Shuru
Apke Nagar Ki App…
गलास या बोतल में पानी डालते समय गिरना आम समस्या है, लेकिन इसके पीछे साफ़ विज्ञान काम करता है। सही एंगल पर बर्तन झुकाने और ग्लास को पास रखने से हवा का गैप कम होता है, जिससे पानी की धार नियंत्रित रहती है। सतह तनाव और फ्लो रेट संतुलित होने पर पानी साफ़ तरीके से गिरता है। यह छोटा सा तरीका रोज़मर्रा की गंदगी से बचा सकता है। #ScienceHack #PhysicsTrick #LifeHacks #EverydayScience #FluidDynamics #SmartTips
द संक्षेप
गलास या बोतल में पानी डालते समय गिरना आम समस्या है, लेकिन इसके पीछे साफ़ विज्ञान काम करता है। सही एंगल पर बर्तन झुकाने और ग्लास को पास रखने से हवा का गैप कम होता है, जिससे पानी की धार नियंत्रित रहती है। सतह तनाव और फ्लो रेट संतुलित होने पर पानी साफ़ तरीके से गिरता है। यह छोटा सा तरीका रोज़मर्रा की गंदगी से बचा सकता है। #ScienceHack #PhysicsTrick #LifeHacks #EverydayScience #FluidDynamics #SmartTips
More news from Bankura and nearby areas
- गलास या बोतल में पानी डालते समय गिरना आम समस्या है, लेकिन इसके पीछे साफ़ विज्ञान काम करता है। सही एंगल पर बर्तन झुकाने और ग्लास को पास रखने से हवा का गैप कम होता है, जिससे पानी की धार नियंत्रित रहती है। सतह तनाव और फ्लो रेट संतुलित होने पर पानी साफ़ तरीके से गिरता है। यह छोटा सा तरीका रोज़मर्रा की गंदगी से बचा सकता है। #ScienceHack #PhysicsTrick #LifeHacks #EverydayScience #FluidDynamics #SmartTips1
- প্রতিযোগিতার কঠোর মঞ্চ নয়, বরং তাঁর সহজাত নেতৃত্ব দানের সুললিত প্রতিভাই তাঁকে বারে বারেই তুলে এনেছে পাদপ্রদীপের আলোয়। সুদক্ষ আইনজীবী হিসেবে পরপর মাইল ফলক ছুঁয়ে যাওয়া তরুণ এই অমায়িক হাস্যময় ব্যক্তিটি পশ্চিম বর্ধমান জেলায় ইতিমধ্যেই তাঁর ধারালো প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন।সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষিপ্রতা ও গভীর বিচক্ষণতা বোধই তাঁকে এনে দিয়েছে নেতৃত্ব দানের এক বিস্ময়কর শক্তি। সদা হাস্যময় এই মানুষটির নাম 'সঞ্জীব কুন্ডু'। সর্বসম্মতিক্রমে এবং সর্বোচ্চ অধিনায়িকার আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে এ বছরও তিনি পশ্চিম বর্ধমান জেলা মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।বয়সে তরুণ হলেও অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ এই আইনজীবী 'অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি মমতা বালা ঠাকুরের অত্যন্ত স্নেহভাজন। তাঁর ওপর জেলা সভাপতির দায়িত্ব অর্পণ করে মমতা বালা দেবী যদিও অত্যন্ত খুশি। পরম নিশ্চিন্তেই তাঁর সংগঠন প্রসারণের দায়িত্ব তিনি সঞ্জীব বাবুর উপর অর্পণ করেছেন। এবং মমতা বালা দেবীর সেই আশীর্বাদকে পাথেয় করেই সঞ্জীববাবু তাঁর সংগঠনকে এক সম্মানজনক উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছেন বিগত দিনগুলিতে। গত বছর নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনেও সভাপতি পদে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন সঞ্জীব বাবু। এত কম বয়সে সভাপতির মত ওজনদার পদে বিপুল জয় পাওয়া তাঁর জীবনের আরও এক মাইল ফলক ছুঁয়ে যাওয়া। দুর্গাপুর আদালতের বার অ্যাসোসিয়েশন' এর সকল আইনজীবী বন্ধুদের জন্য ইতিমধ্যেই তিনি বেশ কিছু উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডও শুরু করেছেন যা তাঁকে এনে দিয়েছে বাড়তি সম্ভ্রম এবং মর্যাদা। সঞ্জীব বাবু বলেন, অন্য কারো সাথে নয়, প্রতি মুহূর্তে তিনি তাঁর নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করেন। তাঁর কাজের মূল্যায়ন করেন, এবং সেই প্রেরণাতেই তিনি সামনের পথ এগিয়ে চলেন। দ্বিতীয়বারের জন্য পশ্চিম বর্ধমান জেলা মতুয়া মহাসংঘের সভাপতি পদে দায়িত্ব পাওয়ার পর সঞ্জীবাবু বলেন, চলতি বছরেই এ রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগেই তিনি সমগ্র জেলার মতুয়া