logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

সাধারণ মানুষের একাধিক জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ভরতপুর এরিয়া কমিটি ভরতপুরে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল ও সভার আয়োজন করেছে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে এই সুবিশাল মিছিল কান্দি-সালার রাজ্য সড়ক ধরে ভরতপুর-১ ব্লক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখানে দলের নেতৃবৃন্দ একটি সভা করেন এবং পরবর্তীতে একটি ১৩ দফা দাবিপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেন। এই কর্মসূচিতে সিপিআইএম ভরতপুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেরিফুল ইসলাম, দলের অন্যতম নেতা গোলাম মওলা, সজীব কুমার সাহা, কাঞ্চন গোস্বামী, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিজিয়া সুলতানা, মোজাম্মেল হক, কানাই মন্ডল, গোলাম আম্বিয়া, শিব শংকর পাল সহ ব্লক ও অঞ্চল স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দাওয়া শেরপার অনুপস্থিতিতে, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মাহবুব রহমানের হাতে দলের পক্ষ থেকে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই দাবিপত্র তুলে দেয় এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। দাবিসনদে অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থবাহী দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, স্মার্ট মিটার বাতিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, সারের কালোবাজারি বন্ধ, লোহাদহ ঘাটের ব্রিজ তৈরি, রাস্তা ও নিকাশি নালা সংস্কার, আবাস যোজনায় দুর্নীতির শাস্তি, রামজি মিশনের কাজ শুরু করা, ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা কুইন্টাল করা, আবর্জনা ফেলার গাড়ির সঠিক ব্যবহার, কলেজে স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা।

4 hrs ago
user_রাঢ় বাংলা
রাঢ় বাংলা
Reporter ভরতপুর ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
4 hrs ago

সাধারণ মানুষের একাধিক জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ভরতপুর এরিয়া কমিটি ভরতপুরে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল ও সভার আয়োজন করেছে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে এই সুবিশাল মিছিল কান্দি-সালার রাজ্য সড়ক ধরে ভরতপুর-১ ব্লক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখানে দলের নেতৃবৃন্দ একটি সভা করেন এবং পরবর্তীতে একটি ১৩ দফা দাবিপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেন। এই কর্মসূচিতে সিপিআইএম ভরতপুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেরিফুল ইসলাম, দলের অন্যতম নেতা গোলাম মওলা, সজীব কুমার সাহা, কাঞ্চন গোস্বামী, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিজিয়া সুলতানা, মোজাম্মেল হক, কানাই মন্ডল, গোলাম আম্বিয়া, শিব শংকর পাল সহ ব্লক ও অঞ্চল স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দাওয়া শেরপার অনুপস্থিতিতে, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মাহবুব রহমানের হাতে দলের পক্ষ থেকে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই দাবিপত্র তুলে দেয় এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। দাবিসনদে অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থবাহী দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, স্মার্ট মিটার বাতিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, সারের কালোবাজারি বন্ধ, লোহাদহ ঘাটের ব্রিজ তৈরি, রাস্তা ও নিকাশি নালা সংস্কার, আবাস যোজনায় দুর্নীতির শাস্তি, রামজি মিশনের কাজ শুরু করা, ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা কুইন্টাল করা, আবর্জনা ফেলার গাড়ির সঠিক ব্যবহার, কলেজে স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • সাধারণ মানুষের একাধিক জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ভরতপুর এরিয়া কমিটি ভরতপুরে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল ও সভার আয়োজন করেছে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে এই সুবিশাল মিছিল কান্দি-সালার রাজ্য সড়ক ধরে ভরতপুর-১ ব্লক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখানে দলের নেতৃবৃন্দ একটি সভা করেন এবং পরবর্তীতে একটি ১৩ দফা দাবিপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেন। এই কর্মসূচিতে সিপিআইএম ভরতপুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেরিফুল ইসলাম, দলের অন্যতম নেতা গোলাম মওলা, সজীব কুমার সাহা, কাঞ্চন গোস্বামী, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিজিয়া সুলতানা, মোজাম্মেল হক, কানাই মন্ডল, গোলাম আম্বিয়া, শিব শংকর পাল সহ ব্লক ও অঞ্চল স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দাওয়া শেরপার অনুপস্থিতিতে, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মাহবুব রহমানের হাতে দলের পক্ষ থেকে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই দাবিপত্র তুলে দেয় এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। দাবিসনদে অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থবাহী দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, স্মার্ট মিটার বাতিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, সারের কালোবাজারি বন্ধ, লোহাদহ ঘাটের ব্রিজ তৈরি, রাস্তা ও নিকাশি নালা সংস্কার, আবাস যোজনায় দুর্নীতির শাস্তি, রামজি মিশনের কাজ শুরু করা, ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা কুইন্টাল করা, আবর্জনা ফেলার গাড়ির সঠিক ব্যবহার, কলেজে স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা।
    1
    সাধারণ মানুষের একাধিক জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের দাবিতে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর ভরতপুর এরিয়া কমিটি ভরতপুরে একটি বিশাল প্রতিবাদী মিছিল ও সভার আয়োজন করেছে। দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে এই সুবিশাল মিছিল কান্দি-সালার রাজ্য সড়ক ধরে ভরতপুর-১ ব্লক অফিসের সামনে এসে সমবেত হয়। সেখানে দলের নেতৃবৃন্দ একটি সভা করেন এবং পরবর্তীতে একটি ১৩ দফা দাবিপত্র নিয়ে বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেন।

