logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…
  • Latest News
  • News
  • Politics
  • Elections
  • Viral
  • Astrology
  • Horoscope in Hindi
  • Horoscope in English
  • Latest Political News
logo
Shuru
Apke Nagar Ki App…

লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আর সেই পুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লক্ষ্মী সরা তৈরি করতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন নদিয়ার তাহেরপুরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। মাটির সরা তৈরি থেকে শুরু করে তার উপর দেবদেবীর ছবি আঁকা—পুরো কাজটাই তাঁদের হাতে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত শিল্পীর অভাবে এখন সব অর্ডার সামাল দেওয়াই তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তাহেরপুরের পালপাড়ায় লক্ষ্মী সরা তৈরির ইতিহাস কয়েক দশকের। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এসে বেশ কয়েকটি পরিবার এই এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে সেই পরিবারগুলির প্রায় ২৫টি পরিবার সরা তৈরি ও তার উপর ছবি আঁকাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। পরিবারের বয়স্কদের হাত ধরে শেখা সেই কাজ আজও চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা। তাঁদের হাতের আঁচড়েই সাধারণ মাটির সরা হয়ে ওঠে পুজোর উপযোগী লক্ষ্মী সরা। এই কাজ শুধু লক্ষ্মীপুজোর মরশুমেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা বছর ধরেই চলে সরা তৈরি ও ছবি আঁকার কাজ। বৈশাখ মাস থেকেই বিক্রি শুরু হয়। শিল্পীদের হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় দু’লক্ষ সরা তৈরি করেন তাঁরা। তাহেরপুরের পালপাড়ায় তৈরি এই সরা সরবরাহ করা হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে স্থানীয় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের বিস্তৃত বাজার। শিল্পীদের হাতে তৈরি সরাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। কোথাও একক লক্ষ্মীর ছবি, কোথাও লক্ষ্মী-নারায়ণ, আবার কোথাও তিন লক্ষ্মী কিংবা পাঁচ পুতুলের নকশা। পাশাপাশি তৈরি হয় দুর্গা সরা-ও। প্রতিটি সরায় রং ও তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবদেবীর ছবি। মাটির উপকরণকে সাজিয়ে তোলার এই কাজে দরকার হয় অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং নিখুঁত হাতের কাজ। বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পীরা সেই দক্ষতাই ধরে রেখেছেন। এ বছর লক্ষ্মী সরার চাহিদাও ভালো বলে জানাচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে গিয়েই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। এই পেশায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত কারিগর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কাজের চাপ বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। শিল্পীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে সরা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে। লক্ষ্মীপুজোর আগে যে সরা বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার প্রতীক হয়ে ওঠে, সেই সরা তৈরির কারিগরদের নিজেদের সংসার চালাতে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তাঁদের হাতেই তৈরি হয় লক্ষ্মীর মুখ, তাঁদের তুলিতেই সেজে ওঠেন দেবী। অথচ সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলির ভবিষ্যৎ আজ নির্ভর করছে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় কতটা আগ্রহী হয়, আর বাংলার এই লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কতটা উদ্যোগ নেওয়া হয় তার উপর।

15 hrs ago
user_Gopal Biswas
Gopal Biswas
Newsagent নবদ্বীপ, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
15 hrs ago

লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আর সেই পুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লক্ষ্মী সরা তৈরি করতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন নদিয়ার তাহেরপুরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। মাটির সরা তৈরি থেকে শুরু করে তার উপর দেবদেবীর ছবি আঁকা—পুরো কাজটাই তাঁদের হাতে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত শিল্পীর অভাবে এখন সব অর্ডার সামাল দেওয়াই তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তাহেরপুরের পালপাড়ায় লক্ষ্মী সরা তৈরির ইতিহাস কয়েক দশকের। