logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

সোশ্যাল মিডিয়ায় হেলমেট সচেতনতা নিয়ে যতই প্রচার করা হোক না কেন, হুগলি জেলার বলাগড়ের গুপ্তিপাড়া সহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রাস্তায় এই প্রচার কেবল নামমাত্র। এখানকার অধিকাংশ বাইক আরোহীর মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে, যা বর্তমান সচেতনতা অভিযানগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। শুরু নিউজের ক্যামেরায় ধরা পড়া চিত্র অনুযায়ী, প্রায় ৯৮ শতাংশ বাইক আরোহীকে অভ্যন্তরীণ রাস্তায় হেলমেট ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না। যে ২ শতাংশ বাইক আরোহী হেলমেট ব্যবহার করেন, তাঁরা মূলত SH6 বা স্টেট হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াতের জন্য এটি পরেন। এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে যে, রাজ্য সড়ক ছাড়া অন্য কোথাও নাকি সেভাবে হেলমেট চেকিং করা হয় না। এর বিপরীতে, শহর কলকাতার রাস্তায় সম্প্রতি ব্যাপক সচেতনতার সঙ্গে হেলমেটের ব্যবহার দেখা গেলেও, হুগলির এই চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ সন্ধ্যায় বলাগড়ের গুপ্তিপাড়ায় এই পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যেখানে গ্রামের রাস্তায় বাইক আরোহীরা ঠিকমতো হেলমেট ব্যবহার করছেন না। সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায় যে, আরও সচেতনতা বাড়ানোর দরকার রয়েছে, কারণ বর্তমান প্রচারগুলি অভ্যন্তরীণ রাস্তায় অকার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।

6 hrs ago
user_Journalist  Chiranjib  Chatter
Journalist Chiranjib Chatter
বলাগড়, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
6 hrs ago

সোশ্যাল মিডিয়ায় হেলমেট সচেতনতা নিয়ে যতই প্রচার করা হোক না কেন, হুগলি জেলার বলাগড়ের গুপ্তিপাড়া সহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রাস্তায় এই প্রচার কেবল নামমাত্র। এখানকার অধিকাংশ বাইক আরোহীর মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে, যা বর্তমান সচেতনতা অভিযানগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। শুরু নিউজের ক্যামেরায় ধরা পড়া চিত্র অনুযায়ী, প্রায় ৯৮ শতাংশ বাইক আরোহীকে অভ্যন্তরীণ রাস্তায় হেলমেট ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না। যে ২ শতাংশ বাইক আরোহী হেলমেট ব্যবহার করেন, তাঁরা মূলত SH6 বা স্টেট হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াতের জন্য এটি পরেন। এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে যে, রাজ্য সড়ক ছাড়া অন্য কোথাও নাকি সেভাবে হেলমেট চেকিং করা হয় না। এর বিপরীতে, শহর কলকাতার রাস্তায় সম্প্রতি ব্যাপক সচেতনতার সঙ্গে হেলমেটের ব্যবহার দেখা গেলেও, হুগলির এই চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ সন্ধ্যায় বলাগড়ের গুপ্তিপাড়ায় এই পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যেখানে গ্রামের রাস্তায় বাইক আরোহীরা ঠিকমতো হেলমেট ব্যবহার করছেন না। সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায় যে, আরও সচেতনতা বাড়ানোর দরকার রয়েছে, কারণ বর্তমান প্রচারগুলি অভ্যন্তরীণ রাস্তায় অকার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় হেলমেট সচেতনতা নিয়ে যতই প্রচার করা হোক না কেন, হুগলি জেলার বলাগড়ের গুপ্তিপাড়া সহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রাস্তায় এই প্রচার কেবল নামমাত্র। এখানকার অধিকাংশ বাইক আরোহীর মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে, যা বর্তমান সচেতনতা অভিযানগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। শুরু নিউজের ক্যামেরায় ধরা পড়া চিত্র অনুযায়ী, প্রায় ৯৮ শতাংশ বাইক আরোহীকে অভ্যন্তরীণ রাস্তায় হেলমেট ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না। যে ২ শতাংশ বাইক আরোহী হেলমেট ব্যবহার করেন, তাঁরা মূলত SH6 বা স্টেট হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াতের জন্য এটি পরেন। এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে যে, রাজ্য সড়ক ছাড়া অন্য কোথাও নাকি সেভাবে হেলমেট চেকিং করা হয় না। এর বিপরীতে, শহর কলকাতার রাস্তায় সম্প্রতি ব্যাপক সচেতনতার সঙ্গে হেলমেটের ব্যবহার দেখা গেলেও, হুগলির এই চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ সন্ধ্যায় বলাগড়ের গুপ্তিপাড়ায় এই পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যেখানে গ্রামের রাস্তায় বাইক আরোহীরা ঠিকমতো হেলমেট ব্যবহার করছেন না। সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায় যে, আরও সচেতনতা বাড়ানোর দরকার রয়েছে, কারণ বর্তমান প্রচারগুলি অভ্যন্তরীণ রাস্তায় অকার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।
    1
    সোশ্যাল মিডিয়ায় হেলমেট সচেতনতা নিয়ে যতই প্রচার করা হোক না কেন, হুগলি জেলার বলাগড়ের গুপ্তিপাড়া সহ বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রাস্তায় এই প্রচার কেবল নামমাত্র। এখানকার অধিকাংশ বাইক আরোহীর মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে, যা বর্তমান সচেতনতা অভিযানগুলির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

