মালদার গাজোল ব্লকের করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর এলাকায় আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুই স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। প্রায় সাত বছর আগে সরকারি ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামের একাধিক মহিলার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও ঘর না মেলায় এবং সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার সমীক্ষা শুরু হতেই এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে। সমীক্ষায় গিয়ে সরকারি কর্মীরা জানান যে, ওই অভিযোগকারী মহিলাদের নামে ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর অনুমোদিত হয়ে গিয়েছে। অথচ ভুক্তভোগী মহিলারা ঘর বা ঘরের জন্য বরাদ্দ টাকা কোনোটিই হাতে পাননি। এরপরই প্রতারিত মহিলারা অভিযুক্ত নেতাদের কাছে টাকা ফেরত ও ঘরের বিষয়ে জবাব চাইতে গেলে, টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করা হয় এবং উল্টে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রবিবার সকাল দশটা নাগাদ প্রতারিত মহিলারা গাজোল থানায় দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দিতে হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তা হিসেবে তাঁদের আবাস যোজনার ঘর নিশ্চিত করতে হবে। এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গাজোল থানার পুলিশ।
মালদার গাজোল ব্লকের করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর এলাকায় আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুই স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। প্রায় সাত বছর আগে সরকারি ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামের একাধিক মহিলার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও ঘর না মেলায় এবং সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার সমীক্ষা শুরু হতেই এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে। সমীক্ষায় গিয়ে সরকারি কর্মীরা জানান যে, ওই অভিযোগকারী মহিলাদের নামে ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর অনুমোদিত হয়ে গিয়েছে। অথচ ভুক্তভোগী মহিলারা ঘর বা ঘরের জন্য বরাদ্দ টাকা কোনোটিই হাতে পাননি। এরপরই প্রতারিত মহিলারা অভিযুক্ত নেতাদের কাছে টাকা ফেরত ও ঘরের বিষয়ে জবাব চাইতে গেলে, টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করা হয় এবং উল্টে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রবিবার সকাল দশটা নাগাদ প্রতারিত মহিলারা গাজোল থানায় দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দিতে হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তা হিসেবে তাঁদের আবাস যোজনার ঘর নিশ্চিত করতে হবে। এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গাজোল থানার পুলিশ।
- তিন সাংসদ আবুতাহের খান, ইউসুফ পাঠান এবং খলিলুর রহমানকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তিন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেছেন তিনি।1
- বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে এবং শিশুদের ডিজিটাল নির্ভরতা কমাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় চালু হয়েছে একটি অত্যাধুনিক ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার (মোবাইল লাইব্রেরি) পরিষেবা। শনিবার রাতে বালুরঘাট মিউজিয়াম সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার। ভারত সরকারের শিক্ষা মন্ত্রকের উদ্যোগে এবং এডুকেশনাল কনসালটেন্টস ইন্ডিয়া লিমিটেড (EdCIL)-এর সহযোগিতায় এই নতুন কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার প্রশাসনিক আধিকারিক এবং শিক্ষা দপ্তরের প্রতিনিধি সহ বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন। এই বিশেষ মোবাইল লাইব্রেরিটি জেলার বিভিন্ন স্কুলে নিয়মিত পৌঁছে যাবে, যেখানে বিশেষভাবে সাজানো গাড়ির ভেতরে বসেই শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের বই পড়তে পারবে। এছাড়া গ্রন্থাগারটিতে রাখা থাকবে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক বই ও জ্ঞানবর্ধক সামগ্রী। বর্তমান ডিজিটাল যুগে শিশু-কিশোরদের মধ্যে মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা কমিয়ে তাদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটানো এবং মানসিক উন্নতিতে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। জেলার শিক্ষা ব্যবস্থায় এই ভ্রাম্যমাণ গ্রন্থাগার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে যেসব স্কুল বা এলাকায় পর্যাপ্ত গ্রন্থাগারের অভাব রয়েছে, সেখানে শিক্ষার্থীদের কাছে সরাসরি বই পৌঁছে দিতে এই পরিষেবা দারুণভাবে কাজ করবে বলে মনে করছেন তাঁরা।1
- সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় সমস্ত ধরণের সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে একটি টানা অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার অন্তর্গত ডোমকল মহকুমার সাগরপাড়া থানার পুলিশ। পুলিশ দল গোপন জুয়ার ঠেকে আচমকা হানা দিয়ে হাতেনাতে একসঙ্গে ১৫ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার গোটা এলাকায় ব্যাপক সোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক অপরাধ দমনে পুলিশের এমন তৎপরতা এবং এই অভিযানে বড় সাফল্য মেলার কারণে এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেডেনশিয়াল নিয়ে যা বলেছেন, তাকে সম্পূর্ণ সঠিক বলে সমর্থন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে একদম যথার্থ ও সঠিক বলে দাবি করা হয়েছে।1
- রায়গঞ্জের পিপলান এলাকায় দিব্যেন্দু দাস (২৮) নামে এক যুবকের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার পুলিশ তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শনিবার সকালে একটি বাগানে ওই যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের পরিবারের দাবি, শুক্রবার ভিনরাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন দিব্যেন্দু। এরপর রাতে একটি ফোন পেয়ে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান এবং তারপর আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের অভিযোগ, দিব্যেন্দুকে খুন করা হয়েছে এবং এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।1
- মালদা জেলার গাজোল ব্লকের করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর এলাকায় আবাস যোজনার সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক গ্রামীণ মহিলার কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের দুই স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। প্রায় সাত বছর আগে ঘর দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এই টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। সম্প্রতি রাজ্যে আবাস যোজনার নতুন করে ঘর সমীক্ষা শুরু হতেই এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। ঘর সমীক্ষায় আসা সরকারি কর্মীরা অভিযোগকারী মহিলাদের জানান যে, তাঁদের নামে ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর অনুমোদিত হয়ে গিয়েছে। অথচ ভুক্তভোগী মহিলারা আজ পর্যন্ত কোনো ঘর বা তার জন্য বরাদ্দ টাকা পাননি। এরপরই প্রতারিত মহিলারা ওই অভিযুক্ত নেতাদের কাছে টাকা ফেরত ও ঘরের বিষয়ে জবাব চাইতে গেলে, তাঁদের টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করা হয় এবং উল্টে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ মহিলারা রবিবার সকাল দশটা নাগাদ গাজোল থানায় তৃণমূলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। প্রতারিত মহিলাদের দাবি, তাঁদের আত্মসাৎ করা টাকা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তা হিসেবে তাঁদের আবাস যোজনার ঘর নিশ্চিত করতে হবে। এই বিষয়ে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে গাজোল থানার পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পর্কে করা মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদে বীরভূমের নলহাটি শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক। রবিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক তথা নলহাটি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক দীপক চ্যাটার্জী, স্থানীয় সম্পাদক হাসিবুল শেখ এবং টি.ইউ.সি.সি (T.U.C.C)-এর জেলা সম্পাদক আকবর শেখসহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি নলহাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এবং আন্দোলনকারীরা শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন। মিছিল শেষে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, ফরওয়ার্ড ব্লক ও দলের কর্মীদের নিশানা করে করা ওই মন্তব্য রাজনৈতিক সৌজন্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শে পরিচালিত ফরওয়ার্ড ব্লকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কটূক্তি বরদাস্ত করা হবে না। তাঁরা অবিলম্বে শমীক ভট্টাচার্যকে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে তাঁরা বৃহত্তর গণআন্দোলনে নামবেন।1
- উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা সংস্কার না করায় চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। বৃষ্টির কারণে রাস্তার পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হয়ে উঠছে। পুরো পথ জুড়ে এতটাই কাদা জমে রয়েছে যে সাধারণ মানুষের পক্ষে যাতায়াত বা হেঁটে চলাফেরা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ৫ বছর ধরে এই রাস্তা মেরামতের কোনো কাজ হচ্ছে না। ফতেপুর থেকে ভূইনহাড়া পর্যন্ত রাস্তার কাজ করা হলেও, ভূইহাড়া থেকে হাট কালিয়াগঞ্জ পর্যন্ত অংশটি বেহাল অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই খানাখন্দে ভরা ও কর্দমাক্ত রাস্তাটি স্থানীয় পঞ্চায়েত অফিসের ঠিক সামনেই অবস্থিত, তা সত্ত্বেও পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে রাস্তাটি ঠিক করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।1