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এসে বেশ কয়েকটি পরিবার এই এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে সেই পরিবারগুলির প্রায় ২৫টি পরিবার সরা তৈরি ও তার উপর ছবি আঁকাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। পরিবারের বয়স্কদের হাত ধরে শেখা সেই কাজ আজও চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা। তাঁদের হাতের আঁচড়েই সাধারণ মাটির সরা হয়ে ওঠে পুজোর উপযোগী লক্ষ্মী সরা। এই কাজ শুধু লক্ষ্মীপুজোর মরশুমেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা বছর ধরেই চলে সরা তৈরি ও ছবি আঁকার কাজ। বৈশাখ মাস থেকেই বিক্রি শুরু হয়। শিল্পীদের হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় দু’লক্ষ সরা তৈরি করেন তাঁরা। তাহেরপুরের পালপাড়ায় তৈরি এই সরা সরবরাহ করা হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে স্থানীয় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের বিস্তৃত বাজার। শিল্পীদের হাতে তৈরি সরাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। কোথাও একক লক্ষ্মীর ছবি, কোথাও লক্ষ্মী-নারায়ণ, আবার কোথাও তিন লক্ষ্মী কিংবা পাঁচ পুতুলের নকশা। পাশাপাশি তৈরি হয় দুর্গা সরা-ও। প্রতিটি সরায় রং ও তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবদেবীর ছবি। মাটির উপকরণকে সাজিয়ে তোলার এই কাজে দরকার হয় অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং নিখুঁত হাতের কাজ। বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পীরা সেই দক্ষতাই ধরে রেখেছেন। এ বছর লক্ষ্মী সরার চাহিদাও ভালো বলে জানাচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে গিয়েই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। এই পেশায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত কারিগর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কাজের চাপ বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। শিল্পীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে সরা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে। লক্ষ্মীপুজোর আগে যে সরা বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার প্রতীক হয়ে ওঠে, সেই সরা তৈরির কারিগরদের নিজেদের সংসার চালাতে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তাঁদের হাতেই তৈরি হয় লক্ষ্মীর মুখ, তাঁদের তুলিতেই সেজে ওঠেন দেবী। অথচ সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলির ভবিষ্যৎ আজ নির্ভর করছে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় কতটা আগ্রহী হয়, আর বাংলার এই লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কতটা উদ্যোগ নেওয়া হয় তার উপর।

More news from পশ্চিমবঙ্গ and nearby areas
  • লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গাপুজোর রেশ কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আর সেই পুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লক্ষ্মী সরা তৈরি করতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন নদিয়ার তাহেরপুরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। মাটির সরা তৈরি থেকে শুরু করে তার উপর দেবদেবীর ছবি আঁকা—পুরো কাজটাই তাঁদের হাতে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত শিল্পীর অভাবে এখন সব অর্ডার সামাল দেওয়াই তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। তাহেরপুরের পালপাড়ায় লক্ষ্মী সরা তৈরির ইতিহাস কয়েক দশকের। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এসে বেশ কয়েকটি পরিবার এই এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে সেই পরিবারগুলির প্রায় ২৫টি পরিবার সরা তৈরি ও তার উপর ছবি আঁকাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। পরিবারের বয়স্কদের হাত ধরে শেখা সেই কাজ আজও চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা। তাঁদের হাতের আঁচড়েই সাধারণ মাটির সরা হয়ে ওঠে পুজোর উপযোগী লক্ষ্মী সরা। এই কাজ শুধু লক্ষ্মীপুজোর মরশুমেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা বছর ধরেই চলে সরা তৈরি ও ছবি আঁকার কাজ। বৈশাখ মাস থেকেই বিক্রি শুরু হয়। শিল্পীদের হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় দু’লক্ষ সরা তৈরি করেন তাঁরা। তাহেরপুরের পালপাড়ায় তৈরি এই সরা সরবরাহ করা হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে স্থানীয় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের বিস্তৃত বাজার। শিল্পীদের হাতে তৈরি সরাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। কোথাও একক