শুরু নিউজের ক্যামেরায় ধরা পড়া চিত্র অনুযায়ী, প্রায় ৯৮ শতাংশ বাইক আরোহীকে অভ্যন্তরীণ রাস্তায় হেলমেট ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে না। যে ২ শতাংশ বাইক আরোহী হেলমেট ব্যবহার করেন, তাঁরা মূলত SH6 বা স্টেট হাইওয়ে দিয়ে যাতায়াতের জন্য এটি পরেন। এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে যে, রাজ্য সড়ক ছাড়া অন্য কোথাও নাকি সেভাবে হেলমেট চেকিং করা হয় না। এর বিপরীতে, শহর কলকাতার রাস্তায় সম্প্রতি ব্যাপক সচেতনতার সঙ্গে হেলমেটের ব্যবহার দেখা গেলেও, হুগলির এই চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।

আজ সন্ধ্যায় বলাগড়ের গুপ্তিপাড়ায় এই পরিস্থিতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়, যেখানে গ্রামের রাস্তায় বাইক আরোহীরা ঠিকমতো হেলমেট ব্যবহার করছেন না। সামগ্রিক পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায় যে, আরও সচেতনতা বাড়ানোর দরকার রয়েছে, কারণ বর্তমান প্রচারগুলি অভ্যন্তরীণ রাস্তায় অকার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে।
    user_Journalist  Chiranjib  Chatter
    Journalist Chiranjib Chatter
    বলাগড়, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    6 hrs ago
  • পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দোগাছিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিষেবা আরও উন্নত করতে এবং পরিকাঠামোগত সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছেন নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি দোগাছিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সৈনক সোম, পঞ্চায়েত প্রধান অপর্না চ্যাটার্জি সহ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন আধিকারিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বৈঠকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, রোগীদের বিভিন্ন সমস্যা, পরিকাঠামোর উন্নয়ন, চিকিৎসা পরিষেবার মান বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান যে, এলাকার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা যাতে আরও উন্নত হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
    1
    পূর্বস্থলী ১ ব্লকের দোগাছিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিষেবা আরও উন্নত করতে এবং পরিকাঠামোগত সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে উদ্যোগী হয়েছেন নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য পরিষেবাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করে তোলার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি দোগাছিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়, ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সৈনক সোম, পঞ্চায়েত প্রধান অপর্না চ্যাটার্জি সহ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন আধিকারিক এবং অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। বৈঠকে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, রোগীদের বিভিন্ন সমস্যা, পরিকাঠামোর উন্নয়ন, চিকিৎসা পরিষেবার মান বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান যে, এলাকার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। সেই লক্ষ্যেই স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবা যাতে আরও উন্নত হয়, সে বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
    user_Raj kumr Ghosh
    Raj kumr Ghosh
    Local News Reporter Kalna - Ii, Purba Bardhaman•
    18 hrs ago
  • পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার নদীয়ার মায়াপুর ইসকনে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশে দিন কাটান। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মায়াপুর সফরে এসে তিনি রাধামাধব দর্শন, গো-মাতার সেবা, বিশেষ হোম-যজ্ঞে অংশগ্রহণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁর এই সফর ঘিরে সকাল থেকেই ইসকন চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী আকাশপথে মায়াপুর হেলিপ্যাডে পৌঁছলে ইসকনের মহারাজ, সাধু-সন্ন্যাসী ও মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁকে বৈদিক রীতিতে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তিনি সরাসরি ইসকনের গোশালায় যান, যেখানে প্রায় ৪৫০টি গো-মাতার সেবায় অংশ নেন। নিজ হাতে তরমুজ, আম, ঘাস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী দিয়ে গোমাতাদের খাওয়ানোর পাশাপাশি তিনি বৈদিক রীতি মেনে আয়োজিত বিশেষ গো-পূজা, অগ্নিহোম ও যজ্ঞে অংশ নেন। যজ্ঞে আহুতি দিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণ কামনায় প্রার্থনা করেন। ইসকনের সন্ন্যাসীরা জানান, গো-রক্ষা, বিশ্বশান্তি ও রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এই বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। ইসকনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বলা হয় যে, গো-সেবা ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরে চন্দ্রোদয় মন্দিরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী রাধামাধব দর্শন করেন এবং শ্রীল প্রভুপাদ ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে প্রণাম নিবেদন করে পশ্চিমবঙ্গের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, তিনি 'হৃদয়ের টানে' এখানে এসেছেন এবং তিনি একজন সনাতনী ও ইসকনের পরম ভক্ত। তিনি আরও বলেন যে, শ্রীল প্রভুপাদ গোটা পৃথিবীতে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র এবং জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাকে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং ইসকনের নিঃস্বার্থভাবে গীতার বাণী প্রচার ও প্রসার অতুলনীয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন বলেও জানান, যার মধ্যে কালীঘাট মন্দির, বেলুড় মঠ, লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির ও জৈন মন্দির সফর অন্তর্ভুক্ত। মায়াপুরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, তিনি দোলপূর্ণিমা, জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রার সময় নিয়মিত রাধামাধবের অভিষেকে অংশ নেন। তিনি ভক্তিচারু মহারাজের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণও করেন, যেখানে তিনি বলেন যে মহারাজ যখনই মেদিনীপুরে যেতেন, তাঁকে ডাকতেন এবং তাঁরা একসঙ্গে প্রসাদ গ্রহণ করতেন। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, গীতার বাণীকে পাথেয় করে আগামী দিনে তাঁরা রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চান এবং বাংলার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই তাঁদের লক্ষ্য। ইসকনের তরফে জানানো হয়, মায়াপুরকে আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভক্তমহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর মায়াপুরের ধর্মীয় পর্যটন ও পরিকাঠামো উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দিনভর ইসকন চত্বরে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, যেখানে বহু ভক্ত মুখ্যমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য অপেক্ষা করেন। পরিশেষে সাধু-সন্ন্যাসী ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং রাজ্যের শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মায়াপুর সফর শেষ করেন।
    1
    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার নদীয়ার মায়াপুর ইসকনে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশে দিন কাটান। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথমবার মায়াপুর সফরে এসে তিনি রাধামাধব দর্শন, গো-মাতার সেবা, বিশেষ হোম-যজ্ঞে অংশগ্রহণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাঁর এই সফর ঘিরে সকাল থেকেই ইসকন চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

