আজ সকালে ১৪তম ব্যাটালিয়ন টিএসআর-এর উদ্যোগে স্থানীয় যুবকদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য ‘রান ফর ইউনিটি’ বা সংহতি দৌড় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় সংহতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জনস্বাস্থ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। এই দৌড়ের মাধ্যমে লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের অসামান্য অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা প্যাটেলের দেখা এক শক্তিশালী, প্রগতিশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। টিএসআর জওয়ান ও উৎসাহী যুবকদের এই যৌথ প্রয়াস এলাকায় ঐক্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এই কর্মসূচিতে ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট শিশির দাশ, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট লাল হিম মলসন এবং এক্সুডেন্ট নিত্যানন্দ সরকার উপস্থিত ছিলেন। টিএসআর-এর ১৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে এই ‘রান ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি সফলভাবে পালিত হয়।
আজ সকালে ১৪তম ব্যাটালিয়ন টিএসআর-এর উদ্যোগে স্থানীয় যুবকদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য ‘রান ফর ইউনিটি’ বা সংহতি দৌড় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় সংহতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জনস্বাস্থ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। এই দৌড়ের মাধ্যমে লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের অসামান্য অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা প্যাটেলের দেখা এক শক্তিশালী, প্রগতিশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। টিএসআর জওয়ান ও উৎসাহী যুবকদের এই যৌথ প্রয়াস এলাকায় ঐক্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এই কর্মসূচিতে ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট শিশির দাশ, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট লাল হিম মলসন এবং এক্সুডেন্ট নিত্যানন্দ সরকার উপস্থিত ছিলেন। টিএসআর-এর ১৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে এই ‘রান ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি সফলভাবে পালিত হয়।
- আজ সকালে ১৪তম ব্যাটালিয়ন টিএসআর-এর উদ্যোগে স্থানীয় যুবকদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য ‘রান ফর ইউনিটি’ বা সংহতি দৌড় অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল জাতীয় সংহতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জনস্বাস্থ্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। এই দৌড়ের মাধ্যমে লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের অসামান্য অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা প্যাটেলের দেখা এক শক্তিশালী, প্রগতিশীল ও ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন। টিএসআর জওয়ান ও উৎসাহী যুবকদের এই যৌথ প্রয়াস এলাকায় ঐক্যের এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। এই কর্মসূচিতে ব্যাটালিয়নের কমান্ডেন্ট শিশির দাশ, অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডেন্ট লাল হিম মলসন এবং এক্সুডেন্ট নিত্যানন্দ সরকার উপস্থিত ছিলেন। টিএসআর-এর ১৪ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের উদ্যোগে এই ‘রান ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি সফলভাবে পালিত হয়।1
- দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি রোধ, রেগার শ্রমদিবস ও মজুরি বৃদ্ধি করা এবং শ্রমকোড বাতিল করার মতো বিভিন্ন দাবিতে ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন সাব্রুম মহকুমা কমিটির উদ্যোগে সাব্রুমে একটি দুই ঘণ্টার গণ-অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গত ২২শে জুন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি সংগঠিত হয়। ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন সাব্রুম মহকুমা কমিটির সভাপতি গৌতম ভৌমিক এই গণ-অবস্থানে সভাপতিত্ব করেন। কর্মসূচিতে ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন দক্ষিণ জেলা কমিটির সম্পাদক চিত্তরঞ্জন বসাক এবং ত্রিপুরা ক্ষেতমজুর ইউনিয়ন সাব্রুম মহকুমা কমিটির সম্পাদক সঞ্জিব দে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন।1
