বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পর্কে করা মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদে বীরভূমের নলহাটি শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক। রবিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক তথা নলহাটি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক দীপক চ্যাটার্জী, স্থানীয় সম্পাদক হাসিবুল শেখ এবং টি.ইউ.সি.সি (T.U.C.C)-এর জেলা সম্পাদক আকবর শেখসহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি নলহাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এবং আন্দোলনকারীরা শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন। মিছিল শেষে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, ফরওয়ার্ড ব্লক ও দলের কর্মীদের নিশানা করে করা ওই মন্তব্য রাজনৈতিক সৌজন্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শে পরিচালিত ফরওয়ার্ড ব্লকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কটূক্তি বরদাস্ত করা হবে না। তাঁরা অবিলম্বে শমীক ভট্টাচার্যকে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে তাঁরা বৃহত্তর গণআন্দোলনে নামবেন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পর্কে করা মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদে বীরভূমের নলহাটি শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক। রবিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক তথা নলহাটি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক দীপক চ্যাটার্জী, স্থানীয় সম্পাদক হাসিবুল শেখ এবং টি.ইউ.সি.সি (T.U.C.C)-এর জেলা সম্পাদক আকবর শেখসহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি নলহাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এবং আন্দোলনকারীরা শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন। মিছিল শেষে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, ফরওয়ার্ড ব্লক ও দলের কর্মীদের নিশানা করে করা ওই মন্তব্য রাজনৈতিক সৌজন্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শে পরিচালিত ফরওয়ার্ড ব্লকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কটূক্তি বরদাস্ত করা হবে না। তাঁরা অবিলম্বে শমীক ভট্টাচার্যকে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে তাঁরা বৃহত্তর গণআন্দোলনে নামবেন।
- বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পর্কে করা মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদে বীরভূমের নলহাটি শহরে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক। রবিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক দলীয় নেতা, কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সশরীরে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন ফরওয়ার্ড ব্লকের জেলা সম্পাদক তথা নলহাটি বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক দীপক চ্যাটার্জী, স্থানীয় সম্পাদক হাসিবুল শেখ এবং টি.ইউ.সি.সি (T.U.C.C)-এর জেলা সম্পাদক আকবর শেখসহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলটি নলহাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা পরিক্রমা করে এবং আন্দোলনকারীরা শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন। মিছিল শেষে আয়োজিত একটি সংক্ষিপ্ত পথসভায় দলীয় নেতারা অভিযোগ করেন, ফরওয়ার্ড ব্লক ও দলের কর্মীদের নিশানা করে করা ওই মন্তব্য রাজনৈতিক সৌজন্য, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আদর্শে পরিচালিত ফরওয়ার্ড ব্লকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কটূক্তি বরদাস্ত করা হবে না। তাঁরা অবিলম্বে শমীক ভট্টাচার্যকে তাঁর মন্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে এমন আচরণ অব্যাহত থাকলে তাঁরা বৃহত্তর গণআন্দোলনে নামবেন।1
- মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেডেনশিয়াল নিয়ে যা বলেছেন, তাকে সম্পূর্ণ সঠিক বলে সমর্থন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে একদম যথার্থ ও সঠিক বলে দাবি করা হয়েছে।1
- তিন সাংসদ আবুতাহের খান, ইউসুফ পাঠান এবং খলিলুর রহমানকে অত্যন্ত কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই তিন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেছেন তিনি।1
- সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় সমস্ত ধরণের সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে একটি টানা অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার অন্তর্গত ডোমকল মহকুমার সাগরপাড়া থানার পুলিশ। পুলিশ দল গোপন জুয়ার ঠেকে আচমকা হানা দিয়ে হাতেনাতে একসঙ্গে ১৫ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার গোটা এলাকায় ব্যাপক সোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক অপরাধ দমনে পুলিশের এমন তৎপরতা এবং এই অভিযানে বড় সাফল্য মেলার কারণে এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।1
- মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার অন্তর্গত কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফা খাতুনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হঠাৎ বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা হওয়াকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। চেন্নাইয়ে কর্মরত তাঁর এক আত্মীয় সম্প্রতি তাঁর অ্যাকাউন্টে মাত্র ৩ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা তোলার জন্য শরিফা খাতুন যখন ব্যাংকে গিয়ে ব্যালেন্স চেক করেন, তখন তাঁর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৬০ কোটি টাকারও বেশি ব্যালেন্স দেখা যায়, যা দেখে পরিবারের সকলের চোখ কপালে ওঠে। এই অস্বাভাবিক এবং বিপুল অঙ্কের টাকা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শরিফা খাতুন ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কোনো ধরনের আইনি জটিলতা বা ভুল বোঝাবুঝিতে জড়াতে না চেয়ে তাঁরা দ্রুত বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে জানান এবং স্থানীয় থানাতেও খবর দেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক অনুমান, এটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সফটওয়্যার সংক্রান্ত সমস্যার কারণে ঘটে থাকতে পারে, যার ফলে প্রকৃত ব্যালেন্সের জায়গায় ভুল অঙ্ক প্রদর্শিত হয়েছে। এই ঘটনার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ শরিফা খাতুনকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে মূল শাখায় যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং আগামী কর্মদিবসে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রকৃত তথ্য যাচাই করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় তুমুল কৌতূহল সৃষ্টি হলেও, কোনো লোভ না দেখিয়ে সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দ্রুত পদক্ষেপ করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা ওই পরিবারের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।1
- মালদার গাজোল ব্লকের করকচ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবিন্দপুর এলাকায় আবাস যোজনায় ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের দুই স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে। প্রায় সাত বছর আগে সরকারি ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গ্রামের একাধিক মহিলার কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও ঘর না মেলায় এবং সম্প্রতি নতুন করে আবাস যোজনার সমীক্ষা শুরু হতেই এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে। সমীক্ষায় গিয়ে সরকারি কর্মীরা জানান যে, ওই অভিযোগকারী মহিলাদের নামে ইতিমধ্যেই আবাস যোজনার ঘর অনুমোদিত হয়ে গিয়েছে। অথচ ভুক্তভোগী মহিলারা ঘর বা ঘরের জন্য বরাদ্দ টাকা কোনোটিই হাতে পাননি। এরপরই প্রতারিত মহিলারা অভিযুক্ত নেতাদের কাছে টাকা ফেরত ও ঘরের বিষয়ে জবাব চাইতে গেলে, টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করা হয় এবং উল্টে তাঁদের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে রবিবার সকাল দশটা নাগাদ প্রতারিত মহিলারা গাজোল থানায় দুই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দিতে হবে এবং প্রকৃত উপভোক্তা হিসেবে তাঁদের আবাস যোজনার ঘর নিশ্চিত করতে হবে। এই অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত দুই তৃণমূল নেতার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গাজোল থানার পুলিশ।1
- ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকেই বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! বেলডাঙায় অপূর্ব সরকারকে নিশানা, হুমায়ুন কবিরের হার নিয়েও বড় মন্তব্য ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকেই বিস্ফোরক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়! বেলডাঙায় অপূর্ব সরকারকে নিশানা, হুমায়ুন কবিরের হার নিয়েও বড় মন্তব্য ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের প্রস্তুতিকে সামনে রেখে বেলডাঙা দরবার হলে অনুষ্ঠিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের বিশেষ সাংগঠনিক ও প্রস্তুতি সভা। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলা ও ব্লকের একাধিক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে রবিবার সভা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন। তিনি বর্তমান জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, "হুমায়ুন কবিরকে হারতে হয়েছে ডেভিড সরকারের জন্য।" তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। এছাড়াও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মুর্শিদাবাদ জেলায় গদ্দার বিধায়ক ও সাংসদের কোনও স্থান নেই। যারা প্রকৃত তৃণমূল, তারাই দলে সম্মান ও স্থান পাবেন।" তাঁর এই মন্তব্য সভায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে সফল করতে দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। এদিনের সভা থেকে সাংগঠনিক বার্তার পাশাপাশি রাজনৈতিক আক্রমণও ছিল স্পষ্ট, যা আগামী দিনে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।1
- বীরভূমের মুরারই থানার পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে। বাঁশলোই বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা সহ মফিজুল শেখ ওরফে তেনু শেখ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে চালানো বিশেষ অভিযানে সুমারপুর থেকে বানধাইপুর যাওয়ার পথে বাঁশলোই বাজারের কাছে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। ধৃত মফিজুল শেখের বাড়ি মুরারই থানার অন্তর্গত পালসা গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে মুরারই থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। রতনপুরের সাম্প্রতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানগুলিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এই যৌথ অভিযান চলাকালীন বাঁশলোই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এর পাশাপাশি, রতনপুরের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এই অবৈধ মাদক ও মদ কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।1