এই কর্মসূচিতে সিপিআইএম ভরতপুর এরিয়া কমিটির সম্পাদক সেরিফুল ইসলাম, দলের অন্যতম নেতা গোলাম মওলা, সজীব কুমার সাহা, কাঞ্চন গোস্বামী, প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রিজিয়া সুলতানা, মোজাম্মেল হক, কানাই মন্ডল, গোলাম আম্বিয়া, শিব শংকর পাল সহ ব্লক ও অঞ্চল স্তরের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দাওয়া শেরপার অনুপস্থিতিতে, যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সৈয়দ মাহবুব রহমানের হাতে দলের পক্ষ থেকে একটি ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল এই দাবিপত্র তুলে দেয় এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে।

দাবিসনদে অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থবাহী দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণ, হকার উচ্ছেদ বন্ধ, স্মার্ট মিটার বাতিল, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমানো, সারের কালোবাজারি বন্ধ, লোহাদহ ঘাটের ব্রিজ তৈরি, রাস্তা ও নিকাশি নালা সংস্কার, আবাস যোজনায় দুর্নীতির শাস্তি, রামজি মিশনের কাজ শুরু করা, ধানের এমএসপি ৩১০০ টাকা কুইন্টাল করা, আবর্জনা ফেলার গাড়ির সঠিক ব্যবহার, কলেজে স্থাপন এবং পরিশ্রুত পানীয় জলের ব্যবস্থা।
    user_রাঢ় বাংলা
    রাঢ় বাংলা
    Reporter ভরতপুর ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    4 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর থেকে বেলডাঙা এবং বহরমপুর পর্যন্ত NH12-এর উপর প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ট্যাক্সি, লরি, বাস, মোটর ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এত ব্যাপক যানচলাচল সত্ত্বেও, এই দীর্ঘ পথে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর জন্য কোনো ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন নেই। এই চরম অব্যবস্থার ফলস্বরূপ প্রতিদিন এক-দু'জন মানুষ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। এই গুরুতর পরিস্থিতি মোকাবিলায় NH12-এ ট্রাফিক পুলিশ ও সিগন্যাল লাইটের ব্যবহার অবিলম্বে শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
    1
    মুর্শিদাবাদ জেলার রেজিনগর থেকে বেলডাঙা এবং বহরমপুর পর্যন্ত NH12-এর উপর প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে ট্যাক্সি, লরি, বাস, মোটর ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। এত ব্যাপক যানচলাচল সত্ত্বেও, এই দীর্ঘ পথে সিগন্যাল লাইট জ্বালানোর জন্য কোনো ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন নেই। এই চরম অব্যবস্থার ফলস্বরূপ প্রতিদিন এক-দু'জন মানুষ পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন। এই গুরুতর পরিস্থিতি মোকাবিলায় NH12-এ ট্রাফিক পুলিশ ও সিগন্যাল লাইটের ব্যবহার অবিলম্বে শুরু করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
    user_Md Ashirul Hoque
    Md Ashirul Hoque
    বেলডাঙ্গা 1, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    18 hrs ago
  • বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।
    1
    বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।

আন্দোলনকারী চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। হরিহরপাড়া থানার পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে।
    user_Bangla News
    Bangla News
    Newsagent হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    10 hrs ago
  • বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বুধবার হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই হঠাৎ সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে, বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখান চালকরা, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এই পরিস্থিতির উপর হরিহরপাড়া থানার পুলিশ নজর রাখছে।
    1
    বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বুধবার হরিহরপাড়ার অটোচালকরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়।