ভাই-বোনদের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন। সংগঠনের উন্নয়নের জন্য তিনি একনিষ্ঠ ভাবে লড়াই করে যাওয়ার সংকল্পে ব্রতী হয়েছেন। তিনি বলেন, তাঁর সংগঠনের যেসব ভাই-বোনেরা এখনো সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছেন, তাঁদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য তিনি সব রকম ভাবে প্রয়াসী হবেন। দ্বিতীয়বারের জন্য সঞ্জীব বাবু অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের বর্ধমান জেলার সর্বোচ্চ সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ায় তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ জানিয়েছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, জেলা তৃণমূল সভাপতি ও পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সহ সমাজের বিভিন্ন অংশের অসংখ্য মানুষ। অগণিত শুভানুধ্যায়ী মানুষের আশীর্বাদ পাথেও করে এক নতুন চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়েই এখন থেকেই তিনি আগামীর পথ পাড়ি দিতে চান বলে জানালেন সদ্য নির্বাচিত জেলা সভাপতি সঞ্জীব কুন্ডু।2
- RANIGANJ : रानीगंज में गूँजा 'वीर संन्यासी' का जयघोष: स्वामी विवेकानंद की 164वीं जयंती पर निकाली गई भव्य शोभायात्रा REPORT : Faizan Siddiqui #Asansol #asansoltoday #RaniganjNews #RaniganjCity #asansolnews #asansolcityofbrotherhood #asansolcity #Raniganj #raniganjbazar #RaniganjVidhansabha1
- स्वामी विवेकानंद की 164वीं जयंती के अवसर पर निकाली गई बाइक रैली आसनसोल : स्वामी विवेकानंद की 164वीं जयंती के अवसर पर आसनसोल के विशिष्ट समाजसेवी कृष्णा प्रसाद की तरफ से मां घाघरबूढ़ी मंदिर प्रांगण से एक बाइक रैली निकाली गई। यह बाइक रैली काली पहाड़ी आसनसोल जीटी रोड होते हुए आसनसोल रामकृष्ण मिशन तक गई। इसमें बड़ी संख्या में स्थानीय निवासी उपस्थित थे। जिन्होंने हाथों में तिरंगा और बजरंगबली का झंडा धाम रखा था। सबसे पहले कृष्णा प्रसाद ने मां घाघर बुड़ी मंदिर में पूजा अर्चना कर कार्यक्रम की शुरुआत की। इस मौके पर उनके साथ बड़ी संख्या में स्थानीय निवासी उपस्थित थे। इसके उपरांत उन्होंने बाइक रैली की शुरुआत की। इस बारे में कृष्णा प्रसाद ने बताया क्या आज भारत के महान सपूतों में से एक स्वामी विवेकानंद की जयंती है। स्वामी विवेकानंद वह व्यक्ति हैं, जिन्होंने भारत से के आध्यात्मिक धरोहर को विश्व के सामने प्रस्तुत किया था। शिकागो धर्म महासम्मेलन में स्वामी विवेकानंद ने जो भाषण दिया था उसे पूरा विश्व आज भी नहीं भूल है और ना कभी भूल पाएगा। यही वह समय था जिसमें पूरी दुनिया को यह दिखा दिया कि भारत की असली ताकत क्या है। स्वामी विवेकानंद ने हमेशा धार्मिक भेदभाव और जातिगत दूरियों को मिटाने की बात कही थी और आज के परिपेक्ष में स्वामी विवेकानंद की प्रासंगिकता और बढ़ जाती है किसी को ध्यान में रखते हुए और नई पीढ़ी तक स्वामी विवेकानंद की वाणी को पहुंचाने के लिए आज उन्होंने इस बाइक रैली का आयोजन किया है ताकि लोग स्वामी विवेकानंद को जाने पहचाने और उनके आदर्शों पर चलने का प्रयास करें।1
- " যুব দিবসে " বার্নপুরের সাঁওতাল পাড়ায় " ইওর অর্গানাইজেশন" / বাঁদনা পরবের আগে মহিলাদের উপহার........... বার্নপুর, ১২ জানুয়ারিঃ সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মানুষজনদের সর্বশ্রেষ্ঠ পবিত্র উৎসব হলো " বাঁদনা পরব" । এই পরব উপলক্ষে প্রতিবারের মত এইবছরও সামাজিক সংগঠন " ইওর অর্গানাইজেশনে" র তরফ থেকে সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের হিরাপুর থানার বার্নপুরে শ্যামডিহি সাঁওতাল পাড়ায় ৮৯ জন মহিলাকে নতুন শাড়ি দেওয়া হল। একদিকে, পরবের আগে উপহার পেয়ে মুখের হাসির ঝলক, অন্যদিকে, ধামসা মাদলের তালে তাল মিলিয়ে নৃত্যের সাথে সংগঠনের মহিলা সদস্যদের পা মেলানো এক অপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি করে দামোদর নদের ধারে এই ছায়াবৃত প্রান্তিক অঞ্চলে। এই নতুন শাড়ি দেওয়ার ব্যয়ভার সমস্তটাই বহন করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের চিফ পেট্রোন ডাঃ মহাদেব মাজি। এছাড়া ছিলেন ডাঃ ধারা মাজি, শিক্ষক বিশ্বনাথ মিত্র, শিক্ষিকা সুনন্দা পাল দত্ত, শিক্ষক সন্দীপ মুখোপাধ্যায় , শিক্ষক সৌরভ লায়েক, অতনু চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ দাস, সঙ্গীতশিল্পী সংঘমিত্রা মুখোপাধ্যায়, শিক্ষিকা প্রগতি মন্ডল ও প্রাক্তন শিক্ষক জে কে পট্টনায়ক। এদিনের এই অনুষ্ঠান নিয়ে সূদুর আমেরিকা থেকে প্রবাসী বাঙালি দেবযানী সরকার বলেন, প্রতিবছর বাঁদনা পরবের সময়, ঐ এলাকার মহিলাদের আমরা শাড়ি দিয়ে থাকি। আগামী দিনেও ওদের পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করবো। ইওর অর্গানাইজেশনের আর এক অন্যতম সদস্যা কলকাতা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডাঃ ধারা মাজি বলেন, বাঁদনা পরবে ওদের আনন্দে আমরা শরিক হতে পেরেছি, এটাই আমাদের পরম প্রাপ্তি। শিক্ষিক সৌরভ লায়েক বলেন, ইওর অর্গানাইজেশনের কাছে সাঁওতালদের এই পরব দুর্গাপুজোর মতো গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষিকা ও আবৃত্তিকার সুনন্দা পাল দত্ত বলেন, এই এলাকায় আমরা দুর্গাপুজোর সময়েও সমস্ত ছোট বড় বাচ্চাকে নতুন পোশাক দিয়ে থাকি। সন্দীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ সারা ভারত ঘুরে প্রত্যক্ষ করেছিলেন যে মানুষের মধ্যে দেবত্বের রূপ আছে। তাদের দুঃখ যন্ত্রণাও আছে। সেই মহাপুরুষের জন্ম তিথিতে আমরা শ্যামডিহি সাঁওতাল পাড়ার মতো সুযোগবঞ্চিত জনজাতির আনন্দে একাত্ম হতে পেরেছি, এটাই সবচেয়ে বড় সৌভাগ্যর বিষয়। রেস্টুরেন্ট-ব্যবসায়ী অতনু চক্রবর্তী বলেন, এই সাঁওতাল পাড়ার মানুষেরা আমাদের সংগঠনকে যেরকম ভালোবাসেন, তার তুলনায় আমরা তেমন কিছুই করতে পারি না। বিশ্বনাথ মিত্রর মতে, প্রতিবছর একদিকে এই সরল জনজাতির মহিলাদের সাঁওতালি নাচ ও পুরুষদের বাদ্যযন্ত্রের দ্রিমি দ্রিমি আওয়াজ, অন্যদিকে, ওদের জন্য আমাদের এই সামান্য উপহার এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি করে। স্বাভাবিক ভাবেই পরবের আগে একটা উপহার পেয়ে খুবই খুশি সাতমনি হাঁসদা, মঙ্গলি হেমব্রম, মঞ্জু হাঁসদা, বিন্দা সোরেন, সোনামনি মুর্মু ও মালতী মুর্মুরা। তারা বলেন, এই মানুষগুলো সময়ে সময়ে আমাদের কাছে আসেন, খোঁজ খবর এটাই অনেক। তার সঙ্গে উপহার তো বাড়তি পাওনা।1
- স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর তুলনা সৌমিত্র খাঁর1
- বি পি আই গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও স্বামীজীর বিশেষ পুজো পাঠ ও মহা ভোগের মধ্য দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪ তম জন্মদিন পালন করা হলো স্বামী বিবেকানন্দ ১২ জানুয়ারি ১৮৬৩ জন্মগ্রহণ করেন জন্মনাম নরেন্দ্রনাথ দত্ত তিনি ছিলেন একজন হিন্দু সন্ন্যাসী, দার্শনিক, লেখক, সংগীতজ্ঞ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর ভারতীয় অতীন্দ্রিয়বাদী রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য। তাঁর পূর্বাশ্রমের নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে হিন্দুধর্ম তথা ভারতীয় বেদান্ত ও যোগ দর্শনের প্রচারে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে বিভিন্ন ধর্মমতের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক স্থাপন এবং হিন্দুধর্মকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্ম হিসেবে প্রচার করার কৃতিত্ব স্বামী বিবেকানন্দের। ভারতে হিন্দু পুনর্জাগরণের তিনি ছিলেন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব। সেই সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতে তিনি ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ধারণাটি প্রবর্তন করেন।বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোয় বিশ্ব ধর্ম মহাসভায় প্রদত্ত চিকাগো বক্তৃতা, যার মাধ্যমেই তিনি পাশ্চাত্য সমাজে প্রথম হিন্দুধর্ম প্রচার করেন। সেই স্বামী বিবেকানন্দের আজ ১৬৪ তম জন্মজয়ন্তী। গৌরবের ও মর্যাদার সাথে বিষ্ণুপুর বি পি আই গ্লোবাল ফাউন্ডেশন তার জন্মজয়ন্তী পালন করলেন। সকালেই গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের সকল ছাত্রছাত্রী শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পার্শ্ববর্তী গ্রামের মানুষজনের উপস্থিতিতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করা হয়। সাথে চলে বিবেকানন্দের ভক্তিমূলক গান এবং তার বাণী প্রচার । এরপরেই বিষ্ণুপুর বন কামারপুকুর সংলগ্ন মাঠে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিশিষ্ট অতিথিদের মূল্যবান বক্তব্য এবং স্বামীজীর বিশেষ পুজোপাঠ ও সব শেষে এলাকার কয়েক হাজার মানুষকে নিয়ে মহা ভোগের মধ্য দিয়ে স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম জয়ন্তী পালন করা হয়।1
- সুপার স্পেশালিটি ধাঁচে এগোচ্ছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল। জুড়লো আরো একটি নয়া পরিষেবা। পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার মধ্যে এই প্রথম দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চালু হচ্ছে অত্যাধুনিক ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিট। চার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তহবিল থেকে। সোমবার দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের ব্লাড সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার ও রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কবি দত্ত। উপস্থিত ছিলেন মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডা. ধীমান মন্ডল সহ চিকিৎসকরা। মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, "দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে বছরে দশ হাজার ইউনিটের বেশি রক্ত সংগ্রহ হয়। ব্লাড কম্পনেন্ট সেপারসেন ইউনিট না থাকার জন্য অনেক রক্ত নষ্ট হয়ে যায়।এই ইউনিট চালু হলে দুর্গাপুর সহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার রোগীরা আরও উন্নত ও আধুনিক রক্ত পরিষেবা পাবেন। এই ব্লাড কম্পোনেন্ট সেপারেশন ইউনিটে এক ইউনিট রক্তকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে ভাগ করা হবে। রক্ত থেকে রেড সেল, প্লাজমা ও প্লেটলেট আলাদা করে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা সম্ভব হবে। এর ফলে এক ব্যাগ রক্ত থেকেই একাধিক রোগী উপকৃত হতে পারবেন। রেড সেল ব্যবহার করা হবে রক্তাল্পতা, দুর্ঘটনা ও অস্ত্রোপচারের রোগীদের চিকিৎসায়। প্লাজমা কাজে লাগবে জন্ডিস, লিভারের সমস্যা, পোড়া রোগী ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে প্লেটলেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ডেঙ্গু আক্রান্ত, ক্যান্সারের চিকিৎসাধীন ও গুরুতর সংক্রমণে ভোগা রোগীদের জন্য। প্রয়োজনে এই ইউনিটে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যায় ব্যবহৃত ক্রায়োপ্রেসিপিটেটও প্রস্তুত করা যাবে। এই ইউনিট চালু হওয়ায় রক্তের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে। অপচয় কমবে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট রক্ত উপাদান দ্রুত সরবরাহ করা সম্ভব হবে।" স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের এই উদ্যোগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান তথা রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান কবি দত্ত বলেন,"রাজ্যের মধ্যে অন্যতম হাসপাতালে পরিণত হচ্ছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল। মহকুমা হাসপাতলে এইরকম পরিষেবা খুব কম হাসপাতালেই পাওয়া যায়। বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকে টেক্কা দিয়ে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে সরকারি হাসপাতাল।"1