Shuru
Apke Nagar Ki App…
অনেকদিন থেকেই এ রাস্তার অবস্থা অনেকটাই খারাপ এদিকেও কারো লক্ষ্য করুন। কিছুদিন আগে আপনাদেরকে দিনহাটা রাস্তা দেখাইছিলাম আজকে আমি বলরামপুর এসেছি এদিকে রাস্তাটা একবার লক্ষ্য করবে
Rejak Miah
অনেকদিন থেকেই এ রাস্তার অবস্থা অনেকটাই খারাপ এদিকেও কারো লক্ষ্য করুন। কিছুদিন আগে আপনাদেরকে দিনহাটা রাস্তা দেখাইছিলাম আজকে আমি বলরামপুর এসেছি এদিকে রাস্তাটা একবার লক্ষ্য করবে
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by Jaydev Bagdi1
- কিছুদিন আগে আপনাদেরকে দিনহাটা রাস্তা দেখাইছিলাম আজকে আমি বলরামপুর এসেছি এদিকে রাস্তাটা একবার লক্ষ্য করবে1
- Post by রিপোর্টারAbhijit Santra1
- হিমঘরে পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও আলু সংরক্ষণ বন্ধের ঘোষণাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল কোতুলপুর। অভিযোগ, প্রায় ৫ হাজার বস্তা আলু রাখার মতো জায়গা খালি থাকলেও হিমঘর কর্তৃপক্ষ হঠাৎ করেই সংরক্ষণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পথে নামেন এলাকার আলু চাষিরা। সোমবার সকাল থেকেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন চাষিরা। তাঁরা বিষ্ণুপুর–আরামবাগ রাজ্য সড়ক অবরোধ করে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বন্ধ করে দেন। ফলে রাস্তার দুই ধারে লম্বা যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ। প্রতিবাদী চাষিদের অভিযোগ, হিমঘরে জায়গা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাকৃতভাবে আলু নেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। এর ফলে তাঁদের উৎপাদিত আলু নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোতুলপুর থানার পুলিশ। প্রশাসনের তরফে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর পুলিশের মধ্যস্থতায় অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হিমঘর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চাষিদের সমস্যার সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এদিকে, এই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হলেও চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ এখনও রয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে, হিমঘর বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে কোতুলপুরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আবারও কৃষকদের দুর্দশার বিষয়টিকে সামনে এনে দিল। এখন দেখার, প্রশাসন কত দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে3
- Post by মুখার্জী নিউজ1
- ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রে শ্যামলী রায় বাগদি-র নির্বাচনী প্রচার এখন পুরোদমে চলছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এই প্রার্থী সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন। প্রচারের অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে পথসভা, বাড়ি বাড়ি প্রচার এবং স্থানীয় কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করছেন। সাধারণ মানুষের সমস্যা, চাহিদা ও উন্নয়নের বিষয়গুলি গুরুত্ব দিয়ে শুনছেন বলেও জানা গেছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও তুলে ধরছেন তিনি। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। তাঁদের দাবি, All India Trinamool Congress প্রার্থী হিসেবে শ্যামলী রায় বাগদির গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই বাড়ছে, যা নির্বাচনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, ফলে ইন্দাসে রাজনৈতিক লড়াই ক্রমশ জমে উঠছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রের প্রচার আরও তীব্র হবে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।1
- ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে গোঘাট বিধানসভার বিজেপির মনোনীত প্রার্থী প্রশান্ত দিগার নিজ নিজ এলাকায় জনসংযোগ কর্মসূচি করেই চলেছেন। সাধারণ মানুষের কথা শুনে পরবর্তী দিনের পদক্ষেপ গ্রহণ করার যার নির্দিষ্ট পন্থা অবলম্বন করছেন।1
- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে জোরকদমে সংগঠন মজবুত করতে উদ্যোগী বিজেপি। সেই লক্ষ্যে ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করা হল। এই কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। উপস্থিত ছিলেন ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী নির্মল ধারা-সহ দলের একাধিক নেতা-কর্মী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। দলীয় পতাকা ও ব্যানারে সেজে ওঠে গোটা এলাকা। ঢাক-ঢোল ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পরিবেশ, যা কার্যত নির্বাচনী আবহকে আরও তীব্র করে তোলে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ সৌমিত্র খাঁ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক ইস্যুতে সরব হন। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে উন্নয়নের অভাব এবং প্রশাসনিক দুর্নীতির জেরে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, পরিবর্তনের হাওয়া ইতিমধ্যেই বইতে শুরু করেছে এবং ইন্দাস বিধানসভা কেন্দ্রেও বিজেপির জয় অনিবার্য। অন্যদিকে, প্রার্থী Nirmal Dhara বলেন, “এই কার্যালয় শুধুমাত্র একটি অফিস নয়, এটি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানের কেন্দ্র হয়ে উঠবে। আমরা মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই এবং তাঁদের আস্থা অর্জন করতে চাই।” তিনি আরও জানান, এলাকার প্রতিটি বুথে সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই কার্যালয় থেকেই আগামী দিনে ইন্দাস জুড়ে নির্বাচনী প্রচার, জনসংযোগ এবং সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠনকে সুসংহত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই কার্যালয় উদ্বোধন বিজেপির প্রচারে নতুন গতি আনবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার, এই উদ্যোগ কতটা প্রভাব ফেলে আসন্ন নির্বাচনের2