এদিন সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী আকাশপথে মায়াপুর হেলিপ্যাডে পৌঁছলে ইসকনের মহারাজ, সাধু-সন্ন্যাসী ও মন্দির কর্তৃপক্ষ তাঁকে বৈদিক রীতিতে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তিনি সরাসরি ইসকনের গোশালায় যান, যেখানে প্রায় ৪৫০টি গো-মাতার সেবায় অংশ নেন। নিজ হাতে তরমুজ, আম, ঘাস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী দিয়ে গোমাতাদের খাওয়ানোর পাশাপাশি তিনি বৈদিক রীতি মেনে আয়োজিত বিশেষ গো-পূজা, অগ্নিহোম ও যজ্ঞে অংশ নেন। যজ্ঞে আহুতি দিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের শান্তি, সমৃদ্ধি ও বিশ্বকল্যাণ কামনায় প্রার্থনা করেন। ইসকনের সন্ন্যাসীরা জানান, গো-রক্ষা, বিশ্বশান্তি ও রাজ্যের মঙ্গল কামনায় এই বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। ইসকনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যা দিয়ে বলা হয় যে, গো-সেবা ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

পরে চন্দ্রোদয় মন্দিরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী রাধামাধব দর্শন করেন এবং শ্রীল প্রভুপাদ ও শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরণে প্রণাম নিবেদন করে পশ্চিমবঙ্গের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে, তিনি 'হৃদয়ের টানে' এখানে এসেছেন এবং তিনি একজন সনাতনী ও ইসকনের পরম ভক্ত। তিনি আরও বলেন যে, শ্রীল প্রভুপাদ গোটা পৃথিবীতে হরেকৃষ্ণ মহামন্ত্র এবং জগন্নাথ দেবের রথযাত্রাকে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং ইসকনের নিঃস্বার্থভাবে গীতার বাণী প্রচার ও প্রসার অতুলনীয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে গিয়ে আশীর্বাদ নিচ্ছেন বলেও জানান, যার মধ্যে কালীঘাট মন্দির, বেলুড় মঠ, লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির ও জৈন মন্দির সফর অন্তর্ভুক্ত।

মায়াপুরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন যে, তিনি দোলপূর্ণিমা, জন্মাষ্টমী ও রথযাত্রার সময় নিয়মিত রাধামাধবের অভিষেকে অংশ নেন। তিনি ভক্তিচারু মহারাজের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্কের স্মৃতিচারণও করেন, যেখানে তিনি বলেন যে মহারাজ যখনই মেদিনীপুরে যেতেন, তাঁকে ডাকতেন এবং তাঁরা একসঙ্গে প্রসাদ গ্রহণ করতেন। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, গীতার বাণীকে পাথেয় করে আগামী দিনে তাঁরা রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চান এবং বাংলার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনাই তাঁদের লক্ষ্য।

