উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের যুবক প্রশান্ত দত্ত গত ১৬ জুন রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত ইউথ পার্লামেন্ট ন্যাশনাল লেভেল–২০২৬’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ত্রিপুরার জন্য এক অনন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট শহর থেকে দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ পর্যন্ত তাঁর এই যাত্রা সহজ ছিল না, কিন্তু নিজের মেধা আর আত্মবিশ্বাসের জোরে তিনি এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। ভারতের সংসদ ভবনের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রশান্ত নারী শক্তির ক্ষমতায়ন এবং জাতি গঠনে নারীদের অগ্রাধিকারমূলক ভূমিকাকে তাঁর মূল আলোচ্য বিষয় করেন। তিনি জোরালোভাবে তুলে ধরেন যে, বর্তমান সময়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ কতটা জরুরি, বিশেষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গাগুলিতে নারী নেতৃত্বের সক্রিয় উপস্থিতি কতটা প্রয়োজন। দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা সেরা প্রতিভাবান যুব প্রতিনিধিদের ভিড়ে তাঁর এই সাফল্য সমগ্র রাজ্যের যুবসমাজের বুকে এক নতুন প্রেরণার জোয়ার জাগিয়েছে। এক মিনিটেরও কম সময়ে নিজের ক্ষুরধার উপস্থাপনা, অটল আত্মবিশ্বাস এবং বিষয়ের গভীরতা দিয়ে প্রশান্ত দত্ত বিচারকমণ্ডলী ও উপস্থিত অতিথিদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাঁর এই অসাধারণ বাগ্মিতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতায় বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য প্রমাণ করে যে, ভৌগোলিক অবস্থান কখনোই মেধার প্রাচীর হতে পারে না; সঠিক সুযোগ ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে প্রান্তিক অঞ্চল থেকেও দেশের সর্বোচ্চ স্তরে সাফল্যের পতাকা ওড়ানো সম্ভব। প্রশান্ত দত্তের এই কৃতিত্বে ধর্মনগরসহ গোটা উত্তর ত্রিপুরা জেলায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন থেকে তাঁকে উজাড় করে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে ত্রিপুরার জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় তৈরি করেছে।
উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের যুবক প্রশান্ত দত্ত গত ১৬ জুন রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত ইউথ পার্লামেন্ট ন্যাশনাল লেভেল–২০২৬’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ত্রিপুরার জন্য এক অনন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট শহর থেকে দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ পর্যন্ত তাঁর এই যাত্রা সহজ ছিল না, কিন্তু নিজের মেধা আর আত্মবিশ্বাসের জোরে তিনি এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। ভারতের সংসদ ভবনের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রশান্ত নারী শক্তির ক্ষমতায়ন এবং জাতি গঠনে নারীদের অগ্রাধিকারমূলক ভূমিকাকে তাঁর মূল
আলোচ্য বিষয় করেন। তিনি জোরালোভাবে তুলে ধরেন যে, বর্তমান সময়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ কতটা জরুরি, বিশেষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গাগুলিতে নারী নেতৃত্বের সক্রিয় উপস্থিতি কতটা প্রয়োজন। দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা সেরা প্রতিভাবান যুব প্রতিনিধিদের ভিড়ে তাঁর এই সাফল্য সমগ্র রাজ্যের যুবসমাজের বুকে এক নতুন প্রেরণার জোয়ার জাগিয়েছে। এক মিনিটেরও কম সময়ে নিজের ক্ষুরধার উপস্থাপনা, অটল আত্মবিশ্বাস এবং বিষয়ের গভীরতা দিয়ে প্রশান্ত দত্ত বিচারকমণ্ডলী ও উপস্থিত অতিথিদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাঁর এই অসাধারণ
বাগ্মিতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতায় বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য প্রমাণ করে যে, ভৌগোলিক অবস্থান কখনোই মেধার প্রাচীর হতে পারে না; সঠিক সুযোগ ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে প্রান্তিক অঞ্চল থেকেও দেশের সর্বোচ্চ স্তরে সাফল্যের পতাকা ওড়ানো সম্ভব। প্রশান্ত দত্তের এই কৃতিত্বে ধর্মনগরসহ গোটা উত্তর ত্রিপুরা জেলায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন থেকে তাঁকে উজাড় করে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে ত্রিপুরার জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় তৈরি করেছে।
- সিপিআইএম-এর ডাকে উত্তর ত্রিপুরার কদমতলা বাজারে পেট্রোল, ডিজেল এবং রান্নার গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিবাদ মিছিলে সিপিআইএম ধর্মনগর মহকুমা কমিটির সম্পাদক মন্ডলী সদস্য কমরেড জহুরুল হক, কদমতলা অঞ্চল সম্পাদক অনিমেষ নাথ, হরিপদগোর স্বামী এবং সিপিআইএম চুড়াইবাড়ী অঞ্চল সম্পাদক কমরেড আব্দুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে অন্যান্য নেতৃত্ব ও কমরেড গণও এই বিক্ষোভে অংশ নেন, যা মূলত পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসসহ ক্রমবর্ধমান দ্রব্যমূল্যের বিরুদ্ধে আয়োজন করা হয়েছিল।2
