*দিলীপ ঘোষ* ১) শ্যামবাজারে চোর স্লোগান মমতা ব্যানার্জীকে। মমতা ব্যানার্জি নেতাজি কে নেতাজি বানিয়েছেন! দিল্লির বুকে নেতাজির মূর্তি স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিশ্বে নেতাজি কে পৌঁছে দিয়েছেন মোদী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির নাম নিয়ে রাজনীতি করেছেন। হঠাৎ দেশপ্রেমিক হতে গেছিলেন মমতা। ডজন ডজন লোককে খুন করা হয়েছিল। উনি কারুর বাড়ি জাননি। হঠাৎ সমবেদনা দেখাচ্ছেন। পাবলিক এইসব হজম করতে পারছে না। চোর শুনতে হবেই। পুরো পার্টি চোর। ওনার নেতৃত্বেই চোরেরা বড় হয়েছে। কেউ যদি জয় শ্রী রাম বলত উনি জেলে ভরে দিতেন। এখন চোর শুনতে কেমন লাগছে! প্রাক্তন সাংসদ বিধায়করা জেলে গেছেন। ওনার অনুপ্রেরণায় চুরি হয়েছে। এখন যদি কেউ চোর বলে শুনে নিন একটু। নিজের সহ্য ক্ষমতা বাড়ান। মানুষের মুখ কে বন্ধ করতে পারে? হাজার হাজার কোটি চুরি হয়েছে রাজ্যে। চোর কে? উনিই তো চোরের রাণী। আমি বলছি না। এটা কুণাল ঘোষ বলেছিলেন। আজ যদি পাবলিক সেটা বলে তাহলে ভুল কোথায়? ২) দেবরাজের সম্পত্তি ১০০ কোটি। বাঙালির যে এতো টাকা এটা আগে আমরা কোনোদিন শুনিনি। বড় শিল্পপতি মাড়োয়ারি তারা কোটি কোটি টাকার মালিক সেটা জানতাম। বাঙালি কিছু না করেই কোটি কোটি টাকার মালিক এই চমৎকার ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটিয়েছিলেন। তার দলের বেশিরভাগ নেতা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কেষ্ট মণ্ডল কোনোদিন একটা পঞ্চায়েত প্রধান হননি সেও ৬০০ কোটির মালিক। সেই জেলায় আরেকজন নেতা সম্প্রতি দেখা গেল সাড়ে ৩০০ কোটির মালিক। এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্বীকার করতে পারবেন? এই কারণেই তো আজ মমতা কে এইসব স্লোগান শুনতে হচ্ছে। ৩) টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ। পাওয়া যাচ্ছে না। বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ ইস্যু হয়েছে। ৪) পানিহাটি কাণ্ডে শ্মশান পর্যন্ত গ্রীন করিডোর। বেপাত্তা নির্মল ঘোষ। কতটা অমানবিক ব্যাপার ভাবুন। আজ কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে এবং জুতো চপ্পল খেতে হচ্ছে। এক মহিলা ডাক্তার। ৩৬ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন। তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হল। তারপর সেই দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করার জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান গ্রিন করিডোর তৈরি হল। বাবা মাকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। নান্টু ঘোষ হয়ে গেল অভিভাবক। সেই সমস্ত সইসাবুদ করে দিল! মমতা ব্যানার্জি নিজে এইসব করিয়েছেন। সবে শুরু হয়েছে। সবে ট্রেলার দেখছেন। ওনাকে আরও অনেক কিছু সহ্য করতে হবে। ৫) এসএসসি নিয়ে এবার কমিটিতে সামিল রামকৃষ্ণ মিশনের ৩ সন্যাসী। ওদের যে স্কুল কলেজ চলে সেটা যেকোনো স্কুল কলেজের থেকে ভালো। একসময় মিশনারিরা স্কুল কলেজ চালাতো। এখন রামকৃষ্ণ মিশন যাদের শিক্ষকরা সাধুর বেশে তপস্বী এবং শিক্ষাব্রতি তারা কমিটিতে এলেন। এরা কোনো দলে নেই। কোনো দুর্নীতিতে নেই। *দিলীপ ঘোষ* ১) শ্যামবাজারে চোর স্লোগান মমতা ব্যানার্জীকে। মমতা ব্যানার্জি নেতাজি কে নেতাজি