Shuru
Apke Nagar Ki App…
বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর অনেক তৃণমূল নেতা-নেত্রী বিজেপিতে যোগদানে আগ্রহী। এই পরিস্থিতিতে দলের বিরুদ্ধে কিছু যুবনেতার বিবৃতির পর মুখ খুললেন রাজ্যের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ।
Jayanta Biswas
বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর অনেক তৃণমূল নেতা-নেত্রী বিজেপিতে যোগদানে আগ্রহী। এই পরিস্থিতিতে দলের বিরুদ্ধে কিছু যুবনেতার বিবৃতির পর মুখ খুললেন রাজ্যের যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ।
- Sakibur MondalBasirhat - Ii, 24 Parganas Northএবার সবাই চপ শিল্প করোon 19 May
- Sanjib Kumar Maityতারকেশ্বর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ😂on 21 May
- Sanjib Kumar Maityতারকেশ্বর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ😂on 21 May
- Pritam DasKolkata, West Bengal😡on 21 May
- Subhendu barmanবিষ্ণুপুর 2, দক্ষিণ 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ💣on 20 May
- Tripura NewsSadar, West Tripura😂on 20 May
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে ইন্দাসের সাহসপুর ও রোল এলাকায় জনকল্যাণ শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধারা। তিনি ফিতে কেটে এই শিবিরের সূচনা করেন। প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত এই শিবির চলবে এবং এখান থেকে মোট ৫৩টি প্রকল্পের পরিষেবা প্রদান করা হবে। এই জনকল্যাণ শিবির থেকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড তৈরি করা যাবে, পাশাপাশি যুবশক্তি, অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। কর্মসূচিতে ইন্দাস বিধানসভার বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া ছাড়াও ইন্দাস ব্লকের বিডিও জুপিটার বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্দাস থানার ওসি চয়ন কুমার ঘোষ, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌতম ধারা, পূর্ণেন্দু মুখার্জি, বিপ্রদাস অধিকারী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত আধিকারিকরা নথি যাচাই এবং ফর্ম পূরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। শিবির শুরু হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দারা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে ভিড় জমান এবং আয়ুষ্মান ভারত, অন্নপূর্ণা যোজনা সহ অন্যান্য সরকারি প্রকল্পের জন্য নিজেদের নাম নথিভুক্ত করান।1
- উত্তর 24 পরগনার দেগঙ্গা বিধানসভার বিডিও অফিসে একটি জনকল্যাণ শিবির ক্যাম্প বসেছে। এটি আজকের জনকল্যাণ শিবির ক্যাম্প, যা ১৫ জুন থেকে ১৭ই জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই শিবিরটি ২০২৬ সালে বসবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।1
- ভরতপুরের নতুনপাড়া সহ বেশ কয়েকটি এলাকার কংক্রিটের ড্রেনগুলো দীর্ঘদিন ধরে পরিষ্কার না হওয়ায় কার্যত আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছিল। এর ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই নিকাশি ব্যবস্থা ভেঙে পড়তো এবং নোংরা জল উপচে রাস্তায় জমে যেত, যার চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল আট থেকে আশি সব বয়সের বাসিন্দাদেরই। বিশেষ করে বর্ষার এই সময়ে জমে থাকা নোংরা জল থেকে মশা, মাছি ও নানাবিধ বিষাক্ত পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া সহ মারাত্মক জলবাহিত রোগের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছিলেন এলাকাবাসী। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রশাসনকে বারবার জানিয়েও কোনো সুরাহা না হওয়ায়, নিরুপায় হয়ে বাসিন্দারা তাঁদের এই দুর্দশার কথা এলাকার পরিচিত সমাজসেবী তথা ভরতপুর ইউনাইটেড ফাউন্ডেশন-এর কর্ণধার রওশন সেখ ওরফে বাবুকে জানান। খবর পাওয়া মাত্রই এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে, রওশন সেখ অনন্য নজির সৃষ্টি করেন। এলাকার সাধারণ মানুষকে রোগব্যাধি ও জলযন্ত্রণা থেকে বাঁচাতে তিনি প্রশাসনের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজেই কয়েকজন শ্রমিককে সাথে নিয়ে সশরীরে ড্রেনে নেমে পড়েন। তিনি দীর্ঘদিনের জমে থাকা পাঁক ও আবর্জনা পরিষ্কার করে নিকাশি ব্যবস্থা সচল করেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভরতপুর ইউনাইটেড ফাউন্ডেশন ও তার কর্ণধার রওশন সেখ বাবু প্রমাণ করে দিলেন যে, স্থানীয় প্রশাসনের পালন করার কথা যে দায়িত্ব, তা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে আন্তরিক ইচ্ছা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থাকলে মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। এই মহতী উদ্যোগের পর এলাকার জলযন্ত্রণা ও রোগব্যাধির আতঙ্ক থেকে মুক্তি পেয়ে ভুক্তভোগী বাসিন্দারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। তাঁরা ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং রওশন বাবুর ভূয়সী প্রশংসা করছেন।1
- ব্যারাকপুরের বড় কাঠালিয়া এলাকায় টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি বচসার সূত্রপাত হয়। এই বচসা দ্রুতই সহিংস রূপ ধারণ করে এবং এক যুবককে বেধরক মারধর করা হয়। মারধরের ফলে যুবকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিএন বোস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত যুবক অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে বর্তমানে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।1
- রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘জনকল্যাণ শিবির’ আজ থেকে গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে। পূর্বতন ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির নাম পরিবর্তন করে নতুন সরকারের উদ্যোগে এটি ‘জনকল্যাণ শিবির’ নামকরণ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশক্রমে সোমবার থেকে চালু হওয়া এই শিবিরে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা ও প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী ১৭ই জুন পর্যন্ত চলবে। রাজ্যব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া কিষাণ মান্ডিতেও একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়। প্রথম দিনের এই শিবির পরিদর্শন করেন হরিহরপাড়া বিধানসভার বিধায়ক নিয়ামত শেখ। তিনি সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন পরিষেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই শিবিরে রাজ্য সরকারের প্রায় ৫৫টি জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা ও আবেদনপত্র পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়াও, বার্ধক্য ভাতা, কৃষি পরিষেবা এবং জব কার্ডসহ একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিন শিবিরে হরিহরপাড়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক ছেরিং জাম ভুটিয়া, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মীর আলমগীর, হরিহরপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গৌতম কুমার দাসসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।1
- পশ্চিমবঙ্গের বহরমপুর শহরের গোরাবাজার জজকোর্ট সংলগ্ন পার্ক এলাকায় স্থাপিত বিশ্ববাংলার লোগো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। আজ বহরমপুরের বিজেপি বিধায়ক সুব্রত মৈত্রর উপস্থিতিতেই এই লোগোটি সম্পূর্ণরূপে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। বহরমপুর গোরাবাজারে বিশ্ববাংলার লোগো গুঁড়িয়ে দেওয়ার এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে।1
- মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি হিসেবে নিজের প্রথম সভা সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, তিনি ক্লাবের বাইরে উপস্থিত সমর্থকদের বিপুল উৎসাহ ও ভালোবাসা দেখে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস পেয়েছেন। এই অসামান্য উদ্দীপনায় তিনি দৃঢ়ভাবে আশ্বস্ত যে ক্লাবের দীর্ঘদিনের লক্ষ্যগুলো পূরণ হবেই। আজকের বৈঠকে ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়ন, ফুটবলের মানোন্নয়ন এবং ক্লাবের ঐতিহ্যের আধুনিকীকরণ – এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। সভাপতির মতে, সমর্থকদের এই অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা তাঁকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তুলেছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, সমর্থকদের স্বপ্নের মহামেডানকে সাফল্যের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দেওয়া হবে। তিনি 'জয় মহামেডান' ধ্বনি তুলে আগামী দিনের পথে সমর্থকদের পাশে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।1
- পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ২ ব্লকের সিঙ্গি অঞ্চলের পেকুয়াগ্রামের বাসিন্দা ২০ বছর বয়সী সুকুর আলী মল্লিক কেরলে কাজ করতে গিয়ে প্রায় আট মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত ৫ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাঁর আর কোনো খোঁজ মেলেনি, যা নিয়ে পরিবার চরম উদ্বেগে রয়েছে। নিখোঁজ সুকুর আলী মল্লিকের উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামবর্ণ, গঠন রোগা এবং ওজন প্রায় ৬০ কেজি। নিখোঁজ হওয়ার সময় তাঁর পরনে ছিল টি-শার্ট ও জিন্স প্যান্ট। তাঁর বাবা মফিজুল মল্লিক এবং মা আলেয়া বিবি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও ছেলের কোনো সন্ধান পাননি। এরপর তাঁরা কাটোয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছেন। পরিবারের সদস্যরা গভীর দুশ্চিন্তায় রয়েছেন যে তাঁদের ছেলে কোনো অ-সৎ ব্যক্তির হাতে পড়েছে কিনা। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করাও সম্ভব হচ্ছে না। পাড়া-প্রতিবেশীরা সকলের কাছে আবেদন জানিয়েছেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি সুকুর আলী মল্লিকের সন্ধান পান, তবে তাঁরা যেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে 7034095265 নম্বরে যোগাযোগ করেন। পরিবারটি এই কঠিন সময়ে চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এবং বাবা-মা প্রার্থনা করছেন যে যত দ্রুত সম্ভব তাঁদের ছেলে সুকুর আলী মল্লিকের খোঁজ মিলুক এবং সে সুস্থভাবে তাঁদের কাছে ফিরে আসুক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে।2
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি স্কুলে একটি বন্ধ ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া এই অর্থের পাশাপাশি আরও কিছু জিনিস পাওয়া গেছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, তবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।1