চালকদের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বৈধ কাগজপত্র নিয়ে অটো চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এই হঠাৎ সিদ্ধান্তে বহু পরিবার আর্থিক সংকটে পড়বে, বিশেষ করে ঋণ নিয়ে গাড়ি কেনা চালকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে কিষাণ মান্ডি মাঠে শতাধিক অটো দাঁড় করিয়ে বিক্ষোভ দেখান চালকরা, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।

চালকরা হরিহরপাড়া-বহরমপুর রুটের অটোগুলিকে শহরে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। এই পরিস্থিতির উপর হরিহরপাড়া থানার পুলিশ নজর রাখছে।
    user_Krishna Kumar Das
    Krishna Kumar Das
    Newsagent নওদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ব্লকের সমস্ত অটোচালকরা বিক্ষোভে সামিল হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন সকাল থেকেই হরিহরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রেখে চালকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, বহরমপুর শহরে সাদা অটো নিষিদ্ধ করার ফলে বহু চালক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। তাঁরা দাবি করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে অটো চালাচ্ছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, লোন করে কেনা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চালকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর শহরে যে অটো গাড়িগুলো চলাচল করত, সেগুলোকে বহরমপুর শহরে ঢুকতে দিতে হবে। প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হরিহরপাড়ার বিভিন্ন এলাকার অটোচালকরা তাঁদের গাড়ি নিয়ে কিষাণ মান্ডির মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। চালকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।
    1
    মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় বুধবার বহরমপুর শহরে সাদা রঙের অটো চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিবাদে ব্লকের সমস্ত অটোচালকরা বিক্ষোভে সামিল হন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এদিন সকাল থেকেই হরিহরপাড়া ব্লকের বিভিন্ন রুটে আংশিকভাবে অটো পরিষেবা বন্ধ রেখে চালকরা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। অটোচালকদের অভিযোগ, বহরমপুর শহরে সাদা অটো নিষিদ্ধ করার ফলে বহু চালক ও তাঁদের পরিবারের জীবিকা সংকটের মুখে পড়েছে। তাঁরা দাবি করেন যে, দীর্ঘকাল ধরে বৈধ নথিপত্র নিয়ে অটো চালাচ্ছেন এবং হঠাৎ করে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, লোন করে কেনা গাড়ির কিস্তি পরিশোধ নিয়ে চালকরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁদের মূল দাবি হলো, হরিহরপাড়া থেকে বহরমপুর শহরে যে অটো গাড়িগুলো চলাচল করত, সেগুলোকে বহরমপুর শহরে ঢুকতে দিতে হবে।

প্রতিবাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে হরিহরপাড়ার বিভিন্ন এলাকার অটোচালকরা তাঁদের গাড়ি নিয়ে কিষাণ মান্ডির মাঠে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান, যার ফলে কিছু সময়ের জন্য যাত্রীদেরও দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।

চালকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁদের দাবি না মানা হলে আগামী দিনে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।
    user_Maminul Islam
    Maminul Islam
    Newsagent হরিহরপাড়া, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • গত তিন মাস ধরে একজন মহিলা বিছানাগত অবস্থায় রয়েছেন এবং এই সময়ের মধ্যে তাঁকে তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, এই রোগটি প্রধানত মহিলাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, তাই সকল মহিলাকে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
    1
    গত তিন মাস ধরে একজন মহিলা বিছানাগত অবস্থায় রয়েছেন এবং এই সময়ের মধ্যে তাঁকে তিনটি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, এই রোগটি প্রধানত মহিলাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে, তাই সকল মহিলাকে অত্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
    user_Subodh Das
    Subodh Das
    Farmer Sainthia, Birbhum•
    17 hrs ago
  • মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকে বিভিন্ন জনদাবি পূরণের লক্ষ্যে সোমবার এক জোরালো আন্দোলনের সাক্ষী থাকল স্থানীয় প্রশাসন। আরএসপির ছাত্র সংগঠন প্রগতিশীল ছাত্র সংস্থা (PSU)-র ভরতপুর লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এদিন আরএসপি দলীয় কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ভরতপুর বাজার ও বাসস্টপেজ পরিক্রমা করে ব্লক অফিসের সামনে সমবেত হলে এক উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব পথসভায় বক্তব্য রাখছিলেন, সেই সময়েই সংগঠনের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভরতপুর-১ ব্লকের বিডিও দাওয়া শেরপার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধি দলটি তাঁদের ৬ দফা সংবলিত একটি স্মারকলিপি বিডিও-কে তুলে দেয় এবং বিষয়গুলি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে। স্মারকলিপিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলির মধ্যে ছিল প্রশাসনকে সর্বক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা, বি.এল.আর.ও. অফিসে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও দুর্নীতি অবিলম্বে বন্ধ করা, ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরি বিভাগটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য নিচের তলায় স্থানান্তর করা, ভরতপুরে একটি নতুন কলেজ ও একটি গার্লস হাই স্কুল স্থাপন, এবং সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করা। এছাড়া, SIR-এ বিচারাধীন ২৭ লক্ষ নামের দ্রুত নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানানো হয়। এই সমগ্র কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে আন্দোলনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন সংগঠনের প্রাক্তন নেতা তথা আরএসপি-র জেলা সম্পাদক নওফেল মহম্মদ সফিউল্লাহ এবং আরএসপি-র ভরতপুর লোকাল কমিটির সম্পাদক তথা প্রবীণ নেতা জামাল চৌধুরী সহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ।
    1
    মুর্শিদাবাদের ভরতপুর-১ ব্লকে বিভিন্ন জনদাবি পূরণের লক্ষ্যে সোমবার এক জোরালো আন্দোলনের সাক্ষী থাকল স্থানীয় প্রশাসন। আরএসপির ছাত্র সংগঠন প্রগতিশীল ছাত্র সংস্থা (PSU)-র ভরতপুর লোকাল কমিটির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এদিন আরএসপি দলীয় কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ভরতপুর বাজার ও বাসস্টপেজ পরিক্রমা করে ব্লক অফিসের সামনে সমবেত হলে এক উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সেখানে সংগঠনের অন্যান্য নেতৃত্ব পথসভায় বক্তব্য রাখছিলেন, সেই সময়েই সংগঠনের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভরতপুর-১ ব্লকের বিডিও দাওয়া শেরপার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রতিনিধি দলটি তাঁদের ৬ দফা সংবলিত একটি স্মারকলিপি বিডিও-কে তুলে দেয় এবং বিষয়গুলি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে।

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলির মধ্যে ছিল প্রশাসনকে সর্বক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা, বি.এল.আর.ও. অফিসে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও দুর্নীতি অবিলম্বে বন্ধ করা, ভরতপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জরুরি বিভাগটি সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য নিচের তলায় স্থানান্তর করা, ভরতপুরে একটি নতুন কলেজ ও একটি গার্লস হাই স্কুল স্থাপন, এবং সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করা। এছাড়া, SIR-এ বিচারাধীন ২৭ লক্ষ নামের দ্রুত নিষ্পত্তি করে সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।

এই সমগ্র কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে আন্দোলনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন সংগঠনের প্রাক্তন নেতা তথা আরএসপি-র জেলা সম্পাদক নওফেল মহম্মদ সফিউল্লাহ এবং আরএসপি-র ভরতপুর লোকাল কমিটির সম্পাদক তথা প্রবীণ নেতা জামাল চৌধুরী সহ অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ।
    user_রাঢ় বাংলা
    রাঢ় বাংলা
    Reporter ভরতপুর ১, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    15 hrs ago
  • বোলপুর-শান্তিনিকেতনে এক সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, তাঁর সই নকল করে একটি বিলাসবহুল রিসর্ট বেদখল করা হয়েছে। এই ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম জড়িয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর বোলপুরের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দিকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই ঘটনা ঘটে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন, যেখানে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর করা হয়। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস জানান, ট্যাক্স সংক্রান্ত কাজের সূত্র ধরে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অপূর্বের পরামর্শে তাঁরা দু'জনে শান্তিনিকেতনের সায়রবিথী পার্কের পশ্চিম দিকে প্রায় ১৮ কাঠা জমি কেনেন ২০১৭-১৮ সালে। এর মধ্যে ১১ কাঠা জমি চিকিৎসকের নামে এবং বাকি সাত কাঠা অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের নামে ছিল। পরবর্তীতে, ২০২১-২২ সালে এই জমিতে ১৭টি ঘর ও সুইমিং পুলসহ 'আয়াস রিসর্ট' তৈরি করা হয়। রিসর্ট নির্মাণ ও জমি কিনতে চিকিৎসক মোট ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন, যা নগদ, চেক এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সব্যসাচী মণ্ডল, নীলকান্ত মণ্ডল এবং সুভাষ দত্ত ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। রিসর্ট উদ্বোধনের কিছুকাল পরই চিকিৎসক জানতে পারেন, তাঁর সই নকল করে পুরো সম্পত্তি অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী মণ্ডল নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন। চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, নিজের সম্পত্তি দাবি করতে গেলে সব্যসাচী মণ্ডলের লোকজন তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করে এবং তাঁকে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডল এবং তৎকালীন বীরভূম জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম করে তাঁকে দিনের পর দিন ভয় দেখানো হয়, যার ফলে তিনি অভিযোগ জানাতে পারেননি। এমনকি, সেই সময় পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলেও তিনি দাবি করেন। বর্তমানে 'আয়াস' রিসর্টটি সব্যসাচী মণ্ডলের স্ত্রী লাবণী সাহা ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের মা ঊষারানি মুখোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে। চিকিৎসকের বাবা হৃদয়রতন দাস জানান, তাঁর সহজ-সরল ছেলেকে বড় চক্রান্ত করে ঠকানো হয়েছে এবং তাঁদের সর্বস্বান্ত করে দেওয়া হয়েছে। এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস সম্প্রতি বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বন্দেশ, শান্তিনিকেতন থানার ওসি এবং বোলপুর ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আশাবাদী যে রাজ্যে পালাবদল হওয়ায় নতুন সরকারের অধীনে তিনি সঠিক বিচার পাবেন। জেলাশাসক ধবল জৈন এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
    1
    বোলপুর-শান্তিনিকেতনে এক সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, তাঁর সই নকল করে একটি বিলাসবহুল রিসর্ট বেদখল করা হয়েছে। এই ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম জড়িয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর বোলপুরের চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলের দিকে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর এই ঘটনা ঘটে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন, যেখানে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও মারধর করা হয়।

চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস জানান, ট্যাক্স সংক্রান্ত কাজের সূত্র ধরে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় এবং পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অপূর্বের পরামর্শে তাঁরা দু'জনে শান্তিনিকেতনের সায়রবিথী পার্কের পশ্চিম দিকে প্রায় ১৮ কাঠা জমি কেনেন ২০১৭-১৮ সালে। এর মধ্যে ১১ কাঠা জমি চিকিৎসকের নামে এবং বাকি সাত কাঠা অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের নামে ছিল। পরবর্তীতে, ২০২১-২২ সালে এই জমিতে ১৭টি ঘর ও সুইমিং পুলসহ 'আয়াস রিসর্ট' তৈরি করা হয়। রিসর্ট নির্মাণ ও জমি কিনতে চিকিৎসক মোট ৩ কোটি ৬১ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেন, যা নগদ, চেক এবং সরাসরি ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। সব্যসাচী মণ্ডল, নীলকান্ত মণ্ডল এবং সুভাষ দত্ত ব্যাংক থেকে এই টাকা তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। রিসর্ট উদ্বোধনের কিছুকাল পরই চিকিৎসক জানতে পারেন, তাঁর সই নকল করে পুরো সম্পত্তি অপূর্ব মুখোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী মণ্ডল নিজেদের নামে লিখিয়ে নিয়েছেন।

চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাসের অভিযোগ, নিজের সম্পত্তি দাবি করতে গেলে সব্যসাচী মণ্ডলের লোকজন তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করে এবং তাঁকে বহুবার প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। অনুব্রত মণ্ডল এবং তৎকালীন বীরভূম জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি বিকাশ রায়চৌধুরীর নাম করে তাঁকে দিনের পর দিন ভয় দেখানো হয়, যার ফলে তিনি অভিযোগ জানাতে পারেননি। এমনকি, সেই সময় পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলেও তিনি দাবি করেন। বর্তমানে 'আয়াস' রিসর্টটি সব্যসাচী মণ্ডলের স্ত্রী লাবণী সাহা ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের মা ঊষারানি মুখোপাধ্যায়ের নামে রয়েছে। চিকিৎসকের বাবা হৃদয়রতন দাস জানান, তাঁর সহজ-সরল ছেলেকে বড় চক্রান্ত করে ঠকানো হয়েছে এবং তাঁদের সর্বস্বান্ত করে দেওয়া হয়েছে।

এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে চিকিৎসক সিদ্ধার্থ দাস সম্প্রতি বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বন্দেশ, শান্তিনিকেতন থানার ওসি এবং বোলপুর ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি আশাবাদী যে রাজ্যে পালাবদল হওয়ায় নতুন সরকারের অধীনে তিনি সঠিক বিচার পাবেন। জেলাশাসক ধবল জৈন এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
    user_Birbhum Times
    Birbhum Times
    রামপুরহাট 1, বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ•
    2 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.