বীরভূমের মুরারই থানার পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে। বাঁশলোই বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা সহ মফিজুল শেখ ওরফে তেনু শেখ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে চালানো বিশেষ অভিযানে সুমারপুর থেকে বানধাইপুর যাওয়ার পথে বাঁশলোই বাজারের কাছে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। ধৃত মফিজুল শেখের বাড়ি মুরারই থানার অন্তর্গত পালসা গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে মুরারই থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। রতনপুরের সাম্প্রতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানগুলিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এই যৌথ অভিযান চলাকালীন বাঁশলোই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এর পাশাপাশি, রতনপুরের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এই অবৈধ মাদক ও মদ কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
বীরভূমের মুরারই থানার পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে। বাঁশলোই বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা সহ মফিজুল শেখ ওরফে তেনু শেখ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে চালানো বিশেষ অভিযানে সুমারপুর থেকে বানধাইপুর যাওয়ার পথে বাঁশলোই বাজারের কাছে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। ধৃত মফিজুল শেখের বাড়ি মুরারই থানার অন্তর্গত পালসা গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে মুরারই থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। রতনপুরের সাম্প্রতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানগুলিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এই যৌথ অভিযান চলাকালীন বাঁশলোই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এর পাশাপাশি, রতনপুরের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এই অবৈধ মাদক ও মদ কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
- বীরভূমের মুরারই থানার পুলিশ মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে। বাঁশলোই বাজার সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ২ কেজি গাঁজা সহ মফিজুল শেখ ওরফে তেনু শেখ (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে চালানো বিশেষ অভিযানে সুমারপুর থেকে বানধাইপুর যাওয়ার পথে বাঁশলোই বাজারের কাছে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালিয়ে তাঁর কাছ থেকে এই গাঁজা উদ্ধার হয়। ধৃত মফিজুল শেখের বাড়ি মুরারই থানার অন্তর্গত পালসা গ্রামে। তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার সকাল থেকে মুরারই থানার পুলিশ, আবগারি দফতরের আধিকারিক এবং স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। রতনপুরের সাম্প্রতিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেই লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকানগুলিতে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এই যৌথ অভিযান চলাকালীন বাঁশলোই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে প্রায় ৪০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। এর পাশাপাশি, রতনপুরের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুই অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এই অবৈধ মাদক ও মদ কারবারের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্যদের খোঁজে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেডেনশিয়াল নিয়ে যা বলেছেন, তাকে সম্পূর্ণ সঠিক বলে সমর্থন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে একদম যথার্থ ও সঠিক বলে দাবি করা হয়েছে।1
- সীমান্ত ঘেঁষা এলাকায় সমস্ত ধরণের সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে একটি টানা অভিযান চালিয়ে বড়সড় সাফল্য পেয়েছে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার অন্তর্গত ডোমকল মহকুমার সাগরপাড়া থানার পুলিশ। পুলিশ দল গোপন জুয়ার ঠেকে আচমকা হানা দিয়ে হাতেনাতে একসঙ্গে ১৫ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার গোটা এলাকায় ব্যাপক সোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক অপরাধ দমনে পুলিশের এমন তৎপরতা এবং এই অভিযানে বড় সাফল্য মেলার কারণে এলাকার বাসিন্দারা অত্যন্ত খুশি হয়েছেন।1
- রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মুর্শিদাবাদ সফর শেষ হওয়ার ঠিক পরের দিনই বহরমপুরে আচমকা হাজির হলেন রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। শনিবার বিকেলে মন্ত্রীর এই আচমকা সফরকে কেন্দ্র করে জেলার রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বহরমপুরে খাদ্যমন্ত্রীর এই আগমনকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে।1
- আগামী ১৩ জুলাই বহরমপুরে কংগ্রেসের একটি মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই মহাসমাবেশকে সফল করে তুলতে এবং সেখানে সাধারণ মানুষকে দলে দলে যোগ দেওয়ার জন্য বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন কমলেশ চ্যাটার্জী।1
- মালদায় ঘটেছে এক অবাক কাণ্ড! সাপের কামড় খাওয়ার পর পাল্টা সেই সাপটিকে কামড়ে মেরে, তা হাতে ঝুলিয়ে চার কিলোমিটার হেঁটে হাসপাতালে পৌঁছালেন এক যুবক। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই সমগ্র এলাকায় শোরগোল পড়ে গেছে। জানা গেছে, মোথাবাড়ির মানুটোলা এলাকার বাসিন্দা ফারুক মোমিন নামের ওই যুবক বাড়ির কাছেই কাজ করছিলেন। সেই সময় হঠাৎ একটি বিশাল আকারের সাপ তাকে ছোবল মারে। কামড় খাওয়ার সাথে সাথেই ফারুক সাপটিকে ধরে পাল্টা কামড়ে দেন, যার জেরে সাপটি মারা যায়। এরপর মৃত সাপটি হাতে নিয়ে বাঙ্গীটোলা হাসপাতালে যাওয়ার জন্য তিনি রাস্তায় যানবাহন থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু কোনো গাড়ি না পেয়ে শেষমেশ সাপটি হাতে দুলিয়ে পায়ে হেঁটে হাসপাতালের দিকে রওনা হন তিনি। ফারুককে এভাবে সাপ হাতে হেঁটে যেতে দেখে শিউরে ওঠেন মোথাবাড়ির গঙ্গারামপুর-দুলালগঞ্জ এলাকার বাসিন্দারা। শেষপর্যন্ত ওই যুবক বাঙ্গীটোলা হাসপাতালে পৌঁছালে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ফারুককে কামড়ানো সাপটি সম্ভবত একটি দাঁড়াশ সাপ ছিল। বর্তমানে ওই যুবক হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।1
- বীরভূমের নলহাটিতে আবাস যোজনায় দুর্নীতির ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্নীতির কারণে সেখানকার ২২ জনকে টাকা ফেরতের নোটিশ পাঠানো হয়েছে।1
- মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার কুঠিরামপুর দলেল পাড়া এলাকায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হলেন এক বিজেপি কর্মী। কুঠিরামপুর অঞ্চলের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য রাম দাসের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত বিজেপি কর্মী অরিত দাসকে কানাপুকুর হাসপাতাল থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সুভাষ দাস নামের এক ব্যক্তি গত মাস দুয়েক ধরে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য রাম দাসের কাছে বাঁশ বিক্রির টাকা পেতেন। শনিবার সকালে সেই পাওনা টাকা চাইতে গেলে সুভাষ দাসকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর সুভাষ দাস ফোন করে তাঁর ছেলে ও ভাগ্নে অরিত দাসকে ডেকে পাঠান। অভিযোগ, তখনও রাম দাস লোকজন নিয়ে এসে অরিত দাসের ওপর হামলা চালায় এবং তাঁকে ব্যাপক মারধর করে। এই মারধরের ঘটনায় গুরুতর আহত হন বিজেপি কর্মী অরিত দাস। তাঁকে প্রথমে উদ্ধার করে কানাপুকুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির কারণে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ভগবানগোলা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা।1