ইসকনের তরফে জানানো হয়, মায়াপুরকে আন্তর্জাতিক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে আরও উন্নত করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ভক্তমহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর মায়াপুরের ধর্মীয় পর্যটন ও পরিকাঠামো উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দিনভর ইসকন চত্বরে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল, যেখানে বহু ভক্ত মুখ্যমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য অপেক্ষা করেন। পরিশেষে সাধু-সন্ন্যাসী ও ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে এবং রাজ্যের শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর মায়াপুর সফর শেষ করেন।
    user_Gopal Biswas
    Gopal Biswas
    Newsagent নবদ্বীপ, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    5 hrs ago
  • পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় গত পরশু, ২৬/০৫/২৬ তারিখে নদীয়ার কল্যাণীতে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বিস্তারিতভাবে বলেছেন। তিনি তিন জেলার বিধায়ক ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সাথে বৈঠক শেষ করার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানান। এই বিষয়ে একটি ভিডিও সংগৃহীত হয়েছে।
    1
    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয় গত পরশু, ২৬/০৫/২৬ তারিখে নদীয়ার কল্যাণীতে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে বিস্তারিতভাবে বলেছেন। তিনি তিন জেলার বিধায়ক ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সাথে বৈঠক শেষ করার পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য জানান। এই বিষয়ে একটি ভিডিও সংগৃহীত হয়েছে।
    user_Anupam Sarkar Chakraborty
    Anupam Sarkar Chakraborty
    Department of Social Services Krishnagar - I, Nadia•
    6 hrs ago
  • একসময় কৃষ্ণনগরের জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত অঞ্জনা খাল বর্তমানে একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।
    1
    একসময় কৃষ্ণনগরের জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত অঞ্জনা খাল বর্তমানে একটি মরা খালে পরিণত হয়েছে।
    user_Jayanta Biswas
    Jayanta Biswas
    সাংবাদিক Krishnagar - I, Nadia•
    9 hrs ago
  • দীঘায় প্রকাশ্যে তোলাবাজি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তৃণমূলের দালাল এবং তৃণমূল চটি চাটা পুলিশ এখনও তোলাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। দীঘায় পুলিশ ও সিন্ডিকেট রাজ্যের মাধ্যমে এই তোলাবাজি চলছে। পার্কিংয়ের জন্য ৩০০ টাকার উপর এবং আরও ১২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। যদিও বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আগে ঘোষণা করেছিলেন যে তোলাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে, তবুও সেখানে প্রকাশ্যে এই ধরনের তোলাবাজি চলছে। এই পরিস্থিতিতে, বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে কোনো তোলাবাজি চলবে না।
    2
    দীঘায় প্রকাশ্যে তোলাবাজি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তৃণমূলের দালাল এবং তৃণমূল চটি চাটা পুলিশ এখনও তোলাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে।

দীঘায় পুলিশ ও সিন্ডিকেট রাজ্যের মাধ্যমে এই তোলাবাজি চলছে। পার্কিংয়ের জন্য ৩০০ টাকার উপর এবং আরও ১২০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। যদিও বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী আগে ঘোষণা করেছিলেন যে তোলাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে, তবুও সেখানে প্রকাশ্যে এই ধরনের তোলাবাজি চলছে।

এই পরিস্থিতিতে, বাংলার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন যে কোনো তোলাবাজি চলবে না।
    user_Arindam Chatterjee
    Arindam Chatterjee
    ব্যারাকপুর ২, উত্তর 24 পরগনা, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • মেমারী ও রসুলপুরের মধ্যে প্রস্তাবিত রেল ওভারব্রিজ প্রকল্পের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই সেতু নির্মাণের প্রাথমিক সার্ভের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। এই অগ্রগতির ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের যানজট ও অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন।
    1
    মেমারী ও রসুলপুরের মধ্যে প্রস্তাবিত রেল ওভারব্রিজ প্রকল্পের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই সেতু নির্মাণের প্রাথমিক সার্ভের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। এই অগ্রগতির ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিনের যানজট ও অন্যান্য সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন।
    user_Memari Update News
    Memari Update News
    Photographer মেমারি ১, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ•
    16 hrs ago
  • টিউশন পড়িয়ে যাঁর দৈনন্দিন জীবন চলত, সেই মহিলার ঝু/ল*ন্ত দে*হ তাঁর নিজের বাড়িতেই উদ্ধার করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
    1
    টিউশন পড়িয়ে যাঁর দৈনন্দিন জীবন চলত, সেই মহিলার ঝু/ল*ন্ত দে*হ তাঁর নিজের বাড়িতেই উদ্ধার করা হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
    user_Memari Update News
    Memari Update News
    Photographer মেমারি ১, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ•
    16 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.