বানিয়েছেন! দিল্লির বুকে নেতাজির মূর্তি স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিশ্বে নেতাজি কে পৌঁছে দিয়েছেন মোদী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির নাম নিয়ে রাজনীতি করেছেন। হঠাৎ দেশপ্রেমিক হতে গেছিলেন মমতা। ডজন ডজন লোককে খুন করা হয়েছিল। উনি কারুর বাড়ি জাননি। হঠাৎ সমবেদনা দেখাচ্ছেন। পাবলিক এইসব হজম করতে পারছে না। চোর শুনতে হবেই। পুরো পার্টি চোর। ওনার নেতৃত্বেই চোরেরা বড় হয়েছে। কেউ যদি জয় শ্রী রাম বলত উনি জেলে ভরে দিতেন। এখন চোর শুনতে কেমন লাগছে! প্রাক্তন সাংসদ বিধায়করা জেলে গেছেন। ওনার অনুপ্রেরণায় চুরি হয়েছে। এখন যদি কেউ চোর বলে শুনে নিন একটু। নিজের সহ্য ক্ষমতা বাড়ান। মানুষের মুখ কে বন্ধ করতে পারে? হাজার হাজার কোটি চুরি হয়েছে রাজ্যে। চোর কে? উনিই তো চোরের রাণী। আমি বলছি না। এটা কুণাল ঘোষ বলেছিলেন। আজ যদি পাবলিক সেটা বলে তাহলে ভুল কোথায়? ২) দেবরাজের সম্পত্তি ১০০ কোটি। বাঙালির যে এতো টাকা এটা আগে আমরা কোনোদিন শুনিনি। বড় শিল্পপতি মাড়োয়ারি তারা কোটি কোটি টাকার মালিক সেটা জানতাম। বাঙালি কিছু না করেই কোটি কোটি টাকার মালিক এই চমৎকার ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটিয়েছিলেন। তার দলের বেশিরভাগ নেতা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কেষ্ট মণ্ডল কোনোদিন একটা পঞ্চায়েত প্রধান হননি সেও ৬০০ কোটির মালিক। সেই জেলায় আরেকজন নেতা সম্প্রতি দেখা গেল সাড়ে ৩০০ কোটির মালিক। এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্বীকার করতে পারবেন? এই কারণেই তো আজ মমতা কে এইসব স্লোগান শুনতে হচ্ছে। ৩) টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ। পাওয়া যাচ্ছে না। বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ ইস্যু হয়েছে। ৪) পানিহাটি কাণ্ডে শ্মশান পর্যন্ত গ্রীন করিডোর। বেপাত্তা নির্মল ঘোষ। কতটা অমানবিক ব্যাপার ভাবুন। আজ কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে এবং জুতো চপ্পল খেতে হচ্ছে। এক মহিলা ডাক্তার। ৩৬ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন। তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হল। তারপর সেই দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করার জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান গ্রিন করিডোর তৈরি হল। বাবা মাকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। নান্টু ঘোষ হয়ে গেল অভিভাবক। সেই সমস্ত সইসাবুদ করে দিল! মমতা ব্যানার্জি নিজে এইসব করিয়েছেন। সবে শুরু হয়েছে। সবে ট্রেলার দেখছেন। ওনাকে আরও অনেক কিছু সহ্য করতে হবে। ৫) এসএসসি নিয়ে এবার কমিটিতে সামিল রামকৃষ্ণ মিশনের ৩ সন্যাসী। ওদের যে স্কুল কলেজ চলে সেটা যেকোনো স্কুল কলেজের থেকে ভালো। একসময় মিশনারিরা স্কুল কলেজ চালাতো। এখন রামকৃষ্ণ মিশন যাদের শিক্ষকরা সাধুর বেশে তপস্বী এবং শিক্ষাব্রতি তারা কমিটিতে এলেন। এরা কোনো দলে নেই। কোনো দুর্নীতিতে নেই।
