কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এই দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম চলছে, যা শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টির অধিকার খর্ব করছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে যে, মাত্র এক বালতি খিচুড়ি দিয়ে ১০০ জন ছাত্রের পেট ভরানো হচ্ছে। এছাড়াও, সরকারি চাল এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কর্মীদের বাড়িতে রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের চালে অসংখ্য কালো ও খারাপ পোকা দেখা গেছে, এবং এই পোকাযুক্ত চালই খিচুড়ির জন্য রান্না করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে জমি দানকারীদের পরিবার অবৈধভাবে বসবাস করছে বলেও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সকল অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অবগত করা হলেও, অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন যে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এই দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম চলছে, যা শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টির অধিকার খর্ব করছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে যে, মাত্র এক বালতি খিচুড়ি দিয়ে ১০০ জন ছাত্রের পেট ভরানো হচ্ছে। এছাড়াও, সরকারি চাল এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কর্মীদের বাড়িতে রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের চালে অসংখ্য কালো ও খারাপ পোকা দেখা গেছে, এবং এই পোকাযুক্ত চালই খিচুড়ির জন্য রান্না করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে জমি দানকারীদের পরিবার অবৈধভাবে বসবাস করছে বলেও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সকল অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অবগত করা হলেও, অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন যে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
- কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্র ও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ, এই দুই প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়ম চলছে, যা শিশুদের শিক্ষা ও পুষ্টির অধিকার খর্ব করছে। অভিযোগগুলির মধ্যে রয়েছে যে, মাত্র এক বালতি খিচুড়ি দিয়ে ১০০ জন ছাত্রের পেট ভরানো হচ্ছে। এছাড়াও, সরকারি চাল এবং অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী কর্মীদের বাড়িতে রাখা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। কাজীপাড়া শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের চালে অসংখ্য কালো ও খারাপ পোকা দেখা গেছে, এবং এই পোকাযুক্ত চালই খিচুড়ির জন্য রান্না করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসাথে, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে জমি দানকারীদের পরিবার অবৈধভাবে বসবাস করছে বলেও প্রকাশ্যে এসেছে। এই সকল অনিয়মের বিষয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের অবগত করা হলেও, অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন যে এখনও পর্যন্ত কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।1
- এক তীব্র সমালোচনামূলক মন্তব্যে মহুয়া মিত্র বিদ্রোহী বিধায়কদের তুলোধুনো করেছেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে দাবি করেছেন যে মোট ২০ জন সাংসদ ‘পাপের ভয়’ এবং ‘টাকা খাওয়ার ভয়’—এই দুটি কারণে দল ত্যাগ করেছেন।1
- মদন মিত্র দল ও সংবিধানের প্রতি তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে তিনি নিজেকে কোনো 'পাহাড়' মনে করেন না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কেবল একজন কর্মী।1
- আশাকর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জন্য একটি বড় সুখবর ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁদের সাম্মানিক একধাক্কায় ₹৫০০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।1
- আজকের দিনের টপ খবর প্রকাশিত হয়েছে।3
- মালদার ইংলিশ বাজারের কৃষ্ণ পল্লীর কৃষ্ণ পার্কে একাদশ শ্রেণীর এক নাবালক ছাত্রের ওপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, টিউশন পড়তে যাওয়ার নাম করে তাদের ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এসে একদল সমাজ বিরোধী তাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। এই হামলায় ছাত্রের কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, কানের দুল, সোনার আংটি এবং নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সাধারণ মানুষের তত্পরতায় ওই স্কুল ছাত্রকে সমাজ বিরোধীদের হাত থেকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে, যেখানে তার চিকিৎসা চলছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ইংলিশ বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ছাত্রের পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত সমাজ বিরোধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।1
- সুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন যে, সিভিক ভলেন্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ কর্মীদের ঝাড়াই-বাছাই করা হবে। এই ঘোষণা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কার্যকারিতা ও যোগ্যতা পরীক্ষা করা হবে।1
- সাধারণ শ্রমিকের ছদ্মবেশে পাশের উত্তরবঙ্গ থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোট মুর্শিদাবাদে প্রবেশের মুখে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে এক কারবারি। সোমবার এই ঘটনায় জেলার জঙ্গিপুর মহকুমার অন্তর্গত শামসেরগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থল থেকেই ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত কারবারির নাম বাদল শেখ, যার বাড়ি মালদা জেলার মোথাবাড়ি পূর্ব তফি গ্রামে। এই কারবারি উত্তরবঙ্গ করিডর থেকে মুর্শিদাবাদে জাল নোট পাচারের একটি নেটওয়ার্কের অংশ।1