রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক বাজেট ঘোষণায় মুর্শিদাবাদ জেলাকে ভেঙে নতুন জঙ্গিপুর জেলা গঠনের প্রস্তাবে জঙ্গিপুর মহকুমা জুড়ে খুশির জোয়ার দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের বাঁধ ভেঙেছে। স্থানীয় বাসিন্দা রবিন চক্রবর্তী এই ঘোষণাকে 'অত্যন্ত আনন্দ এবং খুশির খবর' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, জঙ্গিপুর জেলা গঠনের দাবি তাদের দীর্ঘদিনের ছিল। পূর্বতন সরকার কিছু ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিলেও, প্রশাসনিক বা সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজ অসম্পূর্ণ ছিল। তবে বর্তমান নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় ৫০ দিনের মাথায় বাজেটে এই 'ঐতিহাসিক ঘোষণাটি' করেছে। রবিন চক্রবর্তী আরও যোগ করেন যে, এতদিন পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর হওয়ায় জঙ্গিপুরের বাসিন্দাদের যেকোনো সরকারি কাজের জন্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হতো। ডাক্তার দেখানো, ডিএম অফিসে যাওয়া বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজের জন্য সাধারণ মানুষকে চরম হয়রানি ও অতিরিক্ত খরচের সম্মুখীন হতে হতো। নতুন জেলা গঠিত হলে এই ভোগান্তি দূর হবে এবং মানুষ ঘরের কাছেই দ্রুত সরকারি পরিষেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক বাজেট ঘোষণায় মুর্শিদাবাদ জেলাকে ভেঙে নতুন জঙ্গিপুর জেলা গঠনের প্রস্তাবে জঙ্গিপুর মহকুমা জুড়ে খুশির জোয়ার দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দের বাঁধ ভেঙেছে। স্থানীয় বাসিন্দা রবিন চক্রবর্তী এই ঘোষণাকে 'অত্যন্ত আনন্দ এবং খুশির খবর' হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, জঙ্গিপুর জেলা গঠনের দাবি তাদের দীর্ঘদিনের ছিল। পূর্বতন সরকার কিছু ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিলেও, প্রশাসনিক বা সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজ অসম্পূর্ণ ছিল। তবে বর্তমান নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার প্রায় ৫০ দিনের মাথায় বাজেটে এই 'ঐতিহাসিক ঘোষণাটি' করেছে। রবিন চক্রবর্তী আরও যোগ করেন যে, এতদিন পর্যন্ত মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুর হওয়ায় জঙ্গিপুরের বাসিন্দাদের যেকোনো সরকারি কাজের জন্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হতো। ডাক্তার দেখানো, ডিএম অফিসে যাওয়া বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজের জন্য সাধারণ মানুষকে চরম হয়রানি ও অতিরিক্ত খরচের সম্মুখীন হতে হতো। নতুন জেলা গঠিত হলে এই ভোগান্তি দূর হবে এবং মানুষ ঘরের কাছেই দ্রুত সরকারি পরিষেবা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
- কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এই দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম চলছে, যা শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টির অধিকার খর্ব করছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে যে, মাত্র এক বালতি খিচুড়ি দিয়ে ১০০ জন ছাত্রের পেট ভরানো হচ্ছে। এছাড়াও, সরকারি চাল এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কর্মীদের বাড়িতে রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের চালে অসংখ্য কালো ও খারাপ পোকা দেখা গেছে, এবং এই পোকাযুক্ত চালই খিচুড়ির জন্য রান্না করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে জমি দানকারীদের পরিবার অবৈধভাবে বসবাস করছে বলেও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সকল অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অবগত করা হলেও, অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন যে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।1
- সোমবার মালদার বামনগোলা ব্লকে পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির নেতৃত্বে আইসিডিএস কর্মীরা একগুচ্ছ দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন। তাঁরা বামনগোলা সিডিপিও দপ্তরে বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছেন। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন সমিতির নেত্রী শিল্পা চক্রবর্তী, যিনি অভিযোগ করেছেন যে রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য দশ হাজার টাকা দিলেও, এখনও পর্যন্ত তাদের সিমকার্ড সরবরাহ করা হয়নি। এর ফলস্বরূপ, কর্মীরা ব্যক্তিগত সিমকার্ড ব্যবহার করে সরকারি অ্যাপে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন এবং মোবাইলের রিচার্জ খরচও তাদের নিজেদেরই বহন করতে হচ্ছে, যা তাঁরা আর করতে চান না। এই দাবীর পাশাপাশি, আইসিডিএস কর্মীরা প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।1
