Shuru
Apke Nagar Ki App…
Somnath Dev
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- আমাদের হিঙ্গলগঞ্জ এ প্রচন্ড ঝড় উঠেছে দেখুন কতটা ভাবে ঝড় উঠছে গাছপালা ভেঙে পড়ছে আকাশে প্রচন্ড মেঘ1
- Post by Somnath Dev1
- baduria. masia1
- বসিরহাট টু মাটিয়া থানা অন্তর্গত ইটের ভাটা2026(ARUNA) ভাটার নিজস্ব গাড়ি আছে2
- polar pasa khub kharap obosta2
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার" হাবড়া বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ঘোষণার পর উঠেছে প্রশ্ন কে দখল করবে হাবড়া! হাবড়া এলাকায় শুরু রাজনৈতিক লড়াই " কার দখলে থাকবে হাবড়া তৃণমূল" বিজেপি নাকি CPIM ? উত্তর ২৪ পরগনার রাজনৈতিক মানচিত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র—হাবড়া বিধানসভা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আবারও উত্তপ্ত এই কেন্দ্র। প্রশ্ন একটাই—হাবড়া থাকবে কার দখলে? পরিচিত মুখ বনাম নতুন চ্যালেঞ্জ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সংগঠনের উপর দৃঢ় দখল এবং হাবড়ার অলিগলি চেনা—এইসবই তাঁর শক্তি। গত ১৫ বছর ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখেছেন তিনি। উন্নয়নের দাবি ও কাজের খতিয়ানই তাঁর প্রধান হাতিয়ার। অন্যদিকে CPIM প্রার্থী ঋজিনন্দন বিশ্বাস। তুলনামূলকভাবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের কাছে নতুন মুখ হলেও, পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে মাঠে নেমেছেন। যুবসমাজ, কর্মসংস্থান এবং স্থানীয় সমস্যা তুলে ধরেই লড়াই জমাতে চাইছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য—বিকল্প রাজনীতি গড়ে তোলা। নতুন সমীকরণে রয়েছে বিজেপি বিজেপির পক্ষ থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দেবদাস মন্ডল-কে। এই কেন্দ্রে প্রথমবার প্রার্থী হলেও, সংগঠনের জোরে এবং কেন্দ্রীয় ইস্যুকে সামনে রেখেই লড়াইয়ে নামছেন তিনি। বিজেপির কৌশল—ভোটব্যাঙ্কে নতুন সমীকরণ তৈরি করা। প্রশ্ন হলো মূল লড়াই কোথায়? হাবড়ার মানুষের কাছে এখন বড় প্রশ্ন— কে সত্যিই এলাকার সমস্যা বোঝেন? কে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারবেন? আর কে শুধু নির্বাচনের সময়ই মানুষের কাছে আসছেন? রাস্তাঘাট, পানীয় জল, কর্মসংস্থান, শিক্ষা—এই সমস্ত বিষয়ই হয়ে উঠেছে ভোটের মূল ইস্যু। তবে ২০২৬-এর নির্বাচন শুধু প্রার্থীদের লড়াই নয়, এটি হাবড়ার ভবিষ্যতের লড়াই। পুরনো অভিজ্ঞতা, নতুন আশার স্বপ্ন, না কি পরিবর্তনের ডাক— হাবড়ার মানুষই ঠিক করবেন, কার হাতে যাবে আগামী দিনের দায়িত্ব।1
- এই ভাবনার মধ্য দিয়ে সংঘের সদস্যরা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান মসজিদুল নববীর প্রায় ১৪০০ বছর পূর্বের প্রেক্ষাপট। আয়োজকদের মতে, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অত্যন্ত সাধারণ ও সংযমী জীবনযাপনের দৃষ্টান্তই এই থিমের মূল অনুপ্রেরণা। সেই সময়ে নবীজি যে ছোট্ট অঙ্কুর রোপণ করেছিলেন, আজ তা এক মহীরুহে পরিণত হয়েছে—এই প্রতীকী ধারণাই ফুটে উঠেছে মণ্ডপসজ্জা ও উপস্থাপনায়। শুধু ধর্মীয় ইতিহাস নয়, বর্তমান সময়ের সাম্প্রদায়িক হানাহানির প্রেক্ষাপটে সম্প্রীতির বার্তাও তুলে ধরেছেন উদ্যোক্তারা। তাদের মতে, এই উদ্যোগ মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও সহাবস্থানের গুরুত্বকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিমান ব্যানার্জি। উপস্থিত ছিলেন পীরজাদা মাসুম বাখতিয়ারী,জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্র, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কানন দাস, বারুইপুর পৌরসভার পৌর প্রধান গৌতম কুমার দাসসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও নেতৃত্ব। এই আয়োজনের নেতৃত্বে ছিলেন সংঘের সভাপতি সালমান মোল্লা ও সম্পাদক মুজিবর মণ্ডল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সদস্য ও বিশিষ্ট প্রধান শিক্ষক তথা পঞ্চায়েত সদস্য শেখ মঞ্জুর আহমেদ, সমাজসেবী সুশান্ত মণ্ডল, চিকিৎসক ডঃ নাওয়াজুর রহমান, সদস্য নাসির মণ্ডল, শাহিদ মণ্ডলসহ অন্যান্য সদস্যরা।1
- উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাবরা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবদাস মন্ডল টিকিট পাওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ করলেন হাবরার তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বিরুদ্ধে!1