Shuru
Apke Nagar Ki App…
১২ তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে খোয়াইয়ে একটি যোগ ব্যায়ামের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ক্রীড়া মন্ত্রী সুশান্ত দেব সহ খোয়াইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যোগ ব্যায়ামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
কালিদাস ভৌমিক
১২ তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে খোয়াইয়ে একটি যোগ ব্যায়ামের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ক্রীড়া মন্ত্রী সুশান্ত দেব সহ খোয়াইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যোগ ব্যায়ামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
More news from Tripura and nearby areas
- ১২ তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে খোয়াইয়ে একটি যোগ ব্যায়ামের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে ক্রীড়া মন্ত্রী সুশান্ত দেব সহ খোয়াইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিক এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা যোগ ব্যায়ামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।4
- খোয়াইয়ের নতুন জেলা সভাপতি সমীর কুমার দাস জেলাটিকে বাম মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই জেলার মানুষকে বাম মুক্ত করার জন্য ডাক দিয়েছেন।1
- আগরতলার আইটি ভবনে iLogitron Technologies Private Limited-এর অষ্টম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী প্রনজিত সিংহ রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও, সংস্থার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই কর্মসূচিতে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা রক্তদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং সমাজের কল্যাণে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে বহু স্বেচ্ছাসেবী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে রক্তদান করেন। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও জনকল্যাণমূলক এই ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।1
- নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে এক বিধায়ক ‘নিখোঁজ’ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই বিধায়ক, চিত্তরঞ্জন দেববর্মা, ভোটের পর থেকে তার ফোনও ধরছেন না বলে জানা গেছে। এই পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।1
- বিজ্ঞান ও পরিবেশ দফতরের অধীনস্থ বায়ো টেকনোলজি বিভাগের তহবিল থেকে এক কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চলা তদন্তে এনসিসি থানার পুলিশ আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। বায়ো টেকনোলজি দফতরের কোটি টাকা তছরুপের এই কাণ্ডে চারটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে। ধৃত অভিযুক্তের নাম সঞ্জীব দেব, যিনি রাজধানী আগরতলার উজান অভয়নগর এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার রাতে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের পর আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়।1
- ত্রিপুরার বাধারঘাটে রাতভর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে, যা গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি প্রেমঘটিত সম্পর্ক বা ব্যক্তিগত রেষারেষিকে কেন্দ্র করে এই ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। দুষ্কৃতীরা শুধু ভাঙচুর করেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা গাড়ি এবং বাইক ড্রেনের মধ্যে ফেলে দিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।1
- ১২তম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে খোয়াইতে এক মন্ত্রী উপস্থিত হলেন। খোয়াইয়ের জেলা সভাপতি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক আধিকারিকরা তাকে স্বাগত জানান।3
- গোমতী জেলায় মহিলাদের সুরক্ষা, আইনি সহায়তা এবং ন্যায়বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত ওয়ান স্টপ সেন্টারগুলি কিছু ব্যক্তির ব্যক্তিগত রোজগারের আখড়ায় পরিণত হয়েছে কিনা, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন ওয়ান স্টপ সেন্টারের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর তথা আইনজীবী দেবজিতা শিব। চন্দ্রপুর ৭ নম্বর কলোনির বাসিন্দা শুভম শীল অভিযোগ করেছেন যে, পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের নামে তাঁর কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে। শুভম আরও দাবি করেছেন যে, এই টাকা চাওয়ার ফোনালাপের রেকর্ডিংও তাঁর কাছে রয়েছে। এই ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে যে, সরকারি অর্থে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানে যেখানে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য সরকার বেতন দিচ্ছে, সেখানে একজন দিনমজুরের কাছ থেকে কোন আইন বা সরকারি নিয়মের বলে টাকা দাবি করা হলো? নাকি সরকারি পদকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ব্যবসা ফাঁদা হচ্ছে? সূত্রের দাবি, একদিকে ওয়ান স্টপ সেন্টার থেকে সরকারি বেতন এবং অন্যদিকে সেন্টারে আসা বিবাহ বিচ্ছেদ ও অন্যান্য মামলার পক্ষদের নিজের মক্কেল বানিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করে দেবজিতা শিব 'এক ঢিলে দুই পাখি' মারছেন বলে অভিযোগ উঠছে। যদি এই অভিযোগ সত্য হয়, তবে এটি শুধুমাত্র অনৈতিক নয়, সরকারি দায়িত্বের চরম অপব্যবহার। শুভমের পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক অসচ্ছলতার কথা জানিয়ে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা নাকচ করে দিয়ে বলা হয়, ১২ হাজার টাকার এক পয়সাও কম হবে না, যা আইনি সহায়তা নাকি দর কষাকষি করে টাকা আদায়ের প্রক্রিয়া, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, ওয়ান স্টপ সেন্টারে ২৪ ঘণ্টা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও দেবজিতা শিব দিনের অধিকাংশ সময় আদালতে ব্যক্তিগত আইন পেশায় ব্যস্ত থাকেন, যা তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে অনীহা প্রকাশ করে। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কি এই সমস্ত বিষয়ে অবগত? যদি তারা অবগত হন, তাহলে কেন এখনও পর্যন্ত তদন্ত শুরু হয়নি? আর যদি অবগত না হন, তাহলে প্রশাসনিক নজরদারি কোথায়? গোমতী জেলার সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে এই ঘটনা ধামাচাপা না দিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তাদের মতে, অভিযোগ মিথ্যা হলে সত্য সামনে আসুক, আর অভিযোগ সত্য হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কারণ জনগণের করের টাকায় পরিচালিত কোনো প্রতিষ্ঠানকে ব্যক্তিগত আয়ের যন্ত্রে পরিণত করার অধিকার কারও নেই।1