- সোমবার মালদার বামনগোলা ব্লকে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন আইসিডিএস কর্মীরা। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বামনগোলা সিডিপিও দপ্তরে বিক্ষোভ-ডেপুটেশন পালন করা হয়। পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির নেত্রী শিল্পা চক্রবর্তী এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য দশ হাজার টাকা করে দিলেও, এখনও পর্যন্ত তাদের সিমকার্ড সরবরাহ করেনি। এর ফলে কর্মীদের ব্যক্তিগত সিমকার্ড ব্যবহার করে সরকারি অ্যাপে কাজ করতে হচ্ছে, যা তারা করতে চান না। মোবাইল রিচার্জের জন্যও তাদের ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে হচ্ছে। এই সমস্যার পাশাপাশি আরও নানান দাবিতে আইসিডিএস কর্মীরা আন্দোলনে নেমেছেন, যেখানে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মোবাইল রিচার্জের জন্য দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে তারা সিডিপিও দপ্তরেই বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছেন।1
- একজন ব্যক্তি মোদিজির একটি নিয়মকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাদের মতে, এই নিয়মটি খুবই ভালো এবং এর ফলে চাচিদের কোনো অসুবিধা হবে না, বরং তাদের জন্য রেটটা বেশি হবে। এই ধরনের নিয়ম দেশের সামগ্রিক উন্নতিতে অনেক সাহায্য করবে বলেও ওই ব্যক্তি মনে করেন।1
- আজ কুর্মিটোলা জাতীয় কংগ্রেস কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন উপপ্রধান-সহ মোট আটজন কর্মী-সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসে যোগদান করেছেন। এই ঘটনা কুর্মিটোলা এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যোগদান কর্মসূচিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানান। এই অনুষ্ঠানে কংগ্রেস নেতা অর্ণব রায়-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। দলে যোগদানকারী সদস্যরা জানান যে, তাঁরা এলাকার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষা এবং মানুষের স্বার্থে কাজ করার উদ্দেশ্যেই কংগ্রেসের সঙ্গে পথচলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা ভবিষ্যতে দলের কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আশ্বাসও দেন। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, এই যোগদানের ফলে এলাকায় দলের সাংগঠনিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আন্দোলন ও জনসংযোগের কাজ আরও জোরদার করা সম্ভব হবে। এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই যোগদান ভবিষ্যতে এলাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, পঞ্চায়েত ও স্থানীয় স্তরের রাজনীতিতে এর প্রতিফলন দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কুর্মিটোলার এই রাজনৈতিক কর্মসূচি এলাকাবাসীর মধ্যেও যথেষ্ট আগ্রহের সৃষ্টি করেছে এবং আগামী দিনে এর প্রভাব কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল।1
- মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে যদুবংশের ধ্বংসের তুলনা টেনেছেন।1
- আজ গাজোল বিধানসভার অন্তর্গত শালাই ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপুর বুথের উস্তোর মৌজায় সর্বসাধারণের জন্য এনআরজিএস (NRGS) প্রকল্পের অধীনে পুকুর খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৫০৯ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। শুভ উদ্বোধনের এই অনুষ্ঠানে শালাই ডাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুভাষিনী মুর্মু, পঞ্চায়েত নিতাই সরকার, বিশিষ্ট সমাজসেবী মনোতোষ মন্ডল, পরিমল রায়, এবং বরুন চন্দ্র সরকার সহ আরও অনেক বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন।1
- সোমবার মালদার বামনগোলা ব্লকে একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন আইসিডিএস কর্মীরা। তাঁরা বামনগোলা সিডিপিও দপ্তরে একটি বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালন করছেন। পশ্চিমবঙ্গ আইসিডিএস কর্মী সমিতির নেত্রী শিল্পা চক্রবর্তী এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন যে, রাজ্য সরকার আইসিডিএস কর্মীদের মোবাইল কেনার জন্য দশ হাজার টাকা দিলেও, এখনও পর্যন্ত তাদের সিমকার্ড সরবরাহ করেনি। এর ফলস্বরূপ, কর্মীদের নিজেদের ব্যক্তিগত সিমকার্ড ব্যবহার করে সরকারি অ্যাপের কাজ সারতে হচ্ছে, যা তারা করতে ইচ্ছুক নন। এই পরিস্থিতি এবং মোবাইল রিচার্জ সংক্রান্ত নানান দাবিতে তাঁরা আন্দোলনে নেমেছেন, যেখানে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছে।1
- সাধারণ শ্রমিকের ছদ্মবেশে পাশের উত্তরবঙ্গ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোট মুর্শিদাবাদে প্রবেশের মুখে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে এক কারবারি। সোমবার এই ঘটনায় জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত শামসেরগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত কারবারির নাম বাদল শেখ, যার বাড়ি মালদা জেলার মোথাবাড়ি পূর্ব তফি গ্রামে। এই কারবারি উত্তরবঙ্গ করিডর থেকে মুর্শিদাবাদে জাল নোট পাচারের একটি নেটওয়ার্কের অংশ।1