- ধর্মনগরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে তহবিল কার্য্য, আর্থসামাজিক চেতনা বৃদ্ধি এবং পরিবার ও সমাজকে রক্ষাকবচ প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তহবিল কার্য্য পরিবার ও সমাজকে সুরক্ষিত করে, আর্থসামাজিক চেতনা ও আদর্শের বিকাশ ঘটিয়ে একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে উল্লেখ করা হয়। এই কার্যক্রমে ধর্মনগরের বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রীমতি বাণী চৌধুরী 'মহিলা অগ্রণী মণ্ডলী'র কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর বিশেষ ভূমিকা নিয়ে উপস্থিত জন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠানের সভানেত্রী শ্রীমতি তপশ্রী চক্রবর্তী তাঁর স্বাগত ভাষণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং আলোচনার বিভিন্ন দিকগুলির গুরুত্ব সম্পর্কে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কার্যক্রম ও তার প্রয়োজনীয়তা বিষয়েও বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রতিভা বর্ধন একটি বিশেষ প্রবন্ধ পাঠ করেন। আলোচনা ও কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধের প্রাণবন্ত সংগঠন ও কার্যকলাপগুলি পরিবেশিত হয়। এই শুভ দিনে উপস্থিত সকলেই সংগঠনটির উদ্যোগকে সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী আখ্যায়িত করেন। সামাজিক, সাংস্কৃতিক পরিবেশ এবং নৈতিক মানসের স্বার্থে এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব অপরিসীম বলে উল্লেখ করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা হয়েছে।4
- ধলাই জেলার মিচুরিয়া এলাকায় জামথুং–মরাছড়া সড়কের একটি সেতু ভেঙে যাওয়ায় স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই ঘটনার ফলে হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন। এলাকার ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা দ্রুত সেতুটি সংস্কারের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।1
- ত্রিপুরার তেলিয়ামুরায় গভীর রাতে কী ঘটছিল এবং কেনই বা সেখানে অভিযান চালানো হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে স্থানীয় মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।1
- খোয়াইয়ের নতুন জেলা সভাপতি সমীর কুমার দাস জেলাটিকে বাম মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই জেলার মানুষকে বাম মুক্ত করার জন্য ডাক দিয়েছেন।1
- উত্তর ত্রিপুরা জেলার ধর্মনগরের যুবক প্রশান্ত দত্ত গত ১৬ জুন রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত ইউথ পার্লামেন্ট ন্যাশনাল লেভেল–২০২৬’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ত্রিপুরার জন্য এক অনন্য সম্মান বয়ে এনেছেন। সীমান্তবর্তী একটি ছোট্ট শহর থেকে দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ পর্যন্ত তাঁর এই যাত্রা সহজ ছিল না, কিন্তু নিজের মেধা আর আত্মবিশ্বাসের জোরে তিনি এই অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছেন। ভারতের সংসদ ভবনের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে বক্তব্য রাখার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রশান্ত নারী শক্তির ক্ষমতায়ন এবং জাতি গঠনে নারীদের অগ্রাধিকারমূলক ভূমিকাকে তাঁর মূল আলোচ্য বিষয় করেন। তিনি জোরালোভাবে তুলে ধরেন যে, বর্তমান সময়ে সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ কতটা জরুরি, বিশেষ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গাগুলিতে নারী নেতৃত্বের সক্রিয় উপস্থিতি কতটা প্রয়োজন। দেশের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে আসা সেরা প্রতিভাবান যুব প্রতিনিধিদের ভিড়ে তাঁর এই সাফল্য সমগ্র রাজ্যের যুবসমাজের বুকে এক নতুন প্রেরণার জোয়ার জাগিয়েছে। এক মিনিটেরও কম সময়ে নিজের ক্ষুরধার উপস্থাপনা, অটল আত্মবিশ্বাস এবং বিষয়ের গভীরতা দিয়ে প্রশান্ত দত্ত বিচারকমণ্ডলী ও উপস্থিত অতিথিদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন। তাঁর এই অসাধারণ বাগ্মিতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতায় বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্য প্রমাণ করে যে, ভৌগোলিক অবস্থান কখনোই মেধার প্রাচীর হতে পারে না; সঠিক সুযোগ ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে প্রান্তিক অঞ্চল থেকেও দেশের সর্বোচ্চ স্তরে সাফল্যের পতাকা ওড়ানো সম্ভব। প্রশান্ত দত্তের এই কৃতিত্বে ধর্মনগরসহ গোটা উত্তর ত্রিপুরা জেলায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন থেকে তাঁকে উজাড় করে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে ত্রিপুরার জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় তৈরি করেছে।3
- ধর্মনগরের দেওয়ানপাশা এলাকায় একটি টমটম ই-রিক্সা চালিয়ে যাওয়ার সময় তার ধাক্কায় এক পথচারী আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তির নাম সত্যনারায়ণ, তাঁর বয়স ৪৫ বছর এবং তিনি দেওয়ানপাশা এলাকারই বাসিন্দা। এই দুর্ঘটনার পর দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত সত্যনারায়ণকে উদ্ধার করে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।3
- ধলাইয়ের মেচুরিয়ায় বিয়ের খরচের ২ লক্ষ টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে একটি রক্তাক্ত পারিবারিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। এই মর্মান্তিক সংঘর্ষে বাবার দা-এর কোপে ছেলে সুমিত দাস গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন।1
- ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেস শুক্রবার আগরতলা শহরে এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে, যেখানে মণীষা দাসের ন্যায্য বিচারের দাবিতে এবং রাজ্যে নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পক্ষে সরব হয়। মিছিলটি পুলিশের মহা নির্দেশকের (ডিজিপি) কাছে ডেপুটেশন প্রদান করতে গেলে ফায়ার ব্রিগেড চৌমুহনী এলাকায় পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং আটকে রাখে। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ত্রিপুরা প্রদেশ মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সর্বানি ঘোষ চক্রবর্তী অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট জানান যে, মণীষা দাসের মৃত্যুর ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতেই তাদের এই কর্মসূচি। একইসাথে তিনি প্রশাসনের কাছে রাজ্যে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি জানান। মহিলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দৃঢ়ভাবে জানানো হয়েছে যে, তাদের এই দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।1