*দিলীপ ঘোষ* ১) শ্যামবাজারে চোর স্লোগান মমতা ব্যানার্জীকে। মমতা ব্যানার্জি নেতাজি কে নেতাজি বানিয়েছেন! দিল্লির বুকে নেতাজির মূর্তি স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিশ্বে নেতাজি কে পৌঁছে দিয়েছেন মোদী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির নাম নিয়ে রাজনীতি করেছেন। হঠাৎ দেশপ্রেমিক হতে গেছিলেন মমতা। ডজন ডজন লোককে খুন করা হয়েছিল। উনি কারুর বাড়ি জাননি। হঠাৎ সমবেদনা দেখাচ্ছেন। পাবলিক এইসব হজম করতে পারছে না। চোর শুনতে হবেই। পুরো পার্টি চোর। ওনার নেতৃত্বেই চোরেরা বড় হয়েছে। কেউ যদি জয় শ্রী রাম বলত উনি জেলে ভরে দিতেন। এখন চোর শুনতে কেমন লাগছে! প্রাক্তন সাংসদ বিধায়করা জেলে গেছেন। ওনার অনুপ্রেরণায় চুরি হয়েছে। এখন যদি কেউ চোর বলে শুনে নিন একটু। নিজের সহ্য ক্ষমতা বাড়ান। মানুষের মুখ কে বন্ধ করতে পারে? হাজার হাজার কোটি চুরি হয়েছে রাজ্যে। চোর কে? উনিই তো চোরের রাণী। আমি বলছি না। এটা কুণাল ঘোষ বলেছিলেন। আজ যদি পাবলিক সেটা বলে তাহলে ভুল কোথায়? ২) দেবরাজের সম্পত্তি ১০০ কোটি। বাঙালির যে এতো টাকা এটা আগে আমরা কোনোদিন শুনিনি। বড় শিল্পপতি মাড়োয়ারি তারা কোটি কোটি টাকার মালিক সেটা জানতাম। বাঙালি কিছু না করেই কোটি কোটি টাকার মালিক এই চমৎকার ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটিয়েছিলেন। তার দলের বেশিরভাগ নেতা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কেষ্ট মণ্ডল কোনোদিন একটা পঞ্চায়েত প্রধান হননি সেও ৬০০ কোটির মালিক। সেই জেলায় আরেকজন নেতা সম্প্রতি দেখা গেল সাড়ে ৩০০ কোটির মালিক। এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্বীকার করতে পারবেন? এই কারণেই তো আজ মমতা কে এইসব স্লোগান শুনতে হচ্ছে। ৩) টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ। পাওয়া যাচ্ছে না। বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ ইস্যু হয়েছে। ৪) পানিহাটি কাণ্ডে শ্মশান পর্যন্ত গ্রীন করিডোর। বেপাত্তা নির্মল ঘোষ। কতটা অমানবিক ব্যাপার ভাবুন। আজ কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে এবং জুতো চপ্পল খেতে হচ্ছে। এক মহিলা ডাক্তার। ৩৬ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন। তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হল। তারপর সেই দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করার জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান গ্রিন করিডোর তৈরি হল। বাবা মাকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। নান্টু ঘোষ হয়ে গেল অভিভাবক। সেই সমস্ত সইসাবুদ করে দিল! মমতা ব্যানার্জি নিজে এইসব করিয়েছেন। সবে শুরু হয়েছে। সবে ট্রেলার দেখছেন। ওনাকে আরও অনেক কিছু সহ্য করতে হবে। ৫) এসএসসি নিয়ে এবার কমিটিতে সামিল রামকৃষ্ণ মিশনের ৩ সন্যাসী। ওদের যে স্কুল কলেজ চলে সেটা যেকোনো স্কুল কলেজের থেকে ভালো। একসময় মিশনারিরা স্কুল কলেজ চালাতো। এখন রামকৃষ্ণ মিশন যাদের শিক্ষকরা সাধুর বেশে তপস্বী এবং শিক্ষাব্রতি তারা কমিটিতে এলেন। এরা কোনো দলে নেই। কোনো দুর্নীতিতে নেই। *দিলীপ ঘোষ* ১) শ্যামবাজারে চোর স্লোগান মমতা ব্যানার্জীকে। মমতা ব্যানার্জি নেতাজি কে নেতাজি বানিয়েছেন! দিল্লির বুকে নেতাজির মূর্তি স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিশ্বে নেতাজি কে পৌঁছে দিয়েছেন মোদী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির