Shuru
Apke Nagar Ki App…
খোয়াইয়ের বিজেপি জেলা অফিসে আয়োজিত একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে উপস্থিত হয়েছেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় এবং ভগবান দাস। এই বৈঠকে অংশ নিতে তাঁদের সাথে বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরাও সেখানে এসে পৌঁছেছেন।
কালিদাস ভৌমিক
খোয়াইয়ের বিজেপি জেলা অফিসে আয়োজিত একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে উপস্থিত হয়েছেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় এবং ভগবান দাস। এই বৈঠকে অংশ নিতে তাঁদের সাথে বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরাও সেখানে এসে পৌঁছেছেন।
More news from Tripura and nearby areas
- খোয়াইয়ের বিজেপি জেলা অফিসে আয়োজিত একটি সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিতে উপস্থিত হয়েছেন বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় এবং ভগবান দাস। এই বৈঠকে অংশ নিতে তাঁদের সাথে বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্বরাও সেখানে এসে পৌঁছেছেন।3
- খোয়াইয়ের ঐতিহ্যবাহী শ্রীনাথ বিদ্যানিকেতন স্কুল প্রাঙ্গণে রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য জন্মশতবর্ষ উদযাপন কমিটির উদ্যোগে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই রক্তদান শিবিরে বিশেষ অতিথি এবং প্রধান আকর্ষণ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করেন এবং এই ধরনের মহৎ সামাজিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রীষ্মকালীন রক্তের সংকট মেটানোর লক্ষ্যেই এই শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। এই কর্মসূচিতে এলাকার যুবসমাজ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে এবং মোট ৩০ জন রক্তদাতা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসে রক্তদান করেছেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং তাঁদের উপস্থিতিতে গোটা কর্মসূচিটি এক ভিন্ন মাত্রা পায়। স্থানীয় সাংবাদিক ও এলাকাবাসীর যৌথ সহযোগিতায় এই সামাজিক প্রচেষ্টা সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কমিটির কর্মকর্তারা অত্যন্ত আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। খোয়াইয়ের মাটিতে এই কর্মসূচির মাধ্যমে মহতী সামাজিক দায়বদ্ধতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি হয়েছে।1
- রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী ও নাগরিকবান্ধব করে তুলতে রাজধানী আগরতলায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহার হাত ধরে রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে আগরতলা সিভিল হাসপাতালের পরিষেবা প্রদানের কাজ শুরু হয়েছে। আপাতত ৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালটিকে নিয়ে আগামী দিনে বড় পরিকল্পনা রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে এই হাসপাতালকে একটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।1
- help manusree choudhury help help help help help help help help help help help help help help help help help help help help help1
- হাঁপানিয়ার মনশ্রীর পর এবার ধলাই জেলার কমলপুরের ঈশিতা এসএমএ (SMA) রোগে আক্রান্ত হয়েছে। বর্তমানে তার চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানানো হয়েছে।1
- পশ্চিম ত্রিপুরায় সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে রক্তদান শিবির এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ত্রিপুরা প্রান্ত ও বজরং দল পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার। এছাড়াও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, বজরং দল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পদাধিকারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচিকে সফল করে তোলেন। এই কর্মসূচিতে বহু রক্তদাতা স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বৃক্ষরোপণও করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত সমাজসেবা, মানবকল্যাণ এবং পরিবেশ রক্ষার উদ্দেশ্যেই সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে এই ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।1
- শিক্ষাক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবিতে খোয়াইয়ের সুভাষ পার্কে একটি গণঅবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এসএফআই)। শনিবার আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীরা এসে উপস্থিত হন। এই গণঅবস্থান কর্মসূচি থেকে এসএফআই-এর পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তাদের এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে স্কুলে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা, শিক্ষার বেসরকারিকরণ বন্ধ করা এবং ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।4
- রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বছরের পর বছর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে হাজার হাজার স্পেশাল পুলিশ অফিসার বা এসপিওদের। এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়ে শুক্রবার রাজধানীর পুলিশের মহা নির্দেশক বা ডিজিপি দপ্তরে ১০ দফা দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করেছে অল ত্রিপুরা এসপিও পরিবারের কল্যাণ সংস্থা। সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতার বিনিময়ে দায়িত্ব পালন করে গেলেও আজ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি নিয়মিত করা হয়নি। এমনকি পুলিশের অন্যান্য কর্মীদের মতো প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকেও তাঁদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনের দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে ডিজিপির উদ্দেশ্যে ১০ দফা দাবিসংবলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। তবে সেদিন ডিজিপি দপ্তরে উপস্থিত না থাকায় তাঁর পরিবর্তে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন ডিআইজি (হেডকোয়ার্টার্স)। এসপিওদের চাকরি নিয়মিতকরণ, পুলিশের সমতুল্য বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা দূর করার দাবি জানানো হয়েছে এই স্মারকলিপিতে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইতিপূর্বে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তাই এবার দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে, অবিলম্বে এই দাবিগুলো পূরণ করা না হলে আগামী দিনে রাজ্যজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামতে বাধ্য হবেন এসপিওদের পরিবার ও সংগঠনের সদস্যরা।1