লক্ষ্মীর ছবি, কোথাও লক্ষ্মী-নারায়ণ, আবার কোথাও তিন লক্ষ্মী কিংবা পাঁচ পুতুলের নকশা। পাশাপাশি তৈরি হয় দুর্গা সরা-ও। প্রতিটি সরায় রং ও তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবদেবীর ছবি। মাটির উপকরণকে সাজিয়ে তোলার এই কাজে দরকার হয় অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং নিখুঁত হাতের কাজ। বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পীরা সেই দক্ষতাই ধরে রেখেছেন। এ বছর লক্ষ্মী সরার চাহিদাও ভালো বলে জানাচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে গিয়েই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। এই পেশায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত কারিগর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কাজের চাপ বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। শিল্পীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে সরা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে। লক্ষ্মীপুজোর আগে যে সরা বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার প্রতীক হয়ে ওঠে, সেই সরা তৈরির কারিগরদের নিজেদের সংসার চালাতে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তাঁদের হাতেই তৈরি হয় লক্ষ্মীর মুখ, তাঁদের তুলিতেই সেজে ওঠেন দেবী। অথচ সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলির ভবিষ্যৎ আজ নির্ভর করছে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় কতটা আগ্রহী হয়, আর বাংলার এই লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কতটা উদ্যোগ নেওয়া হয় তার উপর।
    1
    লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ।
লক্ষ্মীর ছবি আঁকেই জীবিকা, তবু নিজেদের সংসারে লক্ষ্মীলাভের লড়াই! তাহেরপুরের পালপাড়ায় বছরে ২ লক্ষ সরা তৈরি, শিল্পীর অভাবে চাহিদা মেটানোই বড় চ্যালেঞ্জ।
দুর্গাপুজোর রেশ কাটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর প্রস্তুতি। আর সেই পুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ লক্ষ্মী সরা তৈরি করতে এখন দিনরাত এক করে কাজ করছেন নদিয়ার তাহেরপুরের পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। মাটির সরা তৈরি থেকে শুরু করে তার উপর দেবদেবীর ছবি আঁকা—পুরো কাজটাই তাঁদের হাতে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু পরিবারের জীবন-জীবিকা। কিন্তু চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত শিল্পীর অভাবে এখন সব অর্ডার সামাল দেওয়াই তাঁদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
তাহেরপুরের পালপাড়ায় লক্ষ্মী সরা তৈরির ইতিহাস কয়েক দশকের। দেশভাগের পর বাংলাদেশ থেকে এসে বেশ কয়েকটি পরিবার এই এলাকায় বসতি গড়ে তোলে। পরবর্তী সময়ে সেই পরিবারগুলির প্রায় ২৫টি পরিবার সরা তৈরি ও তার উপর ছবি আঁকাকে জীবিকার মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। পরিবারের বয়স্কদের হাত ধরে শেখা সেই কাজ আজও চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা। তাঁদের হাতের আঁচড়েই সাধারণ মাটির সরা হয়ে ওঠে পুজোর উপযোগী লক্ষ্মী সরা।
এই কাজ শুধু লক্ষ্মীপুজোর মরশুমেই সীমাবদ্ধ নয়। সারা বছর ধরেই চলে সরা তৈরি ও ছবি আঁকার কাজ। বৈশাখ মাস থেকেই বিক্রি শুরু হয়। শিল্পীদের হিসেব অনুযায়ী, প্রতি বছর প্রায় দু’লক্ষ সরা তৈরি করেন তাঁরা। তাহেরপুরের পালপাড়ায় তৈরি এই সরা সরবরাহ করা হয় কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে। ফলে স্থানীয় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের বিস্তৃত বাজার।
শিল্পীদের হাতে তৈরি সরাতেও রয়েছে নানা বৈচিত্র্য। কোথাও একক লক্ষ্মীর ছবি, কোথাও লক্ষ্মী-নারায়ণ, আবার কোথাও তিন লক্ষ্মী কিংবা পাঁচ পুতুলের নকশা। পাশাপাশি তৈরি হয় দুর্গা সরা-ও। প্রতিটি সরায় রং ও তুলির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় দেবদেবীর ছবি। মাটির উপকরণকে সাজিয়ে তোলার এই কাজে দরকার হয় অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং নিখুঁত হাতের কাজ। বছরের পর বছর ধরে এই শিল্পীরা সেই দক্ষতাই ধরে রেখেছেন।
এ বছর লক্ষ্মী সরার চাহিদাও ভালো বলে জানাচ্ছেন শিল্পীরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে গিয়েই দেখা দিচ্ছে সমস্যা। এই পেশায় নতুন প্রজন্মের আগ্রহ কমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত কারিগর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কাজের চাপ বাড়লেও সেই অনুপাতে বাড়ছে না উৎপাদন। শিল্পীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে সরা তৈরির ঐতিহ্য ধরে রাখাই কঠিন হয়ে পড়বে।