নাম নিয়ে রাজনীতি করেছেন। হঠাৎ দেশপ্রেমিক হতে গেছিলেন মমতা। ডজন ডজন লোককে খুন করা হয়েছিল। উনি কারুর বাড়ি জাননি। হঠাৎ সমবেদনা দেখাচ্ছেন। পাবলিক এইসব হজম করতে পারছে না। চোর শুনতে হবেই। পুরো পার্টি চোর। ওনার নেতৃত্বেই চোরেরা বড় হয়েছে। কেউ যদি জয় শ্রী রাম বলত উনি জেলে ভরে দিতেন। এখন চোর শুনতে কেমন লাগছে! প্রাক্তন সাংসদ বিধায়করা জেলে গেছেন। ওনার অনুপ্রেরণায় চুরি হয়েছে। এখন যদি কেউ চোর বলে শুনে নিন একটু। নিজের সহ্য ক্ষমতা বাড়ান। মানুষের মুখ কে বন্ধ করতে পারে? হাজার হাজার কোটি চুরি হয়েছে রাজ্যে। চোর কে? উনিই তো চোরের রাণী। আমি বলছি না। এটা কুণাল ঘোষ বলেছিলেন। আজ যদি পাবলিক সেটা বলে তাহলে ভুল কোথায়? ২) দেবরাজের সম্পত্তি ১০০ কোটি। বাঙালির যে এতো টাকা এটা আগে আমরা কোনোদিন শুনিনি। বড় শিল্পপতি মাড়োয়ারি তারা কোটি কোটি টাকার মালিক সেটা জানতাম। বাঙালি কিছু না করেই কোটি কোটি টাকার মালিক এই চমৎকার ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটিয়েছিলেন। তার দলের বেশিরভাগ নেতা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কেষ্ট মণ্ডল কোনোদিন একটা পঞ্চায়েত প্রধান হননি সেও ৬০০ কোটির মালিক। সেই জেলায় আরেকজন নেতা সম্প্রতি দেখা গেল সাড়ে ৩০০ কোটির মালিক। এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্বীকার করতে পারবেন? এই কারণেই তো আজ মমতা কে এইসব স্লোগান শুনতে হচ্ছে। ৩) টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ। পাওয়া যাচ্ছে না। বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ ইস্যু হয়েছে। ৪) পানিহাটি কাণ্ডে শ্মশান পর্যন্ত গ্রীন করিডোর। বেপাত্তা নির্মল ঘোষ। কতটা অমানবিক ব্যাপার ভাবুন। আজ কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে এবং জুতো চপ্পল খেতে হচ্ছে। এক মহিলা ডাক্তার। ৩৬ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন। তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হল। তারপর সেই দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করার জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান গ্রিন করিডোর তৈরি হল। বাবা মাকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। নান্টু ঘোষ হয়ে গেল অভিভাবক। সেই সমস্ত সইসাবুদ করে দিল! মমতা ব্যানার্জি নিজে এইসব করিয়েছেন। সবে শুরু হয়েছে। সবে ট্রেলার দেখছেন। ওনাকে আরও অনেক কিছু সহ্য করতে হবে। ৫) এসএসসি নিয়ে এবার কমিটিতে সামিল রামকৃষ্ণ মিশনের ৩ সন্যাসী। ওদের যে স্কুল কলেজ চলে সেটা যেকোনো স্কুল কলেজের থেকে ভালো। একসময় মিশনারিরা স্কুল কলেজ চালাতো। এখন রামকৃষ্ণ মিশন যাদের শিক্ষকরা সাধুর বেশে তপস্বী এবং শিক্ষাব্রতি তারা কমিটিতে এলেন। এরা কোনো দলে নেই। কোনো দুর্নীতিতে নেই।
