Shuru
Apke Nagar Ki App…
কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ বিধানসভায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ।
Raj roy
কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ বিধানসভায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ।
More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
- Post by Raj roy1
- বারংবার ইভিএম মেশিন খারাপ হওয়ার অভিযোগ দক্ষিণ বড় হলদিবাড়ির ১৫১নং বুথে। Khabar Haldibari - খবর হলদিবাড়ি mekhliganj Haldibari1
- সকাল সকাল ভোট দিলেন রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। নিজের বাড়ির সামনে বুথে দিনের প্রথম ভোটার হিসেবে ভোট দিয়ে দিন শুরু করলেন রাজগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না এই আসনের তৃণমূল প্রার্থী। বাড়ির সামনে পাতকাটা ঘোষপাড়া বিএফপি স্কুলের ১৮/১৯৭ নম্বর বুথে মাকে নিয়ে সপরিবারে ভোট দিলেন স্বপ্না বর্মন। মাকে সঙ্গে নিয়ে বুথের প্রথম ভোটটিই দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী স্বপ্না বর্মন। সঙ্গে ছিলেন মা, দাদা সহ পরিবারের সদস্যরা। তিনি জেতার বিষয়ে ১০০% আশাবাদী।3
- Post by UNNEWS1
- প্রাক্তন সিপিএম প্রধান বিজেপির প্রচারে।। রাম -বাম কি এক ⁉️ ধূপগুড়ি বিধানসভার গাদং ১নং গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সিপিএম প্রধান ও ধূপগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গেছিলেন বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারে। সেখান থেকেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সিপিএম থেকে শোকজ ও করা হয়। আজ একান্ত সাক্ষাৎকার ওনার সঙ্গে।। #dhupguri #bjp #congress #dhupguri1
- রাত পোহালেই ভোট।সকাল থেকে তৎপরতা শুরু জলপাইগুড়ি ডিসি আর সি তে।জলপাইগুড়ি র সাতটা বিধানসভায় ভোট গ্রহন।২০৪১ টি ভোট গ্রহন কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকছেন ৯৮৯৫ জন ভোট কর্মী। জলপাইগুড়ি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে তৈরি করা হয়েছে ডিসি আর সি। ভোট গ্রহনের প্রয়োগ সামগ্রী সংগ্রহে সকাল থেকে ভোট কর্মীদের দীর্ঘ লাইন। দুপুরের আগেই নির্দিষ্ট ভোট গ্রহন কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন ভোট কর্মীরা।1
- বিধানসভা নির্বাচনের রণডংকা বাজতেই শেষ মুহূর্তের প্রচারে কার্যত ঝড় তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার ধুপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ডক্টর নির্মল চন্দ্র রায়ের সমর্থনে এক বিশাল মিছিলে উত্তাল হয়ে উঠল গোটা শহর। তবে এই জনসমুদ্র সামাল দিতে গিয়ে কার্যত হিমশিম খেতে হয় নেতৃত্বকে।এদিন ধুপগুড়ি কলেজ পাড়ার গণেশ মোড় থেকে মিছিলটি শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই হাজার হাজার কর্মী-সমর্থকের ভিড়ে এলাকাটি অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি অনুযায়ী, মিছিলে প্রায় ৪০,০০০ মানুষের সমাগম ঘটেছিল। ভিড়ের চাপে মিছিল সঠিক সময়ে শুরু করতে গিয়ে বেশ কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয় শীর্ষ নেতাদের। শেষ পর্যন্ত ডক্টর নির্মল চন্দ্র রায়কে সামনে রেখেই ধূপগুড়ির রাজপথ পরিক্রমা করে এই মেগা মিছিল। তৃণমূলের এই শক্তি প্রদর্শনকে অবশ্য আমল দিতে নারাজ বিজেপি শিবির। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই ভিড় প্রার্থীর সমর্থনে নয়, বরং দেব বা কোয়েল মল্লিকের মতো তারকাদের দেখার আশায় এসেছিল। বিজেপির অভিযোগ, "গ্রামগঞ্জে ভাওতা দিয়ে প্রচার করা হয়েছিল দেব এবং কোয়েল আসবেন। এমনকি সায়নী ঘোষের আসার কথা থাকলেও তিনি পৌঁছাননি।" তারকাদের অনুপস্থিতিতে সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।ভোটের মাত্র দু’দিন আগে তৃণমূলের এই বিশাল মিছিলকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। মিছিলে কর্মীদের মধ্যে যে উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে, তা শাসক শিবিরের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। তবে এই মিছিলের জেরে শহরজুড়ে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।জেলা সম্পাদক রাজেশ কুমার সিং বলেন "আজকের এই জনপ্লাবন প্রমাণ করে দিয়েছে ধুপগুড়ির মানুষ উন্নয়নের পাশেই আছেন। কোনো ভাওতা নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাজের নিরিখেই মানুষ আজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাস্তায় নেমেছেন। বিরোধীরা ভয় পেয়ে এখন অপপ্রচার চালাচ্ছে, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হবে না।"1
- Post by Raj roy1