লক্ষ্মীপুজোর আগে যে সরা বাঙালির ঘরে ঘরে সমৃদ্ধি ও মঙ্গলকামনার প্রতীক হয়ে ওঠে, সেই সরা তৈরির কারিগরদের নিজেদের সংসার চালাতে প্রতিদিন লড়াই করতে হয়। তাঁদের হাতেই তৈরি হয় লক্ষ্মীর মুখ, তাঁদের তুলিতেই সেজে ওঠেন দেবী। অথচ সেই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষগুলির ভবিষ্যৎ আজ নির্ভর করছে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় কতটা আগ্রহী হয়, আর বাংলার এই লোকশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কতটা উদ্যোগ নেওয়া হয় তার উপর।
    user_Gopal Biswas
    Gopal Biswas
    Newsagent নবদ্বীপ, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    15 hrs ago
  • সাংবাদিকদের মুখোমুখি তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ,২৫ লক্ষ টাকা সরকারি সহায়তা সঠিক বলে মন্তব্য।
    1
    সাংবাদিকদের মুখোমুখি তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ,২৫ লক্ষ টাকা সরকারি সহায়তা সঠিক বলে মন্তব্য।
    user_Jayanta Biswas
    Jayanta Biswas
    সাংবাদিক Krishnagar - I, Nadia•
    1 hr ago
  • কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। প্যান্ডেল অক্ষত রেখে, তার একাংশ কেটে প্রতিমা বার করা হয়। কোর্ট ও সিটের নির্দেশে, এই কার্যসম্পাদন করা হলো। সঙ্গে পদযাত্রায় ছিল কমিটির লোকজন, কালো ব্যাজ পরে মোমবাতি হাতে নিয়ে।....প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত সপ্তমীর দিনে এখানেই, পদপৃষ্ঠ হয়ে 19 জন দর্শনার্থী নিহত হয়, তার জন্য পূজা মন্ডপটি সিল করে দেয়া হয়েছিল, প্রশাসনের তরফে। সঙ্গে রইল প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার সংক্ষিপ্ত ভিডিও, যা সংগৃহীত। লেখনী ও ভিডিও-এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী। (অনলাইনে নিউজ মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)
    1
    কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়।
কলকাতার চোরবাগানের প্রতিমা আজ বিসর্জন দেওয়া হলো ; 40 জন কুলির সহায়তায়। প্যান্ডেল অক্ষত রেখে, তার একাংশ কেটে প্রতিমা বার করা হয়। কোর্ট ও সিটের নির্দেশে, এই কার্যসম্পাদন করা হলো। সঙ্গে পদযাত্রায় ছিল কমিটির লোকজন, কালো ব্যাজ পরে মোমবাতি হাতে নিয়ে।....প্রসঙ্গত উল্লেখ্য গত সপ্তমীর দিনে এখানেই, পদপৃষ্ঠ হয়ে 19 জন দর্শনার্থী নিহত হয়, তার জন্য পূজা মন্ডপটি সিল করে দেয়া হয়েছিল, প্রশাসনের তরফে। সঙ্গে রইল প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার সংক্ষিপ্ত ভিডিও, যা সংগৃহীত।
লেখনী ও ভিডিও-এডিটিং: অনুপম সরকার চক্রবর্তী।
(অনলাইনে নিউজ মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেবার জন্য, অথবা কোন সংবাদ প্রকাশের জন্য: হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন: +91-9832254656)
    user_Anupam Sarkar Chakraborty
    Anupam Sarkar Chakraborty
    Department of Social Services Krishnagar - I, Nadia•
    11 hrs ago
  • সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী | বাকরাহাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    1
    সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী | বাকরাহাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা
    user_NE Bangla Digital
    NE Bangla Digital
    Social Media Manager শান্তিপুর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    12 hrs ago
  • লক্ষ্ণী পুজোর সময়ে রবিবার বেশ কিছু ট্রেন বাতিল ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখায় ব্লকের পরে সময়সূচি জানতে সংশ্লিষ্ট স্টেশন ম্যানেজার এর সঙ্গে দেখা করে জেনে নিন কোন কোন ট্রেন বাতিল করা হচ্ছে সবার আগেই স্কাই বাংলা শুরু নিউজ এ দেখে নিন
    1
    লক্ষ্ণী পুজোর সময়ে
রবিবার  বেশ কিছু ট্রেন বাতিল 
ব্যান্ডেল কাটোয়া শাখায় 
ব্লকের পরে সময়সূচি  জানতে
সংশ্লিষ্ট  স্টেশন ম্যানেজার এর
সঙ্গে দেখা করে জেনে নিন
কোন কোন ট্রেন বাতিল  করা হচ্ছে সবার আগেই
স্কাই বাংলা  শুরু নিউজ 
এ দেখে নিন
    user_Chiranjib Chatterjee
    Chiranjib Chatterjee
    Newsagent বলাগড়, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো আউশগ্রামের বাহাদুরপুর আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে মহা ধুমধাম ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো। পুজোকে ঘিরে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। পুজোর আয়োজন, ভক্তদের সমাগম এবং আনন্দ-উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ভক্তি, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।