- *দিলীপ ঘোষ* ১) শ্যামবাজারে চোর স্লোগান মমতা ব্যানার্জীকে। মমতা ব্যানার্জি নেতাজি কে নেতাজি বানিয়েছেন! দিল্লির বুকে নেতাজির মূর্তি স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিশ্বে নেতাজি কে পৌঁছে দিয়েছেন মোদী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির নাম নিয়ে রাজনীতি করেছেন। হঠাৎ দেশপ্রেমিক হতে গেছিলেন মমতা। ডজন ডজন লোককে খুন করা হয়েছিল। উনি কারুর বাড়ি জাননি। হঠাৎ সমবেদনা দেখাচ্ছেন। পাবলিক এইসব হজম করতে পারছে না। চোর শুনতে হবেই। পুরো পার্টি চোর। ওনার নেতৃত্বেই চোরেরা বড় হয়েছে। কেউ যদি জয় শ্রী রাম বলত উনি জেলে ভরে দিতেন। এখন চোর শুনতে কেমন লাগছে! প্রাক্তন সাংসদ বিধায়করা জেলে গেছেন। ওনার অনুপ্রেরণায় চুরি হয়েছে। এখন যদি কেউ চোর বলে শুনে নিন একটু। নিজের সহ্য ক্ষমতা বাড়ান। মানুষের মুখ কে বন্ধ করতে পারে? হাজার হাজার কোটি চুরি হয়েছে রাজ্যে। চোর কে? উনিই তো চোরের রাণী। আমি বলছি না। এটা কুণাল ঘোষ বলেছিলেন। আজ যদি পাবলিক সেটা বলে তাহলে ভুল কোথায়? ২) দেবরাজের সম্পত্তি ১০০ কোটি। বাঙালির যে এতো টাকা এটা আগে আমরা কোনোদিন শুনিনি। বড় শিল্পপতি মাড়োয়ারি তারা কোটি কোটি টাকার মালিক সেটা জানতাম। বাঙালি কিছু না করেই কোটি কোটি টাকার মালিক এই চমৎকার ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটিয়েছিলেন। তার দলের বেশিরভাগ নেতা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কেষ্ট মণ্ডল কোনোদিন একটা পঞ্চায়েত প্রধান হননি সেও ৬০০ কোটির মালিক। সেই জেলায় আরেকজন নেতা সম্প্রতি দেখা গেল সাড়ে ৩০০ কোটির মালিক। এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্বীকার করতে পারবেন? এই কারণেই তো আজ মমতা কে এইসব স্লোগান শুনতে হচ্ছে। ৩) টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ। পাওয়া যাচ্ছে না। বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ ইস্যু হয়েছে। ৪) পানিহাটি কাণ্ডে শ্মশান পর্যন্ত গ্রীন করিডোর। বেপাত্তা নির্মল ঘোষ। কতটা অমানবিক ব্যাপার ভাবুন। আজ কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে এবং জুতো চপ্পল খেতে হচ্ছে। এক মহিলা ডাক্তার। ৩৬ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন। তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হল। তারপর সেই দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করার জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান গ্রিন করিডোর তৈরি হল। বাবা মাকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। নান্টু ঘোষ হয়ে গেল অভিভাবক। সেই সমস্ত সইসাবুদ করে দিল! মমতা ব্যানার্জি নিজে এইসব করিয়েছেন। সবে শুরু হয়েছে। সবে ট্রেলার দেখছেন। ওনাকে আরও অনেক কিছু সহ্য করতে হবে। ৫) এসএসসি নিয়ে এবার কমিটিতে সামিল রামকৃষ্ণ মিশনের ৩ সন্যাসী। ওদের যে স্কুল কলেজ চলে সেটা যেকোনো স্কুল কলেজের থেকে ভালো। একসময় মিশনারিরা স্কুল কলেজ চালাতো। এখন রামকৃষ্ণ মিশন যাদের শিক্ষকরা সাধুর বেশে তপস্বী এবং শিক্ষাব্রতি তারা কমিটিতে এলেন। এরা কোনো দলে নেই। কোনো দুর্নীতিতে নেই। *দিলীপ ঘোষ* ১) শ্যামবাজারে চোর স্লোগান মমতা ব্যানার্জীকে। মমতা ব্যানার্জি নেতাজি কে নেতাজি বানিয়েছেন! দিল্লির বুকে নেতাজির মূর্তি স্থাপন করেছেন নরেন্দ্র মোদী। গোটা বিশ্বে নেতাজি কে পৌঁছে দিয়েছেন মোদী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির নাম নিয়ে রাজনীতি করেছেন। হঠাৎ দেশপ্রেমিক হতে গেছিলেন মমতা। ডজন ডজন লোককে খুন করা হয়েছিল। উনি কারুর বাড়ি জাননি। হঠাৎ সমবেদনা দেখাচ্ছেন। পাবলিক এইসব হজম করতে পারছে না। চোর শুনতে হবেই। পুরো পার্টি