- ভারতের নৌ শক্তি এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার ক্ষেত্রে আইএনএস দুনিগিরি, আইএনএস সংশোধক ও আইএনএস আগ্রয়-এর কমিশনিং একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই অত্যাধুনিক দেশীয় জাহাজগুলি 'আত্মনির্ভর ভারত' উদ্যোগের সাফল্যকে তুলে ধরে এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনে ভারতের ক্রমবর্ধমান আত্মনির্ভরতার প্রতিফলন ঘটায়। প্রধানমন্ত্রী মোদী এই দিনটিকে ভারতের সামুদ্রিক খাতের জন্য একটি গর্বের দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা দেশের নৌ শক্তিকে আরও শক্তিশালী করার দিকে ইঙ্গিত করে। ভারতীয় নৌবাহিনীতে এই জাহাজগুলির অন্তর্ভুক্তি নজরদারি, গবেষণা এবং যুদ্ধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, যা একটি শক্তিশালী সামুদ্রিক জাতি হিসেবে ভারতের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে। একটি ভিডিওতে এই নব-কমিশনড জাহাজগুলির গুরুত্ব, তাদের উন্নত বৈশিষ্ট্য এবং ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও কৌশলগত স্বার্থে তাদের অবদান সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। এই পদক্ষেপগুলি জাতীয় নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করবে। জয় হিন্দ!1
- ধনপুরের বিধায়ক বিন্দু দেবনাথের উদ্যোগে মোহনভোগ আর ডি ব্লক এলাকার তেল কাজলা কমিউনিটি হলে সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের সাফল্যকে উদযাপন করতে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে যুব মোর্চার কর্মীরাও সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছেন। তেল কাজলা, বানিয়াছড়া, কলম ক্ষেত, উরমাই, দশরথ বাড়ি ও গ্রাণ তলী সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। সংবর্ধনা জ্ঞাপনের দ্বিতীয় পর্বে বিধায়ক বিন্দু দেবনাথ বিস্তৃতভাবে আলোচনা করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শুধুমাত্র পরীক্ষায় পাশ করলেই চলবে না, বরং সমাজে একজন ভালো মানুষ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য পড়াশোনার পাশাপাশি প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে আচার-আচরণ, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো অত্যন্ত জরুরি। বিধায়ক আরও বলেন যে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে একটি আদর্শবান সমাজ গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত নিষ্ঠাবান হতে হবে। আলোচনা প্রসঙ্গে বিধায়ক ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেন যে, তারাই আগামী দিনের দেশের ভবিষ্যৎ এবং ভবিষ্যৎ সমাজ ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বড় দায়িত্ব রয়েছে। একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের ভূমিকা সম্পর্কে তিনি এই সংবর্ধনা সভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন।1
- তেলিয়ামুড়া অঞ্চলের কাঁকরোল চাষিরা চরম আর্থিক দুর্দশার সম্মুখীন হয়েছেন, কারণ তাঁদের উৎপাদিত কাঁকরোলের দাম মাঠে মাত্র ১০ টাকা প্রতি কিলোগ্রাম থাকলেও শহরে তা ৬০ টাকা প্রতি কিলোগ্রামে বিক্রি হচ্ছে। এই বিশাল মূল্য পার্থক্যের কারণে চাষিদের চরম মাথায় হাত পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে 'রতন' কোথায় এবং দাবি করা হয়েছে যে, মন্ত্রী এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটুখানি নজর দিতে পারেন।1
- বিলোনিয়া মহকুমার অন্তর্গত হৃষ্যামুখ ব্লকের নলুয়া শাখার উদ্যোগে আগামী ২৩ জুন, মঙ্গলবার নলুয়া রাধাকৃষ্ণ নাটমন্দিরে এক শ্রী শ্রী হরি ভক্তি প্রচারনি সভা এবং শ্রীমদ্ভাগবত পাঠের আয়োজন করা হয়েছে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানে নবদ্বীপ থেকে আগত বিশিষ্ট বৈষ্ণব আচার্য শ্রীল প্রভুপাদ নিত্যগোপাল গোস্বামী মহারাজ শ্রীমদ্ভাগবত পাঠ করবেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে ভক্তবৃন্দের ব্যাপক সমাগমের আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, ২৪ জুন, বুধবার নলুয়ার অভয়নগর এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্র মজুমদারের বাড়িতে একটি দীক্ষাদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজক কমিটি এই উভয় অনুষ্ঠানে এলাকার ধর্মপ্রাণ মানুষ ও ভক্তবৃন্দের উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করেছে।1
- এডিসি নির্বাচনের আগে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে যে বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি শিবিরে ভাঙনের খবর সামনে আসছে। জানা গেছে, বেশ কয়েকজন কর্মী ও সমর্থক দলত্যাগ করে অন্য রাজনৈতিক দলে যোগদান করছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, এর ফলে স্থানীয় পর্যায়ে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি কিছুটা চাপে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিকে নিজেদের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিরোধী দলগুলো। তবে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, দল আগের মতোই শক্তিশালী রয়েছে এবং কিছু ব্যক্তির দলত্যাগে সংগঠনের ওপর কোনো বড় প্রভাব পড়বে না। ধারণা করা হচ্ছে যে নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়বে।1