    1
    আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো

আউশগ্রামের বাহাদুরপুর 


আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে ধুমধাম করে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো
আউশগ্রামের বাহাদুরপুর মনোহরপুরে মহা ধুমধাম ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো দুর্গাপুজো। পুজোকে ঘিরে এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আবহ। পুজোর আয়োজন, ভক্তদের সমাগম এবং আনন্দ-উৎসবে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। ভক্তি, নিষ্ঠা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে দুর্গোৎসব হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত।
    user_Koushik Mondal
    Koushik Mondal
    মঙ্গলকোট, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিমবঙ্গ•
    19 hrs ago
  • রাস্তার উপর বালি-পাথর ও পাঠকাঠির স্তূপ! পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে সরানো হল অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী রাস্তা কি জ্বালানি রাখার জায়গা? মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার ধনিরামপুর থেকে দেবীপুর যাওয়ার রাস্তার দু'ধারে বালি, পাথর, আখের অবশিষ্টাংশ ও প্রচুর পাঠকাঠি রাস্তার উপর রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে রাস্তার উপর রাখা ওই সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাস্তার উপর বালি-পাথর ও পাঠকাঠির স্তূপ! পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে সরানো হল অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী রাস্তা কি জ্বালানি রাখার জায়গা? মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার ধনিরামপুর থেকে দেবীপুর যাওয়ার রাস্তার দু'ধারে বালি, পাথর, আখের অবশিষ্টাংশ ও প্রচুর পাঠকাঠি রাস্তার উপর রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে রাস্তার উপর রাখা ওই সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
    1
    রাস্তার উপর বালি-পাথর ও পাঠকাঠির স্তূপ! পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে সরানো হল অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী



রাস্তা কি জ্বালানি রাখার জায়গা? মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার ধনিরামপুর থেকে দেবীপুর যাওয়ার রাস্তার দু'ধারে বালি, পাথর, আখের অবশিষ্টাংশ ও প্রচুর পাঠকাঠি রাস্তার উপর রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়।

এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে রাস্তার উপর রাখা ওই সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
রাস্তার উপর বালি-পাথর ও পাঠকাঠির স্তূপ! পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে সরানো হল অবৈধভাবে রাখা সামগ্রী
রাস্তা কি জ্বালানি রাখার জায়গা? মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া থানার ধনিরামপুর থেকে দেবীপুর যাওয়ার রাস্তার দু'ধারে বালি, পাথর, আখের অবশিষ্টাংশ ও প্রচুর পাঠকাঠি রাস্তার উপর রাখা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে যান চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা তৈরি হয়।
এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে JCB দিয়ে রাস্তার উপর রাখা ওই সমস্ত সামগ্রী সরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা চলাচলের উপযোগী রাখতে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
    user_Krishna Kumar Das
    Krishna Kumar Das
    Newsagent নওদা, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ•
    11 hrs ago
  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে সুন্দরবনের মানুষের সার্বিক উন্নতিকল্পে বিশেষ জনপরিষেবা প্রদান কর্মসূচি | কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম, দঃ ২৪ পরগনা
    1
    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তরের উদ্যোগে সুন্দরবনের মানুষের সার্বিক উন্নতিকল্পে বিশেষ জনপরিষেবা প্রদান কর্মসূচি | কাকদ্বীপ স্টেডিয়াম, দঃ ২৪ পরগনা
    user_NE Bangla Digital
    NE Bangla Digital
    Social Media Manager শান্তিপুর, নদিয়া, পশ্চিমবঙ্গ•
    16 hrs ago
View latest news on Shuru App
Download_Android
  • Terms & Conditions
  • Career
  • Privacy Policy
  • Blogs
Shuru, a product of Close App Private Limited.