চোর। ওনার নেতৃত্বেই চোরেরা বড় হয়েছে। কেউ যদি জয় শ্রী রাম বলত উনি জেলে ভরে দিতেন। এখন চোর শুনতে কেমন লাগছে! প্রাক্তন সাংসদ বিধায়করা জেলে গেছেন। ওনার অনুপ্রেরণায় চুরি হয়েছে। এখন যদি কেউ চোর বলে শুনে নিন একটু। নিজের সহ্য ক্ষমতা বাড়ান। মানুষের মুখ কে বন্ধ করতে পারে? হাজার হাজার কোটি চুরি হয়েছে রাজ্যে। চোর কে? উনিই তো চোরের রাণী। আমি বলছি না। এটা কুণাল ঘোষ বলেছিলেন। আজ যদি পাবলিক সেটা বলে তাহলে ভুল কোথায়? ২) দেবরাজের সম্পত্তি ১০০ কোটি। বাঙালির যে এতো টাকা এটা আগে আমরা কোনোদিন শুনিনি। বড় শিল্পপতি মাড়োয়ারি তারা কোটি কোটি টাকার মালিক সেটা জানতাম। বাঙালি কিছু না করেই কোটি কোটি টাকার মালিক এই চমৎকার ঘটনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটিয়েছিলেন। তার দলের বেশিরভাগ নেতা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। কেষ্ট মণ্ডল কোনোদিন একটা পঞ্চায়েত প্রধান হননি সেও ৬০০ কোটির মালিক। সেই জেলায় আরেকজন নেতা সম্প্রতি দেখা গেল সাড়ে ৩০০ কোটির মালিক। এটা কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অস্বীকার করতে পারবেন? এই কারণেই তো আজ মমতা কে এইসব স্লোগান শুনতে হচ্ছে। ৩) টুলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ। পাওয়া যাচ্ছে না। বিদেশে গা ঢাকা দিয়ে আছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ ইস্যু হয়েছে। ৪) পানিহাটি কাণ্ডে শ্মশান পর্যন্ত গ্রীন করিডোর। বেপাত্তা নির্মল ঘোষ। কতটা অমানবিক ব্যাপার ভাবুন। আজ কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে এবং জুতো চপ্পল খেতে হচ্ছে। এক মহিলা ডাক্তার। ৩৬ ঘণ্টা ধরে ডিউটি করছেন। তার ওপর পাশবিক অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হল। তারপর সেই দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করার জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান গ্রিন করিডোর তৈরি হল। বাবা মাকে দেহ দেখতে দেওয়া হল না। নান্টু ঘোষ হয়ে গেল অভিভাবক। সেই সমস্ত সইসাবুদ করে দিল! মমতা ব্যানার্জি নিজে এইসব করিয়েছেন। সবে শুরু হয়েছে। সবে ট্রেলার দেখছেন। ওনাকে আরও অনেক কিছু সহ্য করতে হবে। ৫) এসএসসি নিয়ে এবার কমিটিতে সামিল রামকৃষ্ণ মিশনের ৩ সন্যাসী। ওদের যে স্কুল কলেজ চলে সেটা যেকোনো স্কুল কলেজের থেকে ভালো। একসময় মিশনারিরা স্কুল কলেজ চালাতো। এখন রামকৃষ্ণ মিশন যাদের শিক্ষকরা সাধুর বেশে তপস্বী এবং শিক্ষাব্রতি তারা কমিটিতে এলেন। এরা কোনো দলে নেই। কোনো দুর্নীতিতে নেই।1
- OBC,SC,STवर्ग को हक अधिकारों हिस्सेदारी न्याय की बात से मनुवादियों के दिलकी धड़कन तेज होजाती निकलो बाहर मकानों से जंग लड़ो बेईमानों से जिसकी जितनी संख्या भारी उसकी उतनी हिस्सेदारी OBC,SC,STवर्ग को मनुवादी पाखंडी लोग मच्छर मधुमक्खी की तरह चूसते हैं। जब हक अधिकारों हिस्सेदारी न्याय की बात से मनुवादियों के दिलकी धड़कन तेज होजाती निकलो बाहर मकानों से जंग लड़ो बेईमानों से जिसकी जितनी संख्या भारी उसकी उतनी हिस्सेदारी1
