যার সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিকে, এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলেও চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ এখনও রয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে, হিমঘর বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে কোতুলপুরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আবারও কৃষকদের দুর্দশার বিষয়টিকে সামনে এনে দিল। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে
হিমঘরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলু সংরক্ষণ বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোতুলপুর হিমঘরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলু সংরক্ষণ বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোতুলপুর। অভিযোগ, প্রায় ৫ হাজার বস্তা আলু রাখার মতো জায়গা খালি থাকলেও হিমঘর কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করেই সংরক্ষণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পথে নামেন এলাকার আলু চাষিরা। সোমবার সকাল থেকেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চাষিরা। তাঁরা বিষ্ণুপুর–আরামবাগ রাজ্য সড়ক অবরোধ করে দীর্ঘক্ষণ যান
চলাচল বন্ধ করে দেন। ফলে রাস্তার দুই ধারে লম্বা যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদী চাষিদের অভিযোগ, হিমঘরে জায়গা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে আলু নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁদের উৎপাদিত আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতুলপুর থানার পুলিশ। প্রশাসনের তরফে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে
পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পুলিশের মধ্যস্থতায় অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হিমঘর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চাষিদের সমস্যার সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিকে, এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলেও চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ এখনও রয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে, হিমঘর বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে কোতুলপুরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আবারও কৃষকদের দুর্দশার বিষয়টিকে সামনে এনে দিল। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- কৃষি শিক্ষা স্বাস্থ্যের অব্যবস্থা তুলে ধরে প্রচার সারলেন সিপিআই এম প্রার্থী1
- তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান ৫০০ জনের1
- কিছুদিন আগে আপনাদেরকে দিনহাটা রাস্তা দেখাইছিলাম আজকে আমি বলরামপুর এসেছি এদিকে রাস্তাটা একবার লক্ষ্য করবে1
- ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গোঘাট বিধানসভার বিজেপির মনোনীত প্রার্থী প্রশান্ত দিগার নিজ নিজ এলাকায় জনসংযোগ কর্মসূচি করেই চলেছেন। সাধারণ মানুষের কথা শুনে পরবর্তী দিনের পদক্ষেপ গ্রহণ করার যার নির্দিষ্ট পন্থা অবলম্বন করছেন।1
- ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে জেলাজুড়ে। এরই মাঝে শাসকদলে ভাঙনের দাবি তুলে সরব হল বিজেপি শিবির। সোনামুখী বিধানসভার পাত্রসায়ের ব্লকের বেন্দা গ্রামের প্রায় ৫০ জন যুবক তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে দাবি দলের নেতৃত্বের। যদিও এই দাবি সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা নাটক’-এর অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। জানা গিয়েছে, কাকরডাঙ্গা এলাকায় বিজেপির একটি অনুষ্ঠানে যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিষ্ণুপুর লোকসভার বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, সোনামুখী কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবাকর ঘরামী এবং দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। এই যোগদানকে সামনে রেখে বিজেপি শিবিরের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে তাদের সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। যোগদানকারী তাপস বাগদী ও শিবু বাগদীর বক্তব্য, দীর্ঘদিন তৃণমূল করার পরও তারা কোনও সুযোগ-সুবিধা পাননি। তাই বিজেপিতে যোগ দিয়ে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চান তারা। এ প্রসঙ্গে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, প্রার্থী দিবাকর ঘরামির কাজ ও ভাবনায় অনুপ্রাণিত হয়েই এই যুবকেরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন এবং তারা পরিবর্তনের পক্ষে। অন্যদিকে, গোটা ঘটনাকে ‘সাজানো’ বলে দাবি করেছে তৃণমূল। সোনামুখী কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ড: কল্যান কল্লোল সাহা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের এমন পরিস্থিতি হয়নি যে কেউ দল ছেড়ে যেতে বাধ্য হবে। বিজেপি নিজেদের লোককে পতাকা ধরিয়ে ভুয়ো প্রচার করছে।” ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে এই দোষারোপ-পাল্টা দোষারোপের রাজনীতি। বাস্তবে এর প্রভাব ভোটবাক্সে কতটা পড়বে, এখন সেটাই দেখার।3
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- আব্বাস সিদ্দিকী1