- बीनागंज में सकल व्यापारी संघ का शपथ ग्रहण समारोह संपन्न; प्रियेश श्रीमाल अध्यक्ष और विमल भार्गव बने कार्यकारी अध्यक्ष बीनागंज। बीनागंज के डायमंड सिटी में सकल व्यापारी संघ द्वारा एक भव्य व्यापारी मिलन एवं शपथ ग्रहण समारोह का आयोजन किया गया। कार्यक्रम का शुभारंभ अतिथियों द्वारा मां सरस्वती के चित्र पर माल्यार्पण एवं दीप प्रज्वलन के साथ हुआ। कार्यक्रम में क्षेत्रीय विधायक प्रियंका पेची मुख्य अतिथि के रूप में मौजूद रहीं, जबकि अध्यक्षता सकल व्यापारी संघ गुना के जिला अध्यक्ष राजेश अग्रवाल ने की। विशिष्ट अतिथि के रूप में चाचौड़ा-बीनागंज नगर परिषद अध्यक्ष प्रतिनिधि प्रदीप नाटाणी उपस्थित रहे समारोह के दौरान कमेटी की आपसी सहमति से प्रियेश श्रीमाल को सकल व्यापारी संघ बीनागंज का अध्यक्ष तथा विमल भार्गव को कार्यकारी अध्यक्ष मनोनीत किया गया। जिला अध्यक्ष राजेश अग्रवाल ने दोनों नवनियुक्त पदाधिकारियों को पद एवं गोपनीयता की शपथ दिलाई। इस अवसर पर बड़ी संख्या में स्थानीय व्यापारी एवं गणमान्य नागरिक उपस्थित रहे।4
- तेज बारिश के चलते वार्ड क्रमांक 7 की पुलिया टूटी। कई वर्षों से पार्षद द्वारा प्रयास किया जा रहा है। लेकिन पुलिया निर्माण आज तक अधूरा।1
- मनुवादी लोग चाहते हैं उनके हक अधिकारों को मच्छर मधुमक्खी की तरह चूसते रहें OBC,SC,STवर्ग को हक अधिकारों हिस्सेदारी न्याय की बात से मनुवादियों के दिलकी धड़कन तेज होजाती OBC,SC,STवर्ग को हक अधिकारों हिस्सेदारी न्याय की बात से मनुवादियों के दिलकी धड़कन तेज होजाती निकलो बाहर मकानों से जंग लड़ो बेईमानों से जिसकी जितनी संख्या भारी उसकी उतनी हिस्सेदारी1
- पीपली सरद से तेलनी स्कूल जाने वाले विद्यार्थियों की सुरक्षा पर गंभीर चिंता,पूर्व विधायक करण सिंह राठौड़ ने प्रशासन से मांगी तत्काल वैकल्पिक व्यवस्था पीपली सरद से तेलनी स्कूल जाने वाले विद्यार्थियों की सुरक्षा पर गंभीर चिंता,पूर्व विधायक करण सिंह राठौड़ ने प्रशासन से मांगी तत्काल वैकल्पिक व्यवस्था छीपाबड़ौद - छबड़ा पीपली सरद से तेलनी हाई सेकेंडरी स्कूल में पढ़ने जाने वाले विद्यार्थियों को बरसात के दौरान गंभीर परेशानी का सामना करना पड़ रहा है और उनकी जान को खतरा बना हुआ है। पीपली सरद और तेलनी के बीच बहने वाली नदी में बारिश के समय तेज उफान आ जाता है। इसके बावजूद विद्यार्थी तेज बहाव वाले पानी को पार कर स्कूल जाने को मजबूर हैं। पूर्व विधायक *करण सिंह राठौड़* ने बताया कि इस गंभीर समस्या से प्रशासन को पहले भी अवगत कराया जा चुका है, लेकिन अभी तक कोई स्थायी समाधान नहीं हुआ है। तेज बहाव के बीच बच्चों द्वारा नदी पार करना कभी भी बड़े हादसे का कारण बन सकता है। *राठौड़ ने कहा:* "प्रशासन को इस गंभीर समस्या को तत्काल संज्ञान में लेकर मौके का निरीक्षण करना चाहिए। यदि समय रहते विद्यार्थियों की सुरक्षा के लिए आवश्यक कदम नहीं उठाए गए तो किसी भी समय गंभीर हादसा हो सकता है। बच्चों की जान से बढ़कर कुछ भी नहीं है।" *प्रशासन से मांग* करण सिंह राठौड़ ने प्रशासन से मांग की कि: 1. *बरसात के दौरान विद्यार्थियों के लिए वैकल्पिक मार्ग* अथवा *सुरक्षित आवागमन की तत्काल व्यवस्था* की जाए। 2. *स्थायी समाधान* के लिए पुल/पुलिया निर्माण की कार्यवाही शीघ्र शुरू की जाए, ताकि विद्यार्थियों को जान जोखिम में डालकर स्कूल न जाना पड़े और किसी अप्रिय घटना को रोका जा सके।4